Posts Tagged ‘মাও সে-তুঙ’


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

The philosophers have always interpreted the world in various ways; the point, however, is to change it. (Marx, Theses On Feuerbach: Thesis 11, 1845) 

এক.

যে কোনো মতাদর্শ কিংবা দার্শনিক তত্ত্বেরই একটা বস্তুগত ভিত্তি থাকে। যে কোনো নির্দিষ্ট দেশকালের নিরিখে, নির্দিষ্ট আর্থসামাজিক ব্যবস্থার মধ্য থেকেই একেকটা মতাদর্শ জন্ম নেয়। সমাজে নতুন বস্তুগত পরিস্থিতি নতুন ধারণা এবং তত্ত্বের জন্ম দেয়। এটাই মার্ক্সবাদের শিক্ষা। মার্ক্সবাদের নিজের ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। (বিস্তারিত…)


gpcr-1966-2

লিখেছেন: অজয় রায়

গত ১৬ই মে মহান সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ৫০ বর্ষপূর্তী হয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়নে ১৯৫৬ সালে পুঁজিবাদের পুন:প্রতিষ্ঠার অভিজ্ঞতা ও চীনের প্রারম্ভিক নেতিবাচক অভিজ্ঞতার নিরিখে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের (১৯৬৬১৯৭৬) সূচনা করা হয়েছিল মাও সেতুঙএর নেতৃত্বে।[] চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যেকার যে শক্তিগুলি পুঁজিবাদ পুন:প্রতিষ্ঠা করার পক্ষপাতি ছিল, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে লক্ষ লক্ষ জনসাধারণকে সংগঠিত করা হয়েছিল। পার্টি ও রাষ্ট্রের মধ্যেকার বিশেষ সুবিধাভোগী আমলাতন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে বিদ্রোহ করার অধিকার দেওয়া হয়। যখন স্লোগান ওঠে, সদর দপ্তরে কামান দাগো। স্পষ্টতই সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের অর্থ হচ্ছে কমিউনিস্ট পার্টিকে জনগণের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে যুক্ত হতে হবে। এটাই মাও সেতুঙএর সূত্রায়িত গণলাইন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

naxal-movement-321আজকের পৃথিবীতে সকল সংস্কৃতি, সকল সাহিত্য ও সকল শিল্পই বিশেষ শ্রেণীর সম্পত্তি এবং বিশেষ রাজনৈতিক লাইন প্রচার করাই তার কাজ। শিল্পের জন্য শিল্প, শ্রেণী স্বার্থের ঊর্ধ্বে অবস্থিত বা রাজনীতির সাথে সম্পর্কহীন ও স্বাধীন শিল্প বলে আসলে কিছুই নেই। প্রলেতারীয় সাহিত্য ও শিল্প হচ্ছে সমগ্র প্রলেতারীয় বিপ্লবী লক্ষ্যেরই একটি অংশ; লেনিনের ভাষায় তা হচ্ছে বিপ্লবী যন্ত্রেরই দাঁত এবং চাকা। (শিল্প ও সাহিত্য প্রসঙ্গে মাওয়ের ইয়েনানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে গৃহিত) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌম্য মণ্ডল

mittha-1জাস্ট একটা ন্যানো মিথ্যা, “অশ্বত্থামা হত, ইতি গজ”, তাতেই নাকি যুধিষ্ঠিরকে একবার নরকে ঢুঁ মেরে যেতে হয়েছিল। তাহলে হে পাঠক, আপনি তো অবধারিতভাবেই ভাজা ভাজা হতে চলেছেন!

নরকের ফুটন্ত কড়াই আর এক বিরাট কাঁটা চামচ হাতে সিং এবং লেজওয়ালা লোকটি আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। শুধু কি আপনি? দুনিয়া শুদ্ধু লোক নরকে ঢুকতে চলেছে। বিছানায় হিসু করে বাবা বা দাদার ঘাড়ে দোষ চাপানো লজ্জিত শিশু হোক; হল কালেকশান করে নিতান্ত পাস; বা হাতেগোনা কযেকটি প্রশ্ন মুখস্ত করে ফাস্ট ক্লাস বাগানো স্বঘোষিত সবজান্তা হোক; তেলচিটে প্রেমিক বা ঘ্যানঘ্যানে প্রেমিকাকে এড়াতে অহেতুক busy busy হাব ভাব করনেওয়ালারা হোক; ব্রিগেড বা মহামিছিলে লোক সংখ্যা বাড়িয়ে বলা নেতা হোক; বন্যারেল দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা কমিয়ে বলা সরকারি আমলা হোক; যাবতীয় ধরনের মিথ্যাবাদীগণ; বলা ভালো সমস্ত জনগণ নরকে ভাজা ভাজা হবে অবধারিত। যদি না নরক ব্যাপারটা বাস্তবিকই মিথ্যা না হয়ে থাকে। (বিস্তারিত…)


