Posts Tagged ‘বুদ্ধিজীবী’


লিখেছেন: মাসুদ রানা

Prochod -vabbudbudস্বাধীনতা অর্জনের কয়েক দশক পেরিয়ে গেল না পেলাম অর্থনৈতিক মুক্তি, না পেলাম রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি। যেখানে দিন দিন এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, সেখানে প্রতিনিয়ত অবনতির কড়াল গ্রাসের মতো পিছনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। দেশ, সমাজটা যেন জৌলসে অনেক উন্নতি করেছে। আগের চেয়ে রাস্তাঘাট, অফিসআদালত, দালানকোঠা সুন্দর হয়েছে। কিন্তু মানুষের হাহাকার কমেনি, বরঞ্চ তা বেড়েছে বৈকি! এসবের পাশাপাশি আমাদের দেশে বুদ্ধিবৃত্তিক সঙ্কট আরো বেশি ঘনীভূত হয়েছে এবং হচ্ছে। এসব সঙ্কটের রূপ আরো গভীরে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করা ছাড়া কোনো উপায় খুঁজে পাওয়ার সুযোগ নেই। আপাত অর্থে আমাদের দেশ পরিচালনাকারী রাজনৈতিক দল, রাজনীতিবিদরা এ সঙ্কটের জন্য মূলগতভাবে দায়ী। কিন্তু এসবের পাশাপাশি রাজনীতিবিদদের রাজনৈতিকভাবে সাহায্যসহযোগিতা করেছে আমাদের দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা। বুদ্ধিজীবীরাই মূলত সাংস্কৃতিক সঙ্কটের জন্য এককভাবে দায়ী। এরাই আমাদের সাহিত্যসংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক পরিবেশকে কলুষিত করেছেন। প্রগতিশীল ভেকধারী তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরাই এ সঙ্কটের তৈরি করেছেন, বললে অত্যুক্তি হবে না। এসব বুদ্ধিজীবী সম্পর্কে আহমদ ছফা বলেছেন

যাঁরা মৌলবাদী তারা শতকরা একশো ভাগ মৌলবাদী। কিন্তু যাঁরা প্রগতিশীল বলে দাবী করে থাকেন তাঁদের কেউ কেউ দশভাগ প্রগতিশীল, পঞ্চাশ ভাগ সুবিধাবাদী, পনেরো ভাগ কাপুরুষ, পাঁচ ভাগ একেবারে জড়বুদ্ধিসম্পন্ন। (সাম্প্রতিক বিবেচনা বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস) (বিস্তারিত…)

Advertisements

atheism-1লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

নিজের মতবাদ বা স্বোপার্জিত সত্যের জন্য জীবন বরবাদ করে ফেলা জ্ঞানীগুণীদের মধ্যে সক্রাতেসের নাম সর্বাগ্রে। এদের মধ্যে যিশু জেনো গ্যালেলিও হাইপেশিয়াসহ আরো অনেকেই আছেন। আমাদের দেশে সম্প্রতি জ্ঞানবিজ্ঞানের চর্চা বেড়েছে বা বাড়ছে এরই প্রমাণ একে একে হুমায়ুন আজাদ, ব্লগার রাজিব বা হালে অভিজিত রায়ের হত্যা। সক্রাতেস প্রথাগত সমাজের সঙ্গে তর্ক করে বুঝতে চেয়েছিলেন যে, সমাজ কতটুকু পিছিয়ে আছে। আসলে সক্রাতেসের সব তর্কের পেছনেই আছে মানুষের মঙ্গল চিন্তা। প্লাতনের মাধ্যমে যেই সক্রাতেসকে আমরা বুঝি, তিনি আগাগোড়াই একজন ইন্টেলেকচুয়াল বা বিদ্বজ্জন। সব বিষয়আশয় নিয়েই তিনি চিন্তাভাবনা করেছেন। কিন্তু গতানুগতিকতার স্রোত থেকে এরপর আলাদা করেছেন নিজেকে। কিন্তু অন্যসব মানুষ সক্রাতেসের মতো চিন্তায় এগিয়ে যেতে পারেননি। ফলে সক্রাতেস ক্রমাগত তাদের কাছে আলাদা হতে হতে তাদের অপরে পরিণত হন। তিনি একা হয়ে যান। তার চিন্তাজগতের আশপাশে সাধারণ মানুষ নেই। যদিও তিনি সাধারণের জন্যই চিন্তা করেছেন। এমনকি আমজনতার অধিকারের কথা ভেবে সারাজনম ব্যয় করা কার্ল মার্কসের প্রলেতারিয়েতরাও মার্কসবাদী নয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

