Posts Tagged ‘ভেনেজুয়েলা’


লিখেছেন: অজয় রায়

সম্প্রতি ভেনেজুয়েলায় সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে নতুন করে অবরোধও আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। দেশটির নবগঠিত সাংবিধানিক সভার সদস্যদের একাংশের বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

গত এপ্রিল থেকেই ভেনেজুয়েলা জুড়ে অশান্তি চলছে। সহিংসতার বলি হয়েছেন অন্তত ১১০ জন মানুষ।[] এর মধ্যেই গত ৩০ জুলাই সাংবিধানিক সভা নির্বাচন হয়েছে। যাতে জয়ী হয়েছেন শ্যাভেজপন্থীরা। ফলে মাদুরো প্রশাসন এখন আইনসভার সকল সদস্যকেই মনোনীত করতে পারবে। আর নবগঠিত সাংবিধানিক সভা ইতিমধ্যেই সরকারের সমালোচক অ্যটর্নি জেনারেল লুইসা ওরতেগাকে বরখাস্ত করেছে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: অজয় রায়

venezuela-crisis-21ভেনেজুয়েলায় নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে বিরোধীপক্ষ গত ফেব্রুয়ারি থেকেই ব্যাপক হিংসা ছড়াচ্ছে। যাতে ইতিমধ্যে ৪২ জন নিহত ও ৯০০ জন আহত হয়েছেন।[] যাদের মধ্যে রয়েছেন পুলিশ আধিকারিক, বিরোধীপক্ষের কর্মী এবং সরকারের সমর্থকরাও। তবে এই “বিক্ষোভ চলছে প্রধানত ধনী ও উচ্চমধ্যবিত্তঅধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহ্জাহান সরকার

hugo-chavez-1ভেনেজুয়েলার জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজ গত ৫ মার্চ দেশটির রাজধানী কারাকাস শহরের সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন। তিনি দু’বছর যাবৎ ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। গত এপ্রিল মাসে ভেনেজুয়েলার ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র কিউবায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরেন শ্যাভেজ। হুগো শ্যাভেজ তাঁর দেশের জনগণের কাছে যেমন ছিলেন প্রবাদতুল্য প্রেসিডেন্ট তেমনি গোটা ল্যাতিন আমেরিকা, এশিয়া, আফ্রিকার পশ্চাৎপদ দেশগুলির মানুষের নিকট মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ছিলেন বেশ রসিকজন। সমাজতন্ত্রের প্রতিশ্রুতিও তিনি দেশবাসিকে দিয়েছিলেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ইরতিশাদ আহমদ

সমাজতন্ত্র নির্মাণ করে, পুঁজিবাদ ধংশ করে” উগো চাবেস ( ১৯৫৪২০১৩)

hugo-chavez-1অবশেষে ক্যান্সারের কাছে পরাজয় মানলেন বেনেসুয়েলাবাসীর প্রিয় কম্যান্ডান্তে উগো চাবেস। সমাজের ক্যান্সার নিরাময়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন, সফলও হয়েছিলেন কিছুটা বলা যায়। কিন্তু শরীরের ক্যান্সারের কাছে হার মানতে হলো। বিদায় নিলেন পৃথিবী থেকে মার্চের পাঁচ তারিখে।

চোদ্দ বছর (১৯৯৯২০১৩) ধরে তিনি ছিলেন তেলসমৃদ্ধ বেনেসুয়েলার নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। গত বছরের (২০১২) শেষ দিকে চতুর্থ ও শেষবারের মতো ছয় বছরের মেয়াদে আবারো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

()

