Posts Tagged ‘ফারুক আহমেদ’


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

boishakhপহেলা বৈশাখ এবং এই জাতীয় সর্বজনীন উৎসব এলেই প্রধান প্রধান পত্রিকাগুলোতে, বৈদ্যুতিক মাধ্যমে, এসব আশ্রিত বুদ্ধিজীবীদের পক্ষ থেকে, শাসক শ্রেণিতো বটেই শাসক শ্রেণি আশ্রিত বাম নামধারীদের পক্ষ থেকেও তারস্বরে আওয়াজ উঠতে থাকে– ‘এই দিন পার্থক্য ভুলে যাওয়ার দিন, এই দিন বাঙালীর ঐক্যের দিন ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রশ্ন হলো কিসের পার্থক্য? কার সাথে কার ঐক্য? এ পার্থক্য যদি হয় শাসক শ্রেণির লুণ্ঠনের ভাগাভাগির বিরোধ এবং ঐক্য যদি হয় তাদের ঐক্য, তা হলে সেখানে বলবার কিছু থাকে না। কিন্তু যাদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তারা এই পার্থক্য বুঝায় না। বাঙালীত্বের বাগাড়ম্বরে তারা বুঝাতে চায় ধনীগরীবের পার্থক্য, শোষক আর শোষিতের পার্থক্য, জনগণ এবং দুর্বৃত্তের পার্থক্য। এই দিনে তারা এসব পার্থক্য ভুলিয়ে দেওয়ারই কথা বলে। এর মধ্যদিয়ে তারা যে জনগণের আনন্দ উৎসবের দিনগুলো শোষক, লুণ্ঠক এবং তাদের সেবাদাস দুর্বৃত্তদের দখলে নেওয়ারই মতলব করে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

anti-vat-protestসরকার বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যয়ের ওপর ৭.% ভ্যাট বসিয়েছে। সঙ্গত কারণেই শিক্ষার্থীরা এই ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের ন্যায্যতা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। এ কারণেই এরই মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রতারণামূলকভাবে বলতে বাধ্য হয়েছে যে, এই ভ্যাট শিক্ষার্থীদের ওপর বর্তাবে না, এ ভ্যাট দিতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে বলেছেন এ ভ্যাট বিশ্ববিদ্যালয়কেই দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর কথার সুরে মনে হয়েছে, তিনি জোরালোভাবে শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন! অপরদিকে অর্থমন্ত্রী বলে চলেছেন, ভ্যাট প্রত্যাহারের কোন কারণ নেই। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সাথে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের অপাত অমিল থাকলেও লক্ষ্যের দিক থেকে তাদের বক্তব্যের মধ্যে মিল আছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

may-day-1জনগণের সামনে রাজনৈতিক নেতৃত্বের অনুপস্থিতির কারণে ১৯৭১ সালের জনগণের মুক্তিযুদ্ধকে আওয়ামীলীগ দখল করে নিতে পেরেছিল। জনস্বার্থবিরোধী একটি রাজনৈতিক দল যখন মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে তখন তারা জনগণের গণতান্ত্রিক কেন্দ্রগুলো দখল এবং নিয়ন্ত্রণ করবে এটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশে তাই ঘটে চেলেছে। স্বাধীনতার পর থেকে জনগণের এবং শ্রমিককৃষক মেহনতি জনতার সংগ্রামের দিনগুলোকে আওয়ামীলীগ এবং পরবর্তীতে তার শেকড় থেকে তৈরী শাসকশ্রেণীর দলগুলো দখল এবং নিয়ন্ত্রণ করে চলেছে। এইসব দিবসগুলোকে জনগণের লড়াই সংগ্রামের দিবস থেকে জনগণকেই জনস্বার্থের বিরূদ্ধে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার দিবসে পরিণত করেছে। স্বাধীনতার পর থেকে মে দিবসকে দখল এবং নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বর্তমানে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে দাঁড় করানো হয়েছে যে, গোটা বিশ্বের শ্রমজীবী জনগণের মুক্তির শপথ গ্রহণের এই দিনটিকে শ্রমজীবী মানুষদের দ্বারাই শ্রমজীবী জনগণের বিরূদ্ধে ব্যান্ড বাজিয়ে আনন্দ করার দিবসে পরিণত করেছে। বাংলাদেশে মে দিবসের চিত্র দেখলে এখন তাই দেখা যায়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

