Posts Tagged ‘নৈরাজ্য’

বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সঙ্কট :: শাসক শ্রেণীর রাজনৈতিক দৈন্যের অনিবার্য প্রতিফলন

Posted: ডিসেম্বর 15, 2012 in দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

office of prime ministerপ্রথমে প্রেক্ষাপট ১৯৯৬ সালের দিকে তাকানো যাক। ১৯৯১ সালে সামরিক এরশাদ সরকারের পতনের পর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী দলগুলো নিজস্ব প্রতিনিধির সমন্বয়ে একটি সর্বদলীয় সরকার গঠন করার বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে একটি অন্তবর্তী সরকারের অধীনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ঐ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে ও আওয়ামী লীগ তাদের চরিত্র অনুযায়ী ফলাফল মেনে নেয়ার ব্যাপারে সামান্য গড়িমসি করার পর শেষাবধি নির্বাচনী রায় মেনে নেয়। মূলত ঐ অন্তবর্তীকালীন সরকারের গর্ভেই জন্ম লাভ করেছিল পরবর্তীকালের বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার ভ্রুণ। (বিস্তারিত…)

Advertisements

অনুবাদ: আরিফ ইসলাম

অরুন্ধতি রায় - ছবি: নরেন্দ্র বিশৎঅরুন্ধতি রায়ের মত একক ভাবে ভারতের সমালোচনা এ যাবৎ কাল পর্যন্ত এতটা হয়নি। বলতে গেলে তিনি এমন একটা যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন যার শুরু হয় পোখরান’দের সাথে, যেটা পরবর্তিতে নর্মদা’র দিকে সরে যায় এবং অন্যান্য বিদ্রোহ থেকে শুরু করে গণসংগ্রাম ও মাওবাদীদের জনযুদ্ধ পর্যন্ত প্রসার লাভ করে। তিনি তার লেখার মাধ্যমে ভারতের সরকার ও সরকারের পোষ্য অভিজাতশ্রেণী, কর্পোরেট নামক দৈত্যদের এবং সাম্প্রতিক সময়ের আন্তর্জাতিক অর্থসংস্থান ও পুঁজিবাদের সম্পূর্ণ গঠনকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। আদালত অবমাননার দায়ে তাকে ২০০২ সালে একদিনের জন্যে জেলে যেতে হয় এবং ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত কাশ্মির বিষয়ক ‘আজাদি’ই একমাত্র পথ’ (Azadi—the only way) শিরোনামে একটি সেমিনারে অন্যদের সাথে মিলে ভারত বিরোধী বক্তৃতা দেয়ার অভিযোগে অরুন্ধুতি রায়’কে অভিযুক্ত করে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করা হয়।

পাণিনি আনন্দ’র কাছে দেয়া অরুন্ধুতি রায় এর সাক্ষাতকারের চুম্বক অংশ নিচে তুলে ধরা হলো: (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

আর কতই বা সংকুচিত মননে অশ্রু বিসর্জন?

আর কতই বা নত মস্তকে আত্মসমর্পণ?

হ্যাঁ তাই, যা শুধু মুষ্ঠিবদ্ধ হাত আলগা করে,

ক্ষণিক নয়, বরং প্রতিমুহুর্তেই …..

মুহুর্তগুলোও এখন অনেক বড় ঠেকে,

নৈশব্দের প্রতিধ্বনিতে ক্ষতবিক্ষত হয় আপনমন্দির!

সশব্দের তীব্র আস্ফালনে বেদীতে মাথা ঠোঁকাই টিকে আছে আজ অবধি!

