Posts Tagged ‘প্রীতম অংকুশ’


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

14 february-1১৪ ফেব্রুয়ারী, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসার রঙ দেখে আমরা অবাক হই। কত ধরনের হতে পারে ভালোবাসা! সন্তানের প্রতি পিতামাতার, পিতামাতার প্রতি সন্তানের, প্রেমিকপ্রেমিকার, বন্ধুত্বের, ভাইবোনের, আত্মীয়তার, মানুষের প্রতি মানুষের । ভালোবাসা কি? উত্তর নেই, আবার আছে। সেই উত্তর অবশ্যই বিভিন্ন! কেননা, ভালোবাসা এমন এক অনুভূতি যা সংজ্ঞায়িত করার ক্ষমতা হয়তো মানবমস্তিষ্কের নেই; শুধু অনুভবের ক্ষমতা আছে, শুধু হৃদয়ে নিজের মতো করে ধারণ করার ক্ষমতা আছে! (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

পুরুষতান্ত্রিকতা...এই দুই হাতে তোমার দুই হাত,

আঙুলে আঙুলে খেলে ভালোবাসা।

বৃন্তে বৃন্তে আমার ঔদ্ধত্য,

নরম ঠোঁটে খেলা করে প্রেমের রোদ্দুর।

এভাবেই মনের ফাগুনে কেটে যায় বসন্ত!

আর চলতে থাকে ….

ভাঁজে ভাঁজে সৃষ্টির আলেখ্য।

সৃষ্টিতে শুধু কাঠামো বা শরীর অথর্ব;

মনপ্রাণের ছোঁয়ায় হয়ে ওঠে সৃষ্টি জীবন্ত! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

আমি অসাধারণ নই....আমি আর দশজনের মতই সাধারণ।

আর দশজনের মতই আমি আমিত্বে পূর্ণ।

আর দশজনের মতই মিথ্যের ম্যাজিক ক্লক টেনে

আমি অদৃশ্যমান হই।

সত্যের তীব্রতা প্রকাশ করার সৎসাহস নেই বলেই আমি সাধারণ!

সেই সাধারণ যে কিনা হাজারো দু:সময়ে নিজের সুসময়টা খুঁজে নিতে জানে।

যে কিনা শোষণের ঘূর্ণিঝরে ঠিকই ছাতা খুলে নিজেকে বাঁচাতে জানে।

যখন অন্ধতার হাত ধরে রক্ত পান হয় ধর্ম, কালী হবার তীব্র বাসনা চেপে বসে মনে,

তখন বিজ্ঞানমনস্ক আমি সত্য সমালোচক হই না, কেননা আমি সাধারণ।

এই বাংলার এক অসাধারণ মানুষ বলেছিলেন,

যেখানে সত্য প্রকাশ সাহসিকতার নিদর্শন, সেখানের অবস্থা শিঁউরে ওঠার মতোন।

অথচ সেই লোকটিরই সাধারণ হবার কথা ছিল।

সত্য, সাহস, প্রতিবাদ এগুলোই হবার ছিল স্বাভাবিক!

অথচ আর দশজনের মতই কিবোর্ডে আঙুল চালিয়ে বলি,

আমি সাধারণ কেননা আমি অসাধারণ নই…………….


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

যখন যা খুশি তাই করছি,

তাই কিনছি। তাই বেঁচছি।

দোকানপাট ঘুরে ঘুরে নিজেকে বিঁকিয়ে

তুষ্টির মোমবাতি জ্বালাচ্ছি।

শীর্ণকায় অস্তিত্বের দিকে ইচ্ছে হলে তাকাবো

নতুবা পা মাড়িয়ে এগিয়ে যাবো।

কেউ নেই আটকানোর; খুশি মনে উড়ছি, গাইছি।

কখনো নিজে,

কখনো বন্ধুর সাথে, (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

চোখের জলে রাস্তা কদাকার।

ঘর্মাক্ত ইটে নেই একটু স্বস্তির বৃষ্টি;

তবু সেই বর্ষার রূপে অবিরাম মুগ্ধতা !

প্রতিনিয়ত খেলে চলা অন্তহীন …….(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

আমি নাকি অবিশ্বাসী!

