Posts Tagged ‘ধর্ষণ’


শ্রেয়সী দাশ

২০১৭ সালে গণতন্ত্রের এপিটাফে যোগ হলো আরো এক প্রস্তর খণ্ড। কেন গণতন্ত্রের এপিটাফ বললাম, সে কথা পরের আলোচনায় থাকছে ডিসেম্বর জি.ডি. বিরলা নামে এক কর্পোরেট স্কুলে বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষ করলো দুজন শিক্ষক। ভারতেধুনিক শিক্ষার ইতিহাসে তা এক লজ্জাজনক ঘটনা। ভারতীয় নাগরিক এবং সর্বোপরি একজন শিক্ষার্থী হিসেবে এ লজ্জা রাখার জায়গা নেই। এ যেন ২০১২ সালে দিল্লির নির্ভয়া কাণ্ডেরই পুনরাবৃত্তি। (বিস্তারিত…)

Advertisements

manipur-rape-protest-3মনিপুরের শান্তস্নিগ্ধ এক গ্রাম। বাড়ির দরজায় এক নারী বসে আছেন তার চারটি সন্তান আর এক ছোট নাতিকে নিয়ে। তাকে বা তার পেছনের লড়াইয়ের ইতিহাস না বলে দিলে জানা যাবে না যে এই নম্র, সুখী শান্ত মহিলাটিই মনিপুর রাজ্যে সরকারবিরোধী সবথেকে শক্তিশালী এক লড়াইয়ে শামিল হয়েছিলেন।

৬২ বছর বয়সের এই নারীর নাম ইমা নুঙবি বা নাঙঅবা। তিনি মনিপুরের এক সাহসী নারীর প্রতিরূপ। ২০০৪ সালে মনিপুরে আসাম রাইফেলস্ থাঙজাম মনোরমাকে ধর্ষণ ও হত্যা করে। তার বিরুদ্ধে নারীরা বিবস্ত্র হয়ে যে অভিনব প্রতিবাদ করেছিলো তিনি তাতে সম্মুখসারিতে অংশ নিয়েছিলেন।

শুধু এই জন্যই তার ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি মাত্র ৪০ টাকা/রূপী আয় করেও তার ৪ সন্তানের ভরনপোষনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এবং যা আয় করতেন তার এক অংশ তিনি সংগঠনের কাজে ব্যয় করেছিলেন। তার বান্ধবীরা তাকে মদ বিক্রি করে সংসার চালাতে বললে তিনি বলেছিলেন, তিনি বরং না খেয়ে মরবেন তবু্ও তিনি মদ চোলাই করবেন না।

টেহেলকা ডট কম ওয়েবসাইটের রেবতি রাউল (Revati Laul) তার একটি ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন যা ইংরেজী ভাষায় প্রকাশ করা হয়। উক্ত ইন্টারভিউয়ের বাংলা অনুবাদ এখানে তুলে দেয়া হলো।। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

felani-1ফেলানি হত্যা দুনিয়াজুড়ে সাড়া জাগানো সীমান্ত হত্যাকাণ্ড। তারও কারণ আছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্তে আড়ালে আবড়ালে নিয়ত হত্যা, গুম, ধর্ষণ এখন মামুলি বিষয়। বিশেষ করে এর শিকার হচ্ছে বাংলাদেশি গরীব জনগণ। ফেলানির বিষয়টা এতটা চাউর হবার কারণ হচ্ছে সে গুলি খেয়ে বিশ্বমিডিয়ার নজরে পড়ার মতো ভয়াবহভাবে ঝুলে ছিল কাঁটাতারে। এরকম আরেকটা দৃশ্য আমাদের মনে পড়ে যাবে, সার্বিয়রা যখন বসনিয়দের পাইকারিহারে হত্যা ধর্ষণ গুম করছিল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

stop-violence-against-women-1-১১ বছরের কিশোরীকে জোর করে ধর্মান্তরিত করে ৫৫ দিন আটক রেখে ধর্ষণ করেছে কিছু মানুষরূপী জানোয়ার। তাকে উদ্ধার করা গেলেও ধর্ষকদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এটা হল খবর। খবরটা ছাপা হয়েছে একটি জাতীয় দৈনিকে। তারপর থেকে অনলাইনে নিরবিচ্ছন্ন প্রতিবাদ চলছে। কিন্তু এই খবরটা ছাপা হওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ হেডকোয়ার্টার কিংবা নারী অধিকার, মানবাধিকার সংগঠনগুলো থেকে কোনো বিবৃতি বা প্রতিবাদলিপি আসেনি (অন্তত আমি দেখিনি)(বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তৃষা বড়ুয়া