Education-654শিক্ষা হঠাৎ কোন পন্ডিত বা বুদ্ধিজীবীর মস্তিষ্ক থেকে উৎসারিত বিষয় নয়। শিক্ষা কোন পন্ডিতের পান্ডিত্য দ্বারা আবিষ্কারেরও বিষয় নয়। শিক্ষা হলো গোটা মানব সমাজ কর্তৃক অর্জিত জ্ঞান ভান্ডার। শিক্ষা কিভাবে অর্জন করতে হয় এবং পরবর্তী মানব শিশুর মধ্যে কিভাবে সঞ্চারিত করতে হয়, শিশু থেকে শুরু করে পরিণত বয়সের মানুষকে পর্যন্ত কিভাবে মানব সমাজের আর্জিত জ্ঞানের সাথে পরিচিত করতে হয় তাও মানব সমাজ কর্তৃক নির্ধারিত। শ্রেণী স্বার্থের রক্ষকের দায়ীত্বপ্রাপ্ত পন্ডিতরা নানা কৌশলে বরাবরই সেই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শ্রেণী স্বার্থেও এক ধরণের শিক্ষার প্রয়োজন পড়ে। শ্রেণী স্বার্থের রক্ষক পন্ডিতবুদ্ধিজীবীরা শ্রেণী সেবক তৈরীর জন্য যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু শিক্ষার ব্যবস্থা করারই তত্ত্ব নির্মাণকারী। এই নির্মাণেই তাদের পান্ডিত্য এবং বুদ্ধিজীবীতা। কোন সমাজে কতটুকু শিক্ষা থাকবে, তার বৈশিষ্ট্য কেমন হবে, শিক্ষার মান কেমন হবে তা নির্ধারিত হয় সেই সমাজের শাসক শ্রেণীর শ্রেণী চরিত্রের ওপর। বাংলাদেশে শিক্ষার যে দুরবস্থা চলছে, এখানে শিক্ষাকে যেভাবে আক্রান্ত করা হয়েছে, শিক্ষাকে আক্রান্ত করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের যেভাবে আক্রান্ত করা হচ্ছে, সকল শিক্ষার্থী বিশেষ করে শিশুদের যেভাবে মানসিক অসততার ভয়াবহতার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে তা এখানকার শাসক শ্রেণীর শ্রেণী চরিত্রেরই প্রতিফলন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌম্য মণ্ডল

kisssssssচা এর দোকান থেকে সংবাদ মাধ্যম, বঙ্গরাজনীতি উত্তাল, হৈ হৈ এবং ছি ছিক্কারে, কারণ গত ৫ নভেম্বর রাস্তা অবরোধ করে প্রায় ৩০০ ছাত্র ছাত্রী চুমু খেয়েছে! তাও আবার যাদবপুর থানার সামনে দাড়িয়ে! ওয়াকি টকি হাতে পুলিশ ঘেঁটে লাট, “স্যার”কে কি ভাষায় রিপোর্টিং করবে বুঝতে পারছেনা! অন্য সময় হলে না হয় “হাতে নাতে” ধরা পরা “অপরাধী” মেয়েটির বুকে খানিক হাত বুলিয়ে নেওয়া যেত অথবা যুগলের কাছ থেকে ২০০ টাকা ফাইন, অন্তত পক্ষে ধমকির ফরম্যাটে একটু জ্ঞান তো দেওয়া যেত! মানে ওই পার্কে, বা অন্ধকার গলিতে আইনের রক্ষকরা যে বঙ্গ সংস্কৃতিটা অনুশীলন করেন আর কি! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

shahbagh-1গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে অনেক কথা, অনেক বিশ্লেষণ করেছি সাথে এও বলেছিলাম মঞ্চের আন্দোলনের সারসংকলন টানার সময় এখনো আসেনি। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, সেই সময় চলে আসছে এবং সারসংকলন টানার সময়টি আরও বেশী ঘনীভূত রূপ পাচ্ছে এবং আরো পাবে; বিশেষ করে নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক পরিবেশে। না মঞ্চের বিষয়ে আগাম কিছু বা পুরনো বিশ্লেষণ তুলে ধরে কিছু বলব না। কিন্তু আজ গণজাগরণ মঞ্চ, প্রজন্ম ও সুশীল সমাজের কাছে একটি প্রশ্নই করব এবং এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। (বিস্তারিত…)

বিবিধ প্যাঁচাল :: মুড়ির ঠোঙা অথবা দ্রোহের মন্ত্রণা

Posted: ডিসেম্বর 3, 2012 in দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: পাইচিংমং মারমা

(সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃএই লেখাটা খুবই বোরিং এবং লম্বা একটা লেখা। লেখাটা সুশীল, আঁতেল, সমালোচক এবং কচুক্ষেতের বুদ্ধিজীবীদের জন্য নয়। লেখাটা আপনার নিরুদ্বিগ্ন সুশীল বোধের জন্য এলার্জিজনক। গোটা লেখাটা বেশ লম্বাতবে যারা সত্যের মুখোমুখি হতে চান তারা বিষয়বস্তু ধরে ধরে পড়তে পারেন। নীচে ক্রমিক নং এবং বিষয় অনুযায়ী লেখাটা সাজানো আছে। যেকোন বিষয় ধরে আপনি আগাতে পারেন।)

.