বিশ্বাসীরা হরহামেশাই বলে আমি অবিশ্বাসী।

আমি ক্ষিপ্ত হই না।

কেনো হবো? আমি তো জানি আমি বিশ্বাসী।

তোমরা বলো আমি ঈশ্বরকে মানি না।

তোমরা বলো আমি ধর্মকে পূজি না।

তোমরা বলো আমি অবিশ্বাসী।

আমি বলি, তোমরা মিথ্যা বলো না।

বরং তোমাদের ছোঁড়া প্রতিটি তূণই সূক্ষ্ম সত্য!

আমি বলি, আমি স্বৈরাচারী ঈশ্বর পূজি না।

আমি সেই ঈশ্বর কে নম: জানাই না

যিনি সমস্ত ভালো কিছুর দাবিদার ……..

যদিও তিনি স্রষ্টা সমস্ত অমানবিকতার। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

আর কতই বা সংকুচিত মননে অশ্রু বিসর্জন?

আর কতই বা নত মস্তকে আত্মসমর্পণ?

হ্যাঁ তাই, যা শুধু মুষ্ঠিবদ্ধ হাত আলগা করে,

ক্ষণিক নয়, বরং প্রতিমুহুর্তেই …..

মুহুর্তগুলোও এখন অনেক বড় ঠেকে,

নৈশব্দের প্রতিধ্বনিতে ক্ষতবিক্ষত হয় আপনমন্দির!

সশব্দের তীব্র আস্ফালনে বেদীতে মাথা ঠোঁকাই টিকে আছে আজ অবধি!

ঠিক সেই সময়েই,

যখন একে অপরের স্রষ্টা’র মহিমায় রক্তগঙ্গা বয়,

যখন ঘটা করে ‘শ্রমিক দিবস’ হয় উদযাপিত

যখন রামরহিমের গলা কাটা পড়লেও কিছু যায় আসে না,

যায় আসে শুধু উঁচু উঁচু পদ ও ক্ষমতার ধারালো তীক্ষ্ণ অপব্যবহার! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

কাঁধে ঝোলানো রাইফেল আমেরিকান,

ছুটে চলো তুমি দুর্বার!

কাঁধেতে তোমার রাইফেল আমেরিকান।।

ব্যারিয়েন্তোসের হাত থেকে জনসনের উপহার;চে

ভাইয়ের রক্তে রক্তিমতার উন্মত্ততায়

ছুটে চলো তুমি, ছুটে চলো তুমি বলিভিয়ান।

জানো না তুমি, কে তোমার শিকার!

যে কিনা আর্জেন্টাইন ও কিউবান!

যার শেকড়ে প্রোথিত আর্জেন্টিনা ও কিউবা!

তুমি জানো না বলিভিয়ান, কে তোমার শিকার!

যে কিনা বন্ধু শোষিতের!

যে কিনা বিরুদ্ধ হাতিয়ার দিগন্তজোড়া বৈষম্যের!

হবে একমাত্র সেই প্রকৃত বন্ধু তোমার। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

একটি গোলাপ ফুল নিবো।

টকটকে লাল, রক্তরাঙা গোলাপ।

কি হবে?

অন্তরের তীব্র ক্ষরণে ভালোবাসার বহি:প্রকাশ হবে।

পাপড়িতে রবে কোমলতার পরশ।

বেদনার গাঢ় নীলাভ ছায়া পড়বে আমার আকাশে,

আর মেঘে মেঘে বাজ খেলে যাবে সেই ভালোবাসা

যা আমাকে দিয়েছ।

শুধু আমায়?

না। আমাদের দিয়েছো। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

কলমের কালি শেষ।

মনের কালিমা দিয়ে কালি তৈরী করবো।

অনেকদিনের জমে যাওয়া ঝুল দিয়ে বেশ জুতসই কালি হবে।

যদি তাতে খানিকটা প্রায়শ্চিত্ত হয় …….!

বেশি কিছু না, শুধু একটু শব্দজট খোলার জন্য,

মানসিক স্বস্তিতে ভেলা ভাসিয়ে স্বপ্ন ছোঁব বলে।

সাহিত্যশিল্প আর শব্দের মায়াজালে আচ্ছন্ন থেকেছি বহুদিন।

পরিপাটি চুলে তেলের যত্ন আর চিরুনির সদ্ব্যবহারে লিপ্ত থেকেছি নিয়ত।

আজ সময় হলো বলে …..

এক টুকরো হাড় নিয়ে হুটোপুটিতে রত শিশুদের আধোবোলে গাল দেয়ার

আর আমার প্রায়শ্চিত্তের! (বিস্তারিত…)