Posts Tagged ‘বিশ্ববিদ্যালয়’


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

Education-38সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় পাশের হার ৪% থেকে সর্বোচ্চ ২১%। এই পাশের হার পাবলিক পরীক্ষায় পাশের হারের সাথে তুলনীয় নয়। এখানে পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্যই পাবলিক পরীক্ষায় একটি ন্যূনতম রেজাল্ট থাকতে হয়। সেদিক থেকে এ পরীক্ষায় যারা অংশ গ্রহন করে তাদের প্রায় সবাই পাবলিক পরীক্ষা থেকে সর্বোচ্চ রেজাল্ট জিপিএ৫ অর্জনকারী। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। এ পরীক্ষার আয়োজনই করা হয় বহু সংখ্যক শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বল্প সংখ্যক আসনের জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করার করে অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে ‍‌‌‌বৈধ উপায়ে বাদ দেওয়ার জন্য। তার পরও এখানে পাশ নম্বর বলে একটি নম্বর নির্ধারণ করা হয়। (বিস্তারিত…)

Advertisements

১। সভ্যতার নামে ক্ষমা চাই

দুঃসম্পর্কের ছোট্ট বোনটি আমার

আমার মা তোমার মায়ের সাথে আমাকে পরিচয় না করিয়ে দিলে

হয়তো আমার জানাই হত না তুমি থাক কুমিল্লার কোথাও!

ঠিক যেমন অনেকেই পড়ে আছে বাংলাদেশে যাদের আমি এবং আমরা জানি না,

ঠিক যেমন তোমাকেও আজকের আগে জানতাম না কখনো।

এই উচ্চবিত্ত আত্মীয়ের উত্তরবিবাহ রিসিপশন পার্টির আলোঝলমলে পরিবেশে

তুমি বড়ো বেমানান।

এখানে

হো হো করছে,

হি হি করছে,

হা হা করছে,

ছবি তুলছে,

স্মৃতি জাবর কাটছে;

সব কিছুই করছেতুলছেকাটছে অসাধারণেরা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

'জাগো ফাউন্ডেশন'এর লুটপাট কর্মসূচীতে জাফর ইকবাল

গত ৪ নভেম্বর প্রথম আলো পত্রিকার ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ওদের নিয়ে কেন স্বপ্ন দেখব না?’ শিরোনামে লেখক জাফর ইকবালের একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিলো। সেই লেখাটিতে তিনি নানা বিষয়ের অবতারনা করেছেন যার মধ্যে আমাদের দেশের পুরুষতান্ত্রিক সংস্কৃতিএর বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে খুব প্রাসঙ্গিকভাবেই তিনি বোরকা, হিজাব এসবের কথা লিখেছেন। কিন্তু তার সেই লেখা প্রকাশিত হবার পর থেকেই ব্লগে, ফেসবুকে পুরুষতান্ত্রিক লালাসায় পরিপূর্ণ পার্ভার্টরা তার মেয়ে ইয়েশিম ইকবালের কিছু ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশ করে এবং নানা আদিরসাত্মক আলাপআলোচনাকে উস্কে দেয়। তার সেই লেখায় তিনি যা যা বলেছেন কিংবা লেখাটির উপজীব্য বিষয়কে ছেড়ে দিয়ে সেই পার্ভার্টগুলো ক্রমাগত তাকে সমালোচনার নামে ব্যক্তিগত কুৎসা রটায় এবং নিজেদের অবদমিত পুরুষতান্ত্রিক লালসা, মনের বিকৃতি, উগ্রতা উগড়ে দেয়। ব্যক্তিগতভাবে তেলগ্যাস ইস্যুতে তার নানাবিধ নষ্টামী, ইউনুস সাহেবের নির্লজ্জ এবং উদ্দেশ্যমূলক পক্ষপাতিত্ব এবং নানাবিধ কর্পোরেট বেশ্যাবৃত্তির কারণে আমি তাকে বিক্রী হয়ে যাওয়া বুদ্ধিজীবী বলেই মনে করি। কিন্তু তাই বলে সমালোচনার নামে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যেভাবে টানাটানি করা হয়েছে তা যেকোন অবস্থাতে নিন্দিত এবং কঠোর সমালোচনার যোগ্য। জাফর ইকবালের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনাসমালোচনা হতে পারে, যদি তিনি নিজে যা লিখেছেন তা থেকে তার নিজের বিচ্যুতি ঘটে থাকে, তবে সেটাও সমালোচনা করা যেতে পারেন। তাই বলে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কেন এই নোংরা খেলা এবং কেন আমাদের সেই নোংরামীকে সমর্থন করা? জাফর ইকবাল তার সেই লেখাটিতে যা লিখেছেন তা থেকে তিনি নিজে বিচ্যুত এমনটা কি এখনো প্রমাণিত হয়েছে? এছাড়া আমরা যদি বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তির দিকে তাকাই তবে দেখব যে তাদের অনেকেই তাদের জীবনে বিভিন্ন ধরণের অপরাধ করেছেন। উদাহরণ স্বরুপ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ লেখকদের ছোট তালিকা তৈরী করতে বলা হলে সেখানে লিও টলস্টয়ের নাম অবশ্যই আসবে যার সম্পর্কে লেনিন বলেছিলেন, টলস্টয়ের লেখা না পড়লে কোন কমিউনিস্টের শিক্ষা পূর্ণ হয়না সেই লিও টলস্টয় তের বছরের একটি বালিকাকে ধর্ষণ করেছিলেন, যার স্বীকারোক্তি তিনি নিজে দিয়েছিলেন, এখন তাই বলে তার লেখাকে কী অস্বীকার করা সম্ভব? সাহিত্যের জগতে তার যেই অসামান্য অবদান তাকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করাটা কতটা যুক্তিযুক্ত হবে উপরিউক্ত ঘটনাটির কারণে? এর সাথে তুলনা করলে ব্যক্তিগত জীবনে জাফর ইকবাল এমন কি লঙ্কাকান্ড ঘটিয়েছেন, যার কারণে পোঁদ ফাঁটা আবেগে এই বিকৃতিকে সমর্থন করছেন? দুঃখের ব্যাপার হলো, জাফর ইকবালের অনেক ভক্তকে ব্যক্তিগতভাবে চিনলেও তাদের মধ্যে হাতেগোণা কয়েকজন ছাড়া আর কাউকেই এই নিয়ে তেমন কথা বলতে শুনিনি কিংবা দেখিনি!! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

