Posts Tagged ‘প্রচণ্ড’


লিখেছেন: সৌম্য মণ্ডল

indian-media-and-army[মূল্যায়ন পত্রিকার তরফে ত্রয়ন দা আমাকে নেপালের ভূমিকম্প :: একটি রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিষয়ক প্রবন্ধ লিখতে বলেছে। দীর্ঘ দিন ঝুলিয়ে অবশেষে লিখতেই হল। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখতে গেলে সেটা অবধারিতভাবেই রাজনৈতিক মতামত হয়ে দাঁড়াবে। কিন্তু মুশকিল হল এই যে নেপাল সম্বন্ধে আমার যানা বোঝা হল কিছু বই পড়া ভাসা ভাসা জ্ঞ্যান আর গত ভূমি কম্পের সময় ইউএসডিএফ United Students’ Democratic Front (USDF)-এর তরফে নেপালে স্বেচ্ছাশ্রম দিতে গিয়ে যেটুকু নেপাল দেখা। মাও সেতুঙএর ভাষায় যাকে বলে ঘোড়ায় চড়ে ফুল দেখা। মাওএর মতে, কোন বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান না করে সেই বিষয়ে মতামত দেওয়ার কোন অধিকার থাকে না। আর এই বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ স্টাডি আমার নেই। ফলে লেখাটি একটি অহেতুক অকারণ অগভীর প্রবন্ধে পর্যবসিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। আজ কাল কথিত মূল ধারার অধিকাংশ রাজনৈতিক প্রবন্ধের ক্ষেত্রে যা হয় আরকিতবুও এইটুকু সময়ের মধ্যে যা দেখাজানাবোঝা (ভুল বা সঠিক) সেটা পাঠককে জানাবার সুযোগ পেলে মন্দ কি? বাকি বিচার পাঠকের উপরই ন্যস্ত থাকলো।।] (বিস্তারিত…)

Advertisements

নেপাল :: বিপ্লবের বীজ ধ্বংসে এনজিও’র ভূমিকা

Posted: অগাষ্ট 21, 2012 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 

নেপাল বিপ্লবের দুর্বলতা :: এনজিও সৃষ্ট ফল

লিখেছেন: সাবা নাভালান

অনুবাদ: বন্ধুবাংলা

সাম্রাজ্যবাদের শান্তির ডাক...আজকাল বৈশ্বিক পরিপেক্ষিতে যা সহজে দৃশ্যমান তা হলোদেশে দেশে নিবদ্ধ থাকা বহুজাতিক কোম্পানির লোভী দৃষ্টি; সেই সব দেশের মধ্যে অন্যতম, প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর, তেমনি এক দেশনেপাল। ভারতের পশ্চাতে অবস্থিত নেপাল যুগ যুগ ধরে ভারতের দাসরাজ্য রূপে বিবেচিত হয়ে আসছে। নেপালের গরীব কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণী এখানে বিশ্বের ‘নয়া দাস’ রূপে চিন্হিত। অধিকাংশ গ্রামে রাষ্ট্রের কোন কর্তৃত্ব ও প্রশাসনের উপস্থিতি নেই। এসব গ্রাম্য মানুষেরা কখনোই সরকারী চিকিৎসা পরিষেবা পায় না। বিগত শতাব্দীর সামন্ততান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ভয়াবহ দাসত্বের ফাঁদ বর্তমানের মোড়কে এখনো ভয়ঙ্কর রূপে বর্তমান।

দীর্ঘকাল যাবৎ ভারতের উপনিবেশিকতার মাঝে থাকার ফলে নেপালে দাসত্ব ও পরাধীনতার পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। মাওবাদী আন্দোলনের আগে বিকল্প রাজনীতি তথা ভারতের সম্প্রসারনবাদী উপনিবেশিক নীতি ও সামন্ততান্ত্রিক দাস পদ্ধতির বিরুদ্ধে বিপ্লবী পথের প্রস্তাবনা কেহই প্রবর্তন করতে পারেনি। এই পারিপার্শ্বিক অবস্থায় ইউনিফাইড কম্যুনিস্ট পার্টি, যা মাওবাদী চিন্তা ও চেতনা দ্বারা চালিত, জনগণকে বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত করেছিল। (বিস্তারিত…)


অনুবাদ: শাহেরীন আরাফাত

[কমরেড কিরণ, ভাইস চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় কমিটি, ইউনিফাইড কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল (মাওবাদী); সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেন পার্টির ভেতরে চলমান ২ লাইনের সংগ্রাম, নতুন সংবিধান রচনা, নেপালী কংগ্রেসের মতো প্রতিক্রিয়াশীল সংসদীয় দল এবং সাম্রাজ্যবাদ ও ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ প্রসঙ্গে।]

প্রশ্ন: গত দুই বছর যাবৎ জাতীয় সংবিধান রচনা এবং নেপালি কংগ্রেসের মতো ডানপন্থি প্রতিক্রিয়াশীলদেরবাধার অভিজ্ঞতা; অতীতের ঘটনা প্রবাহের প্রেক্ষিতে আপনি একে কিভাবে বর্ণনা করবেন?

কমরেড কিরণ

কমরেড কিরণ: গণপরিষদে আমাদের গত দুই বছর এবং নেপালি কংগ্রেস সহ সংসদের অন্যান্য দলগুলোর সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল খুবই জটিল ও তিক্ত। এই পুরো প্রক্রিয়ায়দুটি পরস্পর বিপরীত ধারার তীব্র মতাদর্শগত সংগ্রাম বিদ্যমান ছিল: পিএলএকে একটি সম্মানিত, গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে একীভূত করে একটি নতুন জাতীয় সেনাবাহিনী গঠিত হবে, নাকি তাদের নিরস্ত্র করে আত্মসমর্পণ করানো হবে; গণমানুষের সংবিধান কি সামন্তবাদ বিরোধী ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী হবে, নাকি সামাজিক পদমর্যাদা অনুযায়ী একটি সাংবিধানিক সংবিধান রচিত হবে। এই সংগ্রামে আমাদের পার্টি দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে।

অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত এই ভাবে বিভিন্ন সমঝোতা ও চুক্তির মূল্যায়নের ভিত্তিতে একটি গুরুতর দুই লাইন সংগ্রাম সংঘটিত হচ্ছে।

প্রশ্ন: ভারতে আপনাদের বন্ধু, ভারতীয় মাওবাদীরা তৎকালীন বর্তমান রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে পরাস্ত না করেই আপনাদের সংসদীয় পথে হাঁটার ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছেন। আপনার পার্টি বুর্জোয়া রাষ্ট্রের বিধানসভায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্র যন্ত্রকে পুনর্বিন্যাস করতে চেয়েছে। অতীতচারণপূর্বক আপনি তা কিভাবে দেখেন?

কমরেড কিরণ: আমাদের দল পুরনো রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে একটি নয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনযুদ্ধ শুরু ও তা পরিচালনা করেছে। তা সত্ত্বেও এই কাজ পূর্ণ না করে আমরা আপস করেছি এবং রাষ্ট্র পূনর্গঠনকারী এক নীতি গ্রহণ করেছি। আমরা একে আমাদের সীমাবদ্ধতা এবং বাধ্যবাধকতা হিসেবে মেনে নিয়েছি। ভারতীয় মাওবাদীদের আমাদের দল সম্পর্কে সংশয়ী হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। আগামীদিনে আমাদের দলের অনুশীলনের মাধ্যমেই ভারতীয় কমরেডগণের সন্দেহের প্রাসঙ্গিকতা বা ন্যায্যতা সম্পর্কে সঠিক উত্তর দিতে হবে(বিস্তারিত…)