Posts Tagged ‘ভারত’


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

অরুন্ধতী রায়প্রতিরোধ, সংগ্রামের এক জীবন্ত প্রতিছবি। তাঁর সংগ্রাম একমুখী ছিল না। তাঁর রাজনৈতিক চেতনার বিকাশও সরলরৈখিক বা এক ঝটকায় আসেনি। অরুন্ধতীর সাহিত্য চর্চাও এই রাজনৈতিকতার বাইরে থাকেনি। চেতনাগত বিকাশের পর্যায়ে উপন্যাসের কথিত ছক ভেঙে সেখানে তিনি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে মেলে ধরেছেন। সামাজিক অব্যবস্থা ও রাষ্ট্রের কথিত সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের নামে অগণতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে সংগ্রামঅরুন্ধতী রায়কে রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্টে পরিণত করে।

অরুন্ধতী রায় কালির অক্ষরে চালিয়ে যাচ্ছেন এক বন্ধুর সংগ্রাম। যেখানে জাতিগত, সম্প্রদায়গত, বা গণতান্ত্রিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের দাবি করাটা তার রাজনৈতিক চিন্তাচেতনারই অংশ। তিনি ভারতের বিচারব্যবস্থা থেকে শুরু করে শাসন কাঠামোবিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আর এজন্য তার নিন্দুকেরও অভাব পড়েনি কখনও। তার বিরুদ্ধে আনা হয় রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

গুজরাট বিধানসভার একটি আসনে তরুণ দলিত নেতা জিগনেশ মেভানি জয় লাভের পর বেশকিছু বিক্ষিপ্ত বক্তব্য চোখে পড়ছে। এ নিয়ে কোনো কোনো কমরেডের সঙ্গে আলোচনাও হয়েছে, তারই প্রেক্ষিতে সংক্ষিপ্তাকারে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করাটা জরুরি মনে করছি।

প্রথম কথা হলোজিগনেশ মেভানি কী কমিউনিস্ট?

যদি তিনি কমিউনিস্ট না হয়ে থাকেন, তবে বিপ্লবী কমিউনিস্টদের তাকে মিত্রশক্তি হিসেবে মূল্যায়ন করতে হবে। এখন পর্যন্ত জিগনেশ তার কথা অনুযায়ী কাজ করেছেন, সমঝোতা করেননি। সামনের দিনগুলোই বলে দেবে জিগনেশ কোনদিকে যাচ্ছেন। এখনও সে সময় আসেনি।

জিগনেশ যে প্রশ্নগুলো একজন দলিত হিসেবে উত্থাপন করছেন, তা বিপ্লবীরা আগেই করেছেন। কিন্তু এখনকার বাস্তবতা ভিন্ন। সেই বাস্তবতা থেকেই পরিস্তিতির বিশ্লেষণ করাটা জরুরি। (বিস্তারিত…)


শ্রেয়সী দাশ

২০১৭ সালে গণতন্ত্রের এপিটাফে যোগ হলো আরো এক প্রস্তর খণ্ড। কেন গণতন্ত্রের এপিটাফ বললাম, সে কথা পরের আলোচনায় থাকছে ডিসেম্বর জি.ডি. বিরলা নামে এক কর্পোরেট স্কুলে বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষ করলো দুজন শিক্ষক। ভারতেধুনিক শিক্ষার ইতিহাসে তা এক লজ্জাজনক ঘটনা। ভারতীয় নাগরিক এবং সর্বোপরি একজন শিক্ষার্থী হিসেবে এ লজ্জা রাখার জায়গা নেই। এ যেন ২০১২ সালে দিল্লির নির্ভয়া কাণ্ডেরই পুনরাবৃত্তি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের তিন বছর পূর্ণ হয়েছে গত মে মাসে। যা খুব জাঁকজমক করে পালন করা হয়। তবে এ তিন বছরে দেশটির আমজনতার দুর্দশা আরও বেড়েছে। গত ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারত সরকার নয়াউদারবাদী নীতি ধারণ করে চলেছে। তবে এক্ষেত্রে বিগত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট সরকার থেকেও বেশি জোর কদমে দেশ বেচার এই জনবিরোধী নীতিকে কাজে পরিণত করতে উঠে পড়ে লেগেছে বর্তমান বিজেপি সরকার। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌম্য মন্ডল

