Posts Tagged ‘বাধন অধিকারী’


শব্দমালার বিন্যস্ত স্রোতধারায় আন্দোলিত মনোভূমি

লিখেছেন: নীরা নাজ তারিন

কোনো বই পড়তে গিয়ে কখনো কি আপনার মনে হয়েছে, আপনার জন্যই এটি লেখা হয়েছে? অথবা কখনো কি মনে হয়েছে, আপনাকে নিয়েই রচিত হয়েছে বইটির কোনো কোনো অংশ? আমার সাম্প্রতিক পাঠের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি আপনাদের, কখনও কখনও লেখক তার শব্দমালায় সুরধারা সৃষ্টিতে সক্ষম হন। পাঠককে টেনে নিতে সক্ষম হন এক আন্দোলিত মগ্নতার অচেতন বাস্তবতায়। সমস্ত হৃদয়জুড়ে তার শব্দের সুরধারা অবিরাম ঢেউ খেলে যেতে পারে। পড়ে শেষ করার আগ পর্যন্ত ছেড়ে উঠতে কোনোভাবেই মন সায় না দিতে পারে। পড়তে শুরু করতেই বইটি আপনাকে টেনে নিয়ে যেতে পারে এক মোহাবেশে। এমনকি দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় কিংবা অসংখ্য পাঠেও একে আপনার গানের মতো লাগতে পারে, যা আপনি শুনে যেতে পারেন বিরক্তিহীন নিরন্তর।

তো যে বইয়ের কথা বলছি, চূড়ান্ত অর্থে তা যেন জীবনের দালিলিক উপস্থাপনা। সেই বইতে জীবন আছে, মানুষ আছে, প্রকৃতি আছে, আছে রাষ্ট্রের বিধিব্যবস্থা আর একুশ শতকের প্রযুক্তি। আছে অভিজ্ঞতার প্রেরণায় চিনে নেওয়া পরিবর্তনের নিশানা। আমাদের সচেতন মন কিংবা গহীন অবচেতন, আমাদের জীবনমননমৃত্যু, সর্বোপরি আমাদের দৈনন্দিন যাপন; সবই যেন মিশে আছে ওই বইয়ের শব্দমালায়। লেখক তার শব্দমালায় সুরধারা সৃষ্টি করেছে, গানটা তাই গল্প হয়ে গেছে। গল্পটা যেন আমারই কোনো বিগত স্মৃতি। বিগত সেই স্মৃতি আমাকে সংযুক্ত করে সপ্রশ্ন জীবনের সংলগ্নতায়। এখানেই শিল্প আর জীবন সম্মিলিত হয়। শিল্প সেখানে আমার কথা বলে, আপনার কথা বলে, তাদের কথা বলে, সবার কথা বলে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

বাংলাদেশ পরিস্থিতি নয়া উদারবাদী যুগে শাসনপ্রনালী ও কথকতা” নামের প্রকাশিতব্য সংকলনের প্রবন্ধ

লিখেছেন: বখতিয়ার আহমেদ

book-cover-1[সংকলকের ভূমিকা: আমাদের সমাজে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার নানান অভিঘাতকে নির্মোহ দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করে থাকেন বখতিয়ার আহমেদ। রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষক যে গরীব কৃষকশ্রমিকের টাকায় যে জ্ঞানচর্চা করেন; তা একটিবারের জন্যও ভুলে যান না। সমাজে ক্ষমতাশালী কোনো অংশের প্রতিনিধিত্ব করেন না তিনি। করেন না বলেই রাষ্ট্রআইনকানুননিও লিবারাল বাজারের আধিপত্যকে নৃবৈজ্ঞানিক অবস্থান থেকে নির্মোহ বিশ্লেষণ করতে পারেন তিনি।

বখতিয়ার আহমেদের কাছে প্রথমে লেখা চেয়েছিলাম এই সঙ্কলনের জন্য। পরে সময় বিবেচনায় নিয়ে এবং কাজের ব্যাপারে তার পারফেকশান আর ধীর গতির (দুটোই আমার কাছে ইতিবাচক। সেকারণেই তিনি যা বলেন/লেখেন তা জরুরি হয়ে ওঠে। হুটহাট বলেন না বলেই।) কথা মাথায় রেখে ফন্দি আঁটি কোনোভাবে একটি বক্তৃতা করিয়ে নেয়া যায় কিনা তাঁকে দিয়ে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বাধন অধিকারী

