Posts Tagged ‘প্রকৃতি’


লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

matin-bairagi-10কবিতা এমনই এক বিষয় যে নিজেকে প্রস্তুত করে প্রকাশে এবং সেই প্রকাশের মধ্যদিয়ে পাঠক কবিকে চিনে নিতে পারেন একজন মানুষকেও যার সামাজিক অস্তিত্ব আছে, এবং অস্তিত্বমান সমাজে সে কোনো ধ্যানধারণাকে বহন করে তার মুখ খুলে দেয়। প্রত্যেক শিল্পই রাজনৈতিক দর্শন ভূক্ত এবং কোনো না কোনো শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করে। সে যদি নিজকে গোপন ও করতে চায় তা হলেও সে প্রকাশ্য হয়ে পড়ে এবং তার প্রকাশরীতি সব সময়ই তার ধ্যানজ্ঞান পছন্দ ও ভাবনায় বাহিত হয়ে রূপলাভ করে শিল্পের মাধ্যমে, যাকে শিল্পী কোনো ভাবেই আড়াল করতে পারে না। আর কবিতাতে তো সম্ভবই নয়, দুরূহ বা দুর্ভেদ্য যাই হোক সে চিনিয়ে দেয় কবিকে, আখেরে সে কোন সামাজিক চেতনা ধারণ করছে এবং কাদের পক্ষের মানুষ হয়ে তার সৃষ্টিকে নিবেদিত করতে চাইছে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: সুদীপ্ত অর্ক দাস

world-to-win২০ শতকের দুই দুইটি সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বযুদ্ধ, ফ্যাসিবাদের উত্থান, মহামন্দা, স্নায়ুযুদ্ধ আমাদের চোখে আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দিয়েছে পুঁজিবাদ আর তার প্রগতিশীলতার ধারায় নেই। আর এই ২১ শতকে এসে আমরা দেখি তা বিশ্বজুড়ে সমাজের অগ্রযাত্রার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২য় সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রবৃদ্ধির দিন শেষ হয়েছে বহু আগেই, সিলিকন ভ্যালি আর ওয়ালস্ট্রিট এর উন্মাদনার হালেও আর পানি নেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

OLYMPUS DIGITAL CAMERA২০০৬ সালে বৃটিশ মালিকানাধীন গ্লোবাল কোল ম্যানেজমেন্ট (জিসিএম) রিসোর্সেসএর স্থানীয় প্রতিষ্ঠান এশিয়া অ্যানার্জি কর্তৃক দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের প্রচেষ্টার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রতিরোধ এক নতুন রূপ পরিগ্রহ করে। তৎকালীন বিএনপি সরকারের সাথে সমঝোতার মাধ্যমেই এশিয়া অ্যানার্জি পরিবেশবিধ্বংসী এই প্রকল্প বাস্তবায়নের চক্রান্ত করেছিল। সে সময় সমগ্র ফুলবাড়ির জনগণ এই চক্রান্ত প্রতিরোধের জন্য যে ভূমিকা গ্রহণ করেন, তা এদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। ঐ বছরের ২৬ আগস্ট প্রতিবাদী মিছিলে তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুলি চালালে আমিনুল, তরিকুল ও সালেকীন নামে তিনজন তরুণ নিহত হন। (বিস্তারিত…)

প্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনির ৩য় সংখ্যা…

Posted: নভেম্বর 3, 2013 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 Mongoldhoni-logo-1

মেষ শাবককে খাবার জন্যে নেকড়ের কোনো যুক্তির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু চিঁ চিঁ ধ্বনির প্রতিবাদ নেকড়েকে প্রতিহত করতে পারে না। নেকড়েকে রুখতে হলে আকাশ বির্দীণ করা চিৎকার করতে হবে। তেমন চিৎকার একক কন্ঠে সম্ভব নয় সম্মিলিত কন্ঠে প্রবল শক্তির নির্ঘোষে হতে হবে। সেই শক্তির আবাহনের কর্তব্যবোধে ‘মঙ্গলধ্বনি’র সকল আয়োজন। জগতে একা একা কিছুই হয় না একটা কুটোও নড়ানো যায় না। তবু একা চলার সাহস দেখাতেই হবে। যে প্রথম সামনে এগোয় সে অন্যকে উৎসাহিত করে, অনুপ্রাণিত করে। একা ব্যক্তির এই ভূমিকা প্রশংসার, শ্রদ্ধার। ‘মঙ্গলধ্বনি’ প্রশংসা ও শ্রদ্ধার চেয়ে অধিক প্রত্যাশা করে সহযোগিতা ও সহমর্মিতা। আর একত্রিত হয়ে আকাশ বিদীর্ণ করা চিৎকার দেবার শক্তি হয়ে ওঠার। সে শক্তি নেকড়েদের কেবল রুখবেই না চিরতরে মানব সমাজ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে। নেকড়ে ও মানুষ এক সমাজে বাস করতে পারে না। (বিস্তারিত…)


