Posts Tagged ‘নিপীড়ন’


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

censorshipসাম্প্রতিক সময়ে শিশুকিশোর হত্যা, কিশোরীনারী নির্যাতন ও ধর্ষণ, ডাকাত বা ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনীতে মানুষ হত্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে এই হত্যানির্যাতনের সংখ্যা এবং মাত্রা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। এই বিভৎসতা, নৃশংসতা ভাষায় বর্ণনা করার নয়। যা দেখে কোন সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক থাকা সম্ভব নয়। কেন ঘটছে এই ধরনের হত্যানির্যাতনবিভৎসতা? এর প্রতিকার কি সম্ভব নয়? নাকি এসব ঘটতেই থাকবে আর সাধারণ মানুষ নির্বিকারভাবে দেখে যাবে, সামান্য আহাউহু তারপর যথারীতি দৈনন্দিন জীবনযাপন। সাধারণের মধ্যে, সংঘবদ্ধ বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে দেখা যাচ্ছে না কেন? (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

০১.

art-23রাত্রির ভিতরে যেই চিৎকার যেমন আমরা শুনতে পাই সে ছিলো কারো মরণের পরোয়ানা

একমাত্র অন্ধকার নিরাপত্তা হয়ে সতর্ক করছে আমাদের

এবং বলে এই চিৎকার আর শেষ আর্তধ্বনি মানুষের, বলে দেয় পৃথিবীতে খুন আরো বাড়লো (বিস্তারিত…)


টুকরো ছবির মধ্যে ভারতকে যতটুকু চিনতে পারলাম

লিখেছেন: রক্তিম ঘোষ

তোমরা রয়েছ এদেশের নিঃশ্বাসে

india_movement-1খিদে পেলে আর কি করা যাবে?৩ দিন কিছুই জোটে নি যে। বরং দেবুটা ঠিকই বলেছিল, বাড়িতে হানা দিতে হত। তাহলে এক ধাক্কায় মধুরেণ সমাপয়েৎ হত আর কি। তা আর হল কই?উৎসবের দিন বাড়িতে হানা দেবো না, এমন বিবেক বোধ জাগল আমার!! ! দূর দূর। মাঝখান থেকে তিন দিন না খেয়ে, না ঘুমিয়ে, তাড়া খেয়ে ফিরতে হচ্ছে। উৎসব বলে ছাড় দিলে না উজবুকগুলো!!

যাক গে হাত কামড়ে আর কি হবে?এদিকে সারারাত মশার কামড়ে যান কয়লা হয়ে গেল এক্কেরে। নেহাত উনি বাইরে এসেছিলেন তাই ……। মাস্টারদা বলেন ধর্ম তো বুকের ভিতর সবার এক, বাইরের সাজপোশাক আলাদা। একটু সঙ্কোচ হচ্ছিল বটে, তারপর আর সইল না। এগিয়ে গেলাম। একদম আমার মায়ের মতো মুখটা। সত্যি বলছি বিশ্বাস করুন! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: যোবায়ের আল মাহমুদ

ict-1লিবারেল ডেমোক্রেসি পুঁজিতান্ত্রিক মতাদর্শের রাজনৈতিক হাতিয়ার হলেও এখানে চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার একটা জায়গা রাখা হয়েছে, কেননা লিবারেলিজম মানুষের ব্যক্তিগত বিকাশের জন্য নিজস্ব চিন্তা ও তৎপরতার স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। অবশ্য লিবারেলিজম এর স্বাধীনতা তত্ত্বের নানান ক্রিটিকও আছে তা এখানে আলোচনা করার সুযোগ নেই। লিবারেলিজমের এই প্রত্যয় ও ধারণার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের সংবিধানও এই চিন্তা, মতপ্রকাশ ও বাক স্বাধীনতার স্বীকৃতি ও সুরক্ষাকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলে গণ্য করে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ধ্রুবনীল

