Posts Tagged ‘পুঁজি’


নকশাল দ্রোহে নারী

পুরো বইটি পড়ুন এখান থেকে

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/intro.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-01.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-02.pdf

https://mongoldhoni.files.wordpress.com/2012/06/nokshal-nari-03.pdf

(বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: অরবিন্দ অনন্য

পুঁজির ঈশ্বরের তাবিজের রমরমা বাণিজ্য ,

যেন শেষ হতে বসেছে !

লেজে আগুন লেগেছে পুঁজিবাদের

হনুমানের চেয়ে দ্বিগুণ তাপে;

জ্বলছে দাউ দাউ করে চারিপাশে

দখিণা বাতাস যেন ঘি ঢেলে দিয়েছে

ছুটছে চারিদিকে বন্যার পানির মতো (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

()

বুর্জোয়া রাষ্ট্র ব্যবস্থা আজ ভয়ানক সংকটের মুখোমুখি। বিষয়টার গভীরে না গিয়ে ভাসাভাসাভাবে দেখলে মনে হতে পারে শাসকের অদক্ষতার ফলেই বুঝি আজকের এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববাসীর কাছে দৃশ্যমান সংকটএর অনিবার্যতা সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা প্রায় দেড় শত বছর পূর্বেই কার্ল মার্কস দিয়ে গেছেন। মার্কস তাঁর পুঁজি (Das Capital) গ্রন্থে মুনাফাকে তুলনা করেছেন পাগলা ঘোড়ার সঙ্গে, যে পাগলা ঘোড়া পুঁজি মালিকের নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও ছুটে চলে অদম্য গতিতে। মার্কসের অমোঘ বাণীকে সত্য প্রমাণ করে আজ যেন পুঁজির সেই মৃত্যু ঘন্টার ধ্বনিই দিকে দিকে বেজে উঠছে। আজ খোদ পুঁজিবাদের মোড়ল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বুকেই জেগে উঠছে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণজাগরণ! এখন বিজ্ঞ জনেরা প্রশ্ন তুলতে পারেন, এই ‘অক্যুপাই ওয়াল স্ট্রিট মুভমেন্ট’ নামের সংগ্রাম বিশ্ব রাজনীতির কোন গুণগত পরিবর্তন আনবে কী না? সেই ক্ষেত্রে আমি বলবোনা। কারণ একটি বিপ্লবী সংগ্রাম অবশ্যই একটি সঠিক বিপ্লবী পাটির অধীনেই হতে হবে। তবে হ্যাঁ, এই সংগ্রাম আমাদের এক পরম সত্যের প্রমাণ আবারো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। বুর্জোয়া মিড়িয়া আমাদের সামনে পুঁজিবাদি দুনিয়ার যে চাকচিক্যপূর্ণ জীবনের ছবি দেখায় এটা আসলে একদম ফাঁপা, অন্তরসারশৃন্য। আজ প্রায় একশত বছর ধরে যে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ সারা বিশ্বব্যাপী দস্যুবৃত্তি করে বেড়াচ্ছে, অন্য দেশের সম্পদ দখল করতে গিয়ে হত্যা করছে কোটি কোটি মানুষকে। অথচ তারাই নিজের দেশের জনগণের ন্যুনতম জীবন ধারণের নিশ্চয়তা বিধান করতে পারেনি। আজ খোদ মার্কিন দেশেই বেকার মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৮০ লক্ষ। এমন বেকার আর হতাশাগ্রস্ত মানুষের সামান্য বিষ্ফোরিত রূপ দেখলাম ‘অক্যুপাই ওয়াল স্ট্রিট মুভমেন্টে’। এই বাস্তবতার উপর দাঁড়িয়ে পুঁজির দাসত্ব বরণকারী করপোরেটদের পোষা সুশীল বুদ্ধিজীবীরা আদাজল খেয়ে নেমেছে পুঁজির মরণ ব্যাধি ঘাতে মলমের প্রলেপ দিয়ে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার আয়ুষ্কালটা আরো খানিক দীর্ঘ করার প্রয়াসে। এমনই এক প্রয়াস আমরা লক্ষ করলাম কর্পোরেট মিড়িয়া ‘প্রথম আলো’র ত্রৈমাসিক প্রকাশনা ‘প্রতিচিন্তা’র সম্পাদকীয়তেও। মানুষ তাঁর কাণ্ডজ্ঞান দিয়েই বুঝে যুক্তি হচ্ছে সত্যের কিতাবি রূপ। ব্যক্তির সামনে যখন সত্য থাকে না, তখনই শুরু হয় মন্তব্য দিয়ে সত্যকে অস্বীকার করার প্রবণতা। প্রতিচিন্তার সম্পাদকীয়তে ঠিক এই কাজটাই করা হলো, কোন রকম যুক্তির ধারে কাছে না গিয়ে মন্তব্য করা হলো: ‘সাধের সমাজতন্ত্র প্রত্যাখ্যাত হয়ে গেছে।’ সমাজতন্ত্র যেন কোন গণভোটের রায়, যেটা হ্যাঁনা ভোট দিয়েই নির্ধারিত হবে। সমাজতন্ত্র হচ্ছে সমাজ বিকাশের একটা স্তর, পূর্বের সামন্তবাদ যদি সত্য হয়, আজকের পুঁজিবাদ যদি সত্য হয় তারই ধারাবাহিকতায় সমাজতন্ত্রও সত্য। প্রতিচিন্তার প্রকাশ ও ভূমিকার মধ্যদিয়ে কর্পোরেট প্রথম আলো গোষ্ঠী তার পুঁজিবাদীসাম্রাজ্যবাদী স্বার্থের জায়গাটা পাঠকের কাছে পরিষ্কার করলো। একই সাথে পরিষ্কার করা উচিৎ ছিল তার বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত তথাকথিত নিরপেক্ষতার অর্থ কী? তো, প্রতিচিন্তার ভূমিকায় সমাজতন্ত্র ব্যর্থ হবার কারণ হিসেবে যে বিষয়গুলোকে পাঠকের সামনে হাজির করা হয়েছে সেই কারণগুলোর মুদ্দাকথা এই রকম: “) বাজার ব্যবস্থা চালু রাখার স্বাভাবিক বাস্তবতাকে অস্বীকার করা; ) প্রতিযোগিতামূলক গণতান্ত্রিক রাজনীতির স্বীকৃতি না দেওয়া; ) সংবাদপত্রমিড়িয়ার স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি না দেওয়া; ) পার্টি ব্যবস্থার বাইরে থেকে যাওয়া ‘অপর’এর ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘন।” (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ব্লগার “দিনমজুর” (সামহোয়্যার ইন ব্লগ)

