Posts Tagged ‘প্রাকৃতিক সম্পদ’


লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

sundarbansবাংলাদেশে সম্প্রতি দুইটা কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প হওয়ার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড’ ও ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ‘ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার করপোরেশন’ (এনটিপিসি), ও জাপানি বহুজাতিক জাইকা যৌথভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একটা বাঘেরহাট জেলা তথা সুন্দরবনের রামপাল এলাকায়। এটা করছে ভারতের এনটিপিসি কোম্পানি। অন্যটা করা হচ্ছে কক্সবাজার জেলার মহেশখালির মাতারবাড়ি ইউনিয়নে। এটা করছে জাপানি বহুজাতিক কোম্পানি জাইকা। আপাতচোখে দেশে কোনো একটা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মনে হয় দেশের উন্নতি হচ্ছে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: ধ্রূব রহিম

hajaribag-tannery-1প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং পরিবেশ বিপর্যয়ের কবলে ক্ষতিগ্রস্থ আমাদের বাংলাদেশ দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ভূরাজনৈতিক কৌশলগত অবস্থানে চিহ্নিত হয়ে আছে ষড়ঋতুর দেশ হিসেবে। বাংলাদেশ একদা এই অঞ্চলের দরিদ্র রাষ্ট্রগুলোর একটি যা উন্নয়নশীল দেশের বাজারে একটি মাধ্যম আয়ের রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। আর এখনও পর্যন্ত দারিদ্র যতটা না সম্পদে আর চেয়েও বেশী মননে।

এই দেশের অগ্রসরতার জন্য আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব যে ধরণের নীতিমালা তৈরী করেন তা প্রায়শ কাজে তো আসেই না বরং উল্টো বৈষম্য সৃষ্টি করছে পদেপদে। আর বৈষম্য সৃষ্টিতে ব্যাপক অবদান রাখছে মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা পদ্বতির অভাব। (বিস্তারিত…)

সাম্রাজ্যবাদী বাসনার অদৃশ্য কালিতে অঙ্কিত নাফিসের মুখাবয়ব :: একটি পর্যালোচনা

Posted: অক্টোবর 26, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

 

মার্কিন গোয়েন্দাবৃত্তির শিকার নাফিস

নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে হামলা পরিকল্পনার জন্য এফবিআই দ্বারা প্ররোচিত হওয়ার পর গত ১৭ অক্টোবর গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশী নাগরিক রেজওয়ানুল আহসান নাফিসকে নিয়ে এদেশে আলোচনাজল্পনাকল্পনার অভাব নেই। বিভিন্ন মহল নিজস্ব অবস্থান অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টিকে অবলোকন ও পর্যালোচনা করার প্রচেষ্টায় তৎপর রয়েছেন। যারা নিজেদেরকে সেকুলার মুক্তমনা বলে প্রকাশ করতে সর্বদা আগ্রহশীল থাকেন তারা এই মুহূর্তে মেতে উঠেছেন ইসলামী মৌলবাদ কতোটা খারাপ জিনিস, ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদ সমাজসভ্যতাসংস্কৃতির জন্য কতোটা ভয়াবহ ও বিনাশী ব্যাপারএটা প্রমাণের জন্য। তাদের ভাষ্যমতে এই ধরনের মৌলবাদী কর্মকাণ্ড ও তৎপরতা হচ্ছে নিতান্তই স্বাধীন অভিব্যক্তি। অথবা সমাজের অভ্যন্তরে পশ্চাৎপদ চিন্তাভাবনা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ইত্যাদি বিরাজমান থাকলে তার অনিবার্য প্রতিফল হিসেবে মৌলবাদী সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমের ভিত্তি সেখানে গড়ে ওঠে। কথাটা একেবারে মিথ্যে নয়; বরং এটা মোটামুটি সর্বাংশে সত্য ও স্বীকৃত বিষয়। কিন্তু মুক্তমনাদের বিশ্লেষণে সন্ত্রাসবাদী তৎপরতার ভিত্তি হিসেবে ধর্মীয় গোঁড়ামি, কুসংস্কার এবং সাংস্কৃতিক অন্ধত্বের উল্লেখ থাকলেও এর থেকে আরেকটু পেছনে গিয়ে বিষয়টিকে আরো বিস্তৃতভাবে দেখার সুযোগ কিংবা আগ্রহ কোনোটাই তাদের নেই।

(বিস্তারিত…)