তারিখ: ১০ সেপ্টেম্ব, ২০১৪

mao-poster-1সমাজতান্ত্রিক চীন গড়ার লড়াইয়ের সফল বিপ্লবী মাও সেতুঙএর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ১০ সেপ্টেম্বর সকালে ইউপিডিএফ সাজেক ইউনিটের উদ্যোগে সাজেক ভূমিরক্ষা কমিটি কার্যালয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় মাও সেতুঙএর জীবন ও সংগ্রাম নিয়ে মূল আলোচনা করেন ইউপিডিএফ সাজেক ইউনিট সমন্বয়ক মিঠুন চাকমা। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন ইউপিডিএফ সদস্য ক্যহলাচিঙ মারমা, গণতান্ত্রিক যুবফোরাম সাজেক শাখার সহ সভাপতি জেনেল চাকমা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আনোয়ার হোসাইন ফার্মার

tachai-12নেকড়ের ডেরা” চীনের একটি গিরিখাতের নাম। বন্যার সময় যার দেড় কিলোমিটার অঞ্চল দিয়ে পাগলা ঘোড়ার বেগে পাহাড়ি ঢল বয়ে যেতো। চীনের লোকসঙ্গীতে আছে এরকম – “নেকড়ের ডেরা গিরিখাতে আছে তিন তিন শয়তান : ঢল, পর্বত আর নেকড়ের ক্ষুধা, শুকনো মৌসুমে গজায়না একটাও ঘাস বর্ষায় নামে শুধু মহা সর্বনাশ।” সংক্ষেপে এ হচ্ছে গিরিখাতের যথার্থ বর্ণনা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

china-congress-1বর্তমানে চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। তবে দেশটি ক্রমশ বিশ্ব পুঁজিবাদী ব্যবস্থার সঙ্গে আরও সমন্বিত হচ্ছে। আর চীন যদিও উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, সেদেশের নিম্ন মজুরির দরুন বিশ্বের বহুজাতিক সংস্থাগুলি দেশটির থেকে বিপুল মুনাফা লুটছে।

স্পষ্টতই ব্যাপক মাত্রায় বিনিয়োগের ও রপ্তানির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে চীন। আর সেদেশের রপ্তানির দুইতৃতীয়াংশই বিক্রি করা ও জাহাজে তেলা হচ্ছে অচীনা কোম্পানিগুলির সম্পূর্ণ বা আংশিক মালিকানাধীন কারখানার থেকে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শান্তনু সুমন

communist-signদাবানলতার পোস্টারে রণনীতিগত ও রণকৌশলগত শ্লোগানের সাথে ‘জয় সর্বহারা’ এই শ্লোগান দিয়েছে। একারণে ‘জয় সর্বহারা’ শ্লোগানটি রাজনৈতিক রণনৈতিক ও রণকৌশলগত স্লোগান হিসেবে সঠিক কিনাআমার লেখায় আমি সে প্রশ্নটিই আলোচনার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সামিউল আলম রিচির সমালোচনামূলক লেখাটি পড়ে মনে হচ্ছে, তিনি রণনীতিগত স্লোগান হিসাবে ‘জয় সর্বহারা’ স্লোগানের যথার্থতার প্রসঙ্গটি ধরতে পারেন নি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সামিউল আলম রিচি

world-to-winজয় সর্বহারা স্লোগান প্রশ্নে একটি মতামত প্রকাশ করেছেন ছাত্র গণমঞ্চের আহ্বায়ক শান্তনু সুমন(জয় সর্বহারা” শ্লোগানের সঠিকতা ও বেঠিকতা প্রসঙ্গে)তার বক্তব্য হলোবাংলাদেশের বিপ্লবের স্তর গণতান্ত্রিক এবং এই পর্যায়ে বিপ্লবের চারটি মিত্রশক্তি শ্রমিকশ্রেণী, কৃষক (প্রধানতঃ দরিদ্র কৃষক) শ্রেণী, ক্ষুদে বুর্জোয়া শ্রেণী ও জাতীয় বুর্জোয়া (মাঝারী বা মধ্য) শ্রেণীকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’ এবং এই ঐক্য বজায় রাখার জন্য সর্বহারা শ্রেণীরদল বা পার্টিকে গণতান্ত্রিক বিপ্লবের স্তরে ‘জয় সর্বহারা’ স্লোগানটি ত্যাগ করতে হবে তা নাহলে ঐক্য বিনষ্ট হবে, শত্রুকে সুযোগ দেয়া হবে ও শত্রুকে আড়াল করা হবে এবং বিপ্লবের স্তরকে অতিক্রম করে বিপ্লবের বর্তমান স্তরকে অস্বীকার করে হবে মার্কসবাদকে বিকৃত করা, সংশোধন করা হবে’। পুরো লেখাটিই চরম প্রতিক্রিয়াশীল বিবেচনায় এই বিষয়ের উপর মতামত প্রদানের প্রয়োজনীয়তা বোধ করছি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

Giap(জেনারেল ভো নগুয়েন গিয়াপ মারা গেলেন ১০২ বছর বয়সে। গত শুক্রবার ০৪ অক্টোবর, ২০১৩ ভিয়েতনামের হ্যানয়ের এক সামরিক হাসপাতালে তিনি মারা যান। তাকে নিয়ে, তার জীবন নিয়ে আমার সংক্ষিপ্ত একটি লেখা। লেখক)

তাকে বিবেচনা করা হয় ইতিহাসের অন্যতম একজন সমর বিষয়ক কলাকুশলবিদ হিসেবে। ফ্রান্স ও আমেরিকা সাম্রাজ্যবাদকে ভিয়েতনাম থেকে হটিয়ে দিতে তিনি সামরিকভাবে ভিয়েতনাম বিজয়ের ক্ষেত্রে স্থপতির মতো ভূমিকা রেখেছিলেন। (বিস্তারিত…)