১। সানি লেওনের তপ্ত কড়াই এবং ভাজা পোড়া তারুণ্য

Consumerism-1Sunny Leoneকে চিনতাম না। চেনার কথাও না। অনেকদিন ধরে ফেবু খুললে সাইডবারে স্বল্পবসনা এই রুপসীকে দেখি। গতকাল দেখলাম আমার ফ্রেন্ডলিস্টের ১৪ জন তাকে পছন্দ (Like) করে। তার মধ্যে কলেজ পড়ুয়া আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম, ২য় বর্ষের ছাত্রীও আছে। তারা কেন পছন্দ করে জানতে আমি এই রুপসির বিষয়ে তালাশ করলাম। Wikipedia-তেও ঢুঁ মারলাম। দেখে তো আমি থ!

যার এতো জনপ্রিয়তা সে আসলে একজন Porn Star,ভদ্রভাষায় সেলিব্রেটি, প্রচলিত ভাষায় সে একজন “বেশ্যা, রেন্ডিমাগী””। Wikipediaথেকে তার নিজস্ব ওয়েবসাইটে ঢুকে দেখি সেটা একটা পর্নো সাইট, যেখানে তার পর্নো ভিডিও আপলোড করা আছে। (বিস্তারিত…)

গার্মেন্টস শ্রমিকদের মৃত্যু – নানা কথা নানা ব্যথা

Posted: নভেম্বর 29, 2012 in আন্তর্জাতিক, দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

নিঃসন্দেহে শ্রমিক কর্মচারীদের ঐক্য পরিষদের বানারে স্কপ’ ছিল স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তি। বিভিন্ন ইস্যুতে স্কপে ও বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নে বামপন্থীরা নীতি নির্ধারকের ভূমিকায় ছিল। কিন্তু তাঁদের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলে পর্যায়ক্রমে ভোগ করেছিল বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তির দলগুলো। লীগ ও বিএনপি, জামাত এমনকি স্বৈরাচার এরশাদও আছে এই ভোগের তালিকায়। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের পর এভাবেই বামপন্থীরা বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তির ক্ষমতায়ণ , এবং তাঁদের ক্ষমতা সুসংহত ও সুসঙ্গত করতে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং এখনো হচ্ছে। এক্ষেত্রে তাঁদের অর্জন যেমন শূন্য, তেমনি শ্রমিকদের অর্জনও শূন্য।

৯০ এর পর বামপন্থীরা আর কোন শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। যদিও স্বৈরাচারের ঢালাও বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া ক্ষমতাসীন বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তিগুলো আরও পূর্ণমাত্রায় চালু রেখেছিল। মিল কারখানা বন্ধ করে পানির দামে বিক্রি করা হলো। ঢালাও বেসরকারিকরণ এজেন্ডার সাথে বরাবরেরে মত অন্যান্য এজেন্ডা যেমন, শ্রম আইনের সংস্কার, বিভিন্ন খাতের শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি, গার্মেন্টসে ট্রেড ইউনিয়ন চালু সহ নানা এজেন্ডা ছিল এবং কিছু এদিকওদিক বাদে এখনো সেই এজেন্ডা সমূহের বাস্তব অবস্থা বিরাজমান। (বিস্তারিত…)


প্রেস বিজ্ঞপ্তি

প্রগতির পরিব্রাজক দল

কেন্দ্রীয় কার্যালয়: ডাকসু ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

মোবাইল: ০১৯১৩৩০৫২১৪, ইমেইল: propod_ppd@yahoo.com

—————————————————————————–

২৮ নভেম্বর ২০১২

আশুলিয়ায় আগুনে পুড়িয়ে শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদের ১১টি সাংস্কৃতিক ও ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

নিহতদের ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ও মালিককে গ্রেপ্তারের দাবি

গত ২৪ নভেম্বর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে তাজরিন ফ্যাশনে অগ্নিকান্ডে শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে ১১টি প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে ছাত্রবুদ্ধিজীবীসংস্কৃতিকর্মীরা আজ ২৮ নভেম্বর নিশ্চিন্তপুরে তাজরিন ফ্যাশনের পাশে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে।

জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের যুগ্ম আহবায়ক এহতেশাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং বিপ্লবী ছাত্রযুব আন্দোলনের আহবায়ক তৌহিদুল ইসলামের পরিচালনায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন:বন্ধুবাংলা

চুকচুক পদলেহনের শব্দ শোনার কথা, কিন্তু শুনছি কই? এমএলএমকোম্পানির মত রাজনীতিবিদরা প্রতারণার ফাঁদ পেতে বছরের পর বছর জোঁকের ন্যায় জাতির রক্ত নিঃশব্দে চুষে খাচ্ছে তাও দেখছি না। কানে তুলা নয়, তালা দেয়া আছে! দুর্বল দৃষ্টিশক্তি ভাল দেখে না! তথাপি একটা ছবি দেখে চমকে উঠলাম!! তবে ছবির কথায় পরে আসি। আগে কিছু প্যাঁচাল পারি!