21-august-2007-procession২০০৭ এর আগস্টে সেনাকর্পোরেট জরুরিক্ষমতার সরকারের কালে সংঘটিত ছাত্র বিক্ষোভের পর এইবার দিয়ে চতুর্থবারের মতো ২০২১২২ তারিখ উদযাপিত হচ্ছে। কিন্তু যে প্রশ্নকে সামনে রেখে আমরা কিছু শিক্ষকশিক্ষার্থী সেনাকর্পোরেট কর্তৃত্বের মহাজরুরি ক্ষমতার সেই সরকারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলাম; বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতার সেই প্রশ্নটিকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেনাসদস্য কর্তৃক শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনাকে আমরা নিছক একটি নির্যাতনের ঘটনা হিসেবে দেখিনি। একে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতায় রাষ্ট্রীয় জরুরি ক্ষমতার অন্যায্য হস্তক্ষেপ বিবেচনা করেছি। সুমহান জনযুদ্ধের ৭১’এর প্রেরণায় স্বাধীন বাংলাদেশে যে জনমত ছিল;সেই জনমত বঙ্গবন্ধুর সরকারের কাছে থেকে আদায় করে নেয় ৭৩’এর অধ্যাদেশ; বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের দলিল। সেই অধ্যাদেশের প্রেরণাটুকুকে উপজীব্য করে আমরা ক’জন মাত্র শিক্ষকশিক্ষার্থী (পরে আরও ক’জন যুক্ত হয়েছিল। সবমিলে মোটামোটি ৮০ জন ছিলাম) মৌন মিছিলে দাঁড়িয়েছিলাম। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বাধন অধিকারী

ru-movement-17রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালিন বাণিজ্যিক মাস্টার্স কোর্স এবং বর্ধিত বেতনভাতা প্রত্যাহারের দাবিতে চলা আন্দোলনকে বরাবরের মতোই দমননীতির মধ্য দিয়ে মীমাংসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মিনি রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শনিবার রাতের আঁধারে অপারেশন সার্চ লাইটের কায়দার হানাদার রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী বাহিনী পুলিশ আর আজকের রাজাকার বাহিনী (শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বেঈমানীর কারণে বলছি) ছাত্রলীগের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের হলে রেইড, আন্দোলনকারীদের মানসিক নির্যাতন, হুমকি, সবই সম্পন্ন হয়েছে রাতের আঁধারে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আরিফ রেজা মাহমুদ, উদিসা ইসলাম, ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল, জাহিদ জন, বাধন অধিকারী, মনিরা শরমিন প্রীতু, মামুনুর রশীদ মামুন, সালাহউদ্দীন সুমন, সারোয়ার সুমন

ru-movement-13আন্দোলনে নেমেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বাংলাদেশ নামের এই ভূখণ্ডের সমাজে গণতান্ত্রিক পরিসর ক্রমাগত সঙ্কুচিত হবার এই দুর্দিনে তারা নেমেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অগণতান্ত্রিক বেতন বৃদ্ধি এবং সান্ধ্যকালিন কোর্স চালুর পরিকল্পনার বিরুদ্ধে। বলা বাহুল্য নিজেদের প্রয়োজনেই নেমেছেন তারা। তবে সেটাও আশাবাদী হবার মতো ঘটনা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তরফে শিক্ষার্থীদের প্রেস রিলিজে জানানো হয়েছে; বর্ধিত বেতন এবং সান্ধ্যকালিন কোর্স চালুর সিদ্ধান্তটা সিন্ডিকেটের। তবে এই সিদ্ধান্ত মানতেই অস্বীকৃতি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বাধন অধিকারী

