Posts Tagged ‘বামপন্থী’


লিখেছেন: সৌম্য মন্ডল

প্রসঙ্গ রাষ্ট্রদ্রোহীস্লোগান

Kanhaiya_Kumarএটা অনেক আগেই প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, ৯ ফেব্রুয়ারি জওহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটিতে পাকিস্তান জিন্দাবাদ বা ঐ জাতীয় স্লোগান দেওয়া হয়েছিল হিন্দু ফ্যাসিস্ট আরএসএস ঘনিষ্ঠ ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) সদস্যদের তরফ থেকে। এরপর মূলধারার কিছু সংবাদ মাধ্যমই ফাঁস করে দিয়েছে হাফিজ সাদের মিথ্যে টুইটার পোস্টসহ একাধিক ভুয়ো ছবি ও ভুয়ো ভিডিওর কথা, যা দেখিয়ে আরএসএস, এবিভিপি এবং সংঘ পরিবার অনুগত সংবাদ মাধ্যম জেএনইউএর ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি কমরেড কানহাইয়া, ৯ ফেব্রুয়ারির সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ সভার উদ্যোক্তা কমরেড উমর খালিদসহ বাকিদের দেশদ্রোহী প্রমাণ করতে চেয়েছে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমএর লেখার প্রতিক্রিয়া

mujahidul-islam-selim-cpbআগষ্ট২০১৪ এর শুরু দিকে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় “জনতার মৃত্যু নেই, তাই মৃত্যু নেই বঙ্গবন্ধুরও” এবং “দেশকালজনতা ও বঙ্গবন্ধু” দুটি লেখা প্রকাশিত হয়। লেখক বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি ও স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের প্রখ্যাত ছাত্রনেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। লেখা দুটি পড়ে আমার মনে কিছু প্রশ্ন জেগেছে। কমিউনিস্ট আন্দোলনের একজন নগন্য কর্মী হিসেবে প্রশ্নসমূহ উত্থাপন ও তার ব্যাখ্যা জানা জরুরী হয়ে দেখা দিয়েছে। প্রথমেই আমার জিজ্ঞাসা একজন কমিউনিস্ট পার্টির নেতা কিভাবে ‘জাতির জনক’ অভিধার প্রতি আকৃষ্ট হতে পারেন? তাও আবার “বঙ্গবন্ধু” আর এই বঙ্গবন্ধু” উপাধি ঘোষণা করেছিলেন কারা? নিশ্চয়ই সেলিম ভাই তা জানেন। ছাত্রলীগের একটি সমাবেশ থেকে তারা তাদের নেতাকে যে কোন ভূষণে ভূষিত করতে পারে। কোন মাপকাঠিতে এই অভীধা সমগ্র জনগোষ্ঠীর অলঙ্কার হিসেবে সম্পৃক্ত হয়? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

communist-signবাংলাদেশের বামপন্থী, এমনকি কমিউনিস্ট নামে পরিচিত অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের অবস্থানগত দেউলিয়াত্ব এখন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে তা নিয়ে কথাবার্তা বলাটাও খুব যন্ত্রণাদায়ক ব্যাপার। এই অবস্থানগত দেউলিয়াত্ব তাদের তাত্ত্বিক দেউলিয়াপনা থেকেই উদ্ভূত হয়েছে। বর্তমানে এই চরম দেউলিয়াত্বপ্রাপ্ত রাজনীতির পরাকাষ্ঠা প্রদর্শনের দায়িত্ব নিয়েছে সিপিবিবাসদ ঐক্যজোট। (বিস্তারিত…)


SPB_logo-3দেশের প্রধান চারটি সিটি কর্পোরেশন ও নবগঠিত কালীগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীদের বিপুল বিজয়ের ঘটনাকে দেশের চলমান রাজনীতিতে নতুন মোড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলে অনেকে মনে করছেন। তাই, দেশের রাজনীতি নিয়ে হিসাবনিকাশও নতুন করে শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতির পটভূমি সম্পর্কে কিছু কথা বলা দরকার। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: জুয়েল থিওটোনিয়াস

shahbagh-1জাতীয়তাবাদ? সংবিধান প্রতিষ্ঠার পর বাঙালি জাতীয়তাবাদই প্রাধান্য পেয়েছিল ও সে মতোই দেশ চলছিল কিন্তু প্রতিবাদ এসেছে। পরে এল বিএনপি ক্ষমতায় বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী ধারণা নিয়ে কিন্তু তারা কি আজ পর্যন্ত তা ধারণ তো লালন করতে পেরেছে? হতে কি পেরেছে তারা অসাম্প্রদায়িক? বাংলাদেশ বহু ধর্মেরজাতিরভাষারসংস্কৃতির দেশ। এ দেশ আমাদের সবার। তবে তা প্রতিষ্ঠায় এখনও যেতে হবে বহুদূর। আমি মনেপ্রাণে চাই দেশে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পাক, সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠা পাক, তাই বলে সবাই নাস্তিক হয়ে যাবে, তা চাই না, চাই না সবাই বাঙালি হিসেবে পরিচিত হোক। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ইরতিশাদ আহমদ

us-aggressionদেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে’

