Posts Tagged ‘বন্ধুবাংলা’

গার্মেন্টস শ্রমিকদের মৃত্যু – নানা কথা নানা ব্যথা

Posted: নভেম্বর 29, 2012 in আন্তর্জাতিক, দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

নিঃসন্দেহে শ্রমিক কর্মচারীদের ঐক্য পরিষদের বানারে স্কপ’ ছিল স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তি। বিভিন্ন ইস্যুতে স্কপে ও বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নে বামপন্থীরা নীতি নির্ধারকের ভূমিকায় ছিল। কিন্তু তাঁদের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলে পর্যায়ক্রমে ভোগ করেছিল বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তির দলগুলো। লীগ ও বিএনপি, জামাত এমনকি স্বৈরাচার এরশাদও আছে এই ভোগের তালিকায়। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের পর এভাবেই বামপন্থীরা বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তির ক্ষমতায়ণ , এবং তাঁদের ক্ষমতা সুসংহত ও সুসঙ্গত করতে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং এখনো হচ্ছে। এক্ষেত্রে তাঁদের অর্জন যেমন শূন্য, তেমনি শ্রমিকদের অর্জনও শূন্য।

৯০ এর পর বামপন্থীরা আর কোন শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। যদিও স্বৈরাচারের ঢালাও বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া ক্ষমতাসীন বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তিগুলো আরও পূর্ণমাত্রায় চালু রেখেছিল। মিল কারখানা বন্ধ করে পানির দামে বিক্রি করা হলো। ঢালাও বেসরকারিকরণ এজেন্ডার সাথে বরাবরেরে মত অন্যান্য এজেন্ডা যেমন, শ্রম আইনের সংস্কার, বিভিন্ন খাতের শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি, গার্মেন্টসে ট্রেড ইউনিয়ন চালু সহ নানা এজেন্ডা ছিল এবং কিছু এদিকওদিক বাদে এখনো সেই এজেন্ডা সমূহের বাস্তব অবস্থা বিরাজমান। (বিস্তারিত…)

Advertisements

অনুবাদ: বন্ধুবাংলা

(মূল লেখাটি ১৯ নভেম্বর ২০১২ তারিখে কাউন্টার পাঞ্চে প্রকাশিত হয়।)

সাম্প্রতিক ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে গাজায় যে বিক্ষোভআন্দোলন ফুঁসে উঠছে, ইসরাইল এই আন্দোলনের টুটি চেপে ধরার জন্য হামাসের সামরিক প্রধান আহমেদ জাবারিকে গুপ্ত হত্যা করে। হামাস দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ বিরতিতে আন্তরিক থাকা সত্ত্বেও হামাস এই ঘটনায় ইসরাইলে শতাধিক রকেট হামলা চালায় যার কিছু তেলআবিবের নিকটবর্তী স্থানে আঘাত হানে। ফলে বিস্মিত হওয়ার কিছু নাই যে, ইসরাইল ব্যাপক সংঘর্ষের জন্য ভীত হয়ে পড়ে এবং গাজা দখল করে রকেট হামলার ভয়কে দূর করতে চাচ্ছে। (বিস্তারিত…)

নেপাল :: বিপ্লবের বীজ ধ্বংসে এনজিও’র ভূমিকা

Posted: অগাষ্ট 21, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 

নেপাল বিপ্লবের দুর্বলতা :: এনজিও সৃষ্ট ফল

লিখেছেন: সাবা নাভালান

অনুবাদ: বন্ধুবাংলা

সাম্রাজ্যবাদের শান্তির ডাক...আজকাল বৈশ্বিক পরিপেক্ষিতে যা সহজে দৃশ্যমান তা হলোদেশে দেশে নিবদ্ধ থাকা বহুজাতিক কোম্পানির লোভী দৃষ্টি; সেই সব দেশের মধ্যে অন্যতম, প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর, তেমনি এক দেশনেপাল। ভারতের পশ্চাতে অবস্থিত নেপাল যুগ যুগ ধরে ভারতের দাসরাজ্য রূপে বিবেচিত হয়ে আসছে। নেপালের গরীব কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণী এখানে বিশ্বের ‘নয়া দাস’ রূপে চিন্হিত। অধিকাংশ গ্রামে রাষ্ট্রের কোন কর্তৃত্ব ও প্রশাসনের উপস্থিতি নেই। এসব গ্রাম্য মানুষেরা কখনোই সরকারী চিকিৎসা পরিষেবা পায় না। বিগত শতাব্দীর সামন্ততান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ভয়াবহ দাসত্বের ফাঁদ বর্তমানের মোড়কে এখনো ভয়ঙ্কর রূপে বর্তমান।

