Posts Tagged ‘মার্কসবাদ’


লিখেছেন: আনু মুহাম্মদ

[এই লেখাটি ১৯৮৬ সালে ‘সংস্কৃতি’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। লেখাটির গুরুত্ব অনুধাবন করে তা পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতে মঙ্গলধ্বনি’তে প্রকাশ করা হলো। লেখাটি মঙ্গলধ্বনি’র কাছে পাঠাতে সহযোগিতা করেছেন মাসুদ রানা ও আসাদুজ্জামান আল মুন্না।সম্পাদক]

পুঁজিবাদের উদ্ভব এবং বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকশ্রেণীর উদ্ভব এবং বিকাশ ঘটে। আবার তা থেকে জন্ম নেয় শ্রমিকশ্রেণীর রাজনৈতিক মতাদর্শ, জন্ম হয় তার হাতিয়ার শ্রমিকশ্রেণীর পার্টির। ১৮৪৮ সালে যখন ইউরোপে পুঁজিবাদ দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত; শ্রমিকশ্রেণীও একইভাবে যখন একটি শক্তি হিসেবে উদ্ভূত সেই সময়ই কার্ল মার্কস এবং ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্টি ইশতেহারের মাধ্যমে ঘোষণা করেন যে, শুধুমাত্র অর্থনৈতিক আন্দোলন করে মজুরী বৃদ্ধি করাই শ্রমিকশ্রেণীর ঐতিহাসিক দায়িত্ব নয়, তার মুক্তির পথ নয়। সমাজ বিকাশের ধারায় অগ্রসর মতাদর্শ ধারণ করে তাকে শোষণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থাই উৎখাত করতে হবে নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থার পত্তন ঘটানোর দায়িত্ব তাঁদেরই। তাঁদের এবং মানব জাতির এটাই হচ্ছে মুক্তির পথ। এ কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সমাজ বিপ্লব ঘটাতে প্রয়োজন হবে তাঁদেরই একটি সুসংগঠিত পার্টির। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: অশোক চট্টোপাধ্যায়

Modi_Hitlerএকবিংশ শতাব্দীর একটা দশক অতিক্রান্তির উত্তরপর্বে দাঁড়িয়েও বিগত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকটিকে বিস্মৃত হওয়া সম্ভব নয়। নব্বইয়ের দশকটি আমাদের দেশে উগ্র ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের নগ্ন প্রকাশের দশক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে পাঞ্জাবের নবগঠিত হিন্দুসভা পরবর্তী আট বছরের মাথায় ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে সারা ভারত হিন্দুমহাসভা নামে আত্মপ্রকাশ করেছিল। এই ঘটনার ঠিক দশ বছরের মাথায় ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় জঙ্গি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ বা আরএসএস। ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্বহিন্দু পরিষদ। এখন আর জনসঙ্ঘ নেই, সেখানে হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি। সঙ্ঘপরিবারের মূল নিয়ন্তা শক্তি হলো আরএসএস। এর সহযোগী হিসেবে শিবসেনা সহ অন্যেরা তো আছেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

naxal-movement-321আজকের পৃথিবীতে সকল সংস্কৃতি, সকল সাহিত্য ও সকল শিল্পই বিশেষ শ্রেণীর সম্পত্তি এবং বিশেষ রাজনৈতিক লাইন প্রচার করাই তার কাজ। শিল্পের জন্য শিল্প, শ্রেণী স্বার্থের ঊর্ধ্বে অবস্থিত বা রাজনীতির সাথে সম্পর্কহীন ও স্বাধীন শিল্প বলে আসলে কিছুই নেই। প্রলেতারীয় সাহিত্য ও শিল্প হচ্ছে সমগ্র প্রলেতারীয় বিপ্লবী লক্ষ্যেরই একটি অংশ; লেনিনের ভাষায় তা হচ্ছে বিপ্লবী যন্ত্রেরই দাঁত এবং চাকা। (শিল্প ও সাহিত্য প্রসঙ্গে মাওয়ের ইয়েনানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে গৃহিত) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

