Posts Tagged ‘মানবাধিকার’


লিখেছেন: অজয় রায়

venezuela-crisis-21ভেনেজুয়েলায় নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে বিরোধীপক্ষ গত ফেব্রুয়ারি থেকেই ব্যাপক হিংসা ছড়াচ্ছে। যাতে ইতিমধ্যে ৪২ জন নিহত ও ৯০০ জন আহত হয়েছেন।[] যাদের মধ্যে রয়েছেন পুলিশ আধিকারিক, বিরোধীপক্ষের কর্মী এবং সরকারের সমর্থকরাও। তবে এই “বিক্ষোভ চলছে প্রধানত ধনী ও উচ্চমধ্যবিত্তঅধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

.

Garment workers shout slogans during a rally demanding an increase to their minimum wage in Dhakaপাঁচ হাজার গার্মেন্টস মালিক সহ বিজিএমইএ ভবন ধ্বস! প্রথম দুই দিন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ছাড়াই আর্মি, ফায়ার সার্ভিস ও সাধারণ মানুষের উদ্ধার প্রচেষ্টা। তৃতীয় দিন থেকে মানুষের দয়ায়, ত্রানে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আসা শুরু। ততদিনে অধিকাংশ গুরুতর আহত মালিকের মৃত্যু। মৃত মালিকদের লাশের গন্ধে বাতাস ভারী। উদ্ধার কাজে আর্মির দাড়িয়ে থাকা, বাঁশি বাজানো, ফায়ার সার্ভিসের দুই/তিনটি দিক থেকে কাজ করা। বিশেষজ্ঞ মতামত, সমন্বয়, পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনার বালাই না থাকা। কেবল চারপাশ থেকে সাধারণ মানুষ, শ্রমিকদের আপ্রাণ চেষ্টায় হাতড়ে হাতড়ে কারো হাত কেটে কারো পা কেটে কাউকে আস্ত রেখে কিছু জীবন্ত মালিককে উদ্ধার, কিছু খন্ডিত, বিকৃত, গলিত লাশ উদ্ধার। (বিস্তারিত…)


পটভূমি

kalpana-chakma-5কল্পনা চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রামের নিপীড়িত ও অধিকার বঞ্চিত জুম্ম জনগণের এক অবিস্মরণীয় প্রতিবাদী নাম। তিনি বিশ্বের সকল বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার মানসে নারীর প্রথাগত বেড়া ডিঙিয়ে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম হিল উইসমন্স ফেডারেশনএর পতাকাতলে মুক্তির মহান লড়াইয়ে অগ্রণীর ভুমিকায় অবতীর্ণ হন। পরিণতিতে তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন মধ্যরাতে নিজ বাড়ী (রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলা) লাইল্যা ঘোনা হতে মানবতা বিরোধী অপরাধ চক্রের প্রতিনিধি সেনাবাহিনী সদস্য লেফটেন্যান্ট ফেরদৌস কর্তৃক অপহ্নত হন। আজ অবদি বাংলাদেশ সরকার তাঁর সন্ধান কিংবা অপহরণের সঠিক বিচার কোনটিই করতে সক্ষম হয়নি। দেশের একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে আমি সরকারের এই জঘন্য ভূমিকার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। একই সাথে কল্পনা চাকমার অসমাপ্ত লড়াই যেন সফল হয় তার চির জয়গান করি। জয়তু কল্পনা চাকমা, জয়তু তোমার মহান বিপ্লবী চেতনা। হাজারো মৃত্যুর ভিড়ে তোমাকে জানাই আমি লাল সেলাম।। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

stop-violence-against-women-1-১১ বছরের কিশোরীকে জোর করে ধর্মান্তরিত করে ৫৫ দিন আটক রেখে ধর্ষণ করেছে কিছু মানুষরূপী জানোয়ার। তাকে উদ্ধার করা গেলেও ধর্ষকদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এটা হল খবর। খবরটা ছাপা হয়েছে একটি জাতীয় দৈনিকে। তারপর থেকে অনলাইনে নিরবিচ্ছন্ন প্রতিবাদ চলছে। কিন্তু এই খবরটা ছাপা হওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ হেডকোয়ার্টার কিংবা নারী অধিকার, মানবাধিকার সংগঠনগুলো থেকে কোনো বিবৃতি বা প্রতিবাদলিপি আসেনি (অন্তত আমি দেখিনি)(বিস্তারিত…)