farhad-mazhar-6একুশে টেলিভিশনের এক টক শোতে ফরহাদ মজহারের গণমাধ্যম সংক্রান্ত বক্তব্য এই লেখার প্রেরণা। কদিন আগে ‘একুশের রাত’ নামের ওই আলোচনায়, একাত্তর টেলিভিশনে পিকেটারদের হামলার প্রেক্ষাপটে সঞ্চালক আলাপ তুললে, রাজনীতিক কাজী ফিরোজ রশীদ এবং চিন্তক ফরহাদ মজহার এ নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান। কাজী ফিরোজ, হামলার বিরোধীতা করে সঞ্চালককে উদ্দেশ্য করে বলেন, তাদের মানে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল হতে হবে আরও। একপক্ষীয় অবস্থান নেয়া যাবে না। নাহলে হামলার ঘটনা এড়ানো যাবে না। অন্যদিকে ফরহাদ মজহারের কিছু সুনির্দিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ ছিলো গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বাধন অধিকারী

red-telephone-3শাহদীন মালিক আমার খুব প্রিয় মানুষদের একজন। প্রথাগত একজন আ্নিজ্ঞ হয়েও ভিন্নভাবে ভাবতে পারেন তিনি। আমার মনে আছে; সেনাকর্পোরেট কর্তৃত্বের জরুরি ক্ষমতার সরকারের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রবিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে একপর্যায়ে নিম্ন আদালত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষকের দণ্ডাদেশ দিলে তিনি এক অসাধারণ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন এক জাতীয় দৈনিকে। লেখার শিরোনাম দিয়েছিলেন “ন্যায়বিচার হয়নি”। স্বীকৃত বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে র্যাব প্রশ্নে কঠোর অবস্থান যাদের; শাহদীন মালিক তাদের অগ্রগণ্য। অনেক লেখাতেই সীমানা ভেঙেছেন তিনি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বাধন আধিকারী

সূচনাটীকা:

ইংরেজী এ্যানার্কিজম শব্দটি বাংলায় রূপান্তর করে আমরা নৈরাজ্যবাদ বলি। নৈরাজ্যবাদ সমাজের যাবতীয় কেন্দ্রিভূত ক্ষমতাকর্তৃত্বআধিপত্যের বিরুদ্ধে সর্বোপরি রাষ্ট্ররাষ্ট্রদখলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তার স্বাধীনমুক্তশ্রমের মালিকানাহীনসমাজতান্ত্রিক সমাজের বাসনা নিয়ে। মার্ক্সবাদীরা যেখানে রাষ্ট্র শুকিয়ে মরার তত্ত্ব হাজির করেন, নৈরাজ্যবাদীরা সেখানে রাষ্ট্র বিলোপের সংগ্রামকেই সমাজবাদের সংগ্রামে প্রাথমিক গুরুত্ব দিতে চান। নৈরাজ্যবাদী আন্দোলনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব মিখাইল বাকুনিন মার্ক্সবাদী বামপন্থীদের রাষ্ট্র দখল করে তাকে শুকিয়ে মারবার তত্ত্ব মোকাবিলা করতে গিয়ে ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন, ‘লালআমলাতন্ত্র’ একটা ভয়াবহ ব্যাপার হবে। হয়েছেও তাই। বেশি কিছুর দরকার নাই। স্ট্যালিনযুগ স্মরণ করলেই টের পাওয়া সম্ভব, লাল আমলাতন্ত্র কী জিনিশ! বাকুনিন বলতেন: Freedom without Socialismis privilege and injustice andSocialism without freedomis slavery and brutality. ইতিহাসের বিকাশে বামপন্থী সমাজসক্রিয়তায় নৈরাজ্যবাদীরা অনন্য নজির স্থাপন করেছিলেন, এখনও করে যাচ্ছেন। অথচ নৈরাজ্যবাদ শব্দটিকে আমরা প্রায়শই নেতিবাচক অর্থে কেওয়াসহট্টগোলের সমার্থক বিবেচনা করে ব্যবহার করি। এই ব্যবহার যে খুব সাদামাটা নির্বোধ, তাকিন্তু মনে করি না। নৈরাজ্যবাদীধারার সমর্থক মার্কিনবুদ্ধিজীবীসক্রিয়ক নোম চমস্কির মতো করে আমিও মনে করি, শব্দটি মানে ধারণাটি শাসকশ্রেণীর আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু বলেই এইসব মিথ্যে প্রচারণা এখনও জারি আছে। সমাজের অগ্রগতিপ্রগতির প্রশ্নে তাই নৈরাজ্যবাদ শব্দটিকে শাসক শ্রেণীর হাত থেকে কেড়ে নিয়ে তাকে বুঝে নেবার দায়িত্ব অস্বীকার করতে পারি না।