world-to-win

[নির্বাচন সম্পর্কে বামপন্থী মহলে একটা বিতর্ক রয়েছে বহুপূর্ব হতেই। কেউ বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষে সাফাই দেন; কেউ বা জাতীয় নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে যুক্তি দেখান; আবার কেউ বা শাসকশ্রেণীর কোনো একটি অংশকে “মন্দের ভালো” জ্ঞান করে তাতেই নিজের আখের গোছাতে মত্ত হন। আবার কেউ কেউ “নির্বাচন মানেই সংশোধনবাদ” এমন তত্ত্ব ফেরি করেন। কোনো কোনো বামপন্থী সংগঠন ভারতের রাজধানী দিল্লীতে আত্মপ্রকাশ করা আম আদমি পার্টির সাথে নিজেদের মেলাচ্ছে; আবার কেউ বা এই নির্বাচনে শ্রেণী–সংগ্রামের স্বপ্নও দেখেন! এমন বিবিধ চিন্তা–চেতনায় কেউ কেউ বিভ্রান্তও হতে পারেন। তাই এ নিয়ে কিছু লেখা, তথা নির্বাচন সম্পর্কে নিজের অবস্থান তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। এই লেখাটি যেহেতু নির্বাচন সম্পর্কিত অবস্থান; তাই এখানে সংক্ষিপ্তাকারে হলেও এভূখণ্ডে পুঁজিবাদ–সাম্রাজ্যবাদের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরাটা জরুরী। আর এর মাধ্যমে ইতিহাস ও মতাদর্শের আলোয় বাংলাদেশের আর্থ–সামাজিক কাঠামোর সাথে নির্বাচনের বিষয়টি মিলিয়ে দেখা সম্ভব হবে বলেই আমার ধারণা।।]

(বিস্তারিত…)


mongoldhonyপ্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনিসাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংখ্যা। সাম্রাজ্যবাদকে বিভিন্নজন বিভিন্ন আঙ্গিকে ব্যাখ্যাবিশ্লেষণ করেছেন এবারের সংখ্যায়। প্রচ্ছদ করেছেন হেলাল সম্রাট। সহযোগিতায় ছিলেন আবিদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, অনুপ কুণ্ডু, আব্দুল্লাহ আলশামছ্‌ বিল্লাহ, তৌফিক খান, সুস্মিতা তাশফিন, কৌস্তভ অপু প্রমুখ। ২১ ফর্মার এই সংখ্যাটির বিনিময় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০টাকা। নিম্নে এবারের সংখ্যার সম্পাদকীয়, সূচিপত্র এবং প্রাপ্তিস্থান তুলে দেওয়া হলো।

—————————————

সম্পাদকীয়

সাম্রাজ্যবাদ পূর্বের ন্যায় কেবলমাত্র অস্ত্রহাতেই কি তার উপস্থিতি, নাকি এখন সে ভিন্ন কৌশলে অভিন্ন উদ্দেশ্যে ঘরের দোরগোড়ায় উপস্থিত ফুলেল মুখোশে? আর সেই মুখোশ চিনে নিতে আমরা নিজেরাই বা কতোটা প্রস্তুত? (বিস্তারিত…)


3heads26432(মার্কসবাদলেনিনবাদ নিয়ে বামপন্থি রাজনৈতিক কর্মী এবং বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে কোন বিতর্ক না থাকলেও মাওবাদ নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে কমিউনিজমের জ্ঞান ভাণ্ডারে মাও সেতুঙএর অবদানকে মতাদর্শের পর্যায়ে নেয়া যায় কিনা, বিতর্কটা সেই বিষয়ে। অনেকেই মাওএর অবদানকে স্বীকার করেন, কিন্তু “মাওবাদ” হিসেবে তাকে স্বীকার করেন না। তাদের বক্তব্য এটা চীনের বাস্তবতায় মার্ক্সবাদের সৃজনশীল প্রয়োগ। অপরদিকে, মাওবাদএর সমর্থকদের মতে, মাও সেতুঙএর অবদান মার্কসবাদ, লেনিনবাদের মতোই মাওবাদে উন্নীত হয়েছে এবং এর বিশ্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। মাওবাদ সাম্যবাদী মতাদর্শকে বিকাশের এক তৃতীয় এবং নতুন স্তরে উন্নীত করেছে। এই আলোচনা শুরু করার আগে আমাদের একটি মানদণ্ডের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছাতে হবে। সেটা হলো কখন একটি অবদান মতবাদে উন্নীত হয়? মাওবাদীদের বক্তব্য হলো দর্শনঅর্থনীতিরাজনীতিতে মৌলিক অবদান হলেই সেটা মতবাদ হতে পারে। নিম্নলিখিত আলোচনাতে সেটাই দেখানো হয়েছে।