ফটো-সেশনে ব্যস্ত ভলেন্টিয়্যাররা

গত ৩ নভেম্বর শিশু দিবস উপলক্ষ্যে জাগো ফাউন্ডেশন নামে একটি এনজিওতে কাজ করা নানা প্রাইভেট–পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রেরমৌলিক অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত শিশুদের সাথে সময় কাটিয়েছে, তাদের খাইয়েছে, হৈ হুল্লোড় করেছে, ফুল বিক্রি করে টাকা তুলে বিচ্ছিন্নভাবে দারিদ্র্যতা দূরীকরণ(!)এর অসম্ভব কাজটি একদিনের জন্য হলেও সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ধরনের এনজিও পরিচালিত কর্মকান্ডের উত্তোরোত্তর বৃদ্ধি মোটেও হেলাফেলার বিষয় নয়। কেননা এই ধরনের কর্মকান্ডের অরাজনৈতিকইমেজের মোড়কে যেই প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতিবিদ্যমান তাকে সঠিকভাবে অনুধাবন এবং তাকে স্পষ্ট করে তুলে ধরাটা এই সময়ের জন্য অবশ্য কর্তব্য। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফেরারী সুদ্বীপ্ত

'জাগো ফাউন্ডেশন' ও এর মতো এনজিও-গুলো স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের এমনি করে সমাজ সেবার নামে নিজেদের ধান্দাবাজীতে কাজে লাগাচ্ছে

ডঃ আহমদ শরীফ বলতেন, “ আমি এনজিও বিরোধী এই জন্যই যে ওরা কার্যত সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট। ওরা আমাদের উর্ধ্বগতি ও নিম্নগতি রোধ করেই চলবে। আমাদের বাড়তেও দিবে না , মরতেও দিবে না। টবের গাছের মত শাসন শোষণের জন্য জিইয়ে টিকে রাখবে”।

তার ডায়েরি “ভাব বুদবুদ” থেকে মন্তব্যটা উদ্ধৃত করার কারণটা পরে বলছি। গতকাল শিশু দিবস উপলক্ষে “জাগো” ফাউণ্ডেশন নামে একটা এনজিওর উদ্যোগে প্রাইভেটপাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একপাল শিক্ষার্থী সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সাথে দিনব্যাপী সময় কাটিয়েছে, তাদের খাইয়েছে, হৈ হুল্লোড় করেছে, ফুল বিক্রি করে টাকা তুলে দারিদ্রতা দূরীকরণের মহান কর্মযজ্ঞে তারা কাটিয়েছে পুরো একটা দিন।আমজনতা মুগ্ধ হয়েছে ওদের কর্মস্পৃহা ও মানবতাবোধের উজ্জীবন দেখে। কী স্মার্ট ও সুদর্শন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলেমেয়েরা রাস্তায় নেমে এসেছে দারিদ্রতা দূর করবে বলে ,দেশকে পুনর্গঠনের কি মহান ব্রত তাদের , এতদিন কোথায় লুকিয়ে ছিল আমাদের দেশের সোনার ছেলেরা! এবার কে রোধে আমাদের চলার গতি! (বিস্তারিত…)