পেশাগত কাজে গত মাসে (নভেম্বর, ২০১২) আমাকে বেশ কয়েকবার যেতে হলো ডমিনিকান রিপাব্লিকের রাজধানী সান্তো ডমিঙ্গোতে। মায়ামি থেকে আকাশ পথে মাত্র দুইঘন্টার ফ্লাইট। দেশটা সম্পর্কে আগ্রহ জাগলো মনে। টুকটাক জেনে নিলাম ইন্টারনেট ঘেটে। যতই ঘাটি ততই মনে হয় ‘চিনি উহারে’।

দেশটা সম্পর্কে যতই নতুন নতুন তথ্য জানতে পারি, ততই মন খারাপ হয়। মন খারাপ হলেও অবাক হই না। ডমিনিকান রিপাব্লিকের ইতিহাসে যা ঘটেছে আমার জানা এই অঞ্চলের এবং ঔপনিবেশিক শাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট বিশ্বের অন্যান্য দেশের ইতিহাসের সাথে তার তেমন কোন অমিল নেই। (বিস্তারিত…)

গার্মেন্টস শ্রমিকদের মৃত্যু – নানা কথা নানা ব্যথা

Posted: নভেম্বর 29, 2012 in আন্তর্জাতিক, দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

নিঃসন্দেহে শ্রমিক কর্মচারীদের ঐক্য পরিষদের বানারে স্কপ’ ছিল স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তি। বিভিন্ন ইস্যুতে স্কপে ও বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নে বামপন্থীরা নীতি নির্ধারকের ভূমিকায় ছিল। কিন্তু তাঁদের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলে পর্যায়ক্রমে ভোগ করেছিল বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তির দলগুলো। লীগ ও বিএনপি, জামাত এমনকি স্বৈরাচার এরশাদও আছে এই ভোগের তালিকায়। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের পর এভাবেই বামপন্থীরা বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তির ক্ষমতায়ণ , এবং তাঁদের ক্ষমতা সুসংহত ও সুসঙ্গত করতে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং এখনো হচ্ছে। এক্ষেত্রে তাঁদের অর্জন যেমন শূন্য, তেমনি শ্রমিকদের অর্জনও শূন্য।

৯০ এর পর বামপন্থীরা আর কোন শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। যদিও স্বৈরাচারের ঢালাও বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া ক্ষমতাসীন বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তিগুলো আরও পূর্ণমাত্রায় চালু রেখেছিল। মিল কারখানা বন্ধ করে পানির দামে বিক্রি করা হলো। ঢালাও বেসরকারিকরণ এজেন্ডার সাথে বরাবরেরে মত অন্যান্য এজেন্ডা যেমন, শ্রম আইনের সংস্কার, বিভিন্ন খাতের শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি, গার্মেন্টসে ট্রেড ইউনিয়ন চালু সহ নানা এজেন্ডা ছিল এবং কিছু এদিকওদিক বাদে এখনো সেই এজেন্ডা সমূহের বাস্তব অবস্থা বিরাজমান। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

উন্নত অথবা অনুন্নত বুর্জোয়া রাষ্ট্রে, তথা যেখানে শ্রেণীবিভক্ত সমাজ বর্তমান সেখানে শ্রেণীসংগ্রামের ক্ষেত্রে একটা বিশেষ মাত্রা বজায় থাকে। অর্থাৎ শ্রেণীসংগ্রাম সেখানে একটি নির্ধারিত রূপ পরিগ্রহ করে। আমাদের মধ্যে অনেকেরই ধারণা যে উন্নত ও বিকশিত পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে শ্রেণীসংগ্রামের উপস্থিতি নেই। এই ধারণা মূলত শ্রেণী সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকা লোকজনের মধ্যে বিরাজমান। অর্থাৎ তাদের চিন্তার জগতে বিষয়টা এভাবে থাকে যে ধনী রাষ্ট্রে প্রায় সব মানুষই সুখী জীবন যাপন করে এবং তাদের মধ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য বৈষম্য নেই। ধনীদরিদ্র শ্রেণীর স্বার্থের মধ্যে সাধারণ দ্বন্দ্ব সেখানে অনুপস্থিত। এর একটি কারণ হলো এই যে, উন্নত ও বিকশিত পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে শাসক গোষ্ঠী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচারালয়, অধিপতি মিডিয়া, সুশীল সমাজঅর্থাৎ রাষ্ট্রের কার্যকর অঙ্গপ্রতিষ্ঠানসমূহ এমন সুশৃঙ্খলভাবে এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে নিজেদের শ্রেণীস্বার্থ উদ্ধারের কাজে রত থাকে, যার দরুন সমাজে সভ্যতার অভিঘাতে চাপাপড়া শ্রেণীর আর্তনাদ, মর্মন্তুদ চিৎকার, প্রতিবাদ, প্রতিরোধ এবং সংগ্রামের খবর এই বিস্তৃত শ্রেণীশাসনের পুরু দেয়াল ভেদ করে বাইরের দুনিয়ায় পৌঁছাতে পারে না। কখনো সেটা সম্ভব হলেও অধিপতি প্রচার মাধ্যমের কল্যাণে সেটা অচিরেই ভিন্নরূপ ধারণ করে আমাদের মতো দেশের জনসাধারণের দৃষ্টিতে ধরা দেয় এবং তারা নিজেরাও সেসব সঙ্কট খুব সহজেই সামাল দিয়ে উঠতে সক্ষম হয়। (বিস্তারিত…)