Posts Tagged ‘মানবিকতা’


লিখেছেন: সারোয়ার তুষার

বহুদিন পর উঁহু, সম্ভবত এই প্রথম বস কোনো কাজের কাজ দিয়েছে বলে মনে হলো তার। চাকরিতে জয়েন করার পর এ পর্যন্ত যেসব অ্যাসাইনমেন্ট তূর্য পেয়েছে, সেসব শুধুমাত্র জঘন্যই না, অনেকটা ‘ডোন্ট ডিস্টার্ব দ্য বিগ ব্রাদার’ টাইপ। তারপরেও করতে হতো। করতে হয়। অন্নসংস্থান বলে কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করার পর কি করবো, কি করবো এই যখন অবস্থা তূর্যের, তখন বন্ধুস্বজন অনেকেই সাংবাদিকতায় ঢোকার পরামর্শ দিয়েছিল। সেই অর্থে আটটাপাঁচটা ডিউটি নাই, ফ্রিডম আছে। আর তার যেহেতু লেখালেখির বাতিক আছে, সেই সুযোগও নাকি পাওয়া যাবে। শিক্ষকতায় ঢুকতে পারলে নাকি সবচেয়ে ভালো হতো অবারিত স্বাধীনতা, আবার জাতির বিবেকও নাকি হওয়া যায়! শুনেই তূর্যের ভিড়মি খাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল, আরঙ্গে সঙ্গেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলো যাক, তাহলে সাংবাদিকতাই ভালো। শিক্ষক হয়ে জাতির বিবেক মারার মত রুঢ় পরিহাস তো অন্তত করতে হবে না। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

lalon-1111এখনও পর্যন্ত সমাজ বাস্তবতা হলো এই যে, অভিজাতের আঙ্গিনায় ঘুরাঘুরি না করলে শিক্ষিত পদবাচ্যে ভূষিত হওয়া যায় না। গ্রামের কৃষিজীবীপেশাজীবী মানুষ, অভিজাতেরা যাঁদেরকে “লোক” বলে অভিহিত করে থাকেন তাঁদের মধ্য থেকে কারো শিক্ষিতের স্বীকৃতি পেতে চাইলে তাঁকে অবশ্যই অভিজাতের আঙ্গিনায় আসতে হবে। এখনও পর্যন্ত শিক্ষিত পদবাচ্যের স্বীকৃতি দানের মালিক অভিজাতেরা। “লোক” মানুষ যত জ্ঞান চর্চাই করুণ না কেন, হোক সেটা দর্শন কিংবা হোক সেটা বিজ্ঞান অথবা হোক সেটা সমাজ ভাবনা –সেই মানুষ যদি অভিজাতের আঙ্গিনায় না আসেন তবে তিনি আর যাই হোক শিক্ষিতের স্বীকৃতি পাবেন না। এখনও পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সবচেয়ে বিবর্ণ রূপটারও তত্ত্বাবধায়ক অভিজাত শ্রেণি। ধর্ম শিক্ষার নামে মানব মস্তিষ্কের ওপর যে নির্মম পেষণ তা বরাবরই অভিজাতের হাতে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাতো বটেই এর বাইরে যাঁরা স্বশিক্ষিত রূপে পরিচয় পেয়েছেন তাঁদেরকেও সে পরিচয়টুকু অভিজাতের আঙ্গিনা থেকেই সংগ্রহ করতে হয়েছে। তাঁদের আঙ্গিনার বাইরে কোন শিক্ষা থাকতে পারে তা অভিজাতরা কখনোই মানতে পারেন না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

abstract_pain-7কবিতা প্রসংগে ৬০এর এক কবি আমাকে ১০টি প্রশ্ন করেছিলেন, স্বীকার করতে কার্পণ্য নেই তাঁর প্রশ্নগুলোর যুৎসই জবাব আমি দিতে পারছিলাম না। শেষ প্রশ্নটি ছিলো : আমরা যা লিখছি তা কী বাংলা সাহিত্যে কোনো অবদানের সৃষ্টি করছে! আমি গাঁই গুই করছিলাম, কিন্তু পাল্টা প্রশ্ন এলো ‘কী অবদানের সৃষ্টি করেছে বলেন’হ্যাঁ, বলবার যা ছিলো তা যুৎসই মনে হচ্ছিল না। সত্য এই যে, এরকম জিজ্ঞাসা আমার মধ্যেও বিরাজ করছে। কারণও আছে আর তা’ হলো সৃষ্টিতে ক্লিবতা, চারিদিকের নৈরাজ্য, সমাজের বন্ধ্যাত্ব, পারস্পরিক বিচ্ছিন্নতা, শিল্পসাহিত্যসংস্কৃতির প্রশ্নে রাষ্ট্রের অনুল্লেখ্য আগ্রহ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ওমর শামস

