Posts Tagged ‘বিচ্ছিন্নতা’


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

CHT-9-আদিবাসীদের বিচ্ছিন্নতার কথা, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের কথা আজকাল শুনতে পাওয়া যায়। তবে আদিবাসীদের কথায় যাবার আগে আমি একটু জাতীয়তাবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদের সাথে পুঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের সম্পর্কটা একটু দেখে নিতে চাই। সামন্তবাদ পুঁজিবাদের বিকাশের জন্য একটা বাধা স্বরূপ ছিল। তাই সামন্তবাদ বিলোপ করতে হয়েছে, এই বিলোপের সাথে বিভিন্ন দেশের বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের একটা সম্পর্ক আছে। অর্থাৎ, বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ফলে যে রাষ্ট্র গঠিত হয়, তা পুঁজিবাদের বিকাশে ভূমিকা রাখে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মাহাবুব হাসান

শুরুর আগে

শিল্পসংস্কৃতি এক অশেষ পথ রেখা ধরে এগিয়ে চলে। সংস্কৃতিকে সময়পর্ব দিয়ে ভাগ করা অনেকটাই যান্ত্রিক ব্যাপার। যে কোন ধরণের ক্ষমতা কাঠামো (সেটা রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক) ভারসাম্যপূর্ণ বা ন্যূনতম ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে পারলেও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে তা কিন্তু একেবারেই সরাসরি ও দৃশ্যমান ক্রিয়া বা প্রতিক্রিয়া তৈরী করে না। তার বিকাশ ও ক্রিয়া প্রক্রিয়া চলে সুস্থির একটা নিবিড় পর্যায়ের মধ্য দিয়ে। সময়ের ধারাবাহিক এগিয়ে চলায় ঐতিহাসিকভাবেই শ্রেণী তার নিজস্ব ক্ষমতা কাঠামোকে (মানবিক বা অমানবিক) টিকিয়ে রাখার জন্য সংস্কৃতিকে বারংবার রূপান্তায়িত করে বা সংস্কৃতির রূপান্তর ঘটে যায়। এটা মনে করারও কোন কারণ নেই যে রাজনৈতিকঅর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যেসব কাঠামোর বিবর্তন বা পরিবর্তন ঘটে, সেই সব ক্রিয়াপ্রতিক্রিয়ার কোন কিছুই সংস্কৃতির উপর পরে না। অবশ্যই পড়ে। কেননা এটা আরো ঘনিষ্টভাবে মনে রাখতে হবেযে কোন ধরণে উৎপাদনই (শিল্পসাহিত্য) সামাজিক উৎপাদন ব্যবস্থার বাইরের কিছু নয়। মানুষ একই সাথে সামাজিক সত্ত্বা ও একক সত্ত্বা। যে কোন ব্যক্তির কাছেই ‘সমাজ’ এ আপাত বিমূর্ত ধারণাটির প্রকৃত অর্থটি বলতে গেলে বলতে হবে সমসাময়িক ও পূর্ববর্তী সকল গোষ্ঠী বা প্রজন্মগুলোর পরোক্ষ ও প্রতক্ষ্য সকল মানুষের সম্পর্কের একটি যৌথ যোগফল।

একক সত্ত্বা হিসেবে ব্যক্তি নিজেই চিন্তা, অনুভব ও নানাবিধ প্রকল্প ও প্রচেষ্টা চালাতে সক্ষম। কিন্তু এই দৃশ্যের গহীনের প্রকৃত উন্মোচনটি হলো ব্যক্তি তার সকল অনুভূতিময় কর্ম বা অস্তিত্বের মধ্যে শারীরিক ও চৈতণ্যের বিকাশ ও উপস্থাপনের জন্য সমাজের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। তাই সমাজ কাঠামোর বাইরের অংশ হিসেবে তাকে কোনভাবে চিন্তা করা বা অন্য কোন প্রক্রিয়া যদি থেকে থাকে তা দিয়ে বোঝার ও গভীরভাবে অনুশীলন করা এক কথায় হবে অলিক ও অসম্ভব। মানুষ তার সব প্রয়োজনীয় সকল কিছুর যোগানকাজের জন্য হাতিয়ার, হাতিয়ার ব্যবহারের ভিন্ন ভিন্ন কৌশল,নানা রকমের বিকশিত শ্রমশিল্প, আর মৌলিক চাহিদাগুলোতো রয়েছেই; আরো রয়েছে প্রাণী হিসেবে মানুষের সবচেয়ে বিশেষ বিকশিত অবস্থানটি, তার চিন্তা করার সক্ষমতা, ভাষা ও চিন্তা করার নানা রূপ ও কৌশল এবং সর্বোপরি চিন্তার সকল বিষয়াদিসহ মানুষের ইতিহাসটাই গড়ে উঠেছে অসংখ্য মানুষের একটু একটু কাজের অংশ গ্রহণের মধ্য দিয়ে, আর তা লুকানো রয়েছে ছোট একটি শব্দের মাঝে, সে শব্দটি হলো ‘সমাজ’। (বিস্তারিত…)