Pohale_Boishakh-2প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ৪৪ বছরে বাঙালি সংষ্কৃতি কি স্বাধীন হয়েছে? বাঙালি সংষ্কৃতি কি মুক্ত হয়েছে নাকি বিলুপ্ত হয়েছে? এসব প্রশ্নের জবাব অনুসন্ধান এই জন্য জরুরী যে, সমাজের গতিপ্রকৃতির রূপটি সংষ্কৃতির মধ্যদিয়েই প্রতিফলিত হয়প্রচারিত এবং মধ্যবিত্তের মধ্য থেকে প্রতিফলিত সংষ্কৃতি শাসকশ্রেণীর চরিত্রের প্রকৃতিটিকেও প্রতিফলিত করে

সংষ্কৃতি কোন স্থির বা বদ্ধ বিষয় নয়সময়ের সাথে সাথে সংষ্কৃতির বদল ঘটেসমাজে বিরাজমান শ্রেণীসমূহের আর্থসামাজিক রূপটি বদলের পিছনে পিছনে সংষ্কৃতির রূপটিও বদলাতে থাকেএর মধ্যে শাসকশ্রেণীর সংষ্কৃতিটাই সমাজের উপরের স্তরে বিরাজমান থাকে এবং প্রচারিত হয়অপরদিকে ব্যাপক অধিকাংশ হলেও শোষিতবঞ্চিতদের সংষ্কৃতি তাদেরই মত উপেক্ষিত হয় (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

lalon-1111এখনও পর্যন্ত সমাজ বাস্তবতা হলো এই যে, অভিজাতের আঙ্গিনায় ঘুরাঘুরি না করলে শিক্ষিত পদবাচ্যে ভূষিত হওয়া যায় না। গ্রামের কৃষিজীবীপেশাজীবী মানুষ, অভিজাতেরা যাঁদেরকে “লোক” বলে অভিহিত করে থাকেন তাঁদের মধ্য থেকে কারো শিক্ষিতের স্বীকৃতি পেতে চাইলে তাঁকে অবশ্যই অভিজাতের আঙ্গিনায় আসতে হবে। এখনও পর্যন্ত শিক্ষিত পদবাচ্যের স্বীকৃতি দানের মালিক অভিজাতেরা। “লোক” মানুষ যত জ্ঞান চর্চাই করুণ না কেন, হোক সেটা দর্শন কিংবা হোক সেটা বিজ্ঞান অথবা হোক সেটা সমাজ ভাবনা –সেই মানুষ যদি অভিজাতের আঙ্গিনায় না আসেন তবে তিনি আর যাই হোক শিক্ষিতের স্বীকৃতি পাবেন না। এখনও পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সবচেয়ে বিবর্ণ রূপটারও তত্ত্বাবধায়ক অভিজাত শ্রেণি। ধর্ম শিক্ষার নামে মানব মস্তিষ্কের ওপর যে নির্মম পেষণ তা বরাবরই অভিজাতের হাতে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাতো বটেই এর বাইরে যাঁরা স্বশিক্ষিত রূপে পরিচয় পেয়েছেন তাঁদেরকেও সে পরিচয়টুকু অভিজাতের আঙ্গিনা থেকেই সংগ্রহ করতে হয়েছে। তাঁদের আঙ্গিনার বাইরে কোন শিক্ষা থাকতে পারে তা অভিজাতরা কখনোই মানতে পারেন না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