protest-poetry-1মানুষের ন্যায়সততা যতো পুরোনো, অন্যায়ও ততো পুরোনো। এবং ইতিহাসে তা ঘুরেঘুরে চলেছে। স্বাভাবিকভাবে, অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার অনুভূতিকে মানুষ প্রকাশ করে এসেছে আগেও, এখনো। ব্যাক্তিগত অন্যায় এক জিনিশ, আর দলগত, সমাজগত, রাষ্ট্রগত অনৈতিকতা আরেক মাত্রার ব্যাপার যাতে আমরা সমষ্টি হিশেবে আক্রান্ত হই। কবিতা যেহেতু অনুভূতি প্রকাশের ক্রিয়াশীল মাধ্যম, অন্যায়ের প্রতিবাদে, রাজনৈতিকসাংগঠনিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ধর্মাচ্ছদনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, রাষ্ট্রীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে কবি ও কবিতার প্রতিবাদ তো হবেই। ইতিহাস ও অর্থনীতির বিশ্লেষণে মার্ক্সবাদের ভিত্তিভূমি তৈরী হওয়ায়, পৃথিবীর রাজনীতি বিশ শতকে এসে কাপিটালনীতিতে তাড়িত হওয়ায়, কম্যুনিজমে পার্টি স্বৈরতন্ত্র হওয়ায়, গণতন্ত্রর বিফলতায়, উন্নত ও অনুন্নত দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক বিভাজন থাকায়, দেশজনতা ভেদে ক্ষমতার স্তরীকরণ থাকায় প্রায় অরাজনৈতিক কবির পক্ষেও অন্যায়বিরোধী উচ্চারণ একেবারে এড়িয়ে যাওয়া মুশকিল। নিরঙ্কুশ বিশুদ্ধতাবাদী রসিকরা সব কালেই ছিলেন, আছেন যাঁরা কবিতার প্রদেশ থেকে সামাজিক উচ্চারণকে নির্বাসন দিলেই স্বস্তি বোধ করেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

Gaza-1গাজায় মুসলমান মরছে বললে সমস্যা কি?’ শিরোনামে বন্ধু যিশু মহমমদের একটি লেখা অনলাইন পত্রিকা ‘মঙ্গলধ্বনি’তে প্রকাশিত হয়েছে। লেখাটিতে তিনি যে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন সে বিষয়ে পরে এসে প্রথমেই শিরোনামে প্রশ্নটিকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে সে বিষয়ে মূল আলোচনা সেরে নেয়া জরুরি। তার প্রশ্ন তোলার ধরন থেকে অনিবার্যরূপে যে সিদ্ধান্তটি বেরিয়ে আসছে তাহলো: গাজায় ‘মুসলমান মরছে’ এ কথা বললে কোনো সমস্যা নেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: যিশু মহমমদ

israeli-attack-on-gazaগাজায় মুসলমান মরছে বলার চেয়ে মানুষ মরছে বলাটা অধিক নিরাপদ। কেউ চালাকি করে, কেউ বোকামি ও আবেগি হয়ে এমনটা করছে। আপনারা নিশ্চয় খেয়াল করেছেন, বাংলাদেশে বসে গাজায় হামলার প্রতিবাদের তুলনায় মুসলমান ও মানুষ কোন পরিচয়টাকে উর্ধ্বে তুলে ধরা হবে সেই নিয়ে এক জাতের প্রগতিশীলরা বিস্তর বাক্য আলাপ করছে। তারা ধর্ম বর্ণ ছাপিয়ে মানুষ পরিচয়কে মহীয়ান করতে চাইছে। যেন তারা বাক্য খর্চা না করলে দুনিয়ার মানুষ ভীষণ খাটো হয়ে যাবে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: দোলা আহমেদ

art-22আমি কে! আমি নিজেই আজ জানি না

কি যে নাম!আমি আজ জানি না

বিভিন্ন রাতে আমার নিত্য নতুন নাম হয়

বিভিন্ন মানুষের কাছে…….