নিচের লিফলেটটি ঐ প্রচেষ্টারই ফসল। একটা নৈরাজ্যবাদী গ্রুপ এই লিফলেটটি প্রচার করেছে ওয়েবে আর সবাইকে বলছে, এটা জনে জনে পৌঁছাতে। আমি তাই দায়িত্ব অনুভব করলাম। মেদিবসে নৈরাজ্যবাদীদের অনন্যঐতিহাসিক অবদান আর কতদিন চাপা পড়ে থাকবে? থাকুক এটা চাই না। চাই না বলেই এই লিফলেটটি অনুবাদ করা হলো পাঠকদের জন্য। এটি নিয়েছি http://struggle.ws/ws95/may45.htmlওয়েব লিঙ্ক থেকে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বাধন অধিকারী

সূচনাটীকা: সেই বিএনপিজামায়াত জোট সরকারের সময়কার কানসাটের বিদ্যুত আন্দোলনের হাত ধরে সেনাকর্পোরেট কর্তৃত্বের অন্তবর্তীকালীন সরকারের যুগ পার করে বর্তমান আওয়ামী লীগ নের্তৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের সময় পর্যন্ত দেশে ভূমি মানে অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনে সংগ্রামের বেশ ক’টি স্বতস্ফূর্ত বিদ্রোহআন্দোলন লক্ষ্য করেছি আমরা। কানসাটের পর একে একে ফুলবাড়িতে, শনির আখড়ায় নিজভূমি রক্ষায় অস্তিত্বের সংগ্রামে লিপ্ত হয়েছিল মানুষ। পাহাড়সমতলের ছোট ছোট জাতিগুলোর ক্ষেত্রে এই সংগ্রাম প্রায় প্রতিদিনের। সেনাকর্পোরেটজরুরি সরকারের যুগে মধুপুরে নিজেদের ভূমি, নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে সংগ্রাম করতে গিয়ে রাষ্ট্রীয় এলিট সন্ত্রাসীবাহিনী Rab-এর হত্যাযজ্ঞের (ক্রসফায়ারের) শিকার হন চলেশ রিছিল। বর্তমান আওয়ামী লীগ নের্তৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসবার পর রূপগঞ্জ আর আড়িয়াল বিলে অস্তিত্বের প্রয়োজনে একইভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রাম রচনা করেছে মানুষ। বলা বাহুল্য কোন রাজনৈতিক দলের অধীনে নয়, কোন মতাদর্শিক অবস্থান থেকে নয়, নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে একেবারে ক্রমকর্তৃত্বতান্ত্রিক সাংগঠনিক কাঠামোর বাইরে থেকে করা স্বতস্ফূর্ত এইসব আন্দোলন আমাদের আশাবাদী করে। বুদ্ধিজীবীরা যাদের ‌‌‌আমজনতা সম্বোধন করে, সেইসব মানুষ যে নিজেরা সংগঠিত হতে পারে এবং সংগ্রাম রচনা করতে পারে এবং সংগ্রামের ইতিবাচক ফলাফল আনতে পারে, এই সত্যটি প্রকটভাবে আমাদের সামনে হাজির হয় এবং জনআন্দোলনে কর্তৃত্বতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তর্ভূক্তির অপরিহার্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। পাহাড়েও রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনীসেটেলাররাজনীতিআমলাতন্ত্রের বিরুদ্ধে নিজভূমি রক্ষার লড়াই জোড়ালো হচ্ছে। এইতো, মাত্র ক’দিন আগে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার হাতিমুড়ায় নিজভূমি রক্ষা করতে গিয়ে ঘরবাড়িআশাআকাঙ্ক্ষাজীবন দিল পাহাড়িরা। কিন্তু পাহাড় জাগছে, পাহাড় আশাবাদী করছে। প্রতিরোধ জোড়ালো হচ্ছে।

সেনাবাহিনী কর্তৃক তাদের বিলাসীতার আবাসনের নামে রূপগঞ্জবাসীদের ভূমি দখলের চিত্র

(বিস্তারিত…)