 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

১৩/০৯/২০১২

আজ পরিবেশ বীক্ষণ, কুড়িগ্রামএর আয়োজনে কুড়িগ্রাম পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে সকাল ১০ টায় জলবায়ু বিপর্যয় বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কুড়িগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছাত্রনেতা মোকলেছুর রহমান, ছাত্রনেতা মারুফ, ছাত্রনেতা নয়ন সরখেল প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শাহ ফরিদ, প্রবন্ধটি পাঠ করেন নিরঞ্জন চন্দ্র রায়। মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ‌“অতীতের শিল্পোন্নত দেশগুলির বাজার কাড়াকাড়ি, যুদ্ধ, প্রকৃতি বিনষ্ট এইগুলির ফলাফল আজকের জলবায়ু বিপর্যয়। যে বিজ্ঞান রপ্ত করে মানুষ কাজে লাগিয়েছে প্রকৃতির বিরুদ্ধে, সেই প্রকৃতি বিচারের রায় লিখিত হইতেছে বিজ্ঞানীদের হাতেই। তারা বলতেছে, অপরাধী মানুষ ও তাদের সভ্যতা। এইটুকু বলেই খালাস! কোন মানুষ? কাদের সভ্যতা?” প্রবন্ধে আরো বলা হয়, “১৯৯২ খিস্টাব্দে জাতিসংঘ ব্রাজিলে আয়োজন করলো ধরিত্রী সম্মেলন। সেখানে শিল্পোন্নত দেশগুলি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির জন্য ফান্ড গঠনের অঙ্গীকার করলো। অধিক মাত্রায় গ্রীণ হাউজ গ্যাস নির্গমণকারী শিল্পগুলি বর্জন না করে তারা ফান্ড গঠন করবে এতে করে তারা ঐ শিল্পগুলির মাধ্যমে নিয়মিত দূষণের অধিকার পাবে।” প্রবন্ধের শেষে বলা হয়, “পরিবেশ অপরাধীরা সভাসমিতি করে ফান্ড গঠন করতেই থাকিবে আর ক্ষতিগ্রস্ত দেশের সরকারগুলি মেরুদন্ডহীন ভিক্ষুকের মতো দাঁড়িয়ে নজর দিবে ঝুলির দিকেই। এদিকে জলবায়ু বিপর্যয়রোধ দীর্ঘায়িত হতেই থাকিবে। চাই ব্যবস্থার পরিবর্তন। ব্যবস্থার পরিবর্তন ছাড়া জলবায়ু বিপর্যয় রোধ সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির জনগণের গণঐক্য ও গণপ্রতিরোধ।”

উল্লেখ্য সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পরীবেশ বীক্ষণ, কুড়িগ্রামএর সাধারণ সম্পাদক সাম্য রাইয়ান।

 

 

বার্তাপ্রেরক,

সাম্য রাইয়ান

০১১৯০২৯৫৬২১


লিখেছেন: রাশেদুল হক

এ অরণ্য, সবুজ প্রান্তর

নীল পাহাড়ের সারি

সাগর, নদী, কাশফুল, শঙ্খচিল

এ আমার আপন; একান্তই আপন

মাঠ জুড়ে ফসলের সমারোহ

নুতন ভিটেয় তোলা ছনের ঘর

আনারসের বাগান কিংবা

ক্ষেত ভরা কলাগাছ যত

এ আমার ঘামের বিনিময়ে গড়া।

সাত বছরের মেয়েটি

যে আমার চোখের নাচে সারাক্ষণ

কিংবা আমার অনাগত ভবিষ্যত

যার হাতে শোভা পাবে রাইফেল (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: কল্লোল মোস্তফা

