Posts Tagged ‘পুঁজিবাদ’


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

The philosophers have always interpreted the world in various ways; the point, however, is to change it. (Marx, Theses On Feuerbach: Thesis 11, 1845) 

এক.

যে কোনো মতাদর্শ কিংবা দার্শনিক তত্ত্বেরই একটা বস্তুগত ভিত্তি থাকে। যে কোনো নির্দিষ্ট দেশকালের নিরিখে, নির্দিষ্ট আর্থসামাজিক ব্যবস্থার মধ্য থেকেই একেকটা মতাদর্শ জন্ম নেয়। সমাজে নতুন বস্তুগত পরিস্থিতি নতুন ধারণা এবং তত্ত্বের জন্ম দেয়। এটাই মার্ক্সবাদের শিক্ষা। মার্ক্সবাদের নিজের ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: কামরুল ইসলাম ঝড়ো

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সোভিয়েত সরকারের আমন্ত্রণে ১৯৩০ সালের সেপ্টেম্বরে রাশিয়া গিয়েছিলেন। প্রথম মহাযুদ্ধের পর রাশিয়ার সামাজিক বিপ্লব এবং তাদের কর্মযজ্ঞ দেখে তিনি অভিভূত হন। এ সময় তিনি লেখেন: “… আপাতত রাশিয়ায় এসেছিনা এলে এ জন্মের তীর্থদর্শন অত্যন্ত অসমাপ্ত থাকত। এখানে এরা যা কাণ্ড করছে তার ভালোমন্দ বিচার করবার পূর্বে সর্বপ্রথমেই মনে হয়, কী অসম্ভব সাহস। সনাতন বলে পদার্থটা মানুষের অস্থিমজ্জায় মনেপ্রাণে হাজারখানা হয়ে আঁকড়ে আছে; তার কত দিকে কত মহল, কত দরজায় কত পাহারা, কত যুগ থেকে কত ট্যাক্‌সো আদায় করে তার তহবিল হয়ে উঠেছে পর্বতপ্রমাণ। এরা তাকে একেবারে জটে ধরে টান মেরেছে; ভয় ভাবনা সংশয় কিছু মনে নেই। সনাতনের গদি দিয়েছে ঝাঁটিয়ে, নূতনের জন্যে একেবারে নূতন আসন বানিয়ে দিলে। পশ্চিম মহাদেশ বিজ্ঞানের জাদুবলে দুঃসাধ্য সাধন করে, দেখে মনে মনে তারিফ করি। কিন্তু এখানে যে প্রকাণ্ড ব্যাপার চলছে সেটা দেখে আমি সব চেয়ে বেশি বিস্মিত হয়েছি। শুধু যদি একটা ভীষণ ভাঙচুরের কাণ্ড হত তাতে তেমন আশ্চর্য হতুম নাকেননা নাস্তানাবুদ করবার শক্তি এদের যথেষ্ট আছেকিন্তু দেখতে পাচ্ছি, বহুদূরব্যাপী একটা ক্ষেত্র নিয়ে এরা একটা নূতন জগৎ গড়ে তুলতে কোমর বেঁধে লেগে গেছে। দেরি সইছে না; কেননা জগৎ জুড়ে এদের প্রতিকূলতা, সবাই এদের বিরোধী—যত শীঘ্র পারে এদের খাড়া হয়ে দাঁড়াতে হবেহাতে হাতে প্রমাণ করে দিতে হবে, এরা যেটা চাচ্ছে সেটা ভুল নয়, ফাঁকি নয়। হাজার বছরের বিরুদ্ধে দশপনেরো বছর জিতবে বলে পণ করেছে। অন্য দেশের তুলনায় এদের অর্থের জোর অতি সামান্য, প্রতিজ্ঞার জোর দুর্ধর্ষ।” (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহজাহান সরকার