এই বিতর্ক যে শুধু বাংলাদেশেই আছে তা নয়, সারা দুনিয়াজুড়ে এই বিতর্ক চলমান রয়েছে। এই বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনটি লেখা আগ্রহী পাঠকদের জন্য দেয়া হলো। প্রথমটি পেরুর কমিউনিষ্ট পার্টি (শাইনিং পাথ)র চেয়ারম্যান অ্যাবিমেল গুজমান গনজালো লেখা; যা দলীয় দলিল হিসেবে প্রকাশিত। এটাই হলো সেই দলিল যেখানে পেরুর পার্টি সর্বপ্রথম মাও সেতুঙএর অবদান, যা মাও সেতুঙ চিন্তাধারা হিসেবে চর্চিত ছিল, তাকে মাওবাদ হিসেবে সূত্রায়ন করেন। দ্বিতীয় লেখাটি নেপালের কমিউনিষ্ট পার্টি সভাপতি প্রচণ্ডএর লেখা। নেপালে মাও বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনি এই লেখাটি লিখেছিলেন। আর তৃতীয় এবং শেষ লেখাটি বাঙলাদেশের একজন বিপ্লবী বুদ্ধিজীবি রায়হান আকবরএর লেখা। এই তিনটি লেখার বিষয়বস্তু একই। মতবাদ হিসেবে মাওবাদকে প্রতিষ্ঠিত করা। আর বিপ্লবী রাজনীতির পক্ষের চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গের জন্য তা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই এটি মঙ্গলধ্বনিতে প্রকাশিত হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। আজ প্রকাশিত হচ্ছে তৃতীয় লেখাটি। উক্ত তিনটি লেখা আমাদের সংগ্রহ করে পাঠিয়েছেন নূরুর রহমান। মঙ্গলধ্বনি) (বিস্তারিত…)


prachanda-nepal-121(মার্কসবাদলেনিনবাদ নিয়ে বামপন্থি রাজনৈতিক কর্মী এবং বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে কোন বিতর্ক না থাকলেও মাওবাদ নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে কমিউনিজমের জ্ঞান ভাণ্ডারে মাও সেতুঙএর অবদানকে মতাদর্শের পর্যায়ে নেয়া যায় কিনা, বিতর্কটা সেই বিষয়ে। অনেকেই মাওএর অবদানকে স্বীকার করেন, কিন্তু “মাওবাদ” হিসেবে তাকে স্বীকার করেন না। তাদের বক্তব্য এটা চীনের বাস্তবতায় মার্ক্সবাদের সৃজনশীল প্রয়োগ। অপরদিকে, মাওবাদএর সমর্থকদের মতে, মাও সেতুঙএর অবদান মার্কসবাদ, লেনিনবাদের মতোই মাওবাদে উন্নীত হয়েছে এবং এর বিশ্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। মাওবাদ সাম্যবাদী মতাদর্শকে বিকাশের এক তৃতীয় এবং নতুন স্তরে উন্নীত করেছে। এই আলোচনা শুরু করার আগে আমাদের একটি মানদণ্ডের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছাতে হবে। সেটা হলো কখন একটি অবদান মতবাদে উন্নীত হয়? মাওবাদীদের বক্তব্য হলো দর্শনঅর্থনীতিরাজনীতিতে মৌলিক অবদান হলেই সেটা মতবাদ হতে পারে। নিম্নলিখিত আলোচনাতে সেটাই দেখানো হয়েছে।