ভারতের আন্ত:নদী সংযোগ প্রকল্প অনুসারে, ভারতের উত্তরপূর্বদিকের হিমালয় অঞ্চলের বিভিন্ন নদীর “বাড়তি” পানি বিভিন্ন সংযোগ খালের মাধ্যমে ভারতের দক্ষিণের শুষ্ক এলাকার নদীগুলোতে সরবরাহ করে সেচ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হবে। ভৌগলিক ভাবে এই প্রকল্পকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছেহিমালয় অঞ্চল এবং দক্ষিণাঞ্চল বা পেনিনসুলার অঞ্চল। হিমালয় অঞ্চল থেকে মোট ৬ হাজার ১০০ কিমি দৈর্ঘ্যের ১৪টি খাল ও ১৬টি জলাধার ব্যবহার করে ১৪১.৩ বিলিয়ন কিউবিক মিটার(বিসিএম) পানি দক্ষিণের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে এবং দক্ষিণের বিভিন্ন নদীর মধ্যে ৪,৭৭৭ কি,মি দৈর্ঘ্যের আরো ১৬টি খাল ও ৫৮টি জলাধার ব্যাবহার করে ৩৩ বিসিএম পানি সংগ্রহের মাধ্যমে হিমালয় ও দক্ষিণাঞ্চল মিলিয়ে মোট ১৭৪.৩ বিসিএম পরিমাণ পানি স্থানান্তর করা হবে। মুশকিল হলো, উজানের দেশ ভারতের শাসক শ্রেণী ও উন্নয়ণ বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে যে নদীগুলোর পানি ‘বাড়তি’ হিসেবে অযথাই বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়ে ‘অপচয়’ হচ্ছে, ভারতের গোটা হিমালয় অঞ্চলের জনগণ ও প্রকৃতির জন্য কিংবা গঙ্গাব্রহ্মপুত্র অববাহিকার ভাটির দেশ বাংলাদেশের জনগণের জন্য তাই অপরিহার্য, কারণ নদী অববাহিকার জনগণ ও প্রকৃতির কাছে নদী কেবল কিউমেক/কিউসেকে পরিমাপ যোগ্য পানির আধার নয়, নদী একটি প্রবাহমান জীবন্ত সত্ত্বা যার সজলসজীববাধাহীন অস্তিত্বের উপরই নির্ভর করে গোটা অববাহিকার কৃষিমৎসবনাঞ্চলজলাভূমি সহ সমগ্র জীবন ও প্রকৃতির স্বাভাবিক সজীব অস্তিত্ব।

যদিও নদী সংযোগ প্রকল্পটি রাষ্ট্রীয় সীমা নির্বিশেষে ভয়ংকর এবং সার্বিক ভাবেই ক্ষতিকর, বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে আমরা এখানে আন্ত:নদী সংযোগ প্রকল্পের মধ্যে কেবল বাংলাদেশে প্রবেশের আগে ব্রহ্মপুত্র ও গঙ্গা নদী অববাহিকার পানি যে প্রক্রিয়ায় স্থানান্তর করা হবে তার একটা চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করব যেন বিপর্যয়ের একটা আদল আমাদের কাছে ষ্পষ্ট হয়। আন্ত:নদী সংযোগ প্রকল্পের আওতায় ভারতের হিমালয় অঞ্চল থেকে ভারতের দক্ষিণে স্থানান্তরের জন্য নির্ধারিত মোট ১৪১.৩ বিলিয়ন কিউবিক মিটার(বিসিএম) পানির মধ্যে ৪৩ বিসিএম পানি নিয়ে যাওয়া হবে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা থেকে যে নদীটি শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের ৮০% পানির উৎস। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সুমন চাকমা লেভা

 

সুভলং পাহাড়ের শীতল ঝর্ণা,
বয়ে যাওয়া কাচালং,কর্ণফূলী নদী,
পাহাড়ে ফুটে থাকা অজস্র ফুল,
সাড়ি সাড়ি সবুজ বৃক্ষ রাজি,
পুরী রাজকন্যার সাথে করে বাজি,
স্বগৌরবে সবাই বলে;
পুরী তোমার চেয়ে আমি বেশি সুন্দর, (বিস্তারিত…)