Posts Tagged ‘ফ্যাসিবাদ’


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করাকে কেউ কেউ ‘প্রশংসনীয় উদ্যোগ’ বলে মূল্যায়ন টানছেন। সেটা কেউ বলতেই পারেন, এটা হতে পারে কারও ব্যক্তিগত বা সাংগঠনিক মূল্যায়ন। কিন্তু এর মধ্য দিয়ে ওই ব্যক্তি বা সংগঠনের শ্রেণী চরিত্রটাও প্রকাশ পায়।

প্রথমেই আসা যাক, মিডিয়ার দায়বদ্ধতার প্রশ্নেঅভিভাবকদের অনেকেই সন্তান বা আপনজনের জীবন ও ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কিত হয়ে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিতে পারেন। কারণ তার সামনে যে রাজনীতিটা সামনে আসে, সেটা হলোফ্যাসিবাদের গণবিরোধী সন্ত্রাসের রাজনীতি। এর বিপরীতে শক্তিশালী গণমুখী রাজনীতির অনুপস্থিতিই এমন অবস্থানের কারণ। কিন্তু যখন কথিত মূলধারার কোনো প্রতিষ্ঠিত পত্রিকা এমন অবস্থান নেয়, তখন বুঝতে হবেএখানে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ লুকিয়ে আছে। এটাই ‘বিরাজনীতিকরণের রাজনীতি’। দেশের অন্যান্য পত্রিকাও বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের খবরটি শিরোনাম করেছে। কিন্তু প্রথম আলো এ শিরোনামের নিচে একটি প্রতিক্রিয়া ‘ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা উচিত’ শিরোনামে ছেপেছে। সেখানে বিশেষজ্ঞ বলতে যাদের মন্তব্য দেওয়া হয়েছে, তাদের প্রত্যেকেই এনজিওবাদী শিক্ষক। তাদের কাছে প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলন একটা মাথাব্যাথার কারণ, যা বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসক্রিপশনে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ করতে বড় বাধা। আর ফ্যাসিবাদকে রাজনীতির একমাত্র ধরন হিসেবে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে কর্পোরেট স্বার্থে প্রথম আলো পাঠকের সামনে ওই বিরাজনীতিকরণের সাফাই গাইতে উপস্থিত হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন অরণ্য পুড়ছে। বিশেষত, ব্রাজিলে এই দাবানল ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ বছরের প্রথম আট মাসে আমাজনে ৭২ হাজার বারেরও বেশি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। যা গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ৮৪ শতাংশ বেশি। ব্রাজিলের মহাকাশ গবেষণা সংস্থাইনপে এই তথ্য জানিয়েছে।[] আগুনের ঘটনা ঘটেছে ভেনেজুয়েলা এবং বলিভিয়ায়ও। এর মধ্যেই জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে গত মাসের শেষ সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি জাইর বলসোনারো বলেন, আমাজন অরণ্যাঞ্চলকে পৃথিবীর ফুসফুস দাবি করা ভুল ধারণা। কিন্তু এই বক্তব্যের পক্ষে তিনি কোনো যুক্তি দেননি। এদিকে, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবেলার প্রশ্নে ‘বিশ্ব নেতাদের নিষ্ক্রিয়তা এবং সেই সঙ্গে বলসোনারোর মার্কিন সফরের প্রতিবাদে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ বিক্ষোভ করেছেন শুধু নিউইয়র্ক শহরেই।[] বিশ্বের নানা প্রান্তে লাখ লাখ মানুষ এ নিয়ে পথে নেমেছেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

গত ১৪ জুন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক বুদ্ধিজীবী সংঘ পুনর্গঠিত হয়। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে আহবায়ক করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠিত হয়। এছাড়াও যারা কমিটি গঠনের সভায় উপস্থিত ছিলেন তাদেরকেও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সংঘের বাইরের সমাজতন্ত্রে আস্থাশীল অন্যান্য প্রগতিশীল লেখকশিল্পীসাহিত্যিকবুদ্ধিজীবীগণ সমালোচনাপর্যালোচনা করে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু এসব সমালোচনায় সাম্রাজ্যবাদবিরোধী বুদ্ধিজীবীদের একটি একক সংগঠনে সংগঠিত হওয়ার প্রক্রিয়াপদ্ধতি কি হওয়া উচিত, তার ব্যাখ্যা নেই। তাই সমাজতন্ত্রের একজন সমর্থক হিসেবে এ প্রশ্নে আমার অবস্থান ব্যক্ত করা দায়িত্ব মনে করছি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