rape protest-india-5--কেউ কি দুনিয়ার এমন কো্নো জায়গা/জনপদ/রাষ্ট্রের নাম বলতে পারবেন যেখানে নারী নিরাপদ সে শিশু, কিশোরী, তরুণী, মধ্যবয়স্কা, বৃদ্ধা যাই হোন না কেন? যেখানে নারীকে মানুষের মর্যাদা দেয়া হয়? যেখানে জীবনের প্রথম ভাগে পিতার, দ্বিতীয় ভাগে পতির এবং শেষ ভাগে পুত্রের নাম অভিভাবক হিসেবে চর্চা কিংবা ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না? যেখানে প্রতিটি নারী নিজেই নিজের অভিভাবক?

জন্মগ্রহণের পর থেকে একটি শিশুকে প্রতি পদে পদে directly/indirectly শেখানো হয় টিভিফ্রিজওয়াশিং মেশিনের মতো তুমিও একটা প্রফিটেবল প্রোডাক্ট! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

garments-10সম্রাট অশোকের সময়কার একটি প্রচলিত মিথ ছিলো এমনসম্রাট একদিন বিশাল আকৃতির একটা ষণ্ডকে চিকন দড়ির চিকন ছোটখাটো একটা খুঁটির সাথে বাঁধা দেখে জিজ্ঞেস করলেন ‘তুমি এই সামান্য দড়ি ছিড়ে সামান্য খুঁটি উপড়ে মুক্ত হতে পারোনা?’ ষন্ডের উত্তরবিলক্ষণ পারি। এরচে ১০ গুণ শক্ত হলেও পারি, কিন্তু পারবোনা, কারণ এটাই নিয়ম।’ এই নিয়মকে একবিংশ শতাব্দীতে টেকনোলজিকাল এডভান্সমেন্টের যুগে, আরবানাইজড প্রগরেসমেন্টের জমানায় ‘সিস্টেম’ বলে। এই সিস্টেমে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার থেকে শুরু করে পাড়ার মুচি পর্যন্ত পাঁড় ধান্দাবাজ। অনেক ছয় কে নয় করে দেওয়া যায়। চিটেগুড়ের দোকানদার হয় এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড গার্মেন্ট ফ্যাক্টরীর মালিক, ভূষিমালের আড়ৎদার হয় আইটি এক্সপার্ট। এই সিস্টেমে ইয়া বিশাল সব অট্টালিকা হয়, আলিশান দালান হয় সাথে সাথে মেট্রোপলিটন সিটির বীভৎসতাও চোখের সামনে চলে আসে। এই বৈপরীত্য দেখে কুখ্যাত দেং জিয়াও পিং এর ‘কালো বিড়াল’ তত্ত্বের কথা মনে পড়ে। তিনি বলতেন, ‘বিড়াল সাদা না কালো তা দেখার দরকার নেই, শিকার করতে পারলেই হলো।’ তারই ছোঁয়া আজ বাংলাদেশে দেখি। নানাবিধ বৈদেশিক বাপেদের বদান্যতায়, টাকার গন্ধে নিমেষের মাঝে বাংলাদেশ বিশেষত ঢাকা বনে গেছে সম্পদ বানাবার ওয়ান্ডারল্যান্ড। কুৎসিত, কদাকার সব চিত্র সামনে প্রায়শই চলে আসলেও কোন অসুবিধা হচ্ছেনা। (বিস্তারিত…)

বিবিধ প্যাঁচাল :: মুড়ির ঠোঙা অথবা দ্রোহের মন্ত্রণা

Posted: ডিসেম্বর 3, 2012 in দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: পাইচিংমং মারমা

(সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃএই লেখাটা খুবই বোরিং এবং লম্বা একটা লেখা। লেখাটা সুশীল, আঁতেল, সমালোচক এবং কচুক্ষেতের বুদ্ধিজীবীদের জন্য নয়। লেখাটা আপনার নিরুদ্বিগ্ন সুশীল বোধের জন্য এলার্জিজনক। গোটা লেখাটা বেশ লম্বাতবে যারা সত্যের মুখোমুখি হতে চান তারা বিষয়বস্তু ধরে ধরে পড়তে পারেন। নীচে ক্রমিক নং এবং বিষয় অনুযায়ী লেখাটা সাজানো আছে। যেকোন বিষয় ধরে আপনি আগাতে পারেন।)

.

