Posts Tagged ‘প্রতিবাদ’


লিখেছেন: এম.এম. হাওলাদার

.

একটি প্রতিবাদী কণ্ঠকে

চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে

সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন।

.

কিছু বুঝে ওঠার আগেই

চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে

জলপাইসবুজ হায়েনার দল। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: অশোক চট্টোপাধ্যায়

kabir-suman-3শব্দগুলো আসলে বোমা কিম্বা বুলেট নয়, তারা বরং ছোট ছোট পুরস্কার, আর সেই পুরস্কারের একটা অর্থ ও তাৎপর্য থাকে। কথাগুলো ফিলিপ রথএর। শাসক যখন কাউকে কোনও পুরস্কার দেন, তখন তা নিছক সম্মান জানানোর জন্যে নয়, এর বাইরেও তার আর একটা নিগূঢ় অর্থ থেকে যায়। উনিশ শতকে ঔপনিবেশিক বাংলায় যখন ব্রিটিশ সরকার কাউকে রায়বাহাদুর, সিআইই, কেসিআইই প্রভৃতি খেতাব দিতেন তখন তা কি নিছক সম্মানজ্ঞাপক ছিল? কোনওনাকোনোভাবে রাজস্বার্থের সেবাপরায়নতার পুরস্কার ছিল এগুলি। যার জন্যে দেখা যায় পুরস্কার বা সম্মাননা সকলেই পাননা, কেউ কেউ পান। অনেক লেখক সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, অনেকে যথেষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও পাননি। এই কেন পাননি প্রশ্নের উত্তর নিহিত থাকে একটি নির্দিষ্ট রাজনীতির মধ্যে। (বিস্তারিত…)


১৪ মার্চ ২০১৫, বেলা ১১টা,

কমরেড নির্মল সেন মিলনায়তন,

২৩/, তোপখানা, ঢাকা১০০০।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,

আমাদের সংগ্রামী শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। আমরা এমন এক সময় আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি যখন দীর্ঘ ৬৮ দিন জুড়ে আওয়ামী ও বিএনপি জোটের সংঘাতহানাহানিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিএনপি নেত্রীর গতকালের সংবাদ সম্মেলন এবং আওয়ামীলীগ নেতা মোহম্মদ হানিফের প্রতিক্রিয়া থেকে এটা স্পষ্ট হয়েছে যে, এ দুই জোট যার যার অবস্থানে অনড় রয়েছে এবং এ গণবিরোধী রক্তাক্ত সংঘাত তারা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।

gn2আপনারা জানেন, এ পর্যন্ত আওয়ামী জোটের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস এবং বিএনপিজামাত জোটের পেট্রোল বোমা সন্ত্রাসে ১২১ জন হত্যার শিকার হয়েছে। এসব সন্ত্রাসে হাজার হাজার মানুষ আহত এবং ১৩৭৫টি যানবাহন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয়েছে। কেবল তাই নয়, অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে স্থবিরতা এবং যাতায়াতের সমস্যার কারণে শ্রমজীবী মানুষের কর্মহীনতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অবরোধের অজুহাতে কারখানা মালিকরা শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করছে না। কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণ বাধাগ্রস্থ হওয়ায় কৃষক উৎপাদন খরচটুকু পর্যন্ত ওঠাতে পারছেনা। এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ৪ কোটি ৭৪ লাখ শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন আজ বিপর্যস্ত। সমগ্র অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে লক্ষ কোটি টাকা। সর্বোপরি গুম, ক্রস ফায়ার, গ্রেফতার বাণিজ্য, দলীয় নির্যাতন, পুলিশি নির্যাতন, পেট্রোল বোমা, ককটেল ইত্যাদির কারণে এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হয়েছে। জনগণ আজ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: পাইচিংমং মারমা