ভারতের একটি খবর

গত ৮ অক্টোবর ২০১০ তারিখে ভারতের দ্যা হিন্দু পত্রিকায় একটি খবর প্রকাশিত হয়, শিরোনাম: “মধ্যপ্রদেশে এনটিপিসি’র কয়লা ভিত্তিক প্রকল্প বাতিল”। খবরে বলা হয়: জনবসতি সম্পন্ন এলাকায় কৃষিজমির উপর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গ্রহন যোগ্য হতে পারে না বলে ভারতের কেন্দ্রিয় গ্রীন প্যানেল মধ্যপ্রদেশে ন্যাশনাল থারমার পাওয়ার করপোরেশন (এনটিপিসি) এর ১৩২০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের অনুমোদন দেয়নি। ভারতের সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি নরসিঙ্গপুর জেলার ঝিকলি ও তুমরা গ্রামের ১০০০ একর জমির উপর একটি ২X৬৬০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছিল।

সম্প্রতি পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের এক্সপার্ট এপ্রাইজাল কমিটি (ইএসি)’র এক সভায় বলা হয়, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির জন্য নির্ধারিত স্থানটি মূলত কৃষিজমি প্রধান এবং এ বিষয়ে প্রকল্পের স্বপক্ষের লোকদের দেয়া তথ্য যথেষ্ট নয়। বলা হয়, “এই স্থানটির বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে দো’ফসলি কৃষি জমি, যা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

