Posts Tagged ‘নারী নির্যাতন’


শ্রেয়সী দাশ

২০১৭ সালে গণতন্ত্রের এপিটাফে যোগ হলো আরো এক প্রস্তর খণ্ড। কেন গণতন্ত্রের এপিটাফ বললাম, সে কথা পরের আলোচনায় থাকছে ডিসেম্বর জি.ডি. বিরলা নামে এক কর্পোরেট স্কুলে বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষ করলো দুজন শিক্ষক। ভারতেধুনিক শিক্ষার ইতিহাসে তা এক লজ্জাজনক ঘটনা। ভারতীয় নাগরিক এবং সর্বোপরি একজন শিক্ষার্থী হিসেবে এ লজ্জা রাখার জায়গা নেই। এ যেন ২০১২ সালে দিল্লির নির্ভয়া কাণ্ডেরই পুনরাবৃত্তি। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: ফারুক আহমেদ

boishakhপহেলা বৈশাখ এবং এই জাতীয় সর্বজনীন উৎসব এলেই প্রধান প্রধান পত্রিকাগুলোতে, বৈদ্যুতিক মাধ্যমে, এসব আশ্রিত বুদ্ধিজীবীদের পক্ষ থেকে, শাসক শ্রেণিতো বটেই শাসক শ্রেণি আশ্রিত বাম নামধারীদের পক্ষ থেকেও তারস্বরে আওয়াজ উঠতে থাকে– ‘এই দিন পার্থক্য ভুলে যাওয়ার দিন, এই দিন বাঙালীর ঐক্যের দিন ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রশ্ন হলো কিসের পার্থক্য? কার সাথে কার ঐক্য? এ পার্থক্য যদি হয় শাসক শ্রেণির লুণ্ঠনের ভাগাভাগির বিরোধ এবং ঐক্য যদি হয় তাদের ঐক্য, তা হলে সেখানে বলবার কিছু থাকে না। কিন্তু যাদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তারা এই পার্থক্য বুঝায় না। বাঙালীত্বের বাগাড়ম্বরে তারা বুঝাতে চায় ধনীগরীবের পার্থক্য, শোষক আর শোষিতের পার্থক্য, জনগণ এবং দুর্বৃত্তের পার্থক্য। এই দিনে তারা এসব পার্থক্য ভুলিয়ে দেওয়ারই কথা বলে। এর মধ্যদিয়ে তারা যে জনগণের আনন্দ উৎসবের দিনগুলো শোষক, লুণ্ঠক এবং তাদের সেবাদাস দুর্বৃত্তদের দখলে নেওয়ারই মতলব করে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

censorshipসাম্প্রতিক সময়ে শিশুকিশোর হত্যা, কিশোরীনারী নির্যাতন ও ধর্ষণ, ডাকাত বা ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনীতে মানুষ হত্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে এই হত্যানির্যাতনের সংখ্যা এবং মাত্রা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। এই বিভৎসতা, নৃশংসতা ভাষায় বর্ণনা করার নয়। যা দেখে কোন সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক থাকা সম্ভব নয়। কেন ঘটছে এই ধরনের হত্যানির্যাতনবিভৎসতা? এর প্রতিকার কি সম্ভব নয়? নাকি এসব ঘটতেই থাকবে আর সাধারণ মানুষ নির্বিকারভাবে দেখে যাবে, সামান্য আহাউহু তারপর যথারীতি দৈনন্দিন জীবনযাপন। সাধারণের মধ্যে, সংঘবদ্ধ বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে দেখা যাচ্ছে না কেন? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন:মেহেদী হাসান

stop-violence-against-women-1-কুসংস্কার প্রবনতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি, অজ্ঞানতা ও অসচেতনতার মানদণ্ডে আমাদের গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করা প্রায় সকল মানুষের অবস্থান অনেকটাই কাছাকাছি। তাদের চিন্তাচেতনার মধ্যেও তেমন কোন হেরফের সচারচর লক্ষ্য করা যায় না। অর্থনৈতিক দিক থেকে তারা উঁচুনিচু হলেও আর অন্যান্য সকল দিক থেকে সকলেই প্রায় একই মাপের। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সঞ্জীব আচার্য