নকশালবাড়ির রাজনীতি নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি সম্পর্কে আলোচনা করার জন্য এই লেখা। যারা সব জানেন, এটা তাদের জন্য লেখা নয়, বরং যারা জানতে চান এ লেখা তাদের জন্য।

) নকশালবাড়ি থেকে অনেক বড় বড় সশস্ত্র কৃষক আন্দোলন বাংলায় বা ভারতে ঘটে গেছে। ঘটে গেছে এবং ঘটে চলেছে অনেক প্রতিরোধ। কিন্তু তবুও সেই আন্দোলনগুলো থেকে নকশালবাড়ির নাম স্বতন্ত্র। কিন্তু কেন? কারণ নকশালবাড়ি আন্দোলন শুধু ১৯৬৭ সালের একটি গ্রাম, বা একটি কৃষক আন্দোলনের নাম নয়। যদি তাই হতো, তাহলে অন্যান্য আন্দোলনগুলোর থেকে আলাদাভাবে নকশালবাড়ির গুরুত্ব থাকতো না। নকশালবাড়ি একটা বিশেষ রাজনৈতিক লাইন বা আন্ডারস্ট্যান্ডিংএর নাম। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অয়ন চৌধুরী

naxal-3ছত্তিশগড়ের গহীন অরণ্য হতে বের হচ্ছে কয়েকটা লাশ

জাতীয় পতাকায় মোড়া দুজন নিহত পুলিশ সৈন্য,

যারা ছিল জঙ্গলের অভিশাপ

আধিবাসী নারী ধর্ষণের বীর নায়ক

হত্যা আর লুন্ঠনের অগ্রগণ্য শিরোমণি,

রাষ্ট্রযন্ত্রের ব্যবহৃত কামানের খাদ্য

ক্ষমতা কুক্ষিগত করার মানব ঢাল।

(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a6%bfমোদিজী নিজেকে দলিতদের সবচেয়ে বড় বন্ধু বলে দাবী করছেন। শুধু তাই নয় মোদিজী ও তার দল বিজেপি থেকে সংঘ পরিবার দিকে দিকে আম্বেদকারের স্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। যদিও ভারতীয় সংবিধান তৈরির শুরুর সময় থেকে সংঘ পরিবার এই সংবিধানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল। তাদের অভিমত ছিল যে, এই সংবিধান মনুস্মৃতিকে মর্যাদা দেয়নি। যা হোক, ন ক্ষমতায় আসার পর তাদের সেই সংবিধান মেনেই দেশ চালাতে হবে। অগত্যা আম্বেদকার নিয়ে আজ তারা মুখে অন্তত তাদের অবস্থানে ইউটার্ন করেছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