Education-654শিক্ষা হঠাৎ কোন পন্ডিত বা বুদ্ধিজীবীর মস্তিষ্ক থেকে উৎসারিত বিষয় নয়। শিক্ষা কোন পন্ডিতের পান্ডিত্য দ্বারা আবিষ্কারেরও বিষয় নয়। শিক্ষা হলো গোটা মানব সমাজ কর্তৃক অর্জিত জ্ঞান ভান্ডার। শিক্ষা কিভাবে অর্জন করতে হয় এবং পরবর্তী মানব শিশুর মধ্যে কিভাবে সঞ্চারিত করতে হয়, শিশু থেকে শুরু করে পরিণত বয়সের মানুষকে পর্যন্ত কিভাবে মানব সমাজের আর্জিত জ্ঞানের সাথে পরিচিত করতে হয় তাও মানব সমাজ কর্তৃক নির্ধারিত। শ্রেণী স্বার্থের রক্ষকের দায়ীত্বপ্রাপ্ত পন্ডিতরা নানা কৌশলে বরাবরই সেই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শ্রেণী স্বার্থেও এক ধরণের শিক্ষার প্রয়োজন পড়ে। শ্রেণী স্বার্থের রক্ষক পন্ডিতবুদ্ধিজীবীরা শ্রেণী সেবক তৈরীর জন্য যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু শিক্ষার ব্যবস্থা করারই তত্ত্ব নির্মাণকারী। এই নির্মাণেই তাদের পান্ডিত্য এবং বুদ্ধিজীবীতা। কোন সমাজে কতটুকু শিক্ষা থাকবে, তার বৈশিষ্ট্য কেমন হবে, শিক্ষার মান কেমন হবে তা নির্ধারিত হয় সেই সমাজের শাসক শ্রেণীর শ্রেণী চরিত্রের ওপর। বাংলাদেশে শিক্ষার যে দুরবস্থা চলছে, এখানে শিক্ষাকে যেভাবে আক্রান্ত করা হয়েছে, শিক্ষাকে আক্রান্ত করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের যেভাবে আক্রান্ত করা হচ্ছে, সকল শিক্ষার্থী বিশেষ করে শিশুদের যেভাবে মানসিক অসততার ভয়াবহতার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে তা এখানকার শাসক শ্রেণীর শ্রেণী চরিত্রেরই প্রতিফলন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

Education-38সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় পাশের হার ৪% থেকে সর্বোচ্চ ২১%। এই পাশের হার পাবলিক পরীক্ষায় পাশের হারের সাথে তুলনীয় নয়। এখানে পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্যই পাবলিক পরীক্ষায় একটি ন্যূনতম রেজাল্ট থাকতে হয়। সেদিক থেকে এ পরীক্ষায় যারা অংশ গ্রহন করে তাদের প্রায় সবাই পাবলিক পরীক্ষা থেকে সর্বোচ্চ রেজাল্ট জিপিএ৫ অর্জনকারী। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। এ পরীক্ষার আয়োজনই করা হয় বহু সংখ্যক শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বল্প সংখ্যক আসনের জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করার করে অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে ‍‌‌‌বৈধ উপায়ে বাদ দেওয়ার জন্য। তার পরও এখানে পাশ নম্বর বলে একটি নম্বর নির্ধারণ করা হয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

education-business-1২০১০ সালে শিক্ষানীতি প্রণয়নের পর সরকার যে বাগাড়ম্বর এবং ঢাকঢোল পিটিয়েছিল তা যে ফাঁপা এবং জনগণের সাথে মস্তবড় প্রতারণা ছিল তা এখন জনগণের কাছে সাধারণভাবেই উন্মোচিত হতে শুরু করেছে। যদিও শিক্ষার পরিকল্পনা এবং শিক্ষা সংক্রান্ত কোন নীতি শুরু থেকেই জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এ ছিল না। শিক্ষার সমস্ত পশ্চাদপদ, বৈষম্যমূলক ধারা এবং পদ্ধতি অক্ষুন্ন রেখে তার মধ্যে শুধুমাত্র পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েই কথা বলা হয়েছে বিস্তর। কাজেই এ নীতিকে একটি পরীক্ষানীতি ছাড়া আর কিছুই বলা চলে না। যদিও সেই পরীক্ষা নিয়েও কোন সুচিন্তিত মত বা গবেষণার ছাপ সেখানে নেই। সেখানে ফাঁকা বুলির মত করে শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য ভিত্তিহীন বাক্য বিস্তার করা হয়েছে। শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য কি কি পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে সে নিয়ে কোন দিক নির্দেশনা বা সুপারিশ শিক্ষানীতির মধ্যে নেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