১। সানি লেওনের তপ্ত কড়াই এবং ভাজা পোড়া তারুণ্য

Consumerism-1Sunny Leoneকে চিনতাম না। চেনার কথাও না। অনেকদিন ধরে ফেবু খুললে সাইডবারে স্বল্পবসনা এই রুপসীকে দেখি। গতকাল দেখলাম আমার ফ্রেন্ডলিস্টের ১৪ জন তাকে পছন্দ (Like) করে। তার মধ্যে কলেজ পড়ুয়া আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম, ২য় বর্ষের ছাত্রীও আছে। তারা কেন পছন্দ করে জানতে আমি এই রুপসির বিষয়ে তালাশ করলাম। Wikipedia-তেও ঢুঁ মারলাম। দেখে তো আমি থ!

যার এতো জনপ্রিয়তা সে আসলে একজন Porn Star,ভদ্রভাষায় সেলিব্রেটি, প্রচলিত ভাষায় সে একজন “বেশ্যা, রেন্ডিমাগী””। Wikipediaথেকে তার নিজস্ব ওয়েবসাইটে ঢুকে দেখি সেটা একটা পর্নো সাইট, যেখানে তার পর্নো ভিডিও আপলোড করা আছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

এ লেখার শুরুতে আমাকে যে বিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে তা হল কি লেখা উচিৎ আর কি লেখা উচিৎ নয়! কি বলা উচিৎ আর কি বলা উচিৎ নয়। কবিতার সেই পঙক্তির মতধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না, বলা যায় না কথা, রক্ত দিয়ে পেলাম শালার এ কোন স্বাধীনতা”। কলাপ্সিবল দরজায় তালা ঝুলিয়ে বন্ধ ঘরে আকাশ সংস্কৃতিতে ভাসছি আর ভাবছি বড্ড স্বাধীন। খাচ্ছি, ধাচ্ছি, ঘুমোচ্ছি, রমণী রমণে রাত পার করে এই যে মূক ও বধীর জীবনযাপন করছি, হয়তো এটাই সুস্থতা কিংবা হয়তো চরম অসুস্থতা।

ক্রসফায়ার...তবুও কোথায় কিসের যেন এক তাড়না অনুভবে এ লেখা লিখছি। এবার যে কথার অবতারণায় এত কথা বললাম সে প্রসঙ্গে আসি। ক্রসফায়ার, হত্যা, খুন, গুম, লুটপাট, চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণ, দুর্ঘটনা, প্রতারণা প্রভৃতি আইনশৃঙ্খলার স্বাভাবিক উন্নতিঅবনতির সূচক। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্রসফায়ার, হত্যা, খুন, গুম এখন যেন আমাদের সংস্কৃতির অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। আমরা এমন এক অভাগা জাতি যে, এই জাতীয় ক্রসফায়ার, হত্যা, খুন, গুমের ঘটনাকে আমরা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা রূপে দেখার অভ্যস্ততায় একসময় নিজেই হয়ত এর শিকারে পরিণত হচ্ছি। কেউ খুন, গুম করে খুন বা গুম হয়, আবার কেউ কিছু না করেও খুন, গুম হয়। অনেক সময় খুনি/গুমকারী লাভ করে সামাজিকরাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা। হত্যা মামলা না থাকলে জননেতা হওয়া যায় না। রাজনৈতিক কারণে হত্যা ও ক্ষমতায় থাকলে হত্যা মামলা প্রত্যাহার, ফাঁসির দণ্ড মওকুফ কিসের নির্দেশক? আমাদের বসবাস কি খুনে সংস্কৃতির মাঝে? এটা কি একটা জাতির জাতীয় মনোবৈকল্য?

রাজনৈতিক কারণে ক্রসফায়ার, হত্যা, গুমের ইতিহাস কি? শুরু,সমাপ্তি, কারণ ও এর সমাধান কি? যে কোন সচেতন মানুষকেই তা ভাবিয়ে তুলতে বাধ্য। (বিস্তারিত…)