এই বিতর্ক যে শুধু বাংলাদেশেই আছে তা নয়, সারা দুনিয়াজুড়ে এই বিতর্ক চলমান রয়েছে। এই বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনটি লেখা আগ্রহী পাঠকদের জন্য দেয়া হলো। প্রথমটি পেরুর কমিউনিষ্ট পার্টি (শাইনিং পাথ)র চেয়ারম্যান অ্যাবিমেল গুজমান গনজালো লেখা; যা দলীয় দলিল হিসেবে প্রকাশিত। এটাই হলো সেই দলিল যেখানে পেরুর পার্টি সর্বপ্রথম মাও সেতুঙএর অবদান, যা মাও সেতুঙ চিন্তাধারা হিসেবে চর্চিত ছিল, তাকে মাওবাদ হিসেবে সূত্রায়ন করেন। দ্বিতীয় লেখাটি নেপালের কমিউনিষ্ট পার্টি সভাপতি প্রচণ্ডএর লেখা। নেপালে মাও বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনি এই লেখাটি লিখেছিলেন। আর তৃতীয় এবং শেষ লেখাটি বাঙলাদেশের একজন বিপ্লবী বুদ্ধিজীবি রায়হান আকবরএর লেখা। এই তিনটি লেখার বিষয়বস্তু একই। মতবাদ হিসেবে মাওবাদকে প্রতিষ্ঠিত করা। আর বিপ্লবী রাজনীতির পক্ষের চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গের জন্য তা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই এটি মঙ্গলধ্বনিতে প্রকাশিত হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। আজ প্রকাশিত হচ্ছে দ্বিতীয় লেখাটি। উক্ত তিনটি লেখা আমাদের সংগ্রহ করে পাঠিয়েছেন নূরুর রহমান। মঙ্গলধ্বনি) (বিস্তারিত…)


solidarity-maoism-gonzalo-2(মার্কসবাদলেনিনবাদ নিয়ে বামপন্থি রাজনৈতিক কর্মী এবং বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে কোন বিতর্ক না থাকলেও মাওবাদ নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে কমিউনিজমের জ্ঞান ভাণ্ডারে মাও সেতুঙএর অবদানকে মতাদর্শের পর্যায়ে নেয়া যায় কিনা, বিতর্কটা সেই বিষয়ে। অনেকেই মাওএর অবদানকে স্বীকার করেন, কিন্তু “মাওবাদ” হিসেবে তাকে স্বীকার করেন না। তাদের বক্তব্য এটা চীনের বাস্তবতায় মার্ক্সবাদের সৃজনশীল প্রয়োগ। অপরদিকে, মাওবাদএর সমর্থকদের মতে, মাও সেতুঙএর অবদান মার্কসবাদ, লেনিনবাদের মতোই মাওবাদে উন্নীত হয়েছে এবং এর বিশ্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। মাওবাদ সাম্যবাদী মতাদর্শকে বিকাশের এক তৃতীয় এবং নতুন স্তরে উন্নীত করেছে। এই আলোচনা শুরু করার আগে আমাদের একটি মানদণ্ডের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছাতে হবে। সেটা হলো কখন একটি অবদান মতবাদে উন্নীত হয়? মাওবাদীদের বক্তব্য হলো দর্শনঅর্থনীতিরাজনীতিতে মৌলিক অবদান হলেই সেটা মতবাদ হতে পারে। নিম্নলিখিত আলোচনাতে সেটাই দেখানো হয়েছে।