প্রচলিত সাংবিধানিক নিয়মে পাঁচ বছর ঘুরে আবারও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ডামাডোল শুরু হলো। চলছে নির্বাচনী প্রচারণা। সেই সঙ্গে জনমনে আবারও শঙ্কামৃত্যুর মিছিল এবং নির্বাচনী সহিংসতারও। সরকার, সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দল, অথবা নির্বাচনপন্থী কথিত বাম দলগুলোর প্রচারণায় মনে হতে পারে, যেন নির্বাচন মানেই গণতন্ত্র! পাঁচ বছর পর পর ভোটগ্রহণ আর তাতে শাসক নির্ধারণের মানেই জনগণের গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র শ্রেণীনিরপেক্ষও নয়। নির্বাচন প্রশ্নে কেন্দ্রীয় বিষয়টি হলোআমরা কোন ব্যবস্থায় নির্বাচনের কথা বলছি! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আব্দুল্লাহ আল শামছ্ বিল্লাহ

উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

রাফায়েল ল্যামকিন। এই ভদ্রলোকের বাড়ি ছিল পোল্যান্ডে। পেশায় ছিলেন আইনজীবী। এই ভদ্রলোক প্রথম genocide বা গণহত্যা শব্দটির প্রবর্তন করেন। সময়টা ছিল ১৯৪৪ সাল। উল্লেখ্য তখন পর্যন্ত গণহত্যা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় নি। তিনি দুটি শব্দ থেকে এই শব্দটি তৈরি করেন। একটি হলো গ্রিক শব্দ genos যার অর্থ পরিবার বা গোত্র বা দল। আরেকটি শব্দ হলো ল্যাটিন শব্দ cide যার অর্থ মেরে ফেলা। এই শব্দটি তিনি তার লেখা বই Axis Rule in Occupied Europe: Laws of Occupation – Analysis of Government – Proposals for Redress অন্তর্ভুক্ত করেন। এই শব্দটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন যে, সাধারণত গণহত্যা বলতে কোনো জাতিকে পুরোপুরি মেরে ফেলা বা ধ্বংস করা নয় বরং সেই জাতির কোনো অংশকে মেরে ফেলা বা মেরে ফেলতে চাওয়াকেই বোঝায়। এটার উদ্দেশ্য হতে হবে বিভিন্ন জাতির নিজস্বতা, জীবনধারা ধ্বংস করার বা ঐ নির্দিষ্ট জাতিকে মুছে ফেলার একটা সুনির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি। এটা হতে পারে কোনো জাতির নিজস্ব সংস্কৃতি, ভাষা, জাতীয়তাবোধ, ধর্ম ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে; রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে পার্থক্য সৃষ্টি করা বা ঐ জাতির কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, স্বাধীনতা, স্বাস্থ্য, আত্মমর্যাদা, এমনকি ঐ নির্দিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব জীবনধারা পর্যন্ত ধ্বংস করা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

অরুন্ধতী রায়প্রতিরোধ, সংগ্রামের এক জীবন্ত প্রতিছবি। তাঁর সংগ্রাম একমুখী ছিল না। তাঁর রাজনৈতিক চেতনার বিকাশও সরলরৈখিক বা এক ঝটকায় আসেনি। অরুন্ধতীর সাহিত্য চর্চাও এই রাজনৈতিকতার বাইরে থাকেনি। চেতনাগত বিকাশের পর্যায়ে উপন্যাসের কথিত ছক ভেঙে সেখানে তিনি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে মেলে ধরেছেন। সামাজিক অব্যবস্থা ও রাষ্ট্রের কথিত সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের নামে অগণতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে সংগ্রামঅরুন্ধতী রায়কে রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্টে পরিণত করে।

অরুন্ধতী রায় কালির অক্ষরে চালিয়ে যাচ্ছেন এক বন্ধুর সংগ্রাম। যেখানে জাতিগত, সম্প্রদায়গত, বা গণতান্ত্রিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের দাবি করাটা তার রাজনৈতিক চিন্তাচেতনারই অংশ। তিনি ভারতের বিচারব্যবস্থা থেকে শুরু করে শাসন কাঠামোবিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আর এজন্য তার নিন্দুকেরও অভাব পড়েনি কখনও। তার বিরুদ্ধে আনা হয় রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: নীলিম বসু

মননের দিক দিয়ে আমি হতাশাগ্রস্ত,

আর ইচ্ছার জোরে আশাবাদী।আন্তোনি গ্রামসি

আকস্মিক ধাক্কা অনেকটা প্রশমিত এখন। রাগ আর যন্ত্রণা কমা উচিত নয়, কমেওনি আশা করি। প্রাথমিক ধাক্কায় অনেকেই আমরা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) সরাসরি আক্রমণ করা দরকার বলে গলা ফাটিয়েছি। যথেষ্ট যৌক্তিকতা আছে তার। কিন্তু যারা মাঠে নেমে কাজ করার চেষ্টা করেন, তারা জানেন যে, বিষয়টা কতোটা কঠিন। আরএসএস রণবীর সেনা নয়, যে তাকে প্রত্যক্ষ আক্রমণ জনসমর্থন পাবে।