বিশ শতকের প্রারম্ভ থেকে ওয়ালস্ট্রীট দখল করো আন্দোলন

ফ্রেড ম্যাগডফ

অনুবাদ: প্রশান্ত মাহমুদ

(এই লেখাটি ২০১১ সালে ফ্রেড ম্যাগডফ প্রদত্ত Lessons from a Long History of Dissent: From the Early Twentieth Century to Occupy Wall Streetশীর্ষক বক্তৃতার অনুলিখনের অনুবাদ। ২০১১ সালে লেখাটি পড়ার পর ভাল লেগেছিল। তাই তখন অনুবাদ করার লোভ সামলাতে পারিনি। এই লেখাটি অকুপাই ওয়ালস্ট্রীট আন্দোলনের সময়কার হলেও এর বিষয়বস্তু অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের দেশের বর্তমান নৈরাজ্যিক অচল অবস্থাআমরা যারা নবীন তাদের জন্য প্রাসঙ্গিক আলোচনা, প্রশ্ন ও অনুসন্ধানের কিছুটা খোরাক হলেও হতে পারে। অনুবাদের যেকোন ভুল ধরিয়ে দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো। মূল লেখাটি mrzine.orgএ পাওয়া যাবেঅনুবাদক) (বিস্তারিত…)


peppar-sprayমারাত্মক রাসায়নিক দ্রব্যাদি মিশ্রিত পেপার স্প্রে (যাতে মরিচের গুড়া রয়েছে বলে বলা হয়) বিপজ্জনক কুকুরকে ঘায়েল করার বড় অস্ত্র। http://www.liquidfence.com-এ বলা হয়েছে, কুকুরের ক্ষেত্রে এটা একশত ভাগ কার্যকরি। শুধু কুকুর বা এ জাতীয় হিংস্র জন্তু জানোয়ার ঘায়েল করার জন্যই যে শুধু পেপার স্প্রে ব্যবহৃত হয় তাই নয়, প্রতিবাদী জনগণের প্রতিরোধ সংগ্রাম প্রতিহত করতে এই বিপজ্জনক দ্রব্যটি স্বৈরতান্ত্রিক শাসন রয়েছে এমন কোনো কোনো দেশে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পেপার স্প্রের মতো ভয়ানক ক্ষতিকর দ্রব্যটি ব্যবহৃত হচ্ছে ১৯৭৩ সাল থেকে খোদ মার্কিন মুলুকে। এফবিআই এবং মার্কিন ডাক বিভাগ প্রথম দিকে ভয়ঙ্কর ব্যক্তি এবং জন্তু জানোয়ার ঘায়েল করতে এটি ব্যবহার করে। আর তখন থেকে কমবেশি অনেক দিন পর্যন্তই তারা এটি ব্যবহার করছে। মার্কিন বিচার বিভাগের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জাস্টিসএর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, পেপার স্প্রে সহিংস ও বিপজ্জনক জনগোষ্ঠীর প্রতিবাদ দমনে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আর স্প্রে আক্রান্ত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের আইনি হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে মার্কিন সংবাদ মাধ্যমগুলোর বিভিন্ন সময় খবর দিয়েছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

()

