Posts Tagged ‘বামপন্থি’


অনুবাদ: মেহেদী হাসান

patricio-guzman-1প্যাট্রেসিয়া গাজমেন ১৯৪১ সালের ১১ আগষ্ট চিলির সান্তিয়াগোতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একই সাথে তথ্যচিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, চিত্রগ্রাহক এবং একজন অভিনেতা। তিনি মাদ্রিদের সরকারী চলচ্চিত্র বিজ্ঞান স্কুলে তথ্যচিত্রের উপর অধ্যয়ন করেন। তার নির্মিত তথ্যচিত্রগুলো আন্তর্জাতিক ফেস্টিভ্যালে নিয়মিতভাবে নির্বাচিত ও পুরস্কৃত হয়ে আসছে। আলেন্দে সরকারের পতনের উপর ভিত্তি করে ১৯৭৩ সালে তিনি নির্মাণ করেন পাঁচ ঘন্টা দীর্ঘ “ব্যাটল অফ চিলি”। সিনেস্টে ম্যাগাজিন এই তথ্যচিত্রটিকে “বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দশটি রাজনৈতিক চলচ্চিত্রের একটি” হিসেবে মনোনীত করে। সামরিক অভ্যুত্থানের পর গাজমেনকে নির্বাসনে পাঠানোর হুমকি প্রদান করা হয় এবং তিনি গ্রেফতার হয়ে জাতীয় স্টেডিয়ামের অভ্যন্তরে দুই সপ্তাহ কাটান, সেসময় কাউকে তার অবস্থান সম্বন্ধে জানাতে পারেন নি। তিনি দেশ ত্যাগ করেন ১৯৭৩ সালের নভেম্বর মাসে। কিউবা, স্পেনে থাকার পর শেষে চলে যান ফ্রান্সে, যেখানে তিনি নির্মান করেন “ইন দ্যা নেম অফ গড” (গ্রান্ড প্রাইজ, ফেস্টিভ্যাল অফ পপলি, ১৯৮৭), “দ্যা সাউদার্ন ক্রস” (গ্রান্ড প্রাইজ, ফেস্টিভ্যাল ভু সুর লেস ডকস, মারসিলি, ১৯৯২) “চিলি, অবস্টিনেট মেমরি” (গ্রান্ড প্রাইজ, ফেস্টিভ্যাল অফ তেল আবিব, ১৯৯৯), “দ্যা পিনোশে কেস” (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিটিকস উইক, ক্যানাস, ২০০২), এবং “সালভাদর আলেন্দে” (অফিসিয়াল সিলেকশন, ক্যানাস, ২০০৪)। ২০০৫ সালে তিনি নির্মাণ করেন “মাই জুলভার্ন”। ইউরোপ এবং ল্যাটিন আমেরিকাতে তিনি তথ্যচিত্রের উপর অধ্যাপনা করেন। তিনি “ইন্টারন্যাশনাল ডকুমেন্টারী ফেস্টিভ্যাল অফ সান্তিয়াগো” প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। তিনি এখন ফ্রান্সে বসবাস করছেন।

চিলির নির্মাতা প্যাট্রেসিয়া গাজমেনের সাথে তার সাম্প্রতিক তথ্যচিত্র, নস্টালজিয়া ফর দ্যা লাইট, সমন্ধে কথা বলেছেন রব হোয়াইট। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: ফারহান হাবীব

election-2013এই লেখাটা যখন লেখা শূরু করেছিলাম তখন প্রায় রাত সাড়ে দশটা। লেখা শুরুর প্রায় মিনিট দশেক আগে ঔষধ কিনতে বের হয়েছিলাম। অনেক খোজাখুজি করে একটি দোকানে ঔষধ পাই। পল্টন এলাকা সাধারণত রাত ১টা পর্যন্তও সরগরম থাকে। কিন্তু আজ চিত্রটা পুরোই ভিন্নরকম। রাত সোয়া দশটায় ঢাকাকে একটা মৃত্যুপুরী মনে হয়েছে আমার। দু’একটা রিকসা চলছে আর অল্প কিছু মানুষ। (বিস্তারিত…)


প্রেস বিজ্ঞপ্তি

০৪.০৭.১৩

 

৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত বা পরিপূর্ণ ইতিহাস গত বিয়াল্লিশ বছরেও সংরক্ষিত করা সম্ভব হয়নি। এই মুক্তিযুদ্ধে ছিল বামপন্থি/কমিউনিস্টদের বিশেষ ভূমিকা। বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে কোন কোন দল বা গোষ্ঠি বামপন্থি/কমিউনিস্টদের এই ভূমিকাকে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। আবার বামপন্থি/কমিউনিস্টদের এই ভূমিকাকে লিপিবদ্ধ করার চেষ্টাও করেছেন কেউ কেউ। “আমার চোখে একাত্তর” বইটিও তেমনি এক প্রচেষ্টা, যেখানে মুক্তচিন্তক লেখক ড. ইরতিশাদ আহমেদ তার অভিজ্ঞতায় মুক্তিযুদ্ধের একটি চিত্র তুলে ধরেছেন পাঠকদের সামনে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সত্যজিত দত্ত পুরকায়স্থ

উৎসর্গঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের লড়াকু সহযোদ্ধা বন্ধুদের।

.

১৮৩০ সালে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রকে উচ্ছেদ করে জুলাই বিপ্লবের সম্পাদন কালে কলকাতার কয়েকজন ছাত্র এক গভীর রাতে নবনির্মিত অক্টরলনি মুনমেন্টের চুড়া থেকে ইংরেজদের পতাকা নামিয়ে উড়িয়ে দেয় ফরাসী বিপ্লবের সাম্য, মৈত্রী, স্বাধীনতার তেরংগা ঝান্ডা। এই ঘটনা পরবর্তীকালে এই উপমহাদেশের ছাত্রসমাজ কিংবা সার্বিক স্বাধীনতা আন্দোলনে কতটুকু ভুমিকা পালন করেছিল তা বলা একটু কঠিন। তবে এই ঘটনাকেই এই উপমহাদেশে ছাত্র আন্দোলনের আতুড় ঘর বলা চলে। পরবর্তীকালে কলকাতার হিন্দু কলেজের শিক্ষক হেনরী লুই ডিভিয়ান ডিরোজিও’এর হাত ধরে উনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে যাত্রা শুরু করে উপমহাদেশের প্রথম ছাত্র সংগঠন “একাডেমিক এসোসিয়েশন”। এরপর ইয়াংবেংগল এবং তাদের পত্রিকা পার্থেনন এই উপমহাদেশের ছাত্র সমাজের রাজনৈতিক মনন বিকাশে অবদান রাখে।

.

সাম্প্রতিক সময়ে ক্ষমতাসীন দলের অংগীভুত ছাত্র সংগঠনের ক্রিয়া কলাপের নিমিত্তে আমাদের কিছু নাগরিক ক্রিয়া কলাপের প্রতিক্রিয়া হিসাবে এই লেখা। সাম্প্রতিক কর্মকান্ডের ফলে ছাত্র রাজনীতির গৌরবময় ঐতিহ্য নিয়ে আর লিখলাম না, অনেকে নাখোশ হতে পারেন। একের পর এক ক্যাম্পাস অস্থির। যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা ছিল উচ্চ মনন এবং আগামীর নেতা তৈরীর, সেই বিশ্ববিদ্যালয় আজ ক্ষমতার পালা বদলে জন্ম দিচ্ছে লক্ষন সেন আর বখতিয়ার খলজীর। এক পক্ষ সামনের দরজা দিয়ে ঢুকে আর অন্যরা পিছনের দরজা দিয়ে পালায়। সন্ত্রাসের অর্থনীতি, মনস্তত্ব, জনসংযোগ সবকিছুর কেন্দ্র এখন বিশ্ববিদ্যালয়। এক সময় ইউরোপের শক্তিমান দেশগুলো নিজেদের শক্তি পরীক্ষার জন্য তুর্কি খলিফার শাসনাধীন বলকান অঞ্চল কে বেছে নিত। এতে লাভ হতো এই যে, যুদ্ধে যে পক্ষই জয় লাভ করুক, নিজেদের দেশের লোকজন, শিল্পবাণিজ্য যুদ্ধের মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি থেকে বেঁচে যেত। আজ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কোন না কোন ভাবে আমাদের রাজনৈতিক দল সমূহের বহুপাক্ষিক শক্তি পরীক্ষার “বলকান অঞ্চল”। জাবিতে জুবায়ের হত্যাকান্ডসহ সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানেই তা আরো স্পষ্ট হয়ে উঠে, ২০০৮১০ এই সময়ে ক্যাম্পাসগুলোতে মোট সংঘাত ২৪২ টি, নিহত ১৬, আহত ৪ হাজারেরও বেশী, মোট ৮০ টি শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ। এখন আমরা যদি এর পিছনের কারণগুলো খুজে বের করবার চেষ্টা করি তাহলেই এর স্বরুপ আমাদের কাছে দিনের আলোর মত স্পষ্ট হয়ে উঠে। (বিস্তারিত…)