‘নিয়মানুগ’ শব্দের অন্তরালে উপনিবেশের পুনরাবৃত্তি

ফিদেল কাস্ত্রোর মৃত্যু এবং ফ্যাসিবাদী ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন রাষ্ট্র প্রধানের পদে অধিষ্ঠিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যকার সম্পর্ক ত্বরান্বিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ-নিবন্ধে উভয় দেশের মধ্যকার ‘নিয়মানুগ’ (নরমালাইজ) সম্পর্ক সৃষ্টিতে ওবামার ভূমিকা আলোচিত হবে। ওবামার পদক্ষেপ এক চমৎকার মৌলিক পটভূমি তুলে ধরে যে, কেন কিউবায় বিপ্লব জরুরি হয়ে পড়েছিল, কেন মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য কিউবার গৃহযুদ্ধের প্রধান লক্ষবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। কিভাবে ও কেন যে বিপ্লব শেষ পর্যন্ত সাম্রাজ্যবাদের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভে সফল হয় নি। কী করেই-বা সম্ভব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদ ও মিডিয়ার স্বার্থ হাসিলের সকল প্রচারণার মধ্যে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা।
(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

আজাদি বনাম দেশপ্রেম

umar khalid-1দেশপ্রেমীদের হাতে পড়ে আজাদি শব্দটাকে লাঞ্ছিত হতে দেখা যাচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরে। দিল্লির (জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়) জেএনইউ থেকে কলকাতার যাদবপুর, সর্বত্র এই লাঞ্ছনা লক্ষ্যনীয়। সাধারণভাবে ইতিহাস বইয়ে স্বাধীনতাগণতন্ত্র শব্দ দুটোকে আমরা পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে দেখতে অভ্যস্ত ছিলাম। কিন্তু এদেশের প্রধান শাসকদলের লম্ফঝম্ফ দেখে মনে হচ্ছে কেউ যদি স্বাধীনতা চায় তাহলে তার গণতন্ত্র হরণ করাটাই যেন আজ এদেশে নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে! সম্প্রতি জেএনইউএর ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সভাপতি কানহাইয়া কুমারের গ্রেপ্তার; অপর তিন ছাত্র উমর খালিদ, অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও অশ্বত্থীকে জঙ্গী বলে দেগে দিয়ে গ্রেপ্তারের ষড়যন্ত্র; একাধিক ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে সিডিশান আইনে মামলা দায়ের করা, অধ্যাপক এস আর গিলানিকে গ্রেপ্তার, এসব তো আছেই। এমনকি ন্যায়ালয়ে আইনের রক্ষকদের সামনে অভিযুক্তকে মারধর করা এবং এ হেন বেআইনী কাজ করার পরেও প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেরানো, এক চরম ত্রাসের রাজত্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ঘটনার ঘনঘটায় বেশ কিছু প্রশ্ন সামনে চলে আসছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সৌম্য মণ্ডল

indian-media-and-army[মূল্যায়ন পত্রিকার তরফে ত্রয়ন দা আমাকে নেপালের ভূমিকম্প :: একটি রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিষয়ক প্রবন্ধ লিখতে বলেছে। দীর্ঘ দিন ঝুলিয়ে অবশেষে লিখতেই হল। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখতে গেলে সেটা অবধারিতভাবেই রাজনৈতিক মতামত হয়ে দাঁড়াবে। কিন্তু মুশকিল হল এই যে নেপাল সম্বন্ধে আমার যানা বোঝা হল কিছু বই পড়া ভাসা ভাসা জ্ঞ্যান আর গত ভূমি কম্পের সময় ইউএসডিএফ United Students’ Democratic Front (USDF)-এর তরফে নেপালে স্বেচ্ছাশ্রম দিতে গিয়ে যেটুকু নেপাল দেখা। মাও সেতুঙএর ভাষায় যাকে বলে ঘোড়ায় চড়ে ফুল দেখা। মাওএর মতে, কোন বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান না করে সেই বিষয়ে মতামত দেওয়ার কোন অধিকার থাকে না। আর এই বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ স্টাডি আমার নেই। ফলে লেখাটি একটি অহেতুক অকারণ অগভীর প্রবন্ধে পর্যবসিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। আজ কাল কথিত মূল ধারার অধিকাংশ রাজনৈতিক প্রবন্ধের ক্ষেত্রে যা হয় আরকিতবুও এইটুকু সময়ের মধ্যে যা দেখাজানাবোঝা (ভুল বা সঠিক) সেটা পাঠককে জানাবার সুযোগ পেলে মন্দ কি? বাকি বিচার পাঠকের উপরই ন্যস্ত থাকলো।।] (বিস্তারিত…)


