Posts Tagged ‘বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি’


লিখেছেন: হাসিবুর রহমান

১৯৯৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শামসুল হক শিক্ষা কমিশন সরকারের কাছে তার রিপোর্ট পেশের পর থেকেই শিক্ষানীতি, শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য, শিক্ষার সংকট ইত্যাদি বিষয়ে গত দুই বছরে কিছু লেখালেখি হয়েছে। যদিও এই লেখালেখি পরিমাণগত ও গুণগত মানের দিক থেকে যথেষ্ট নয়।

শিক্ষানীতি নিয়ে একটি উল্লেখ্যযোগ্য প্রকাশনা হলো বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান এর শিক্ষানীতি ও শিক্ষা সংকট প্রসঙ্গে পুস্তিকাটি। গত বছরের জুলাই মাসে এই পুস্তিকাটি প্রকাশ করে বাসদএর ছাত্র সংগঠন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।

খালেকুজ্জামান বাসদএর আহ্বায়ক, তারা দাবি করেন যে বাসদই এদেশের একমাত্র প্রকৃত বিপ্লবী রাজনৈতিক দল। সে কারণেই এই বিপ্লবী রাজনৈতিক দলটির শিক্ষা সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গী পর্যালোচনার দরকার হয়ে পড়েছিল। এই প্রবন্ধটিতে সেটাই করা হয়েছে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: হাসিবুর রহমান

[এখানে ৫ বাম দল নামক যে রাজনৈতিক জোটটির কর্মসূচি পর্যালোচনা করা হয়েছে সেই জোটটি আর নেই, আরো কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সাথে মিলে তারা গঠন করেছে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা। তবে বাস্তব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের দিক থেকে ৫ বাম দল ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। বলা চলে, এ হলো নতুন বোতলে পুরনো মদ। পর্যালোচনাটি ২০০৬ সালে তৈরী করা হলেও এর প্রয়োজন তাই ফুরিয়ে যায়নি। কিছুটা পরিমার্জন করে হাজির করা হলো।লেখক]

৩ এপ্রিল ২০০৬ তারিখে একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ৫ বাম দল তাদের ৭ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। জাতীয় গণফ্রন্ট, বিপ্লবী ঐক্য ফ্রন্ট, গণসংহতি আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি- এই চারটি দল মিলে ২০০২ সালে ৪ বাম দল নামে একটি জোট গঠন করে। অন্তর্ভুক্ত দলগুলির সংখ্যা গুণে রাজনৈতিক জোটের নামকরণ অবশ্য নতুন নয়। আশীর দশকে বুর্জোয়া নেতৃত্বাধীন ১৫ দল ও ৭ দল এই দুটি জোটে বামপন্থীদের প্রধান প্রধান সবকটি দলই অন্তর্ভুক্ত ছিল। সিপিবি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, বাসদ (খালেকুজ্জামান), বাসদ (মাহবুব), শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দল এরা ছিল আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৫ দলে। ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ (এখনকার জাতীয় গণফ্রন্টের পূর্বসূরী) ছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৭ দলে। ১৯৮৬র নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১৫ দল ভেঙে গিয়ে জাসদ, দুই বাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি ও শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দল ৫ দল নামে বামপন্থীদের ‘নিজস্ব’ রাজনৈতিক জোট গঠন করে। ৫ দল বামপন্থীদের জোট হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করে। ৯০ দশকের শেষার্ধে বামগণতান্ত্রিক ফ্রন্ট এর উদ্যোগে গণফোরাম, গণতন্ত্রী পার্টি ইত্যাদি মিলে গঠন করা হয় ১১ দল। আর ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগ এই ১১ দলকে হজম করে নিয়ে গঠন করে ১৪ দলীয় জোট। সুতরাং দল গুণে জোটের নামকরণের এই অদ্ভূত কায়দাটা এদেশে বুর্জোয়াদেরই আবিষ্কার। এতে করে বুর্জোয়া রাজনৈতিক দলের সাথে ‘কমিউনিস্ট’ ‘সমাজতন্ত্রী’ বা ‘শ্রমিক’ পার্টিসমূহের ঐক্যে মস্ত সুবিধাই হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: হাসিবুর রহমান

