Posts Tagged ‘ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ’


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

কাশ্মীরে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসীগোষ্ঠী জইশমোহাম্মদ হামলা চালিয়ে অন্তত ৪৪ জন আধা সামরিক বাহিনীর (সিআরপিএফ) সদস্যকে হত্যা করেছে। এ নিয়ে কয়েকজন বন্ধুর বিক্ষিপ্ত মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই নিজের অবস্থান জানান দেওয়াটা জরুরি মনে করছি।

শত্রুর শত্রু মিত্রএমন চিন্তা যেমন সঠিক নয়; তেমনি শত্রুর উপর হামলা হলেই সেটা ন্যায্যতা পেতে পারে না। বরং কে, কোন উদ্দেশ্যে, কার উপর হামলা চালালোসেটাই বিষয়টির দৃষ্টিভঙ্গীর মোদ্দা কথা। কোনো সন্ত্রাসীগোষ্ঠী সাম্রাজ্যবাদসম্প্রসারণবাদের বুকে ছুরি চালালেও ওই সংগঠন সন্ত্রাসীই থাকে। আবার জনগণের মধ্যকার কোনো বিপ্লবী শক্তির যদি সেই মাপের সশস্ত্র আক্রমণ করার শক্তি নাও থাকে, তবুও সেটি অবশ্যই বিপ্লবী শক্তি। কারণপার্থক্যটা গড়ে দেয় সেই চিন্তা কাঠামোযা নির্ধারণ করে কে কার পক্ষেকে গণমুখী, আর কে গণবিরোধী। আর এ কারণেই যখন সাধারণ কাশ্মীরী, বা তাদের স্বাধীনতার পক্ষে কোনো সংগঠন এমন হামলা চালালে, তার এক ভিন্ন ন্যায্যতা প্রাপ্য। আবার পার্শ্ববর্তী দেশের সেনাসমর্থিত সন্ত্রাসীরা ওই হামলা চালালে তা ন্যায্যতা পেতে পারে না। সন্ত্রাসীদের উদ্দেশ্য স্বাধীনতা নয়, কাশ্মীরের পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্তি! (বিস্তারিত…)


gonomancha-logo-1

০৬ মে ২০১৩

মার্কিনভারতের মদদে ‘ক্ষমতা’ নিয়ে শাসক শ্রেণীর রক্তাক্ত সংঘর্ষ থেকে দেশজাতিজনগণকে রক্ষায় রাষ্ট্রীয় এবং ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জাতি ও জনগণ এক হোন, রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন!

হেফাজতে ইসলামের ঢাকা অবরোধকে কেন্দ্র করে ঢাকাসহ সারাদেশে সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জনগণ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। একদিকে হেফাজতে ইসলাম ও বিএনপিজামাত অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় পুলিশ বাহিনী এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের দলীয় নেতাকর্মীদের মুখোমুখি সংঘাতসংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। এ সংঘাতে প্রায় ২০ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন সহস্রাধিক। নিঃস্ব হয়েছেন হাজারো ক্ষুদে ব্যবসায়ী। ঢাকা শহরে সব ধরনের সভাসমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দল ও দোকানপাটে হামলা হয়েছে। অবরুদ্ধ ঢাকায় জনসাধারণের জীবন ও জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

revolt now-1৫২ সালে যে ভাষা আন্দোলন হয় সেটা মূলত আমাদের জাতীয়তাবাদী চেতনার একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল। এর একটি সাংস্কৃতিক রূপ ছিল, কিন্তু কোন গুপ্ত আধিপত্যবাদী রাজনৈতিক ইচ্ছা কি লুকিয়ে ছিল?

১৯৪৮ থেকে ৫২’র যে ভাষা আন্দোলন, তা ছিল বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্র ভাষার দাবী, একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা নয়। এটা ছিল ঐ আন্দোলনের একটা ইতিবাচক মাত্রা। এই মাত্রার অন্য দিকে ছিল ভিন্ন একটি নেতিবাচক মাত্রা ও প্রতিক্রিয়াশীল উপাদান। কিংবা বলা যেতে পারে ৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাঝে ও পরবর্তীতে এইসব নেতিবাচক মাত্রা ও প্রতিক্রিয়াশীল উপাদান ঢুকিয়ে দেয়া হয় বা এসব উপাদান সুপ্ত অবস্থায় ছিল যা পরবর্তীতে আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে প্রকাশিত হয়ে পড়ে।দাবীটি হওয়া উচিত ছিল পূর্ব বাংলার সরকারী ভাষা হবে বাংলা এবং অপরাপর যে সব ভাষাভাষী আছে, তাদের জন্যও মাতৃভাষা রূপে নিজ নিজ ভাষা লিখন ও পঠনে ব্যবহৃত হবে। (বিস্তারিত…)


Jatya Ganatantrik Ganamancha-1

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

তারিখ: ০৪ ডিসেম্বর ২০১২

.