ak-khandokar-bookমুক্তিযুদ্ধের উপসর্বাধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল আব্দুল করিম খন্দকারের লেখা বই ১৯৭১ : ভেতরে বাইরেনিয়ে অনেকেই লিখেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগের ক্ষমতার কৃপাপ্রার্থীদের লেখার মধ্যে কোন যুক্তি না থাকলেও আওয়াজ অনেক বড়। কিন্তু তর্জনগর্জনের মধ্যে সবকিছু চাপা পড়ে যায় না। প্রশ্নকে উপেক্ষাও করা যায় না, স্থায়ীভাবে দাবিয়েও রাখা যায় না। বাংলাদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইসংগ্রামে ১৯৭১ সালে মুক্তির জন্য মানুষের লড়াই বিরাট ঘটনা। ঘটনা যত বড় হয় তাকে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে জানার আগ্রহও মানুষের ততই গভীরহয়। জানা এমন এক বিষয় যে, ক্ষমতাবানরা যা জানাবেন তাকেই পূর্ণ জ্ঞান করা যায় না। জানা পূর্ণতা পায় প্রশ্নের মধ্যদিয়ে প্রাপ্ত উত্তর থেকে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের মানুষের শোষণমুক্তির লড়াইয়ের মাইলফলক। তাই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন মানুষের সামনে বার বার আসতেইথাকবে। মুক্তিযুদ্ধে মানুষের ভুমিকা কি ছিল, পরবর্তীতে যারা ক্ষমতাসীন হয়েছিলতাদের ভুমিকা কি ছিল, নের্তৃত্বের ভুমিকা কি ছিল, যুদ্ধের পরিকল্পনা কি ছিল এরকম অনেক প্রশ্ন মানুষের সামনে আসছে এবং আসবে। সেসব প্রশ্নের উত্তর মানুষ খুঁজতেই থাকবেন। এদেশের মানুষ একটি বুঝ থেকে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন। মানুষের সংগ্রামের কেন্দ্রীকতার জন্য, দিক নির্দেশনার জন্য নের্তৃত্বের প্রয়োজন পড়ে। মানুষের বুঝ এবং চাওয়ার সাথে মিলে যাওয়ার শর্তে মানুষ নের্তৃত্বের উপর আস্থা রাখেন। মানুষ যেমন নের্তৃত্বের উপর আস্থা রাখেন তেমনই নের্তৃত্বেরও দায় থাকে। ১৯৭১ সালেরমুক্তি যুদ্ধে মানুষ যেসব নের্তৃত্বের উপর আস্থা রেখেছিলেন সেসব নের্তৃত্ব মানুষেরআস্থার দায় কিভাবে মিটিয়েছিলেন এ প্রশ্ন উঠতেই থাকবে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

toba-group-workers-5ঈদের আগের দিন থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারী এবং আবাস থেকে উচ্ছ্বেদ হওয়া শ্রমিকরা তাদের কর্মস্থলে এসে জড়ো হন। পোষাক নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান তোবা গ্রুপের ৫টি কারখানার ১৬০০ শ্রমিককে তিনমাস ধরে বেতন দেওয়া হয়নি। শ্রমিকদের যে বেতন দেওয়া হয়, তাতে নিয়মিত বেতন পেলেও পরিবার পরিজন নিয়ে তাঁদের মান সম্পন্ন খাবার এবং আবাস জোটে না। কষ্ট করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থেকে শুধুমাত্র জীবন ধারণের জন্য খাবার খেয়ে কোন রকমে তাঁরা জীবনটাকে চালিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। বেতন বন্ধ হলে স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের উপোস থাকতে হয়। (বিস্তারিত…)