Posts Tagged ‘বিজিএমইএ’


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

toba-group-workersতৈরি পোষাক বা গার্মেন্টস খাত বাংলাদেশে সব সময় আলোচনার বিষয়। চরম অব্যবস্থাপনার এই খাতের সুবিধাভোগী মালিকপক্ষরাষ্ট্র, সরকার কিংবা প্রশাসনের কাছ থেকে ‘চাহিবা মাত্র’ যাবতীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করে আসছে। সেক্ষেত্রে দেশের বা আন্তর্জাতিক কোন আইনকানুন তাদের কাছে তেমন কোন বাধা হতে পারেনি। উপরন্তু সমস্ত আইন কানুন স্বয়ং তাদের সেবাদানকারীর ভূমিকা পালন করছে। জবাবদিহিহীন এবং বিচারহীন এক উদ্ভট সংস্কৃতির মধ্যে বেড়ে উঠেছে লুটপাট নির্ভর শাসকগোষ্ঠীর আস্কারায় প্রতিপালিত গার্মেন্টস ক্ষেত্রের মালিকেরা।। আর এই খাতের ভিত্তি যাদের শ্রমের উপর নির্ভর করে সেই লক্ষ লক্ষ শ্রমিক যারা শোষন, নীপিড়ন, অসম্মান এবং অন্যায্য আচরণের মূর্তিমান ভূক্তভোগী। সামন্তযুগের দাসদের আধুনিক সংস্করণ আজকের বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকেরা। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

toba-group-workersতোবা ফ্যাশনে প্রায় দেড় হাজার শ্রমিককে তিন মাস ধরে বেতন দেওয়া হচ্ছে না। এমন নয় যে, এই তিন মাস ফ্যাক্টরি বন্ধ ছিল। পুরোদমে ফ্যাক্টরি চালু ছিল। বিশ্বকাপের জার্সি নির্মাণ সহ সকল ধরণের কাজই সেখানে হয়েছে। অথচ শ্রমিকদের বেতন দেওয়া হয় নাই। এই তোবা ফ্যাশনের মালিকই তাজরিণ গার্মেন্টের মালিক। যেখানে এই মালিকের অবহেলার কারণে আগুনে পুড়ে শতাধিক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল। সেই মামলার দায়ে মালিক দেলোয়ার হোসেন জেলে। শ্রমিকদের বেতন না দেওয়ার পিছনে মালিকের জেলে থাকাকে অজুহাত হিসেবে দেখানো হচ্ছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

.

Garment workers shout slogans during a rally demanding an increase to their minimum wage in Dhakaপাঁচ হাজার গার্মেন্টস মালিক সহ বিজিএমইএ ভবন ধ্বস! প্রথম দুই দিন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ছাড়াই আর্মি, ফায়ার সার্ভিস ও সাধারণ মানুষের উদ্ধার প্রচেষ্টা। তৃতীয় দিন থেকে মানুষের দয়ায়, ত্রানে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আসা শুরু। ততদিনে অধিকাংশ গুরুতর আহত মালিকের মৃত্যু। মৃত মালিকদের লাশের গন্ধে বাতাস ভারী। উদ্ধার কাজে আর্মির দাড়িয়ে থাকা, বাঁশি বাজানো, ফায়ার সার্ভিসের দুই/তিনটি দিক থেকে কাজ করা। বিশেষজ্ঞ মতামত, সমন্বয়, পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনার বালাই না থাকা। কেবল চারপাশ থেকে সাধারণ মানুষ, শ্রমিকদের আপ্রাণ চেষ্টায় হাতড়ে হাতড়ে কারো হাত কেটে কারো পা কেটে কাউকে আস্ত রেখে কিছু জীবন্ত মালিককে উদ্ধার, কিছু খন্ডিত, বিকৃত, গলিত লাশ উদ্ধার। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: নেসার আহমেদ

rana_plaza-1২৪ এপ্রিল, ২০১৩ সাল। ঐদিন সাভারে রানাপ্লাজা ভবন ধ্বসে হাজারের ঊর্ধ্বে কর্মরত শ্রমিক খুন হন। চরম নৃশংসতম ও ভয়াবহ এই হত্যাকাণ্ডের নজির গোটা বিশ্বের পোশাকশিল্পের ইতিহাসে মেলা ভার। হত্যাকাণ্ড আমাদের জনজীবনের পরে গভীর ছাপ রেখেছে। একইভাবে ক্রেতা রাষ্ট্রগুলোর জনগণের পরেও। শুরু হয়েছে নানামুখী আলোচনাসমালোচনা, প্রস্তাবনা ও রাজনীতি। যা দেশীয়আন্তর্জাতিক সব স্তরেই আজ চলছে। আমরা কেউই এই প্রতিক্রিয়ার বাইরে নই। ফলে সময়ের দাবি অনুযায়ী কিছু কথা বলা জরুরি (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

