Posts Tagged ‘নারীবাদ’


লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

সম্প্রতি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ঔপনিবেশিক আমলের একটি সামন্তীয় চেতনার আইনকে অসাংবিধানিক বলে খারিজ করেছেন। ওই আইনে নারীকে পুরুষের সম্পত্তি হিসেবে দেখানো হয়েছিল। ব্যক্তির স্বাভাবিক যৌন সম্পর্ককে ফৌজদারি আইনের অধীনস্ত করা হয়েছিল। তা বুর্জোয়া গণতন্ত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আর এ কারণেই ওই আইনটি বাতিল করা হয়।

দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারায় ‘ব্যভিচারের’ শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। তাতে বলা হয়, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো নারীর সঙ্গে তার স্বামীর সম্মতি ব্যতীত যৌনসঙ্গম করেন এবং অনুরূপ যৌনসঙ্গম যদি ধর্ষণের অপরাধ না হয়, তাহলে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের দায়ে দায়ী হবেন, যার শাস্তি পাঁচ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড।

ব্যভিচার’ কি? প্রচলিত সংজ্ঞানুসারে, সমাজআইনের বিধিভুক্ত যে যৌন সম্পর্কের নির্দেশনা, তার বাইরে যাওয়ার মানেই হলো ‘ব্যভিচার’। একটা শব্দ যে পুরো ব্যবস্থাকে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম, তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ এ শব্দটিযা প্রচণ্ডভাবে নারীবিদ্বেষী, পুরুষতান্ত্রিক এবং সামন্তীয় চেতনাধীন। এর দ্বারা কার্যত নারীর যৌন স্বাধীনতাকেই অস্বীকার করা হয়। বিয়ের পর নারী তার স্বামীর বাইরে কিছু চিন্তা করতে পারবে না, এমন বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। কার্যত ওই ‘ব্যভিচারের’ জুজু দেখিয়ে নারীকে পুরুষের ‘যৌনদাসীতে’ পরিণত করা হয়। ওই ‘ব্যভিচার’এর শাস্তি দিতে যে আইন করা হয়েছে, তা কমিউনিস্ট কেন, কোনো বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক ব্যক্তিও মেনে নেবেন না নিশ্চয়! (বিস্তারিত…)

Advertisements

মূলঃ জন বেল্লামী ফস্টার

ভাষান্তরঃ মেহেদী হাসান

joan-acker-1

জোয়ান আস্কার

এটা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ যে আস্কারের গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বীয় কর্ম “শ্রেণী জটিলতাঃ অতঃপর নারীবাদী সমাধান” অর্থনৈতিক ধ্বস শুরু হওয়ার একবছর পূর্বে ২০০৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটা অবশ্যই নিছক কোন দৈব ঘটনা ছিল না। বিশেষভাবে অধিকাংশ নারীবাদী তাত্ত্বিকদের আলোচনায় শ্রেণী বিশ্লেষণের নাজুক অবস্থার বিষয়ে আস্কার খুব গভীর ভাবে শঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। একই সময়ে সে এটাও বুঝতে পেরেছিল যে, শ্রেণী বিষয়টা আগেকার অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে অনেকবেশী গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, শুধুমাত্র মানুষের সাথে মানুষের বৈষম্য বেড়ে যাওয়ার কারনেই নয় বরঞ্চ পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে ভারসাম্যহীনতা বেড়ে উঠার ফলেও। এজন্যেই তার বইয়ের প্রথমেই সে “নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে অর্থনৈতিক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির” শরণ নেয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তৃষা বড়ুয়া

rape protest-india-5--কেউ কি দুনিয়ার এমন কো্নো জায়গা/জনপদ/রাষ্ট্রের নাম বলতে পারবেন যেখানে নারী নিরাপদ সে শিশু, কিশোরী, তরুণী, মধ্যবয়স্কা, বৃদ্ধা যাই হোন না কেন? যেখানে নারীকে মানুষের মর্যাদা দেয়া হয়? যেখানে জীবনের প্রথম ভাগে পিতার, দ্বিতীয় ভাগে পতির এবং শেষ ভাগে পুত্রের নাম অভিভাবক হিসেবে চর্চা কিংবা ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না? যেখানে প্রতিটি নারী নিজেই নিজের অভিভাবক?

জন্মগ্রহণের পর থেকে একটি শিশুকে প্রতি পদে পদে directly/indirectly শেখানো হয় টিভিফ্রিজওয়াশিং মেশিনের মতো তুমিও একটা প্রফিটেবল প্রোডাক্ট! (বিস্তারিত…)