বুর্জোয়া রাষ্ট্র ব্যবস্থা আজ ভয়ানক সংকটের মুখোমুখি। বিষয়টার গভীরে না গিয়ে ভাসাভাসাভাবে দেখলে মনে হতে পারে শাসকের অদক্ষতার ফলেই বুঝি আজকের এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববাসীর কাছে দৃশ্যমান সংকটএর অনিবার্যতা সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা প্রায় দেড় শত বছর পূর্বেই কার্ল মার্কস দিয়ে গেছেন। মার্কস তাঁর পুঁজি (Das Capital) গ্রন্থে মুনাফাকে তুলনা করেছেন পাগলা ঘোড়ার সঙ্গে, যে পাগলা ঘোড়া পুঁজি মালিকের নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও ছুটে চলে অদম্য গতিতে। মার্কসের অমোঘ বাণীকে সত্য প্রমাণ করে আজ যেন পুঁজির সেই মৃত্যু ঘন্টার ধ্বনিই দিকে দিকে বেজে উঠছে। আজ খোদ পুঁজিবাদের মোড়ল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বুকেই জেগে উঠছে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণজাগরণ! এখন বিজ্ঞ জনেরা প্রশ্ন তুলতে পারেন, এই ‘অক্যুপাই ওয়াল স্ট্রিট মুভমেন্ট’ নামের সংগ্রাম বিশ্ব রাজনীতির কোন গুণগত পরিবর্তন আনবে কী না? সেই ক্ষেত্রে আমি বলবোনা। কারণ একটি বিপ্লবী সংগ্রাম অবশ্যই একটি সঠিক বিপ্লবী পাটির অধীনেই হতে হবে। তবে হ্যাঁ, এই সংগ্রাম আমাদের এক পরম সত্যের প্রমাণ আবারো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। বুর্জোয়া মিড়িয়া আমাদের সামনে পুঁজিবাদি দুনিয়ার যে চাকচিক্যপূর্ণ জীবনের ছবি দেখায় এটা আসলে একদম ফাঁপা, অন্তরসারশৃন্য। আজ প্রায় একশত বছর ধরে যে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ সারা বিশ্বব্যাপী দস্যুবৃত্তি করে বেড়াচ্ছে, অন্য দেশের সম্পদ দখল করতে গিয়ে হত্যা করছে কোটি কোটি মানুষকে। অথচ তারাই নিজের দেশের জনগণের ন্যুনতম জীবন ধারণের নিশ্চয়তা বিধান করতে পারেনি। আজ খোদ মার্কিন দেশেই বেকার মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৮০ লক্ষ। এমন বেকার আর হতাশাগ্রস্ত মানুষের সামান্য বিষ্ফোরিত রূপ দেখলাম ‘অক্যুপাই ওয়াল স্ট্রিট মুভমেন্টে’। এই বাস্তবতার উপর দাঁড়িয়ে পুঁজির দাসত্ব বরণকারী করপোরেটদের পোষা সুশীল বুদ্ধিজীবীরা আদাজল খেয়ে নেমেছে পুঁজির মরণ ব্যাধি ঘাতে মলমের প্রলেপ দিয়ে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার আয়ুষ্কালটা আরো খানিক দীর্ঘ করার প্রয়াসে। এমনই এক প্রয়াস আমরা লক্ষ করলাম কর্পোরেট মিড়িয়া ‘প্রথম আলো’র ত্রৈমাসিক প্রকাশনা ‘প্রতিচিন্তা’র সম্পাদকীয়তেও। মানুষ তাঁর কাণ্ডজ্ঞান দিয়েই বুঝে যুক্তি হচ্ছে সত্যের কিতাবি রূপ। ব্যক্তির সামনে যখন সত্য থাকে না, তখনই শুরু হয় মন্তব্য দিয়ে সত্যকে অস্বীকার করার প্রবণতা। প্রতিচিন্তার সম্পাদকীয়তে ঠিক এই কাজটাই করা হলো, কোন রকম যুক্তির ধারে কাছে না গিয়ে মন্তব্য করা হলো: ‘সাধের সমাজতন্ত্র প্রত্যাখ্যাত হয়ে গেছে।’ সমাজতন্ত্র যেন কোন গণভোটের রায়, যেটা হ্যাঁনা ভোট দিয়েই নির্ধারিত হবে। সমাজতন্ত্র হচ্ছে সমাজ বিকাশের একটা স্তর, পূর্বের সামন্তবাদ যদি সত্য হয়, আজকের পুঁজিবাদ যদি সত্য হয় তারই ধারাবাহিকতায় সমাজতন্ত্রও সত্য। প্রতিচিন্তার প্রকাশ ও ভূমিকার মধ্যদিয়ে কর্পোরেট প্রথম আলো গোষ্ঠী তার পুঁজিবাদীসাম্রাজ্যবাদী স্বার্থের জায়গাটা পাঠকের কাছে পরিষ্কার করলো। একই সাথে পরিষ্কার করা উচিৎ ছিল তার বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত তথাকথিত নিরপেক্ষতার অর্থ কী? তো, প্রতিচিন্তার ভূমিকায় সমাজতন্ত্র ব্যর্থ হবার কারণ হিসেবে যে বিষয়গুলোকে পাঠকের সামনে হাজির করা হয়েছে সেই কারণগুলোর মুদ্দাকথা এই রকম: “) বাজার ব্যবস্থা চালু রাখার স্বাভাবিক বাস্তবতাকে অস্বীকার করা; ) প্রতিযোগিতামূলক গণতান্ত্রিক রাজনীতির স্বীকৃতি না দেওয়া; ) সংবাদপত্রমিড়িয়ার স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি না দেওয়া; ) পার্টি ব্যবস্থার বাইরে থেকে যাওয়া ‘অপর’এর ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘন।” (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

অবরুদ্ধ গণমাধ্যম

আমাদের দেশে গণমাধ্যম কতটুকু গণমানুষের আর তা কতটুকু স্বতন্ত্র বা স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম তা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মলগ্ন থেকেই প্রশ্নবিদ্ধ। কিন্তু সম্প্রতি প্রস্তাবিত সম্প্রচার আইন২০১১ এতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বস্তুত, এই আইন জারী হলে দেশের সরকারীবেসরকারী সকল সম্প্রচার মাধ্যম প্রত্যক্ষভাবে রাষ্ট্রের ক্ষমতাসীনদের কুক্ষিগত হবে। যদিও বর্তমান মহাজোট সরকারের প্রধান দল আওয়ামী লীগের ২৩ দফা নির্বাচনী ইশতেহারের ১৯তম দফায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল, “ সকল প্রকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতান ও তথ্যপ্রবাহের অবাধ চলাচল সুনিশ্চিত ও সংরক্ষণ করা হবে।” কিন্তু তারা যে গণমাধ্যমকে স্বাধীন করতে কতটা সচেতন (!) তা গত পৌনে তিন বছরে বিভিন্ন প্রিন্ট/ইলেক্ট্রনিক/অনলাইন মাধ্যম, এমন কি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বন্ধের মাধ্যমে আমাদের বেশ ভালভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছেন। (বিস্তারিত…)