Posts Tagged ‘নেপালের কমিউনিষ্ট পার্টি-মাওবাদী’


prachanda-nepal-121(মার্কসবাদলেনিনবাদ নিয়ে বামপন্থি রাজনৈতিক কর্মী এবং বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে কোন বিতর্ক না থাকলেও মাওবাদ নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে কমিউনিজমের জ্ঞান ভাণ্ডারে মাও সেতুঙএর অবদানকে মতাদর্শের পর্যায়ে নেয়া যায় কিনা, বিতর্কটা সেই বিষয়ে। অনেকেই মাওএর অবদানকে স্বীকার করেন, কিন্তু “মাওবাদ” হিসেবে তাকে স্বীকার করেন না। তাদের বক্তব্য এটা চীনের বাস্তবতায় মার্ক্সবাদের সৃজনশীল প্রয়োগ। অপরদিকে, মাওবাদএর সমর্থকদের মতে, মাও সেতুঙএর অবদান মার্কসবাদ, লেনিনবাদের মতোই মাওবাদে উন্নীত হয়েছে এবং এর বিশ্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। মাওবাদ সাম্যবাদী মতাদর্শকে বিকাশের এক তৃতীয় এবং নতুন স্তরে উন্নীত করেছে। এই আলোচনা শুরু করার আগে আমাদের একটি মানদণ্ডের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছাতে হবে। সেটা হলো কখন একটি অবদান মতবাদে উন্নীত হয়? মাওবাদীদের বক্তব্য হলো দর্শনঅর্থনীতিরাজনীতিতে মৌলিক অবদান হলেই সেটা মতবাদ হতে পারে। নিম্নলিখিত আলোচনাতে সেটাই দেখানো হয়েছে।

এই বিতর্ক যে শুধু বাংলাদেশেই আছে তা নয়, সারা দুনিয়াজুড়ে এই বিতর্ক চলমান রয়েছে। এই বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনটি লেখা আগ্রহী পাঠকদের জন্য দেয়া হলো। প্রথমটি পেরুর কমিউনিষ্ট পার্টি (শাইনিং পাথ)র চেয়ারম্যান অ্যাবিমেল গুজমান গনজালো লেখা; যা দলীয় দলিল হিসেবে প্রকাশিত। এটাই হলো সেই দলিল যেখানে পেরুর পার্টি সর্বপ্রথম মাও সেতুঙএর অবদান, যা মাও সেতুঙ চিন্তাধারা হিসেবে চর্চিত ছিল, তাকে মাওবাদ হিসেবে সূত্রায়ন করেন। দ্বিতীয় লেখাটি নেপালের কমিউনিষ্ট পার্টি সভাপতি প্রচণ্ডএর লেখা। নেপালে মাও বিতর্কের অংশ হিসেবে তিনি এই লেখাটি লিখেছিলেন। আর তৃতীয় এবং শেষ লেখাটি বাঙলাদেশের একজন বিপ্লবী বুদ্ধিজীবি রায়হান আকবরএর লেখা। এই তিনটি লেখার বিষয়বস্তু একই। মতবাদ হিসেবে মাওবাদকে প্রতিষ্ঠিত করা। আর বিপ্লবী রাজনীতির পক্ষের চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গের জন্য তা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই এটি মঙ্গলধ্বনিতে প্রকাশিত হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। আজ প্রকাশিত হচ্ছে দ্বিতীয় লেখাটি। উক্ত তিনটি লেখা আমাদের সংগ্রহ করে পাঠিয়েছেন নূরুর রহমান। মঙ্গলধ্বনি) (বিস্তারিত…)

সাক্ষাৎকারে কমরেড কিরণ :: পরিবর্তনের জন্য আমদের সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে

Posted: জুন 28, 2012 in আন্তর্জাতিক, মতাদর্শ, সাক্ষাৎকার
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

ডয়চে ভেলে (জার্মান প্রেস) কর্তৃক গৃহীত কমরেড মোহন বৈদ্যকিরণ’এর সাক্ষাত্কার :: নেপাল দাঁড়িয়ে আছে অন্য এক গণযুদ্ধএর দাড়প্রান্তে

অনুবাদ: শাহেরীন আরাফাত

নেপালের প্রধান পার্টি, ইউনিফায়েড কমিউনিষ্ট পার্টি অফ নেপাল (মাওবাদী)-এর ভাঙনের মধ্য দিয়ে সেখানকার রাজনৈতিক টালমাটাল অবস্থা অব্যাহত রয়েছে। এই সামগ্রিক বিষয় ও রাজনৈতিক পরিকল্পনা সম্পর্কে ডয়চে ভেলেএর সাথে কথা বলেন পুরনো পার্টির (ইউসিপিএন – মাওবাদী) প্রাক্তন জৈষ্ঠ্য সহসভাপতি (সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান)

মোহন বৈদ্য “কিরণ” হলেন নেপালের প্রধান পার্টি, ইউনিফায়েড কমিউনিষ্ট পার্টি অব নেপাল (মাওবাদী)র প্রাক্তন জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এবং সম্প্রতি বিভক্তকমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (মাওবাদী)এর প্রতিষ্ঠাতা। (বিস্তারিত…)


অনুবাদ: আরিফ ইসলাম

কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালমাওইস্ট (নেপালের কমিউনিষ্ট পার্টিমাওবাদী) [Communist Party of Nepal-Maoist (CPN-Maoist)] নামে আমাদের একটি নতুন বিপ্লবী পার্টির ভিত তৈরি হয়েছে।

একুশ শতকের সংশোধনবাদীদের সাথে চিরকালের বিচ্ছেদের সূচনা হয়েছিল এই পার্টি গঠনের মাধ্যমেই। জাতীয় সমাবেশে প্রচণ্ডবাবুরাম গং’কে নেপালী বিপ্লব পরিপন্থি বিশ্বাসঘাতক শ্রেণীশত্রু বলে খারিজ করে দেয়া হয়। এরাই একুশ শতকের সংশোধনবাদকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলো। সমাবেশে আরও বলা হয় যে, UCPN (Maoist) [Unified Communist Party of Nepal-Maoist] পুষ্প কমল দহল প্রচণ্ডের নেতৃত্বে একটি ডানপন্থি ও নয়াসংশোধনবাদী গ্রুপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে মাওবাদের সাথে মাও চিন্তাধারা নামক (মাওবাদ/মাও চিন্তাধারা) কোন প্রকার ট্যাগ থাকবে না। মার্কসবাদলেনিনবাদমাওবাদ হবে পার্টির নীতি নির্ধারক ও পথ প্রদর্শক আদর্শ। গণ-অভ্যুত্থান’ই হবে রণনীতির ভিত্তি। সেখানে ‘৪টি প্রস্তুতিমূলক রণ কৌশল’ থাকবে এবং ‘সুরক্ষিত গণযুদ্ধ’ সংঘটনের পদক্ষেপ নেয়া হবে। (বিস্তারিত…)