কমিটি আরো মনে করে, গাদারওয়ারা শহরের এত কাছে এরকম একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কাঙ্খিত নয়। তাছাড়া, নরমদা নদী থেকে প্রকল্পের জন্য ৩২ কিউসেক পানি টেনে নেওয়াটাও বাস্তবসম্মত নয় যেহেতু রাজ্য সরকার ইতোমধ্যেই আরো অনেক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য এই নদীর পানি বরাদ্দ দিয়ে বসে আছে।

সূত্র: NTPC’s coal-based project in MP turned down

বাংলাদেশের খবর

বাংলাদেশ ভারত জয়েন্ট ভেঞ্চারে বাগেরহাটের রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াটের (X৬৬০) একটি বিদ্যূৎ কেন্দ্র স্থাপিত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ণ বোর্ড (পিডিবি) ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মান পাওয়ার কোম্পানি (এনটিপিসি) যৌথ অর্থায়নে প্রায় এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হচ্ছে আজ ২৯ জানুয়ারি ২০১২। বিদ্যুতের দাম, কয়লার উৎস নির্ধারণ না করেই এবং কৃষি জমি নষ্ট ও পরিবেশগত প্রভাব বিষয়ক আপত্তি উপেক্ষা করেই এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। রামপাল উপজেলার সাপমারি, কাটাখালি ও কৈগরদাসকাঠি মৌজায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ১,৮৩৪ একর ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু করেছে।

সূত্র: Indo-Bangla power deal today

কোথা থেকে কয়লা আসবে বিদ্যুৎ এর দাম কত হবে অনিশ্চিত

সুন্দরবনের পাশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র না করার দাবি

  (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্র এখন পুঁজির খাঁচায় আবদ্ধ, সবকিছুই মাপা হয় পুঁজির বাটখারায়; প্রেমভালবাসা, লেখাপড়া বা খেলাধুলা, কোনটিই এর বাইরে নয়। আর ক্রিকেট যেহেতু এই অঞ্চলে অধিক জনপ্রিয়, তাই পুঁজির দালালেরা একে টেনে আনবে এটাই স্বাভাবিক। ক্রিকেট নিয়ে এই জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে পড়ে যে এটি নিপীড়িতনিষ্পেশিত, অর্ধাহারেঅনাহারে ভোগা জ্বরাগ্রস্তদের দেশ, বাংলাদেশ

আর এই সাম্রাজ্যবাদী পুঁজি লগ্নির ক্ষেত্রে ওই ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রগুলো জনগণের দেশপ্রেমের ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে তাকে গড়ে তোলে উগ্র জাতিয়তাবাদী রূপে; যা তারা বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন অবস্থায় নিজেদের তথা ভঙ্গুর রাষ্ট্রগুলোকে টিকিয়ে রাখতে ব্যবহার করে।

যে ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে জনগণের মৌলিক অধিকার সংবিধান সর্বস্ব, যেখানে ফেসবুকের স্ট্যাটাসে সাজা হয়, যেখানে গণমুক্তির কথা বললে আসে ক্রসফায়ারের ছোবল, যেখানে সাম্রাজ্যবাদসম্প্রসারণবাদের দালালী হয় রাষ্ট্রীয় কর্তব্য, যেখানে আছে তথাকথিত গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র, যেখানে আছে বিশ্ববিদ্যালয় রূপী দালাল তৈরীর কারখানা, যেখানে মিডিয়া তোষামোদে ভরপুর; সেখানে যারা মনে করেন ভারতীয় পণ্য বর্জন করলেই দেশে জাতীয় পুঁজির বিকাশ ঘটবে, দেশ তরতর করে উন্নতির জোয়ারে ভেসে যাবে, দেশের মানুষের জীবন যাত্রার মান বেড়ে গিয়ে তালগাছের আগায় ওঠবে; তারা মূলতঃ অন্ধকারে পথ হাতরাচ্ছেন, যে পথের ঠিকানা তাদের অজানা