ঠিক সেই সময়েই,

যখন একে অপরের স্রষ্টা’র মহিমায় রক্তগঙ্গা বয়,

যখন ঘটা করে ‘শ্রমিক দিবস’ হয় উদযাপিত

যখন রামরহিমের গলা কাটা পড়লেও কিছু যায় আসে না,

যায় আসে শুধু উঁচু উঁচু পদ ও ক্ষমতার ধারালো তীক্ষ্ণ অপব্যবহার! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বাধন আধিকারী

সূচনাটীকা:

ইংরেজী এ্যানার্কিজম শব্দটি বাংলায় রূপান্তর করে আমরা নৈরাজ্যবাদ বলি। নৈরাজ্যবাদ সমাজের যাবতীয় কেন্দ্রিভূত ক্ষমতাকর্তৃত্বআধিপত্যের বিরুদ্ধে সর্বোপরি রাষ্ট্ররাষ্ট্রদখলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তার স্বাধীনমুক্তশ্রমের মালিকানাহীনসমাজতান্ত্রিক সমাজের বাসনা নিয়ে। মার্ক্সবাদীরা যেখানে রাষ্ট্র শুকিয়ে মরার তত্ত্ব হাজির করেন, নৈরাজ্যবাদীরা সেখানে রাষ্ট্র বিলোপের সংগ্রামকেই সমাজবাদের সংগ্রামে প্রাথমিক গুরুত্ব দিতে চান। নৈরাজ্যবাদী আন্দোলনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব মিখাইল বাকুনিন মার্ক্সবাদী বামপন্থীদের রাষ্ট্র দখল করে তাকে শুকিয়ে মারবার তত্ত্ব মোকাবিলা করতে গিয়ে ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন, ‘লালআমলাতন্ত্র’ একটা ভয়াবহ ব্যাপার হবে। হয়েছেও তাই। বেশি কিছুর দরকার নাই। স্ট্যালিনযুগ স্মরণ করলেই টের পাওয়া সম্ভব, লাল আমলাতন্ত্র কী জিনিশ! বাকুনিন বলতেন: Freedom without Socialismis privilege and injustice andSocialism without freedomis slavery and brutality. ইতিহাসের বিকাশে বামপন্থী সমাজসক্রিয়তায় নৈরাজ্যবাদীরা অনন্য নজির স্থাপন করেছিলেন, এখনও করে যাচ্ছেন। অথচ নৈরাজ্যবাদ শব্দটিকে আমরা প্রায়শই নেতিবাচক অর্থে কেওয়াসহট্টগোলের সমার্থক বিবেচনা করে ব্যবহার করি। এই ব্যবহার যে খুব সাদামাটা নির্বোধ, তাকিন্তু মনে করি না। নৈরাজ্যবাদীধারার সমর্থক মার্কিনবুদ্ধিজীবীসক্রিয়ক নোম চমস্কির মতো করে আমিও মনে করি, শব্দটি মানে ধারণাটি শাসকশ্রেণীর আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু বলেই এইসব মিথ্যে প্রচারণা এখনও জারি আছে। সমাজের অগ্রগতিপ্রগতির প্রশ্নে তাই নৈরাজ্যবাদ শব্দটিকে শাসক শ্রেণীর হাত থেকে কেড়ে নিয়ে তাকে বুঝে নেবার দায়িত্ব অস্বীকার করতে পারি না।

নিচের লিফলেটটি ঐ প্রচেষ্টারই ফসল। একটা নৈরাজ্যবাদী গ্রুপ এই লিফলেটটি প্রচার করেছে ওয়েবে আর সবাইকে বলছে, এটা জনে জনে পৌঁছাতে। আমি তাই দায়িত্ব অনুভব করলাম। মেদিবসে নৈরাজ্যবাদীদের অনন্যঐতিহাসিক অবদান আর কতদিন চাপা পড়ে থাকবে? থাকুক এটা চাই না। চাই না বলেই এই লিফলেটটি অনুবাদ করা হলো পাঠকদের জন্য। এটি নিয়েছি http://struggle.ws/ws95/may45.htmlওয়েব লিঙ্ক থেকে। (বিস্তারিত…)


তারা ঘরে ফেরেনা

স্বপ্ন স্তিমিত হয়ে আসে, ক্রমশঃ

মানুষগুলো পায়ে হেঁটে আর

রাস্তায় চলতে ভালোবাসেনা ।

কেউ ঘরে ফেরে মুক্তির খোঁজে,

ফেরারীরা ঠিক ঠিক জানে তাদের

না ফেরায় কারো কিছু যায় আসেনা ।

অতঃপর একসময়

ভোর হয়ে আসে,

বাইরে থেকে আসা

আওয়াজগুলো মিলিয়ে যায়। (বিস্তারিত…)