Posts Tagged ‘বিশ্লেষণ’


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

shahbagh-1গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে অনেক কথা, অনেক বিশ্লেষণ করেছি সাথে এও বলেছিলাম মঞ্চের আন্দোলনের সারসংকলন টানার সময় এখনো আসেনি। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, সেই সময় চলে আসছে এবং সারসংকলন টানার সময়টি আরও বেশী ঘনীভূত রূপ পাচ্ছে এবং আরো পাবে; বিশেষ করে নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক পরিবেশে। না মঞ্চের বিষয়ে আগাম কিছু বা পুরনো বিশ্লেষণ তুলে ধরে কিছু বলব না। কিন্তু আজ গণজাগরণ মঞ্চ, প্রজন্ম ও সুশীল সমাজের কাছে একটি প্রশ্নই করব এবং এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। (বিস্তারিত…)

Advertisements

পাঠসূচিঃ

বলীর পাঠা বাংলার কৃষকের সাথে সরকারের শুভঙ্করের ফাঁকি / বন্ধুবাংলা

লাল সেলাম / সৌরভ ব্যানার্জী

বিপর্যস্ত জ্বালানী খাত, সমাধান কেবলই বিকল্প জ্বালানী ::

অমিত সম্ভাবনার জিওথার্মাল এনার্জি / শাহেরীন আরাফাত

এখানে মৃত্যু অবধারিত / অবিনাশ রায়

জাগো” এবং আমার বন্ধুরা / ফেরারী সুদীপ্ত

কর্পোরেট কালো থাবায় স্বকীয় বাঙলা ভাষার নাভীশ্বাস এবং ভাষার আধুনিক টার্মোলজি ::

রাষ্ট্রের উগ্র জাতীয়তাবাদ / মালবিকা টুডু

বিপ্লব নয় প্রলেতারিয়েতের মহাপ্রলয় নিয়ে আসছি / জাকারিয়া হোসাইন অনিমেষ

বাংলাদেশ :: কর্পোমিলিটোক্রেসির সমন্বয়ে গঠিত একটি স্বাধীন, সার্বভৌম,

নয়া ঔপনিবেশিক অভয়ারণ্য / আলবিরুনী প্রমিথ (বিস্তারিত…)


নব্বইয়ের কবিতার চিত্রকল্প

মাতিয়ার রাফায়েলের ‘অমর, মর…’ এবং আমার নিজস্ব বিশ্লেষণ

লিখেছেন: আহমদ জসিম

জেনগল্প হৈতে প্রবাহিত

বহুদিন আগে একবার তাহার ছেলেসন্তান কী মরুভূতে নরবাণিজ্য

উদ্দেশে গিয়ো ফিরিয়া আসে নাই আর। তাহার কথাই মনে টানিয়া

বারঙবার গ্রামবৃদ্ধাটি কী গানসহিত মিতদীর্ঘশ্বাস প্রবাহে যায়

সেদিনও লামা পাহাড়ের পাদদেশের বাঁশঝাড়মধ্য হৈয়া রামদা হাতে আঁকিয়া বাঁকিয়া সরিতেছিলেন টীলাবাসিনী পোঁদশ্রেণীস্থা সেই গ্রাম বৃদ্ধাটি।

ছেলেটির জন্ম প্রাক্কালে যেতুরীয়সঙ্গম জঙ্গমতায় ধ্বনিত হৈত কণ্ঠ হৈতে তাহার, ওঁ, এই ওঙ্কার বিশেষ, তামাদি হৈয়া যাওয়া কোন অন্দর যেভগ স্ফূর্তিতে ছিল বান্, সেই পুরুষ শায়ক,

তাহার ভগবানপুরুষ, মরিয়া হাজিয়া পগার পার সেই কবে, সেই বাঙলা তেরশ’ কত যেন বন্যার পূর্বে

গ্রামবৃদ্ধার স্মৃতি প্রবাহে তাহেই কী দীর্ঘশ্বাসে মৃদু মৃদু ধাক্কা খাইতে খাইতে আবার সরিয়া সরিয়া পড়িয়া যায়।

তখনই মাত্র লুটিয়া প’ড়ে স্মৃতিতে আবার কী যে মিহি টানে সেই ওঁ, ওঙ্কার ধ্বনিপর : ‘ওঁমর, মর’

তাহারই ধারাবাহিকতায় এক বর্ষাদিবস চোখে চষিয়া গেল চকিতে আমার, এক পঞ্চাশীতিপরায়ণা প্রায় ধনুকায় ধনুকায় গ্রামবৃদ্ধাবাছিয়া বাছিয়া কচু কাটিতেছে।

আর ধ্বনিত হৈতেছে কণ্ঠ হৈতে, তাহারই যেন কোন অর্ধস্বর ভাঙিয়া, ‘ওঁকচু। অঁমর, ওঁমর’

আচম্বিতে কী জাদুগ্রস্তের মতো তদীয় পার্শ্বস্থিত হৈয়া কৈলাম : কী হে গ’ পোঁদে, কী শোধে কাহাকে তুমি ওমন অভিসম্পাৎ করিতেছ, ওঁকচু, অঁমর, ওঁমর

পোঁদবৃদ্ধাটি যারপরনাই লজ্জাপর কৈল, বিদেশী বাবু, মুই ত কেউরে কোন শোধে এইসা অভিসম্পাৎ করিচ্চি না!

ছেলে আমার অমর, বহুদিন আগে নরবাণিজ্যে গিয়া ধর্মান্তরিত হৈয়া গিয়া ফিরিয়া আসে নাই আর এ মাতৃকোলে কোনদিন!

কী নতুন নাম না কি হৈয়াছিল তাহার, অমর হৈতে ওমর, বাবুজি গা’, মুই ত তাহাই ধৈরা ডাকিচ্চি,

অঁমর, ওঁমর’

  (বিস্তারিত…)