আজাদি বনাম দেশপ্রেম

umar khalid-1দেশপ্রেমীদের হাতে পড়ে আজাদি শব্দটাকে লাঞ্ছিত হতে দেখা যাচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরে। দিল্লির (জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়) জেএনইউ থেকে কলকাতার যাদবপুর, সর্বত্র এই লাঞ্ছনা লক্ষ্যনীয়। সাধারণভাবে ইতিহাস বইয়ে স্বাধীনতাগণতন্ত্র শব্দ দুটোকে আমরা পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে দেখতে অভ্যস্ত ছিলাম। কিন্তু এদেশের প্রধান শাসকদলের লম্ফঝম্ফ দেখে মনে হচ্ছে কেউ যদি স্বাধীনতা চায় তাহলে তার গণতন্ত্র হরণ করাটাই যেন আজ এদেশে নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে! সম্প্রতি জেএনইউএর ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সভাপতি কানহাইয়া কুমারের গ্রেপ্তার; অপর তিন ছাত্র উমর খালিদ, অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও অশ্বত্থীকে জঙ্গী বলে দেগে দিয়ে গ্রেপ্তারের ষড়যন্ত্র; একাধিক ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে সিডিশান আইনে মামলা দায়ের করা, অধ্যাপক এস আর গিলানিকে গ্রেপ্তার, এসব তো আছেই। এমনকি ন্যায়ালয়ে আইনের রক্ষকদের সামনে অভিযুক্তকে মারধর করা এবং এ হেন বেআইনী কাজ করার পরেও প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেরানো, এক চরম ত্রাসের রাজত্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ঘটনার ঘনঘটায় বেশ কিছু প্রশ্ন সামনে চলে আসছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

Bajrangi-Bhaijanগত ১৭ জুলাই ২০১৫ তারিখে ভারত সহ সারাবিশ্বে মুক্তি পেয়েছে কবির খান পরিচালিত ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্র ‘বজরঙ্গি ভাইজান’। মুক্তির পরপরই সিনেমাটি বিরাট সাফল্যের মুখ দেখেছে, বলিউডের সিনেমার ইতিহাসে বেশ কয়েকটি রেকর্ড ভঙ্গের দিক থেকে প্রথম অথবা দ্বিতীয় স্থানে নাম লিখিয়েছে। চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকায় অভিনয়কারী প্রখ্যাত ভারতীয় অভিনেতা সালমান খান সিনেমার প্রযোজক। ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ সহ সব স্থানেই দর্শকবৃন্দ চলচ্চিত্রটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ভারতপাকিস্তান সম্পর্ককে ঘিরে কাহিনী আবর্তিত হওয়ায় দৃশ্যমান ঘটনাবলির অন্তরালে এর নিগূঢ় রাজনৈতিক তাৎপর্য অনেকের কাছে ভিন্নমাত্রায় উদ্ভাসিত হয়েছে। বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে একে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

Flag_of_Bangladesh_Nationalist_Partyকার্যত বিএনপি এখন কোথাও নেই! নেই ক্ষমতায়, নেই বিরোধী দলে, নেই আন্দোলনের মাঠে, নেই সংলাপের টেবিলে। নেই মানে দলটার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে ব্যাপারটা মোটেও এমন নয়। বরং আজও সরকারের শক্তিশালী প্রতিপক্ষের নাম বিএনপি। আজও কোটি কোটি কর্মী, সমর্থক নিয়ে সমাজে বিরাজমান রাজনৈতিক শক্তির নাম বিএনপি। তাই স্বাভাবিক নিয়মেই প্রশ্ন আসে যে দলের এত জনসম্পৃক্ততা, এত বিশাল কর্মীবাহিনী; তার এমন করুণ হাল কেন হল? এই কেন এর উত্তর খোঁজার জন্য আমাদের দলটার রণকৌশলের দিকে একটু নজর দিতে হবে। জেনারেল এরশাদের পতনের পর থেকেই আমরা দেখে আসছি বিএনপিআওয়ামীলীগ এই দুই দলের পাল্টাপাল্টি ক্ষমতার পালাবদল। দেখেছি যে দল ক্ষমতা যায় তাদের সীমাহীন দুর্নীতি আর ভয়ানক গণবিচ্ছিন্নতা, দেখেছি ৮ম সংসদ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ী দল বিএনপি নবম সংসদ নির্বাচনে ভয়াবহ পরাজয়। আবার দশম সংসদ নির্বাচনও যদি অবা, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষভাবে হতো, তবে সেই নির্বাচনে যে আওয়ামীলীগের ভয়ানক ভরাডুবি হতো সেই ধারণা আমরা নানা জনমত জরিপ আর স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ করে ধারণ করতে পারি। (বিস্তারিত…)