CHT-8-মনে করুন আপনি কোথাও বাসে চলেছেন। কানে হেডফোন গুঁজে প্রিয় একটা গান চালাতেই আপনার পাশে বসা সহযাত্রী হর হর করে বমি করে দিলো আপনার কোলের উপর। আপনার গান শোনা আর জানলা দিয়ে প্রকৃতি দেখা বমির টক গন্ধে, বিবমিষায় ভরে গেলো। এরপর সেই পার্শ্ববর্তী যাত্রী আপনার সামনে, আপনার পাশে বারবার বমি করলো। আপনার গোটা যাত্রাপথটাই সে নোংরা করে দিলো। কানে গুঁজে দেওয়া মিষ্টি মিষ্টি প্রেমের গানগুলো সে বমির গন্ধে টক বানিয়ে দিলো। কেমন লাগবে? (বিস্তারিত…)


পটভূমি

kalpana-chakma-5কল্পনা চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রামের নিপীড়িত ও অধিকার বঞ্চিত জুম্ম জনগণের এক অবিস্মরণীয় প্রতিবাদী নাম। তিনি বিশ্বের সকল বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার মানসে নারীর প্রথাগত বেড়া ডিঙিয়ে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম হিল উইসমন্স ফেডারেশনএর পতাকাতলে মুক্তির মহান লড়াইয়ে অগ্রণীর ভুমিকায় অবতীর্ণ হন। পরিণতিতে তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন মধ্যরাতে নিজ বাড়ী (রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলা) লাইল্যা ঘোনা হতে মানবতা বিরোধী অপরাধ চক্রের প্রতিনিধি সেনাবাহিনী সদস্য লেফটেন্যান্ট ফেরদৌস কর্তৃক অপহ্নত হন। আজ অবদি বাংলাদেশ সরকার তাঁর সন্ধান কিংবা অপহরণের সঠিক বিচার কোনটিই করতে সক্ষম হয়নি। দেশের একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে আমি সরকারের এই জঘন্য ভূমিকার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। একই সাথে কল্পনা চাকমার অসমাপ্ত লড়াই যেন সফল হয় তার চির জয়গান করি। জয়তু কল্পনা চাকমা, জয়তু তোমার মহান বিপ্লবী চেতনা। হাজারো মৃত্যুর ভিড়ে তোমাকে জানাই আমি লাল সেলাম।। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: পাইচিংমং মারমা

() সোজা হিসাব

hill killing-1কে কে পাহাড়ের আদিবাসী সংস্কৃতির বিকাশ চান?

নিশ্চয় সবাই চান। এবার বলুন

কে কে পাহাড়ে পর্যটনের প্রসার চান?

অনেকেই চান। কেন চান?

আপনারা বলবেন, কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। মানুষের আয় রোজগার বাড়বে। এলাকার উন্নয়ন হবে। দূর্গম অঞ্চলে রাস্তাঘাট হবে। আমরা আধুনিক দুনিয়ার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবো। আমরা নেংটি ছেড়ে জিন্সের প্যান্ট পরবো। আমরা উন্নত হবোইত্যাদি ইত্যাদি। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আমি শঙ্কিত নই। কিন্তু শঙ্কিতও। কেন? দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আমি শঙ্কিত নই, কারণ নতুন দিনের লড়াই জোরদার করার মাহেন্দ্রক্ষণ সমাগত। কিন্তু একই সাথে শঙ্কিত, কারণ, লড়াইকে আরো অনেক বন্ধুর পথ পেরোতে হবে। সেই পথ পেরোনোর সাথীরা কি লড়াইকে এগিয়ে নিতে প্রস্তুত রয়েছেন?