এই বিতর্ক যে শুধু বাংলাদেশেই আছে তা নয়, সারা দুনিয়াজুড়ে এই বিতর্ক চলমান রয়েছে। এই বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনটি লেখা আগ্রহী পাঠকদের জন্য দেয়া হলো। প্রথমটি পেরুর কমিউনিষ্ট পার্টি (শাইনিং পাথ)র চেয়ারম্যান অ্যাবিমেল গুজমান গনজালো লেখা; যা দলীয় দলিল হিসেবে প্রকাশিত। এটাই হলো সেই দলিল যেখানে পেরুর পার্টি সর্বপ্রথম মাও সেতুঙএর অবদান, যা মাও সেতুঙ চিন্তাধারা হিসেবে চর্চিত ছিল, তাকে মাওবাদ হিসেবে সূত্রায়ন করেন। দ্বিতীয় লেখাটি নেপালের কমিউনিষ্ট পার্টি সভাপতি প্রচণ্ডএর লেখা। নেপালে মাও বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনি এই লেখাটি লিখেছিলেন। আর তৃতীয় এবং শেষ লেখাটি বাঙলাদেশের একজন বিপ্লবী বুদ্ধিজীবি রায়হান আকবরএর লেখা। এই তিনটি লেখার বিষয়বস্তু একই। মতবাদ হিসেবে মাওবাদকে প্রতিষ্ঠিত করা। আর বিপ্লবী রাজনীতির পক্ষের চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গের জন্য তা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই এটি মঙ্গলধ্বনিতে প্রকাশিত হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। আজ প্রকাশিত হচ্ছে প্রথম লেখাটি। উক্ত তিনটি লেখা আমাদের সংগ্রহ করে পাঠিয়েছেন নূরুর রহমান। মঙ্গলধ্বনি) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

Communist_International-098একশো পঞ্চাশ বছর পূর্তী হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্কিং মেনস অ্যাসোসিয়েশনের (আইডব্লিউএমএ), যা প্রথম আন্তর্জাতিক হিসাবেও পরিচিত। ১৮৬৪ সালে লন্ডনে কার্ল মার্কসের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় শ্রমিক শ্রেণীর এই সংগঠন।[] যা ইউরোপের বিভিন্ন প্রান্তে সংঘটিত শ্রমিক আন্দোলনগুলির সমন্বয় সাধন করে। শ্রমিকধর্মঘটে সমর্থন যোগায় এবং ফ্রান্সপ্রুশিয়া যুদ্ধের সময়ে যুদ্ধবিরোধী প্রচার চালায়। আর শ্রমিক শ্রেণীর আন্তর্জাতিক সংহতি ও সমাজবাদের আদর্শের প্রসারে ভূমিকা নেয়। এর মধ্যেই ১৮৭১ সালে প্যারি কমিউনের মাধ্যমে সর্বহারার প্রথম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়। (বিস্তারিত…)


Mofakhaffer Ul Chowdhury-1

মোফাখ্খার চৌধুরী

(আমরা সাধারণত “ক্রসফায়ার”এর একমুখী প্রচারপ্রচারণাটাই শুনে থাকি, এমনকি একেই সত্য বলে ধরে নিই, কিন্তু তার অপরদিকের সত্যটা আমাদের সামনে উন্মোচিত হয় না, বা হতে দেওয়া হয় না। এই “ক্রসফায়ার”এর অন্তর্নিহিত কারণ এবং এর সাথে রাষ্ট্রের রাজনৈতিকতার সম্পর্কটাও তুলে ধরা হয়েছে নেসার আহমেদ সম্পাদিত ক্রসফায়ার’ রাষ্ট্রের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বইটিতে। বইটি হয়তো অনেকেই পড়েছেন, আবার অনেকেরই হয়তো তা এখনো পড়া হয়নি। আর এ জন্যই এই বইয়ের প্রতিবেদনসমূহ এখানে পর্যায়ক্রমিকভাবে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সম্পাদক)

প্রতিনিধি পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল)

নেসার: আপনার নাম, দলের নাম এবং পার্টিতে আপনার সাংগঠনিক অবস্থান উল্লেখ করে আলোচনা শুরু করা যেতে পারে।

তুষার: আমার নাম তুষার। আমি পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল) এর একজন প্রতিনিধি। (বিস্তারিত…)