image-2-মিজান ঝর্নার দিকে আস্তে আস্তে এগিয়ে আসছে। হাতে লম্বা একটা বেতের লাঠি। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো ঝর্নার একশোটি বেত্রাঘাত এই লাঠি দিয়েই করা হবে। আর সেটি করবে এই মাঝ বয়সী লোকটা মিজান। মিজানের বউটা মরেছে বছর খানেক আগে। জগত সংসারে তার আপন বলতে যা কিছু আছে সব ঐ বিচারকার্যের মাঝখানে বসা মুজিব কোট পরিহিত মেম্বার সাহেব। মায়া মহব্বত বলতে ওর মাঝে কিছুই নেই। চোখের সামনে হারিয়েছে সব আপনজনকে। লোকে বলে ওর বউটা নাকি গলায় দরি দিয়ে মরেছে। (বিস্তারিত…)


savar-disaster-15ভবনের ভেতর কি করার আছে হতদরিদ্র এই মানুষের

ভবনের ভেতর কি করার আছে হতদরিদ্র এই মানুষের

নিষাদ বংশীয় অনার্য এই মানুষগুলো কি করবে বাংলাদেশে

তাদের জীবন শ্রমের মাঝে বন্দী, নির্দেশ পালনে সন্ত্রস্ত

কর্পোরেট বিদ্ধ এই জীবন নিয়ে কি করবে তারা (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

khaleda-zia-4-বর্তমান আওয়ামী লীগনেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গণতান্ত্রিকভাবে দেশ চালাচ্ছে একথা বর্তমানে তাদের অন্ধ সমর্থক ছাড়া আর কেউই বলবেন না। বিগত কয়েক বছরের মানবাধিকার পরিস্থিতি, সন্ত্রাসনির্যাতনধর্ষণগুমখুন, জনগণের অর্থ লোপাট, নিরাপত্তাহীনতা, নৈরাজ্য থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রেই দুঃশাসন নতুন মাত্রা অর্জন করেছে। এর বিরুদ্ধে খুব কার্যকরভাবে না হলেও জনগণের ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনসাধারণ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একত্র হয়ে এসবের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এমনকি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ব্যানার থেকেও বর্তমানে চলমান যাবতীয় অনাচারঅত্যাচার থেকে রেহাই পাওয়ার দাবি জানিয়ে সমাবেশমিছিলঅনশনমানববন্ধন ইত্যাদি করা হচ্ছে। এসব দাবি ও দাবি প্রকাশের ধরন ইত্যাদির কার্যকারিতা নিয়ে অনেক রকম প্রশ্ন ও বিতর্ক তোলা যেতে পারে। কিন্তু এসব যে হচ্ছে তার মধ্যে দিয়েই আন্দাজ পাওয়া যায় বর্তমান সরকারের অধীনে দেশ কতোটা ‘ভালোভাবে’ চলছে। নিজেদের গণবিরোধী শাসনসৃষ্ট প্রতিক্রিয়ায় সরকার নিজেই এখন দিশেহারা। নিজেদের অপশাসনদুঃশাসন তাদের চারিদিকে যে চোরাবালির বলয় তৈরি করেছে তাতে তাদের স্বখাতসলিলে ডুবে মরার মতো অবস্থা। এজন্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া ছাড়া বলতে গেলে তাদের হাতে এই মূহুর্তে আর তেমন কিছুই নেই। এ কারণেই এ ইস্যুটিকে তারা বারবার সামনে আনতে চাইছে, এবং বিরোধী মতের অন্যান্য সংগঠনের যেকোনো সরকারবিরোধী সমালোচনা ও আন্দোলন প্রচেষ্টাকেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করে বিষয়গুলো ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

CHT-9-আদিবাসীদের বিচ্ছিন্নতার কথা, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের কথা আজকাল শুনতে পাওয়া যায়। তবে আদিবাসীদের কথায় যাবার আগে আমি একটু জাতীয়তাবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদের সাথে পুঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের সম্পর্কটা একটু দেখে নিতে চাই। সামন্তবাদ পুঁজিবাদের বিকাশের জন্য একটা বাধা স্বরূপ ছিল। তাই সামন্তবাদ বিলোপ করতে হয়েছে, এই বিলোপের সাথে বিভিন্ন দেশের বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের একটা সম্পর্ক আছে। অর্থাৎ, বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ফলে যে রাষ্ট্র গঠিত হয়, তা পুঁজিবাদের বিকাশে ভূমিকা রাখে। (বিস্তারিত…)

