Posts Tagged ‘নারী শ্রমিক’


লিখেছেন: নেসার আহমেদ

rana_plaza-1২৪ এপ্রিল, ২০১৩ সাল। ঐদিন সাভারে রানাপ্লাজা ভবন ধ্বসে হাজারের ঊর্ধ্বে কর্মরত শ্রমিক খুন হন। চরম নৃশংসতম ও ভয়াবহ এই হত্যাকাণ্ডের নজির গোটা বিশ্বের পোশাকশিল্পের ইতিহাসে মেলা ভার। হত্যাকাণ্ড আমাদের জনজীবনের পরে গভীর ছাপ রেখেছে। একইভাবে ক্রেতা রাষ্ট্রগুলোর জনগণের পরেও। শুরু হয়েছে নানামুখী আলোচনাসমালোচনা, প্রস্তাবনা ও রাজনীতি। যা দেশীয়আন্তর্জাতিক সব স্তরেই আজ চলছে। আমরা কেউই এই প্রতিক্রিয়ার বাইরে নই। ফলে সময়ের দাবি অনুযায়ী কিছু কথা বলা জরুরি (বিস্তারিত…)

Advertisements

প্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনির ৩য় সংখ্যা…

Posted: নভেম্বর 3, 2013 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 Mongoldhoni-logo-1

মেষ শাবককে খাবার জন্যে নেকড়ের কোনো যুক্তির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু চিঁ চিঁ ধ্বনির প্রতিবাদ নেকড়েকে প্রতিহত করতে পারে না। নেকড়েকে রুখতে হলে আকাশ বির্দীণ করা চিৎকার করতে হবে। তেমন চিৎকার একক কন্ঠে সম্ভব নয় সম্মিলিত কন্ঠে প্রবল শক্তির নির্ঘোষে হতে হবে। সেই শক্তির আবাহনের কর্তব্যবোধে ‘মঙ্গলধ্বনি’র সকল আয়োজন। জগতে একা একা কিছুই হয় না একটা কুটোও নড়ানো যায় না। তবু একা চলার সাহস দেখাতেই হবে। যে প্রথম সামনে এগোয় সে অন্যকে উৎসাহিত করে, অনুপ্রাণিত করে। একা ব্যক্তির এই ভূমিকা প্রশংসার, শ্রদ্ধার। ‘মঙ্গলধ্বনি’ প্রশংসা ও শ্রদ্ধার চেয়ে অধিক প্রত্যাশা করে সহযোগিতা ও সহমর্মিতা। আর একত্রিত হয়ে আকাশ বিদীর্ণ করা চিৎকার দেবার শক্তি হয়ে ওঠার। সে শক্তি নেকড়েদের কেবল রুখবেই না চিরতরে মানব সমাজ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে। নেকড়ে ও মানুষ এক সমাজে বাস করতে পারে না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

tea-workers-7ব্রিটিশরা তখন রেল বসাচ্ছে। বাংলার পলিমাটিতে রেল বসাচ্ছে কারণ এখানে পাকাসড়ক রেলের চেয়েও ব্যয়সাপেক্ষ। রেল লাইন নিঃসন্দেহে এক যুগান্তকারী সংযোজন। বাংলারচাষাভূষোরা সার সার দাঁড়িয়ে রেল বসানো দেখে। সেই কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের অধিকাংশই বাংলার বাইরে থেকে আনা হয়। প্রধানত বিহার, মধ্যপ্রদেশ, উড়িস্যা এবং অন্ধ্রপদেশ থেকে এই শ্রমিকদের আনা হয়। রেল বসানো শেষ হলে সেই শ্রমিকদের একটা বড় অংশ দেশে নাফিরে এই বাংলাতেই থেকে যায়। আরও কিছু পরে সেই শ্রমিকদের সাথে আরো ‘বাইরের’ শ্রমিক এনে পাঠিয়ে দেয় হয় সিলেটঅসম অঞ্চলে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

garments-10সম্রাট অশোকের সময়কার একটি প্রচলিত মিথ ছিলো এমনসম্রাট একদিন বিশাল আকৃতির একটা ষণ্ডকে চিকন দড়ির চিকন ছোটখাটো একটা খুঁটির সাথে বাঁধা দেখে জিজ্ঞেস করলেন ‘তুমি এই সামান্য দড়ি ছিড়ে সামান্য খুঁটি উপড়ে মুক্ত হতে পারোনা?’ ষন্ডের উত্তরবিলক্ষণ পারি। এরচে ১০ গুণ শক্ত হলেও পারি, কিন্তু পারবোনা, কারণ এটাই নিয়ম।’ এই নিয়মকে একবিংশ শতাব্দীতে টেকনোলজিকাল এডভান্সমেন্টের যুগে, আরবানাইজড প্রগরেসমেন্টের জমানায় ‘সিস্টেম’ বলে। এই সিস্টেমে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার থেকে শুরু করে পাড়ার মুচি পর্যন্ত পাঁড় ধান্দাবাজ। অনেক ছয় কে নয় করে দেওয়া যায়। চিটেগুড়ের দোকানদার হয় এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড গার্মেন্ট ফ্যাক্টরীর মালিক, ভূষিমালের আড়ৎদার হয় আইটি এক্সপার্ট। এই সিস্টেমে ইয়া বিশাল সব অট্টালিকা হয়, আলিশান দালান হয় সাথে সাথে মেট্রোপলিটন সিটির বীভৎসতাও চোখের সামনে চলে আসে। এই বৈপরীত্য দেখে কুখ্যাত দেং জিয়াও পিং এর ‘কালো বিড়াল’ তত্ত্বের কথা মনে পড়ে। তিনি বলতেন, ‘বিড়াল সাদা না কালো তা দেখার দরকার নেই, শিকার করতে পারলেই হলো।’ তারই ছোঁয়া আজ বাংলাদেশে দেখি। নানাবিধ বৈদেশিক বাপেদের বদান্যতায়, টাকার গন্ধে নিমেষের মাঝে বাংলাদেশ বিশেষত ঢাকা বনে গেছে সম্পদ বানাবার ওয়ান্ডারল্যান্ড। কুৎসিত, কদাকার সব চিত্র সামনে প্রায়শই চলে আসলেও কোন অসুবিধা হচ্ছেনা। (বিস্তারিত…)