…“উঠিয়ে দাও শ্রেণী সংগ্রাম, তাহলে বুর্জোয়া ও ‘সমস্ত স্বাধীন লোক’ ‘প্রলেতারিয়েতের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যেতে আর ভয় পাবে না’। তবে ঠকবে ঠিক ঐ প্রলেতারিয়েত।”

বেবেল, লিবক্লেখত, ব্রাকে প্রমুখের প্রতি মার্কস ও এঙ্গেলস (‘সার্কুলার পত্র’) ১৭১৮ই সেপ্টেম্বর, ১৮৭৯

এ বছরের (২০০৩) ৬ থেকে ৯ই মে ৪ দিন ধরে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)-র ৮ম কংগ্রেসে উপস্থাপনের জন্য প্রণীত রাজনৈতিক প্রস্তাবের খসড়া এবং কংগ্রেসে সংশোধনের পর গৃহীত চূড়ান্ত প্রস্তাবের ছাপানো কপি আমাদের হাতে এসেছে।

খসড়া প্রস্তাবে নাম্বার যুক্ত মোট ৪৫টি প্রস্তাব আছে, যা ২০০২ সালের ১৯ ও ২০শে ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে অনুমোদিত হয়। কংগ্রেসে সংশোধনের পর প্রস্তাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমএর লেখার প্রতিক্রিয়া

mujahidul-islam-selim-cpbআগষ্ট২০১৪ এর শুরু দিকে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় “জনতার মৃত্যু নেই, তাই মৃত্যু নেই বঙ্গবন্ধুরও” এবং “দেশকালজনতা ও বঙ্গবন্ধু” দুটি লেখা প্রকাশিত হয়। লেখক বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি ও স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের প্রখ্যাত ছাত্রনেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। লেখা দুটি পড়ে আমার মনে কিছু প্রশ্ন জেগেছে। কমিউনিস্ট আন্দোলনের একজন নগন্য কর্মী হিসেবে প্রশ্নসমূহ উত্থাপন ও তার ব্যাখ্যা জানা জরুরী হয়ে দেখা দিয়েছে। প্রথমেই আমার জিজ্ঞাসা একজন কমিউনিস্ট পার্টির নেতা কিভাবে ‘জাতির জনক’ অভিধার প্রতি আকৃষ্ট হতে পারেন? তাও আবার “বঙ্গবন্ধু” আর এই বঙ্গবন্ধু” উপাধি ঘোষণা করেছিলেন কারা? নিশ্চয়ই সেলিম ভাই তা জানেন। ছাত্রলীগের একটি সমাবেশ থেকে তারা তাদের নেতাকে যে কোন ভূষণে ভূষিত করতে পারে। কোন মাপকাঠিতে এই অভীধা সমগ্র জনগোষ্ঠীর অলঙ্কার হিসেবে সম্পৃক্ত হয়? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

communist-signবাংলাদেশের বামপন্থী, এমনকি কমিউনিস্ট নামে পরিচিত অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের অবস্থানগত দেউলিয়াত্ব এখন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে তা নিয়ে কথাবার্তা বলাটাও খুব যন্ত্রণাদায়ক ব্যাপার। এই অবস্থানগত দেউলিয়াত্ব তাদের তাত্ত্বিক দেউলিয়াপনা থেকেই উদ্ভূত হয়েছে। বর্তমানে এই চরম দেউলিয়াত্বপ্রাপ্ত রাজনীতির পরাকাষ্ঠা প্রদর্শনের দায়িত্ব নিয়েছে সিপিবিবাসদ ঐক্যজোট। (বিস্তারিত…)

গার্মেন্টস শ্রমিকদের মৃত্যু – নানা কথা নানা ব্যথা

Posted: নভেম্বর 29, 2012 in আন্তর্জাতিক, দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

নিঃসন্দেহে শ্রমিক কর্মচারীদের ঐক্য পরিষদের বানারে স্কপ’ ছিল স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তি। বিভিন্ন ইস্যুতে স্কপে ও বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নে বামপন্থীরা নীতি নির্ধারকের ভূমিকায় ছিল। কিন্তু তাঁদের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলে পর্যায়ক্রমে ভোগ করেছিল বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তির দলগুলো। লীগ ও বিএনপি, জামাত এমনকি স্বৈরাচার এরশাদও আছে এই ভোগের তালিকায়। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের পর এভাবেই বামপন্থীরা বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তির ক্ষমতায়ণ , এবং তাঁদের ক্ষমতা সুসংহত ও সুসঙ্গত করতে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং এখনো হচ্ছে। এক্ষেত্রে তাঁদের অর্জন যেমন শূন্য, তেমনি শ্রমিকদের অর্জনও শূন্য।

