Posts Tagged ‘মানববন্ধন’


কৃষি জমিতে আগ্রাসন রুখে দাও, চা শ্রমিকদের বাঁচতে দাও

বন্ধুগণ,

“‌কৃষি জমিতে আগ্রাসন রুখে দাও, চা শ্রমিকদের বাঁচতে দাওএই শ্লোগানকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের চান্দপুরের চা শ্রমিকদের কৃষি জমি স্পেশাল ইকোনমিক জোনের নামে কেড়ে নেবার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে আমরা মঙ্গলধ্বনি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনএই চারটি সংগঠনের ঝিনাইদহ শাখার আয়োজনে ঝিনাইদহের পায়রা চত্বরে আজ শনিবার, ০৯ জানুয়ারি ২০১৬ সকাল ১১.৩০টায় একটি মানব বন্ধন ও সংহতি সমাবেশের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সমাবেশে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীএর যুগ্ম আহ্বায়ক প্রসেনজিত বিশ্বাস বক্তব্য প্রদানকালে পুলিশের বিশেষ শাখা (স্পেশাল ব্র্যাঞ্চ)-এর কর্মকর্তারা এসে মাইক বন্ধ করে দেন আমাদের লিফলেটে সরকারবিরোধী বক্তব্য থাকা এবং সমাবেশে সরকারবিরোধী বক্তব্য প্রদানের অজুহাতে। এরপর তারা আর মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হতে দেন নি। স্বাধীন বাংলাদেশে সভাসমাবেশের উপর পুলিশী নিষেধাজ্ঞা জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর অগণতান্ত্রিক হস্তক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়, এ ধরনের ঘটনা এই দেশকে ক্রমাগত একটি পুলিশী রাষ্ট্রে পরিণত করছে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

Death is a fearful thing .” – William Shakespeare

এই বঙ্গীয় জনপদে জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি ‘বচনের’ সাথে আমাদের নিরন্তর বসবাস সহবাস চলে। নাক টিপলে দুধ বের হয় এমন বয়স থেকেই সন্তানকে ‘বাজারজাত পণ্য’ বানানোর জীবনমরণ সংগ্রামে বাবামা তাকে ‘লেখাপড়া করে যে গাড়ীঘোড়া চড়ে সে’ ধরনের বচন শোনান। সেই যে বচনের সাথে তার পরিচয় ঘটে, মৃত্যু অবধি আর বুঝি তার সাথে আড়ি নেই। কিসে বচন নেই? বাবামায়ের অমোঘ বাণী, হাদিসকোরআন, বাইবেলগীতা নামক ‘সাইলেন্সার বুক’, অফিসের ঘোড়েল বসের আদেশ, সংবিধান সর্বত্রই বচনের জয়জয়কার। তার মাঝে বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গদের মুখ নিঃসৃত বাণী হলে তো কথাই নেই, সেসব জীবনভর গেলাতেই থাকো তো গেলাতেই থাকো। কিন্তু উপরের কোটেশনের দিকে আরেকবার তাকিয়ে দেখুন আর বর্তমানের বাংলাদেশকে তার সাথে মিলিয়ে দেখুন, শেক্সপিয়র সাহেবকে বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ‘অকাট মূর্খ’ মনে হবেনা? নিশ্চয়ই হবে, ভদ্রলোক কি গাড়লের মত বলেছিলেন যে মৃত্যু নাকি ‘ভীতিকর জিনিস’। বাংলাদেশের কোথায় তাকালে আপনার মনে হবে যে মৃত্যু কোন ভীতিকর জিনিস? নিশ্চয়ই তা নয়, এ হতেই পারেনা, মৃত্যুর ভীতিকর রূপের অবসান হয়েছে অনেক আগেই। এখন মৃত্যু একটি অত্যন্ত লাভজনক পণ্য, একে বাজারজাত করে প্রতিদিন পত্রপত্রিকা, বড় কর্পোরেট হাউজ, ব্যক্তিবর্গ করে খাচ্ছে তার কোন হিসেব রাখি আমরা? এক রবীন্দ্রনাথ, নজরুল বাবুরাই তো এখনো মুক্তি পেলেন না, বছরের পর বছর তাদের নিয়ে ‘ফ্যাসিস্ট নির্যাতন’ সমতূল্য বক্তৃতাআলোচনা সভা ইত্যাদি আয়োজন করে কত মানুষের কর্মসংস্থান হয়ে গেলো, তার কোন খোঁজখবর আমরা নিয়েছি কখনো? (বিস্তারিত…)