যে সমাজের মানুষের কাছে যে নামে আমায় চায় তারা

আমি সে রাতে তাই….. (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

.

abstract-art-floral-tree-landscape-painting-fresh-blossoms-by-madart-megan-duncansonসত্যের কথা আর বলোনা চারিদিকে জোয়ার বইছে

কেনা বলছে সত্যযা তোষামুদি আর সার্থপরতার ভাষা!

কে আর বাকি থাকছে মাঠ বা কেন্দ্রে!

সত্যের এই বিস্তার অসুখের মতো এক সংক্রমণ

ছড়িয়ে যাচ্ছে জলস্রোত (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

.

Garment workers shout slogans during a rally demanding an increase to their minimum wage in Dhakaপাঁচ হাজার গার্মেন্টস মালিক সহ বিজিএমইএ ভবন ধ্বস! প্রথম দুই দিন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ছাড়াই আর্মি, ফায়ার সার্ভিস ও সাধারণ মানুষের উদ্ধার প্রচেষ্টা। তৃতীয় দিন থেকে মানুষের দয়ায়, ত্রানে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আসা শুরু। ততদিনে অধিকাংশ গুরুতর আহত মালিকের মৃত্যু। মৃত মালিকদের লাশের গন্ধে বাতাস ভারী। উদ্ধার কাজে আর্মির দাড়িয়ে থাকা, বাঁশি বাজানো, ফায়ার সার্ভিসের দুই/তিনটি দিক থেকে কাজ করা। বিশেষজ্ঞ মতামত, সমন্বয়, পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনার বালাই না থাকা। কেবল চারপাশ থেকে সাধারণ মানুষ, শ্রমিকদের আপ্রাণ চেষ্টায় হাতড়ে হাতড়ে কারো হাত কেটে কারো পা কেটে কাউকে আস্ত রেখে কিছু জীবন্ত মালিককে উদ্ধার, কিছু খন্ডিত, বিকৃত, গলিত লাশ উদ্ধার। (বিস্তারিত…)


মূল: জোনাহ রাস্কিন

অনুবাদ: মেহেদী হাসান

The Iron Heelনষ্ট সময় ভাল লেখকদের দমিত করে, তবে তা তাদেরকে অবশ্য উৎসাহিতও করে থাকে। বইয়ের দোকান ও লাইব্রেরীগুলোতে নতুন ও ইদানীং আবির্ভূত হওয়া বইগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখলেই বোঝা যাবে। প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াকার বুশ প্রশাসন কর্তৃক গণস্বাধীনতা (civil rights) ও মানবাধিকারের উপর ভয়ানক আক্রমণ, অন্তত আর কিছু না হোক, বই প্রকাশকে বেগবান করেছে, ফিকশন এবং নন ফিকশন উভয় ধরনেরই, আমেরিকান গণতন্ত্রের ক্ষয়সাধন এবং সাম্রাজ্যবাদের দিকে তাড়িত বোধ করাকে দোষারোপ করে। জ্যাক লন্ডন বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে জনপ্রিয় আমেরিকান লেখক, যে জন্মগ্রহন করে ১৮৭৬ সালে, আমেরিকার জন্ম শতবার্ষিকীতে, এবং মারা যায় ১৯১৬ সালে, আমেরিকা বিশ্বযুদ্ধে প্রবেশের ঠিক একবছর পূর্বে আমেরিকার বিশ্বযুদ্ধে প্রবেশে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। বাস্তবিকপক্ষে, কেউ একজন হয়ত অতি উৎসাহী হয়ে লন্ডনকে প্রতিষ্ঠাতা জনক হিসেবে অভিহিত করবেন রাজনৈতিক দমনপীড়ন সমন্ধীয় সমকালীন সাহিত্যের, এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হল, হেনরি গিরক্সের দ্য এমার্জিং অথরিটারিয়ানিজম ইন দ্য ইউনাইটেড স্ট্যাটস, ম্যাথু রথস্কিল্ডসের ইউ হেভ নো রাইটস, ক্রিস হেসেসের আমেরিকান ফ্যাসিস্টস, রবার্ট কেনেডির ক্রাইম এগেইন্সট ন্যাচার এবং ফিলিপ রথের ২০০৩ সালে উদ্বেগ সৃষ্টিকারী উপন্যাস দ্য প্লট এগেইন্সট আমেরিকা। নিশ্চিতভাবেই এমন আরো অনেক কিছু আছে যা এই ভূখন্ডকে আরো অনেক বেশী আওতাভূক্ত করে। (বিস্তারিত…)