atheism-1লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

নিজের মতবাদ বা স্বোপার্জিত সত্যের জন্য জীবন বরবাদ করে ফেলা জ্ঞানীগুণীদের মধ্যে সক্রাতেসের নাম সর্বাগ্রে। এদের মধ্যে যিশু জেনো গ্যালেলিও হাইপেশিয়াসহ আরো অনেকেই আছেন। আমাদের দেশে সম্প্রতি জ্ঞানবিজ্ঞানের চর্চা বেড়েছে বা বাড়ছে এরই প্রমাণ একে একে হুমায়ুন আজাদ, ব্লগার রাজিব বা হালে অভিজিত রায়ের হত্যা। সক্রাতেস প্রথাগত সমাজের সঙ্গে তর্ক করে বুঝতে চেয়েছিলেন যে, সমাজ কতটুকু পিছিয়ে আছে। আসলে সক্রাতেসের সব তর্কের পেছনেই আছে মানুষের মঙ্গল চিন্তা। প্লাতনের মাধ্যমে যেই সক্রাতেসকে আমরা বুঝি, তিনি আগাগোড়াই একজন ইন্টেলেকচুয়াল বা বিদ্বজ্জন। সব বিষয়আশয় নিয়েই তিনি চিন্তাভাবনা করেছেন। কিন্তু গতানুগতিকতার স্রোত থেকে এরপর আলাদা করেছেন নিজেকে। কিন্তু অন্যসব মানুষ সক্রাতেসের মতো চিন্তায় এগিয়ে যেতে পারেননি। ফলে সক্রাতেস ক্রমাগত তাদের কাছে আলাদা হতে হতে তাদের অপরে পরিণত হন। তিনি একা হয়ে যান। তার চিন্তাজগতের আশপাশে সাধারণ মানুষ নেই। যদিও তিনি সাধারণের জন্যই চিন্তা করেছেন। এমনকি আমজনতার অধিকারের কথা ভেবে সারাজনম ব্যয় করা কার্ল মার্কসের প্রলেতারিয়েতরাও মার্কসবাদী নয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

world-to-win[নির্বাচন সম্পর্কে বামপন্থী মহলে একটা বিতর্ক রয়েছে বহুপূর্ব হতেই। কেউ বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষে সাফাই দেন; কেউ বা জাতীয় নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে যুক্তি দেখান; আবার কেউ বা শাসকশ্রেণীর কোনো একটি অংশকে মন্দের ভালো জ্ঞান করে তাতেই নিজের আখের গোছাতে মত্ত হন। আবার কেউ কেউ নির্বাচন মানেই সংশোধনবাদএমন তত্ত্ব ফেরি করেন। কোনো কোনো বামপন্থী সংগঠন ভারতের রাজধানী দিল্লীতে আত্মপ্রকাশ করা আম আদমি পার্টির সাথে নিজেদের মেলাচ্ছে; আবার কেউ বা এই নির্বাচনে শ্রেণীসংগ্রামের স্বপ্নও দেখেন! এমন বিবিধ চিন্তাচেতনায় কেউ কেউ বিভ্রান্তও হতে পারেন। তাই এ নিয়ে কিছু লেখা, তথা নির্বাচন সম্পর্কে নিজের অবস্থান তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। এই লেখাটি যেহেতু নির্বাচন সম্পর্কিত অবস্থান; তাই এখানে সংক্ষিপ্তাকারে হলেও এভূখণ্ডে পুঁজিবাদসাম্রাজ্যবাদের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরাটা জরুরী। আর এর মাধ্যমে ইতিহাস ও মতাদর্শের আলোয় বাঙলাদেশের আর্থসামাজিক কাঠামোর সাথে নির্বাচনের বিষয়টি মিলিয়ে দেখা সম্ভব হবে বলেই আমার ধারণা।] (বিস্তারিত…)


Ad (BoiMela)-01আমার স্মৃতিকথা

আমার স্মৃতিকথা” নামে বইটি লিখেছেন ভারতের অন্যতম মাওবাদী পার্টি ‘মাওবাদী কমিউনিস্ট কেন্দ্র’ (এমসিসি)-এর সম্পাদক প্রয়াত সুশীল রায় সোম। সুশীল রায় যিনি বিশেষত ভারতে মাওবাদী কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের পরিসরে “সোম” নামেই বেশি পরিচিত। এই বইয়ে তিনি এমসিসি’র সংগ্রামের ইতিহাস ও তার বিকাশ এবং ঐক্যবদ্ধ সিপিআই (মাওবাদী) পার্টি গঠনকে তুলে ধরেছেন। এই স্মৃতিচারণ থেকে আজকে নতুন প্রজন্মের বিপ্লবীরা বুঝতে সক্ষম হবে কিভাবে একজন ছাত্র বুদ্ধিজীবী শ্রমিক কৃষকের সাথে একাত্ম হয়ে মাওবাদী কমিউনিস্ট হিসেবে বিকশিত হয়েছেন।