এলিট বাহিনীর শ্বেত সন্ত্রাস ও রাষ্ট্রের নীরব সমর্থন

Posted: ডিসেম্বর 16, 2012 in দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

Rab-1এই বিজয়ের মাসে এমন একটা লেখা হয়তো অনেকেই আশা করবেন না, কিন্তু লিখছি নিজের তাগিদেই। বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড, আর হয়রানি, গ্রেফতার বাণিজ্য, গুপ্তহত্যা, অপহরণে শঙ্কিত হয়েই লিখছি। হয়তো এই লেখার অপরাধেও হয়রানি বা গ্রেফতারের শিকার আমরা হতে পারি, কিন্তু তবুও বলতে হবে, তবুও লিখতে হবে! রাষ্ট্রীয় এলিট বাহিনীর সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার যে কোনো বিকল্প নাই!

.

২১ শে জুন, ২০০৪ সালে র‌্যাব গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ২৪ শে জুন, ২০০৪ সালে প্রথম র‌্যাবের হাতে ক্রসফায়ারের ঘটনায় একজন মারা পড়ে। তারপর থেকে ক্রসফায়ার প্রতিনিয়ত ঘটমান একটি বিষয়। যেমন ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৪ সালে দেশের ৬৪ টি জেলায় র‌্যাব একযোগে অপারেশনে নামে। ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৪ সালে র‌্যাব গঠনের বৈধতা নিয়ে আদালতে একটা মামলা দায়ের হয়। কিন্তু তার ফলাফল শূণ্য। কারণ তার পরপর শুধু র‌্যাবই নয়, দেশের পুলিশ বাহিনীও প্রতিযোগিতামূলকভাবে ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটাতে থাকে এবং সংখ্যাগতভাবে ক্রসফায়ারের ঘটনা বাড়তে থাকে। তা গঠিত হয়েছিল মূলত পুলিশ, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

Patriotism is when love of your own people comes first; nationalism, when hate for people other than your own comes first.” – Charles De Gaulle

পাহাড়ের কোলে একটি পাহাড়ি কুটিরবরাবরের মত এবারো সারাবিশ্বে ৯ আগষ্ট পালিত হতে যাচ্ছে “বিশ্ব আদিবাসী দিবস”। যথারীতি নানাবিধ রঙ্গে ভরা এই বঙ্গদেশেও দিবসটি তথাকথিতভাবে ‘পালিত’ হবে। কিন্তু মনে করার কোন কারন নেই উপরিউক্ত কোটেশনটির মর্ম বুঝতে এই দেশের হিপোক্রেট শাসকশ্রেনী এবং তথাকথিত ‘দেশপ্রেমিক’ বাঙ্গালি সক্ষম, তারা কেউই সক্ষম নয়। যেই দেশের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ফুটবলের বাংলা করে ‘চর্মনির্মিত গোলাকার বস্তুবিশেষ পদাঘাতে যা স্থানান্তরিত হয়’ এবং প্রবল জাত্যাভিমানে বলীয়ান হয়ে ক্রিকেট খেলায় বিপক্ষ দলের খেলোয়াড় সেঞ্চুরী করলে কিংবা ৫ উইকেট পেলে কদাচিত স্ট্যান্ডিং ওভেশন জানায় তাদের কাছে কোটেশনটির মর্ম অনুধাবন করার প্রত্যাশা করা আর মাইক টাইসনের কাছে গান্ধীবাদী আদর্শ ফেরী করে বেড়ানো একই কথা, উভয়েই অর্থহীন। তারচেয়ে দেখা যাক ‘বিশ্ব আদিবাসী দিবস’ এদেশের শাসকশ্রেনী এবং জনগণের কাছে আদপেই কোন তাৎপর্য্য বহন করে কিনা। (বিস্তারিত…)