দীর্ঘকাল যাবৎ ভারতের উপনিবেশিকতার মাঝে থাকার ফলে নেপালে দাসত্ব ও পরাধীনতার পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। মাওবাদী আন্দোলনের আগে বিকল্প রাজনীতি তথা ভারতের সম্প্রসারনবাদী উপনিবেশিক নীতি ও সামন্ততান্ত্রিক দাস পদ্ধতির বিরুদ্ধে বিপ্লবী পথের প্রস্তাবনা কেহই প্রবর্তন করতে পারেনি। এই পারিপার্শ্বিক অবস্থায় ইউনিফাইড কম্যুনিস্ট পার্টি, যা মাওবাদী চিন্তা ও চেতনা দ্বারা চালিত, জনগণকে বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত করেছিল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

 

“ইহারা কাহারা?” - “ইহারা অতিশয় বদমাইশ লোক!”গত ১৪ ই আগস্ট বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ভাইয়ের “বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড : প্রতিরোধের প্রথম দিনগুলো” শিরোনামের লেখাটি একটি জাতীয় দৈনিকে পেলাম। ঐ নিবন্ধের কিছু চুম্বক অংশ আছে যা সত্যি আমাদের সেই সময়ের কোন আলতুফালতু ধারণা নয়, মানসপটে যেন সত্যিকার জীবন্ত ছবি হয়ে ধরা দেয়।

সূত্রএখানে ক্লিক করুন

কমরেড সেলিম ভাইয়ের ভাষ্য মতে, সেপ্টেম্বর মাসের শেষে এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে একটি ছোট লিফলেট ছাপাইকমিউনিস্ট পার্টির নেতা মনজুরুল আহসান খানের চামেলীবাগের বাসা থেকে কয়েকটি টিম লিফলেট বিলির এই কাজ চালায়”
নিবন্ধে সেলিম ভাই আরও যা বলেছেনআমাদের পরিকল্পনা অনুসারে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস শুরু হওয়ার প্রথমদিনে ‘মুজিব হত্যার বিচার চাই’, ‘এক মুজিবের রক্ত থেকে লক্ষ মুজিব জন্ম নেবে’, – এই ধরনের শ্লোগান দিতে দিতে ক্যাম্পাসের কলাভবনের করিডোরে ‘জঙ্গি ঝটিকা মিছিল’ করি। এই মিছিলের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিরাট আলোড়ন সৃষ্টি হয়। কর্মীরা সাহস পায়। কিন্তু জাসদপন্থি ছাত্ররা মরিয়া হয়ে ভয়ভীতিহুমকি দেয়া শুরু করে। হলে হলে হামলা শুরু হয়। ‘মুজিবের দালালরা হুঁশিয়ার’ শ্লোগান দিয়ে ও আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে তারা ক্যাম্পাসে পাল্টা মিছিল করে”(বিস্তারিত…)


লিখেছেন:বন্ধুবাংলা

চুকচুক পদলেহনের শব্দ শোনার কথা, কিন্তু শুনছি কই? এমএলএমকোম্পানির মত রাজনীতিবিদরা প্রতারণার ফাঁদ পেতে বছরের পর বছর জোঁকের ন্যায় জাতির রক্ত নিঃশব্দে চুষে খাচ্ছে তাও দেখছি না। কানে তুলা নয়, তালা দেয়া আছে! দুর্বল দৃষ্টিশক্তি ভাল দেখে না! তথাপি একটা ছবি দেখে চমকে উঠলাম!! তবে ছবির কথায় পরে আসি। আগে কিছু প্যাঁচাল পারি!