এটা তাঁর ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণামূলক বই হলেও যেহেতু তিনি ভারতে মাওবাদী আন্দোলনের সূচনাকাল; ৬০এর দশক থেকেই যুক্ত ছিলেন সেহেতু এতে রয়েছে এমসিসি’র নেতৃত্বে ধারাবাহিক সংগ্রামের অনেক না জানা কথা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: স্টেফানি ম্যাকমিলান

imperialism-with-related-tags-and-termsপুঁজিবাদের ঐতিহাসিক সম্প্রসারণ অপ্রতিরোধ্যভাবে (সমরূপে নয় যদিও) পুঁজির কেন্দ্রীভবনের দিকেই ধাবিত হচ্ছে। উৎপাদনের মাত্রা বৃদ্ধি, একচেটিয়া বাজার দখল ও প্রযুক্তির বিকাশ এই সস্প্রসারণকে করেছে আরও ত্বরান্বিত। পুঁজির কেন্দ্রীভবন তৈরি করেছে একচেটিয়া আধিপত্যের; যা তাদের শাসনকৃত অধীনস্থ সমাজ কাঠামোর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার উপর সমানুপাতে (নিয়ন্ত্রণ করে) ক্ষমতার প্রয়োগ ঘটাতে সাহায্য করছে।

যখন পুঁজির নিয়ম অনুযায়ী অপরিহার্য বিকাশের পরিণতি স্বরূপ, প্রত্যাশিতভাবেই তার নিয়ন্ত্রিত এলাকায় (জনগোষ্ঠী বা সামাজিক কাঠামোতে) পুঞ্জীভূত উদ্বৃত্তমূল্য সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে, তখন পুঁজি বাধ্য হয়েই নিজ বিকাশের স্বার্থে ঐ এলাকার গণ্ডি পেড়িয়ে অন্য এলাকার দিকে আগ্রাসী হয়। রাষ্ট্র/রাষ্ট্রসমূহকে ব্যবহার করে সে তার মূল ভিত্তি হিসেবে, অন্যান্য সামাজিক কাঠামোর ওপর রাজনৈতিক কূটকৌশল প্রয়োগ করে (যুদ্ধ, যে রাজনীতির চরমতম রূপ) একে একে ওগুলোকে পুঁজির অধীনে নেয়ার জন্যে। পাশাপাশি প্রতিযোগিতা চলে, অন্যান্য পুঁজির ওপর দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে কীভাবে বিশ্বকে বিভক্ত করা যায়, তা নিয়ে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মেহেদী হাসান

universe-humanityস্বামী বিবেকানন্দ মানব অস্তিত্বের ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে চিদাত্মা এবং আত্মার কথা বলেছেনএবং এদুটিকে তুলনা করেছেন সাগর এবং তার উত্তোলিত ঢেউয়ের সাথে। সাগর আর তার ঢেউ যদিও দুটি আলাদা অস্তিত্ব, তবুও ঢেউ যখন সাগরের সাথে মিশে গিয়ে একাকার হয়ে উঠে, তখন তাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়, মানুষ একবার পঞ্চত্ব প্রাপ্ত হলে যেমন তাকে আর একক অস্তিত্বের আওতার মধ্যে ফেলা যায় না। বিবেকানন্দ চিদাত্মাকে ঈশ্বর এবং মানব চেতনাকে আত্মা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার বক্তব্যের সারমর্মটা অনেকটা এরকম, মানুষ যখন বেঁচে থাকে তখন সে আত্মা এবং যখন সে মারা যায় তখন আত্মার সকল বৈশিষ্ট্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চিদাত্মার সাথে একীভূত হয়; ঢেউ যেমন তার সকল নিজস্ব ধর্ম মুছে ফেলে সাগরের সাথে মিশে নিজেও সাগরে রুপান্তর লাভ করে। (বিস্তারিত…)