একটা উদাহরণ নেওয়া যাক। কোনো এক মফস্বল অঞ্চলে যে মানুষটি সবার প্রতিদিনের প্রয়োজনে এগিয়ে আসেন, সৎ মানুষ হিসেবে সবার কাছে প্রিয়। তার সাথে একটু গভীরভাবে মেলামেশায় জানা গেলো তিনি আরএসএস কর্মী! সমস্যাটা এই জায়গায়। আরএসএসএর সামাজিক ভিত্তি এক সময়ের কমিউনিস্ট কর্মীদের মতো! আরো সমস্যা হলো বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে এবং ভারতজুড়ে বেশিরভাগ জায়গাতেই কমিউনিস্ট কর্মীদের সামাজিক ভিত্তি খুব কমে গেছে, বা নেই; যার ওপর দাঁড়িয়ে আরএসএসকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া সম্ভব। সেটা না থাকলে আরএসএসকে প্রত্যক্ষ আক্রমণ করতে গেলে বিষয়টা ব্যাকফায়ার করার সম্ভাবনা থাকছে বিশালভাবে। কিছু তথ্য দেওয়া যাক, আরএসএসএর সামাজিক ভিত্তি নির্মাণের কাজগুলো নিয়ে। এইবার বন্যার সময় আরএসএসএর ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) রিলিফ ক্যাম্পের জোয়ারে ভাসিয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা, বিভিন্ন নামে আরএসএস রক্তদান শিবির থেকে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প চালিয়ে চলেছে প্রতি মাসেই, সান্ধ্য স্কুল, স্পোর্টসও রয়েছে নিয়মিত কাজের মধ্যে। আর এসবের সাথেই মিশে রয়েছে সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। এই সমস্ত সামাজিক কাজকর্মের মধ্য দিয়েই প্রচার করা হচ্ছে প্রধানত কয়েকটি বিষয়, ) রামের পুরুষোত্তমত্ত্ব; ) ব্রাক্ষণ্যবাদী চতুর্বর্ণ ব্যবস্থা; ) অহিন্দু, মূলত ইসলাম বিদ্বেষ; ) মোদি হিস্টিরিয়া। আর এই প্রচার বাঁধা থাকছে আদর্শ ভারতীয়ত্বের ন্যারেটিভে।
(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের তিন বছর পূর্ণ হয়েছে গত মে মাসে। যা খুব জাঁকজমক করে পালন করা হয়। তবে এ তিন বছরে দেশটির আমজনতার দুর্দশা আরও বেড়েছে। গত ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারত সরকার নয়াউদারবাদী নীতি ধারণ করে চলেছে। তবে এক্ষেত্রে বিগত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট সরকার থেকেও বেশি জোর কদমে দেশ বেচার এই জনবিরোধী নীতিকে কাজে পরিণত করতে উঠে পড়ে লেগেছে বর্তমান বিজেপি সরকার। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

একদিন সকালে দেখা যায় শিশুদের খেলার মাঠে দুটি নাৎসিদের প্রতীকী স্বস্তিকা চিহ্নের পাশে লেখা রয়েছে গো ট্রাম্প। গত নভেম্বরের মাঝামাঝি মার্কিন মুল্লুকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পরেই এ ঘটনা ঘটে। সাউদার্ন পভার্টি ল সেন্টারের দেওয়া তথ্য অনুসারে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরবর্তী এক মাসের মধ্যেই সহস্রাধিক বিদ্বেষমূলক অপরাধ বা হেইট ক্রাইমের ঘটনা ঘটেছে সেদেশে।[] আর এখনও তা চলছে। নিশানায় রয়েছেন মূলত সংখ্যালঘু, অভিবাসী ও মুসলিমরা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা শেষে এরদোয়ানফ্যাসিবাদী এরদোয়ান এ যাত্রায়ও বেঁচে গেলেন

কিন্তু তুরস্কের ওই ক্যু প্রচেষ্টায় কিছু প্রশ্ন সামনে ওঠে এসেছে

১। এরদোয়ানের সমর্থক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মাসখানেক আগেই প্রতিবেদন দিয়েছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর মধ্য থেকে ক্যু প্রচেষ্টা হতে পারে। এমনকি তারা নাকি সেনা কর্মকর্তাদের নামও উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু এ নিয়ে আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। কিন্তু কেন??

২। ক্যু পরিকল্পনাকারী বা বিদ্রোহী সেনা সদস্যরা কি এতোটাই অবুঝ যে, কেবল ফেসবুক, টুইটারকেই অনলাইনের যোগাযোগ মাধ্যম বলে মনে করেছিলো, মোবাইল নেটওয়ার্ক, বিভিন্ন আইএসপির ইন্টারনেট, এমনকি মোবাইল ইন্টারনেট পর্যন্ত খোলা ছিলো। মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই এরদোয়ান যোগাযোগ রক্ষা করতে পেরেছিল বলে জানা যায়। তাহলে প্রশ্ন আসে, এমন কাঁচা পরিকল্পনায় সেনাবাহিনীর জেনারেল পর্যায়ের কর্মকর্তারা কিভাবে জড়িত হতে পারেন? নাকি পরিকল্পনায় স্যাবোটাজ হয়েছিলো?? (বিস্তারিত…)