রাজনৈতিক চক্রান্ত ও হাঙ্গামা বন্ধ কর, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত কর!

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে সংগ্রামকে মার্কিনসহ সাম্রাজ্যবাদ, ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ এবং তাদের দালাল শাসক শ্রেণীর রাষ্ট্র উচ্ছেদ করে শ্রমিককৃষকজনগণের স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সরকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে পরিণত করুন!

 

সম্প্রতি জামাত ইসলামী চলমান যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে প্রহসন হিসাবে চিহ্নিত করে তাদের নেতাদের মুক্তির দাবীতে লাগাতার সন্ত্রাসী তৎপরতা চালাবার পর হরতালের ডাক দিয়েছে। হরতালেও তারা ত্রাস সৃষ্টি করেছে। জামাত পুলিশের উপর হামলা করলেও রহস্যময় কারণে পুলিশ পড়ে পড়ে মার খাচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ম খা আলমগীর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পরিবর্তে ছাত্রলীগযুবলীগকে পাল্টা সন্ত্রাস সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে উভয়পক্ষ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে নেমেছে। (বিস্তারিত…)


বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

তারিখঃ ০৬০৮২০১২

হিরোশিমা দিবস উপলক্ষ্যে সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধবিরোধী আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত।

১৯৪৫ সালের ৬ অগাস্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম অংশীদার মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ, আরেক সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র জাপানের ভূখণ্ডে পারমাণবিক বিষ্ফোরণ ঘটায়। ঠিক তিনদিন পর তারা জাপানের আরেক শহর নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা ফেলে। উভয় হামলায় ৫ লাখেরও বেশি সাধারণ মানুষ মারা যায়, লাখ লাখ নিরীহ মানুষ আজীবনের মত পঙ্গু হয়।

যুগ যুগ ধরে সাম্রাজ্যবাদীরা এরকম যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা খেলে আসছে। ’৭১এ পাক ঔপনিবেশিক শক্তি কর্তৃক পূর্ব বাংলা আক্রমণ, ষাটের দশকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ কর্তৃক ভিয়েতনাম আক্রমণ, আশির দশকে সোভিয়েত সাম্রাজ্যবাদ কর্তৃক আফগানিস্তান আক্রমণ বা এই শতকে মার্কিন বাহিনী কর্তৃক ইরাকআফগানিস্তান আক্রমণ, ইজরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিন আক্রমণ; প্রভৃতি অমানবিক চরিত্রেরই বহিঃপ্রকাশ। এসবের বিরুদ্ধে জনগণের ন্যায়যুদ্ধকে আমরা শ্রদ্ধা জানাই।

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ, ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ তাদের নয়াঔপনিবেশিক কৌশল প্রয়োগ করছে। আমাদের বন্দরে মার্কিনরা সপ্তম নৌবহর পাঠিয়ে ঘাঁটি গড়ার চেষ্টা করছে। ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেদের নগ্নভাবে মেলে ধরছে।

এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ, ক্যাম্পাসের শহীদ তপন চত্ত্বরে এক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। সকাল সাড়ে ৯টায় সংগঠনের সভাপতি শিপন আহমেদ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। উক্ত প্রদর্শনীতে প্রায় একশত আলোকচিত্র স্থান পায়। বেলা ১১ টায় সাধারণ সম্পাদক এস এম ইফতেখারুল ইসলাম শিপলু’র পরিচালনায় এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন সভাপতি শিপন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আয়াতুল্লাহ খোমেনি, দপ্তর সম্পাদক আবু সুফিয়ান বক্‌সী, শিক্ষাগবেষণা ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শিহাব ইশতিয়াক সৈকত প্রমুখ। বক্তারা বলেন, হিরোশিমানাগাসাকির সেই বিভীষিকার কথা আমাদের ভুলে গেলে চলবেনা। মহামতি লেনিনের মতে, পুঁজিবাদ সাম্রাজ্যবাদে রূপ নেয়। আমরাও তাই দেখতে পাচ্ছি। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুমকি আজ বিশ্বমানবতার সামনে। সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ ও তার দালাল শোষকশ্রেণী নিরীহ জনগণের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিচ্ছে। এই যুদ্ধকে সঠিক নেতৃত্বে মোকাবেলা করা ছাড়া মুক্তির আর কোন পথ খোলা নেই। তাই আমরা নিপীড়িত জনগণকে এর প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানাই।

বার্তা প্রেরক

শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক


অনুবাদ: শাহেরীন আরাফাত

[কমরেড কিরণ, ভাইস চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় কমিটি, ইউনিফাইড কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল (মাওবাদী); সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেন পার্টির ভেতরে চলমান ২ লাইনের সংগ্রাম, নতুন সংবিধান রচনা, নেপালী কংগ্রেসের মতো প্রতিক্রিয়াশীল সংসদীয় দল এবং সাম্রাজ্যবাদ ও ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ প্রসঙ্গে।]

প্রশ্ন: গত দুই বছর যাবৎ জাতীয় সংবিধান রচনা এবং নেপালি কংগ্রেসের মতো ডানপন্থি প্রতিক্রিয়াশীলদেরবাধার অভিজ্ঞতা; অতীতের ঘটনা প্রবাহের প্রেক্ষিতে আপনি একে কিভাবে বর্ণনা করবেন?

কমরেড কিরণ

কমরেড কিরণ: গণপরিষদে আমাদের গত দুই বছর এবং নেপালি কংগ্রেস সহ সংসদের অন্যান্য দলগুলোর সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল খুবই জটিল ও তিক্ত। এই পুরো প্রক্রিয়ায়দুটি পরস্পর বিপরীত ধারার তীব্র মতাদর্শগত সংগ্রাম বিদ্যমান ছিল: পিএলএকে একটি সম্মানিত, গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে একীভূত করে একটি নতুন জাতীয় সেনাবাহিনী গঠিত হবে, নাকি তাদের নিরস্ত্র করে আত্মসমর্পণ করানো হবে; গণমানুষের সংবিধান কি সামন্তবাদ বিরোধী ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী হবে, নাকি সামাজিক পদমর্যাদা অনুযায়ী একটি সাংবিধানিক সংবিধান রচিত হবে। এই সংগ্রামে আমাদের পার্টি দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে।

অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত এই ভাবে বিভিন্ন সমঝোতা ও চুক্তির মূল্যায়নের ভিত্তিতে একটি গুরুতর দুই লাইন সংগ্রাম সংঘটিত হচ্ছে।

প্রশ্ন: ভারতে আপনাদের বন্ধু, ভারতীয় মাওবাদীরা তৎকালীন বর্তমান রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে পরাস্ত না করেই আপনাদের সংসদীয় পথে হাঁটার ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছেন। আপনার পার্টি বুর্জোয়া রাষ্ট্রের বিধানসভায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্র যন্ত্রকে পুনর্বিন্যাস করতে চেয়েছে। অতীতচারণপূর্বক আপনি তা কিভাবে দেখেন?

কমরেড কিরণ: আমাদের দল পুরনো রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে একটি নয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনযুদ্ধ শুরু ও তা পরিচালনা করেছে। তা সত্ত্বেও এই কাজ পূর্ণ না করে আমরা আপস করেছি এবং রাষ্ট্র পূনর্গঠনকারী এক নীতি গ্রহণ করেছি। আমরা একে আমাদের সীমাবদ্ধতা এবং বাধ্যবাধকতা হিসেবে মেনে নিয়েছি। ভারতীয় মাওবাদীদের আমাদের দল সম্পর্কে সংশয়ী হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। আগামীদিনে আমাদের দলের অনুশীলনের মাধ্যমেই ভারতীয় কমরেডগণের সন্দেহের প্রাসঙ্গিকতা বা ন্যায্যতা সম্পর্কে সঠিক উত্তর দিতে হবে(বিস্তারিত…)