গ্লোবালাইজেশন নামক শোষণের ফলে এখনকার কোন পুঁজিই একক পুঁজি নয়, সকল পুঁজিই এখন সাম্রাজ্যবাদী পুঁজি, তা ভূমিদস্যু শাহ আলমের বসুন্ধরাই হোক, ঋণ খেলাপী সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো বা লতিফুরের এসেম্বলিং কারখানা। এই পুঁজিকে কেউ কেউ জাতীয় পুঁজির অগ্রপথিক রূপে স্বীকৃত করতে চাইলেও তা যে কেবলই রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজী, তা কারো অজানা নয়। তারা জাতীয় পুঁজির চরিত্রের সাথে এই ফরিয়া আর সাম্রাজ্যবাদী পুঁজির মিল কোথায় পেলেন? কোন পুঁজি, নির্দিষ্ট কোন দেশে নিজের জানান দিলেই কি তাকে সে দেশের জাতীয় পুঁজি বলতে হবে? আর যদি তারা এটাই বলতে চাইছেন, তাহলে তারা কেবলই জনগণকে ধোঁকা দিচ্ছেন, পরোক্ষভাবে দালালী করছেন সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদের(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ব্লগার “দিনমজুর” (সামহোয়্যার ইন ব্লগ)

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান অদক্ষ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দিয়ে কিচ্ছু হবে না বলে যারা বিদেশী কোম্পানিকে ডেকে আনার অযুহাত তৈরী করে, তারাই এখন উন্নত প্রযুক্তি ও সক্ষমতার দোহাই দিয়ে আরেকটি দেশের রাষ্ট্রীয় গ্যাস উত্তোলণকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে দ্বিগুণেরও বেশি খরচে স্থলভাগের ১০টি গ্যাস কুপ খনন করার চুক্তি করছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে বঞ্চিত করে। যেন কেবল রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গ্যাজপ্রমই পারে কিন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্স পারে না এবং কোন দিন পারবেও না! দেশের গ্যাস সম্পদ বিদেশী কোম্পানির হাতে তুলে দেয়ার অজুহাত হিসেবে বারবার পুঁজি ও প্রযুক্তির অভাবের কথা বলা হয়, অথচ রাশিয়ার গ্যাজপ্রমকে স্থলভাগে ১০টি গ্যাস কুপ খননের কন্ট্রাক্ট দেয়ার যে সিদ্ধান্ত গত ২১ ডিসেম্বর সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটি পাশ করেছে, সেই কাজ বাপেক্স শুধু যে দক্ষতার সাথে করতে পারে তা নয়, গ্যাজপ্রমের দাবী করা অর্থের অর্ধেকেরও কম খরচে সম্পন্ন করতে পারে যা সালদা নদী, ফেঞ্চুগঞ্জ, শাহবাজপুর, সুন্দলপুর, সেমুতাং ইত্যাদি গ্যাস কুপ খননের মাধ্যমে বাপেক্স ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে। পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ অনুসারে আগামী ০৯ জানুয়ারি ২০১২ গ্যাজপ্রমের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসার পর চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। (সূত্র: ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, ২৮ ডিসেম্বর ২০১১)

বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেল গ্যাসের ৮.% সরবরাহকারী রাশিয়ার এই জায়ান্ট কোম্পানিটি ঘুষদুর্নীতি, অস্বচ্ছতা, চুক্তি ভঙ্গ, চুক্তির বাইরে বাড়তি অর্থ দাবী করে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া ইত্যাদি নানা কারণে কুখ্যাত, যাকে গত ২০১১ সালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ও রেভিনিউ ওয়াচ ইন্সিটিউট তাদের যৌথ জরীপে বিশ্বের সবচেয়ে অস্বচ্ছ কোম্পানি হিসেবে নির্বাচিত করেছে !

এই কুখ্যাত মাফিয়া কোম্পানির হাতে বিশেষ জ্বালানি আইন এর দায়মুক্তির সুযোগে বিনা টেন্ডারে দ্বিগুণ অর্থ ব্যয়ে ১০টি কুপ খননের কন্ট্রাক্ট দিয়ে এবং ভবিষ্যতে পেট্রোবাংলার সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চার ও জ্বালানি সেক্টরের মাষ্টার প্ল্যান তৈরী করার দ্বায়িত্ব দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বস্তুত বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে নতুন আরেকটি ভয়াবহ বিপদের মুখোমুখি করা হচ্ছে। (বিস্তারিত…)