সংগ্রহ: নেসার আহমেদ

manipur-rape-protest-3(এই গল্পটি প্রকাশ হয়েছিল ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরঅক্টোবর মাসে কলকাতা থেকে প্রকাশিত অনীক পত্রিকায়। ফেসবুকে বন্ধুদের উদ্দেশ্যে তার একটি অংশ তুলে দেয়া হল। গল্পের প্রেক্ষাপট হলো২১শে মার্চ ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক নারী বর্ষ উপলক্ষ্যে দিল্লিতে UNOর একটি সেমিনার। সেমিনার হলে উপস্থিত আছেন নানান দেশের হাজারের উপরে নারী আন্দোলনের সাথে যুক্ত নারী নেতৃত্ব। আর মঞ্চে রয়েছেন UNOর সভাপতি, আন্তর্জাতিক নারী সমিতির সভানেত্রী, ভারতের নারী সমিতির সভানেত্রী এবং আয়োজকদের তরফে সুমনা থাপার। যারা সারা পৃথিবীতে নারীর প্রতি বৈষম্য এবং উন্নয়নের নীতি নির্ধারণ নিয়ে নানামুখী আলোচনা করেছেন। সভার শেষ বক্তা ইনিতা। দিল্লি নেহেরু কলেজের ছাত্রী। যার আলোচনা দিয়ে এই গল্পের শেষ। চলুন আমরাও মুল গল্পে ঢুকে পড়ি… – নেসার আহমেদ) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মেহেদী হাসান

stop-violence-against-women-1-আমাদের এই জনপদে নারীর প্রতি সহিংসতার নিরবিচ্ছিন্ন পুনরাবৃত্তির ফলে আমরা সময়ের এমন একটা পর্যায়ে এসে পৌঁছেছি যে, এখন এগুলোকে খুব বেশী অস্বাভাবিক বলে প্রতিভাত হয় না নারীর প্রতি অধিকাংশ সহিংস ঘটনা অন্যান্য আটদশটা প্রাত্যহিক ঘটনার মত স্বাভাবিক ভাবে মেনে নেয় মানুষ। আমাদের সমাজে বহু পূর্ব হতেই নারীর প্রতি নানা ধরনের সহিংসতা চলে আসছে। নারীর প্রতি সহিংসতার উদ্ভব ঘটে সাধারনত আমাদের সমাজে বিদ্যমান বিভিন্ন ধরনের নারীপুরুষ বৈষম্য এবং ফলত সমাজের ভেতরে জায়গা করে নেয়া শক্তিশালী পুরুষতান্ত্রিকতার উপর ভর করে। এই পুরুষতান্ত্রিকতার অবস্থান শুধুমাত্র পুরুষের ভেতরে বললে পুরো সত্য উন্মোচিত হয় না, নারীপুরুষ সকলের ভেতরেই পুরুষতান্ত্রিকতা কম বেশী বিরাজমান। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তৃষা বড়ুয়া

rape protest-india-5--কেউ কি দুনিয়ার এমন কো্নো জায়গা/জনপদ/রাষ্ট্রের নাম বলতে পারবেন যেখানে নারী নিরাপদ সে শিশু, কিশোরী, তরুণী, মধ্যবয়স্কা, বৃদ্ধা যাই হোন না কেন? যেখানে নারীকে মানুষের মর্যাদা দেয়া হয়? যেখানে জীবনের প্রথম ভাগে পিতার, দ্বিতীয় ভাগে পতির এবং শেষ ভাগে পুত্রের নাম অভিভাবক হিসেবে চর্চা কিংবা ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না? যেখানে প্রতিটি নারী নিজেই নিজের অভিভাবক?

জন্মগ্রহণের পর থেকে একটি শিশুকে প্রতি পদে পদে directly/indirectly শেখানো হয় টিভিফ্রিজওয়াশিং মেশিনের মতো তুমিও একটা প্রফিটেবল প্রোডাক্ট! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তৃষা বড়ুয়া

porani-1-আমার মা’র নাম লিলি। ডাকতাম মাম্মা বলে আর আমাকে ও অফিসিয়ালি ডাকতো তিষু কিন্তু আনঅফিসিয়ালি পরানি, যাদুসোনা, সোনামণি থেকে শুরু করে অনেক নামে ডাকতো। ছোটবেলায় প্রতিদিন দুপুরবেলা আমাকে জড়িয়ে ধরে জিজ্ঞেস করত, ‘আমার তিষুর কয়টা নাম?’ আমি গলা জড়িয়ে ধরে আহ্লাদি কন্ঠে বলতাম, ‘আটটা!’ জিজ্ঞেস করতো, ‘কী কী?’ আমি গুণে গুণে মনে করে করে নামগুলো বলতাম। ২/১ টা নাম মনে না পড়লে মনে করিয়ে দিত। এরপর আরেকটা নাম যোগ করত। ‘এখন তাইলে ক’টা হল?’ আমি বলে উঠতাম, ‘নয়টা!‘ এভাবে বাড়তে বাড়তে শেষমেশ পনেরোতে গিয়ে ঠ্যাকে। দেখতে ভয়ংকর সুন্দরী ছিল সে। এজন্য অল্প অল্প ঈর্ষা যে করতাম না তা না। মাম্মা বুঝত। পিঞ্চ করে বলত, ‘তুই আমার মত হোস নি।’ মুখ বেঁকিয়ে বলতাম, ‘আইছে আমার বিশ্বসুন্দরী! হুহ!’ আমার গজরানি দেখে দাঁত বত্রিশটা বের করে হাসত! বদের হাড্ডি একটা! (বিস্তারিত…)