বিপ্লবের বিধান এই নীতিমালাই নির্দেশ করে যে, নৈরাজ্যিক পরিস্থিতি সৃষ্টির ফলে শাসকশ্রেণীরই লাভ বেশী। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: খোন্দকার সোহেল

সোনাবরুদের হত্যার দায় কী করে এড়াবে এই রাষ্ট্র!!যে সোনাবরু এক মুঠো ভাতের জন্য প্রশ্ন ছুড়ে যায় ‘মা আমরা এত গরীব কেন?’ তার ক্ষুধার্ততায়ই আমি অনশনের সত্যতা খুঁজে পাই। পাই সামগ্রিক স্বত্ত্বার বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ প্রতিবাদী দৃশ্যপট। আমি অনশনের সত্যতা খুঁজে পাই ছিন্নমূল বিলকিসের মাঝে। এরাই বাস্তবিক অর্থে অনশন করছে। সোনাবরুর অনশন ছিল “আমরণ অনশন”, সর্বনাশা এই অনশনের কারণে ফুটফুটে সোনাবরু নিজ গলায়ই ঝুলিয়ে দিয়েছিল ফাঁসির রশি। একমুঠো ভাতের জন্য সোনাবরু মিথ্যে আশ্বাসের শিকার হয়েছিল গর্ভধারিণীর কাছেও। “মা ভাত খাব”, “স্কুলে যা সোনা, এখনও চাল জোগাড় হয়নি। দুপুরে আমরা পেটপুরে ভাত খাব”। ক্ষুধায় কাতর সোনাবরু দু’মুঠো ভাতকে স্বপ্ন বানিয়ে গ্রামের মাঠ ধরেই ছুটে যায় পাঠশালায়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

আমি অসাধারণ নই....আমি আর দশজনের মতই সাধারণ।

আর দশজনের মতই আমি আমিত্বে পূর্ণ।

আর দশজনের মতই মিথ্যের ম্যাজিক ক্লক টেনে

আমি অদৃশ্যমান হই।

সত্যের তীব্রতা প্রকাশ করার সৎসাহস নেই বলেই আমি সাধারণ!

সেই সাধারণ যে কিনা হাজারো দু:সময়ে নিজের সুসময়টা খুঁজে নিতে জানে।

যে কিনা শোষণের ঘূর্ণিঝরে ঠিকই ছাতা খুলে নিজেকে বাঁচাতে জানে।

যখন অন্ধতার হাত ধরে রক্ত পান হয় ধর্ম, কালী হবার তীব্র বাসনা চেপে বসে মনে,

তখন বিজ্ঞানমনস্ক আমি সত্য সমালোচক হই না, কেননা আমি সাধারণ।

এই বাংলার এক অসাধারণ মানুষ বলেছিলেন,

যেখানে সত্য প্রকাশ সাহসিকতার নিদর্শন, সেখানের অবস্থা শিঁউরে ওঠার মতোন।

অথচ সেই লোকটিরই সাধারণ হবার কথা ছিল।

সত্য, সাহস, প্রতিবাদ এগুলোই হবার ছিল স্বাভাবিক!

অথচ আর দশজনের মতই কিবোর্ডে আঙুল চালিয়ে বলি,

আমি সাধারণ কেননা আমি অসাধারণ নই…………….


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

আর কতই বা সংকুচিত মননে অশ্রু বিসর্জন?

আর কতই বা নত মস্তকে আত্মসমর্পণ?

হ্যাঁ তাই, যা শুধু মুষ্ঠিবদ্ধ হাত আলগা করে,

ক্ষণিক নয়, বরং প্রতিমুহুর্তেই …..

মুহুর্তগুলোও এখন অনেক বড় ঠেকে,

নৈশব্দের প্রতিধ্বনিতে ক্ষতবিক্ষত হয় আপনমন্দির!

সশব্দের তীব্র আস্ফালনে বেদীতে মাথা ঠোঁকাই টিকে আছে আজ অবধি!

ঠিক সেই সময়েই,

যখন একে অপরের স্রষ্টা’র মহিমায় রক্তগঙ্গা বয়,

যখন ঘটা করে ‘শ্রমিক দিবস’ হয় উদযাপিত

যখন রামরহিমের গলা কাটা পড়লেও কিছু যায় আসে না,

যায় আসে শুধু উঁচু উঁচু পদ ও ক্ষমতার ধারালো তীক্ষ্ণ অপব্যবহার! (বিস্তারিত…)