৯০ এর পর বামপন্থীরা আর কোন শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। যদিও স্বৈরাচারের ঢালাও বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া ক্ষমতাসীন বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তিগুলো আরও পূর্ণমাত্রায় চালু রেখেছিল। মিল কারখানা বন্ধ করে পানির দামে বিক্রি করা হলো। ঢালাও বেসরকারিকরণ এজেন্ডার সাথে বরাবরেরে মত অন্যান্য এজেন্ডা যেমন, শ্রম আইনের সংস্কার, বিভিন্ন খাতের শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি, গার্মেন্টসে ট্রেড ইউনিয়ন চালু সহ নানা এজেন্ডা ছিল এবং কিছু এদিকওদিক বাদে এখনো সেই এজেন্ডা সমূহের বাস্তব অবস্থা বিরাজমান। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

 

“ইহারা কাহারা?” - “ইহারা অতিশয় বদমাইশ লোক!”গত ১৪ ই আগস্ট বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ভাইয়ের “বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড : প্রতিরোধের প্রথম দিনগুলো” শিরোনামের লেখাটি একটি জাতীয় দৈনিকে পেলাম। ঐ নিবন্ধের কিছু চুম্বক অংশ আছে যা সত্যি আমাদের সেই সময়ের কোন আলতুফালতু ধারণা নয়, মানসপটে যেন সত্যিকার জীবন্ত ছবি হয়ে ধরা দেয়।

সূত্রএখানে ক্লিক করুন

কমরেড সেলিম ভাইয়ের ভাষ্য মতে, সেপ্টেম্বর মাসের শেষে এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে একটি ছোট লিফলেট ছাপাইকমিউনিস্ট পার্টির নেতা মনজুরুল আহসান খানের চামেলীবাগের বাসা থেকে কয়েকটি টিম লিফলেট বিলির এই কাজ চালায়”
নিবন্ধে সেলিম ভাই আরও যা বলেছেনআমাদের পরিকল্পনা অনুসারে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস শুরু হওয়ার প্রথমদিনে ‘মুজিব হত্যার বিচার চাই’, ‘এক মুজিবের রক্ত থেকে লক্ষ মুজিব জন্ম নেবে’, – এই ধরনের শ্লোগান দিতে দিতে ক্যাম্পাসের কলাভবনের করিডোরে ‘জঙ্গি ঝটিকা মিছিল’ করি। এই মিছিলের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিরাট আলোড়ন সৃষ্টি হয়। কর্মীরা সাহস পায়। কিন্তু জাসদপন্থি ছাত্ররা মরিয়া হয়ে ভয়ভীতিহুমকি দেয়া শুরু করে। হলে হলে হামলা শুরু হয়। ‘মুজিবের দালালরা হুঁশিয়ার’ শ্লোগান দিয়ে ও আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে তারা ক্যাম্পাসে পাল্টা মিছিল করে”(বিস্তারিত…)

সিপিবি-বাসদের দাবিনামা এবং শেয়ালের কাছে মুরগী গচ্ছিত রাখার উপাখ্যান!

Posted: অগাষ্ট 9, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

সর্বহারার প্রতীক...সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সিপিবি (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি) ও বাসদ (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল) ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দলদুটির নীতিনির্ধারণী নেতারা, সেখানে তারা ১৫ দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন। এই ১৫ দফায় মূলতঃ তারা কী বলতে চেয়েছেন, আর বর্তমান সমাজ বাস্তবতায় তা কতোটুকু প্রাসঙ্গিক, এ বিষয়ে মঙ্গলধ্বনি’র মূল্যায়ণ নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ

(সকলের বুঝার সুবিধার্থে ক্রমান্বয়ে সিপিবিবাসদ এর ১৫ দফা ও আমাদের মূল্যায়ণ তুলে ধরা হলো) (বিস্তারিত…)