ভূমিকা

yunus-2সাভারে শ্রমিক গণহত্যায় সুদূর ভ্যাটিকান সিটির পোপ থেকে শুরু করে দেশের সরকার, সুদখোর ইউনুস, মালিক শ্রেণী সবাই যেন নড়েচড়ে বসেছে, মন্তব্যের ফুলঝুরি নিয়ে হাজির হচ্ছে। অন্যদিকে সাভারের ভবন ধ্বসের শোকাবহ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গত ১৩২০১৩ তারিখে মন্ত্রীসভার বৈঠকে “বাংলাদেশ শ্রম আইন (সংশোধন), ২০১৩” এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে যা আসলে শ্রম বান্ধব কোন নীতি নয় বরং চূড়ান্ত বিচারে শ্রমিক বিরোধী।এছাড়া ১২২০১৩ তারিখে সরকার একটি ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে। যেহেতু উৎপাদনের সাথে আমাদের সবার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা নাই, তাই আপাত দৃষ্টিতে এসমস্ত পদক্ষেপকে আমরা ইতিবাচক ধরে নেই এবং রাষ্ট্রকে গনরাষ্ট্রের আয়নায় দেখতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহ্জাহান সরকার

savarসাভারের রানা প্লাজায় গার্মেন্টশিল্পের বিল্ডিং ধ্বসে যে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে একে ট্র্যাজেডি বলতে মুখে আমার ভীষণ বাধছে। এই মর্মন্তুক শ্রমিককর্মচারী হত্যাকাণ্ড হচ্ছে বিশ্বাসঘাতক বড় মালিক শ্রেণীর রাষ্ট্র ব্যবস্থা ও সরকারের শ্রমিক শ্রেণীর ওপর চাপিয়ে দেয়া অঘোষিত অন্যায় যুদ্ধ। এই অঘোষিত অন্যায় যুদ্ধের শিকার হচ্ছে হাজার হাজার শ্রমিক নরনারী। হত্যাকাণ্ড ঘটে যাবার পর আমরা প্রতিবাদে সরব হই। মাস না পুরোতেই আমরা ভুলে যাই নিরবে শহীদ হয়ে যাওয়া আমাদের শ্রমিক ভাইবোনদের আত্মহুতিকে। আত্মশ্লাঘায় আবার জেগে উঠি যখন আর একটি নিরব গণহত্যা সংঘটিত হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

yunus-2সাভারে শ্রমিক গণহত্যায় সুদূর ভ্যাটিকান সিটির পোপ থেকে শুরু করে দেশের সরকার, সুদখোর ইউনুস, মালিক শ্রেণী সবাই যেন নড়েচড়ে বসেছে, মন্তব্যের ফুলঝুরি নিয়ে হাজির হচ্ছেন। গত কয়েক দিনে গন মাধ্যমে প্রকাশিত সুদী কারবারি ইউনুসের সাম্প্রতিক একটি লেখা ও রাষ্ট্রের নতুন শ্রম আইন ও মুজুরি বোর্ড গঠনের বেশ কয়েকটি সংবাদ বিশ্লেষণ করতে গিয়েই এ লেখার অবতারণা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রশান্ত মাহমুদ

savar-disaster-12আবারো লাশের মিছিল। গত ২৪ নভেম্বর তাজরীন গার্মেন্টসে শত শত শ্রমিক পুড়ে অঙ্গার হওয়ার ঠিক ৫ মাসের মাথায় গত ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের ইতিহাসে ভয়াবহতম ঘটনায় ভবন ধ্বসে পড়ে জীবন্ত কবর হলেন সাভারের রানা প্লাজার পাঁচটি গার্মেন্টেসের হাজারো শ্রমিক। এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা লাশের সংখ্যা ৩৯৮। অবিরাম, অবিশ্রান্ত উঠে আসছে লাশ। জানিনা, এই লেখা শেষ করতে করতে এই লাশের সংখ্যা কততে গিয়ে ঠেকবে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

savar-disaster-15গত ২৪ এপ্রিল, বুধবার বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষ, বিশেষত গার্মেন্টস সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য এক ঘোরতর বিপর্যয়ের দিন। সাভারের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় ‘রানা প্লাজা’ নামে এক বহুতল ভবন দৃশ্যমান কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ ধসে পড়ে। এই ভবনে থাকা পাঁচটি গার্মেন্টসের কয়েক হাজার শ্রমিক এর ধ্বংসস্তুপের মধ্যে চাপা পড়েন। সেখান থেকে এখন পর্যন্ত আড়াই হাজারের অধিক শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। (বিস্তারিত…)

গার্মেন্টস শ্রমিকদের মৃত্যু – নানা কথা নানা ব্যথা

Posted: নভেম্বর 29, 2012 in আন্তর্জাতিক, দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

নিঃসন্দেহে শ্রমিক কর্মচারীদের ঐক্য পরিষদের বানারে স্কপ’ ছিল স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তি। বিভিন্ন ইস্যুতে স্কপে ও বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নে বামপন্থীরা নীতি নির্ধারকের ভূমিকায় ছিল। কিন্তু তাঁদের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলে পর্যায়ক্রমে ভোগ করেছিল বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তির দলগুলো। লীগ ও বিএনপি, জামাত এমনকি স্বৈরাচার এরশাদও আছে এই ভোগের তালিকায়। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের পর এভাবেই বামপন্থীরা বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তির ক্ষমতায়ণ , এবং তাঁদের ক্ষমতা সুসংহত ও সুসঙ্গত করতে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং এখনো হচ্ছে। এক্ষেত্রে তাঁদের অর্জন যেমন শূন্য, তেমনি শ্রমিকদের অর্জনও শূন্য।

৯০ এর পর বামপন্থীরা আর কোন শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। যদিও স্বৈরাচারের ঢালাও বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া ক্ষমতাসীন বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তিগুলো আরও পূর্ণমাত্রায় চালু রেখেছিল। মিল কারখানা বন্ধ করে পানির দামে বিক্রি করা হলো। ঢালাও বেসরকারিকরণ এজেন্ডার সাথে বরাবরেরে মত অন্যান্য এজেন্ডা যেমন, শ্রম আইনের সংস্কার, বিভিন্ন খাতের শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি, গার্মেন্টসে ট্রেড ইউনিয়ন চালু সহ নানা এজেন্ডা ছিল এবং কিছু এদিকওদিক বাদে এখনো সেই এজেন্ডা সমূহের বাস্তব অবস্থা বিরাজমান। (বিস্তারিত…)