বুর্জোয়া রাষ্ট্র ব্যবস্থা আজ ভয়ানক সংকটের মুখোমুখি। বিষয়টার গভীরে না গিয়ে ভাসাভাসাভাবে দেখলে মনে হতে পারে শাসকের অদক্ষতার ফলেই বুঝি আজকের এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববাসীর কাছে দৃশ্যমান সংকটএর অনিবার্যতা সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা প্রায় দেড় শত বছর পূর্বেই কার্ল মার্কস দিয়ে গেছেন। মার্কস তাঁর পুঁজি (Das Capital) গ্রন্থে মুনাফাকে তুলনা করেছেন পাগলা ঘোড়ার সঙ্গে, যে পাগলা ঘোড়া পুঁজি মালিকের নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও ছুটে চলে অদম্য গতিতে। মার্কসের অমোঘ বাণীকে সত্য প্রমাণ করে আজ যেন পুঁজির সেই মৃত্যু ঘন্টার ধ্বনিই দিকে দিকে বেজে উঠছে। আজ খোদ পুঁজিবাদের মোড়ল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বুকেই জেগে উঠছে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণজাগরণ! এখন বিজ্ঞ জনেরা প্রশ্ন তুলতে পারেন, এই ‘অক্যুপাই ওয়াল স্ট্রিট মুভমেন্ট’ নামের সংগ্রাম বিশ্ব রাজনীতির কোন গুণগত পরিবর্তন আনবে কী না? সেই ক্ষেত্রে আমি বলবোনা। কারণ একটি বিপ্লবী সংগ্রাম অবশ্যই একটি সঠিক বিপ্লবী পাটির অধীনেই হতে হবে। তবে হ্যাঁ, এই সংগ্রাম আমাদের এক পরম সত্যের প্রমাণ আবারো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। বুর্জোয়া মিড়িয়া আমাদের সামনে পুঁজিবাদি দুনিয়ার যে চাকচিক্যপূর্ণ জীবনের ছবি দেখায় এটা আসলে একদম ফাঁপা, অন্তরসারশৃন্য। আজ প্রায় একশত বছর ধরে যে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ সারা বিশ্বব্যাপী দস্যুবৃত্তি করে বেড়াচ্ছে, অন্য দেশের সম্পদ দখল করতে গিয়ে হত্যা করছে কোটি কোটি মানুষকে। অথচ তারাই নিজের দেশের জনগণের ন্যুনতম জীবন ধারণের নিশ্চয়তা বিধান করতে পারেনি। আজ খোদ মার্কিন দেশেই বেকার মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৮০ লক্ষ। এমন বেকার আর হতাশাগ্রস্ত মানুষের সামান্য বিষ্ফোরিত রূপ দেখলাম ‘অক্যুপাই ওয়াল স্ট্রিট মুভমেন্টে’। এই বাস্তবতার উপর দাঁড়িয়ে পুঁজির দাসত্ব বরণকারী করপোরেটদের পোষা সুশীল বুদ্ধিজীবীরা আদাজল খেয়ে নেমেছে পুঁজির মরণ ব্যাধি ঘাতে মলমের প্রলেপ দিয়ে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার আয়ুষ্কালটা আরো খানিক দীর্ঘ করার প্রয়াসে। এমনই এক প্রয়াস আমরা লক্ষ করলাম কর্পোরেট মিড়িয়া ‘প্রথম আলো’র ত্রৈমাসিক প্রকাশনা ‘প্রতিচিন্তা’র সম্পাদকীয়তেও। মানুষ তাঁর কাণ্ডজ্ঞান দিয়েই বুঝে যুক্তি হচ্ছে সত্যের কিতাবি রূপ। ব্যক্তির সামনে যখন সত্য থাকে না, তখনই শুরু হয় মন্তব্য দিয়ে সত্যকে অস্বীকার করার প্রবণতা। প্রতিচিন্তার সম্পাদকীয়তে ঠিক এই কাজটাই করা হলো, কোন রকম যুক্তির ধারে কাছে না গিয়ে মন্তব্য করা হলো: ‘সাধের সমাজতন্ত্র প্রত্যাখ্যাত হয়ে গেছে।’ সমাজতন্ত্র যেন কোন গণভোটের রায়, যেটা হ্যাঁনা ভোট দিয়েই নির্ধারিত হবে। সমাজতন্ত্র হচ্ছে সমাজ বিকাশের একটা স্তর, পূর্বের সামন্তবাদ যদি সত্য হয়, আজকের পুঁজিবাদ যদি সত্য হয় তারই ধারাবাহিকতায় সমাজতন্ত্রও সত্য। প্রতিচিন্তার প্রকাশ ও ভূমিকার মধ্যদিয়ে কর্পোরেট প্রথম আলো গোষ্ঠী তার পুঁজিবাদীসাম্রাজ্যবাদী স্বার্থের জায়গাটা পাঠকের কাছে পরিষ্কার করলো। একই সাথে পরিষ্কার করা উচিৎ ছিল তার বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত তথাকথিত নিরপেক্ষতার অর্থ কী? তো, প্রতিচিন্তার ভূমিকায় সমাজতন্ত্র ব্যর্থ হবার কারণ হিসেবে যে বিষয়গুলোকে পাঠকের সামনে হাজির করা হয়েছে সেই কারণগুলোর মুদ্দাকথা এই রকম: “) বাজার ব্যবস্থা চালু রাখার স্বাভাবিক বাস্তবতাকে অস্বীকার করা; ) প্রতিযোগিতামূলক গণতান্ত্রিক রাজনীতির স্বীকৃতি না দেওয়া; ) সংবাদপত্রমিড়িয়ার স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি না দেওয়া; ) পার্টি ব্যবস্থার বাইরে থেকে যাওয়া ‘অপর’এর ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘন।” (বিস্তারিত…)