আমার পূর্বের লেখায় কৃষকের সাথে সরকারের প্রতারণার কথা উল্লেখ করেছিলাম। সেই সূত্র ধরেই আগামী কৃষি বাজেটের উপর সরকারের ভাবনা কি জানার আগ্রহ ছিল। পত্রিকার মারফতে পেয়েও গেলাম মন্ত্রী মতিয়াকে ও মন্ত্রী মুহিত মাল সাহেবকে; অর্থাৎ, তাদের মন্ত্রণালয়ের হাড়ির খবর। অর্থ ও কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, কৃষির সাফল্যের ধরে রাখতে আগামী অর্থবছরের বাজেটেও সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কৃষি খাতকে। কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণে আসন্ন ২০১২১৩ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রস্তাব করা হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, কৃষকের স্বার্থ সংরক্ষণ করাই আমাদের উদ্দেশ্য। তিনি আরও বয়ান করেছেন “প্রধানমন্ত্রী কৃষি ও কৃষকদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেছেন। তার নির্দেশ পালন করেছি। কৃষকদের সঙ্গে চলতে চলতে তাদের সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।”( হঠাৎ যেন মুখে তেঁতো স্বাদ পেলাম )। সুত্র:

http://www.samakal.com.bd/details.php?news=14&action=main&option=single&news_id=257301&pub_no=1045

যাই হোক, আবার তেঁতো স্বাদ পেলাম অন্য একটি খবরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্দর মহলের কথায়।

অন্য একটি জাতীয় দৈনিকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল বলেছেন, আগামী ২০১২১৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার তত বাড়ছে না। অর্থসংকটে সরকারকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেছেন, অনুন্নয়নউন্নয়ন মিলিয়ে বাজেটের মোট আকার হবে এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার মতো। এর মধ্যে বার্ষিক ()উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি) বাজেট হবে ৫৪ হাজার কোটি টাকার। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধুবাংলা

কৃষকের সাথে চলছে এমনই প্রহসনঅবশেষে সরকার ধানচালের দাম নির্ধারণ করেছে। চলতি বোরো মৌসুমে ২৮ টাকা কেজি দরে চাল এবং ১৮ টাকায় ধান কিনবে সরকার। ২০১১ সালেও সরকার সংগ্রহ মূল্য ঘোষণা করেছিল ধান ১৮ টাকা ও চাল প্রতি কেজি ২৯ টাকা। অর্থাৎ, দুই ডিজিটের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ও কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি বিবেচনায় সরকার কর্তৃক ঘোষিত এই দাম গত বছরের চেয়ে তুলনামূলক কম।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় সোমবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে কমিটির সভাপতি খাদ্যমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সুত্র: http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=192739&cid=4

সরকারি সংস্থা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, গত বছরের তুলনায় বোরোতে উৎপাদন খরচ প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। অপর সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, গত এক বছরে বেশির ভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ১০ থেকে ২৫ শতাংশ বেড়েছে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ মতে সার্বিক মুল্যস্ফিতি এখন দুই ডিজিটের ঘরে।

পাঠকের কাছে প্রশ্ন হল সরকার কি কৃষক বান্ধব? সরকার কাকে ঠকাচ্ছে আর কাকে লাভবান করছে, সোয়া কোটি প্রান্তিক কৃষক পরিবারের ৬ কোটি মানুষকে, নাকি মুষ্টিমেয় কিছু মধ্যসত্বভোগী ফড়িয়াকে?

এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, এ দেশের কৃষক হচ্ছে সবচাইতে বেশি শোষিতশ্রেণী। হরতালের রাজনীতি, হত্যা, গুম নাটকের ডামাডোলে আমরা কৃষকের আর্তনাদ শুনতে পাই না। অথচ কৃষি এখনও আমাদের মূল অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি। আমি যে কথাটা বরাবরই বলে আসছিযে স্বাধীনতা লাভের এই ৪০ বছরে কোন সরকারই কৃষক বান্ধব ছিল না। মুজিবের সবুজ বিপ্লব, জিয়ার ১৯ দফা, এরশাদের ১৮ দফা কর্মসূচী সবই ছিল রাজনৈতিক ভাঁওতাবাজি, যা আজও অব্যাহত। (বিস্তারিত…)