আমার পূর্বের লেখায় কৃষকের সাথে সরকারের প্রতারণার কথা উল্লেখ করেছিলাম। সেই সূত্র ধরেই আগামী কৃষি বাজেটের উপর সরকারের ভাবনা কি জানার আগ্রহ ছিল। পত্রিকার মারফতে পেয়েও গেলাম মন্ত্রী মতিয়াকে ও মন্ত্রী মুহিত মাল সাহেবকে; অর্থাৎ, তাদের মন্ত্রণালয়ের হাড়ির খবর। অর্থ ও কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, কৃষির সাফল্যের ধরে রাখতে আগামী অর্থবছরের বাজেটেও সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কৃষি খাতকে। কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণে আসন্ন ২০১২১৩ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রস্তাব করা হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, কৃষকের স্বার্থ সংরক্ষণ করাই আমাদের উদ্দেশ্য। তিনি আরও বয়ান করেছেন “প্রধানমন্ত্রী কৃষি ও কৃষকদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেছেন। তার নির্দেশ পালন করেছি। কৃষকদের সঙ্গে চলতে চলতে তাদের সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।”( হঠাৎ যেন মুখে তেঁতো স্বাদ পেলাম )। সুত্র:

http://www.samakal.com.bd/details.php?news=14&action=main&option=single&news_id=257301&pub_no=1045

যাই হোক, আবার তেঁতো স্বাদ পেলাম অন্য একটি খবরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্দর মহলের কথায়।

অন্য একটি জাতীয় দৈনিকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল বলেছেন, আগামী ২০১২১৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার তত বাড়ছে না। অর্থসংকটে সরকারকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেছেন, অনুন্নয়নউন্নয়ন মিলিয়ে বাজেটের মোট আকার হবে এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার মতো। এর মধ্যে বার্ষিক ()উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি) বাজেট হবে ৫৪ হাজার কোটি টাকার। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

কৃষকের সাথে চলছে এমনই প্রহসনঅবশেষে সরকার ধানচালের দাম নির্ধারণ করেছে। চলতি বোরো মৌসুমে ২৮ টাকা কেজি দরে চাল এবং ১৮ টাকায় ধান কিনবে সরকার। ২০১১ সালেও সরকার সংগ্রহ মূল্য ঘোষণা করেছিল ধান ১৮ টাকা ও চাল প্রতি কেজি ২৯ টাকা। অর্থাৎ, দুই ডিজিটের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ও কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি বিবেচনায় সরকার কর্তৃক ঘোষিত এই দাম গত বছরের চেয়ে তুলনামূলক কম।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় সোমবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে কমিটির সভাপতি খাদ্যমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সুত্র: http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=192739&cid=4

সরকারি সংস্থা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, গত বছরের তুলনায় বোরোতে উৎপাদন খরচ প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। অপর সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, গত এক বছরে বেশির ভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ১০ থেকে ২৫ শতাংশ বেড়েছে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ মতে সার্বিক মুল্যস্ফিতি এখন দুই ডিজিটের ঘরে।

পাঠকের কাছে প্রশ্ন হল সরকার কি কৃষক বান্ধব? সরকার কাকে ঠকাচ্ছে আর কাকে লাভবান করছে, সোয়া কোটি প্রান্তিক কৃষক পরিবারের ৬ কোটি মানুষকে, নাকি মুষ্টিমেয় কিছু মধ্যসত্বভোগী ফড়িয়াকে?

এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, এ দেশের কৃষক হচ্ছে সবচাইতে বেশি শোষিতশ্রেণী। হরতালের রাজনীতি, হত্যা, গুম নাটকের ডামাডোলে আমরা কৃষকের আর্তনাদ শুনতে পাই না। অথচ কৃষি এখনও আমাদের মূল অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি। আমি যে কথাটা বরাবরই বলে আসছিযে স্বাধীনতা লাভের এই ৪০ বছরে কোন সরকারই কৃষক বান্ধব ছিল না। মুজিবের সবুজ বিপ্লব, জিয়ার ১৯ দফা, এরশাদের ১৮ দফা কর্মসূচী সবই ছিল রাজনৈতিক ভাঁওতাবাজি, যা আজও অব্যাহত। (বিস্তারিত…)