Posts Tagged ‘ধর্ম’


বাংলাদেশ পরিস্থিতি নয়া উদারবাদী যুগে শাসনপ্রনালী ও কথকতা” নামের প্রকাশিতব্য সংকলনের প্রবন্ধ

লিখেছেন: বখতিয়ার আহমেদ

book-cover-1[সংকলকের ভূমিকা: আমাদের সমাজে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার নানান অভিঘাতকে নির্মোহ দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করে থাকেন বখতিয়ার আহমেদ। রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষক যে গরীব কৃষকশ্রমিকের টাকায় যে জ্ঞানচর্চা করেন; তা একটিবারের জন্যও ভুলে যান না। সমাজে ক্ষমতাশালী কোনো অংশের প্রতিনিধিত্ব করেন না তিনি। করেন না বলেই রাষ্ট্রআইনকানুননিও লিবারাল বাজারের আধিপত্যকে নৃবৈজ্ঞানিক অবস্থান থেকে নির্মোহ বিশ্লেষণ করতে পারেন তিনি।

বখতিয়ার আহমেদের কাছে প্রথমে লেখা চেয়েছিলাম এই সঙ্কলনের জন্য। পরে সময় বিবেচনায় নিয়ে এবং কাজের ব্যাপারে তার পারফেকশান আর ধীর গতির (দুটোই আমার কাছে ইতিবাচক। সেকারণেই তিনি যা বলেন/লেখেন তা জরুরি হয়ে ওঠে। হুটহাট বলেন না বলেই।) কথা মাথায় রেখে ফন্দি আঁটি কোনোভাবে একটি বক্তৃতা করিয়ে নেয়া যায় কিনা তাঁকে দিয়ে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

mongoldhoni-cover-1আপনাদের ছোটকাগজ ‘মঙ্গলধ্বনি’ পড়ছি। একবার পড়েছি। আরো পড়তে হবে, মানে সংগ্রহে রাখতে হবে। অনেক দরকারি কাজ হয়েছে। এ্ইভাবে কাজ তো তেমন হয় না। তাই প্রথমেই যারপরনাই প্রীতি জানায়। প্রাণপ্রকৃতিপ্রতিবেশের বিষয়সমূহ ভালোই আছে। এতে একধরনের মিশ্রণ হয়েছে। একেবারে রাজনীতির কাগজও নয়, কেবল নৈতিকতা আছে তাও নয়। আবার দেখা গেল, দুইতিনটা কবিতা বিনে সাহিত্যের আর কিছু নাই। ফলে এর শিল্পসংস্কৃতির চরিত্রটা নির্ণয় করা গেল না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহ্জাহান সরকার

সর্বহারার প্রতীক...ধর্ম ও রাষ্ট্রের মধ্যেকার সম্পর্ক নিয়ে আজকাল কিছু লেখা মানুষকে বিজ্ঞান মনস্ক ভাবনার দিকে যেমন উদ্বুদ্ধ করেছে। অপরদিকে মানব জাতির ইতিহাসকে ধর্মনিরপেক্ষতার নানা রকম কর্তৃত্ববাদের ফলাফল হিসেবে আলোচনা মধ্যে সীমাবদ্ধ করে নানা তথ্যউপাত্ত দ্বারা ধর্ম ও আধুনিক রাষ্ট্রের মধ্যেকার বিরোধ নিস্পত্তি করার ফরমায়েসি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ধর্ম সংক্রান্ত প্রকৃত বৈজ্ঞানিক ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত না করে এবং বিভিন্ন শ্রেণী রাষ্ট্রের উৎপত্তির সাথে ধর্ম ও সমাজ এবং রাষ্ট্র ও ধর্মের মধ্যেকার বিরোধগুলির ঐতিহাসিক মর্মার্থ ব্যাখ্যা না করে ধর্মনিরপেক্ষতার বাহ্যিক কতগুলি লক্ষণকে এ সংক্রান্ত গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু করে ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছার ইচ্ছা যেমন সস্তা তেমনি তা ইউটোপীয় বটে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আঞ্জুমান রোজী

কবি, প্রাবন্ধিক ভজন সরকারের “বিভক্তির সাতকাহন” গ্রন্থ এবং তার মুক্তচিন্তার আলোকে আমার এই আলোকপাত।

কালের স্রোতে ভেসে গেছে অনেক কিছু, আবার মহাকালের পাটাতনে রয়েও গেছে অনেক সত্য সুন্দরের প্রতিধ্বনি; তা স্বত্বেও বদলেছে অনেক কিছু। বদলেছে পৃথিবীর বিবর্তনের ইতিহাস। শুধু বদলায়নি ধর্মীয় অনুশাসনের অনুভূতি। বর্বর যুগে ধর্ম এসেছিল মানুষকে শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনযাপনে অভ্যস্ত করে অসভ্য মানুষকে সভ্য করার তাগিদে। মানুষের মনে ধর্মীয় বিশ্বাস আর ধর্মের নামে অলৌকিক ভয় ঢুকিয়ে দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করা হয়েছিল জীবনের পরিমিতি বোধ, যা থেকে মানুষ পেতে পারে নিরবচ্ছিন্ন সুখ আর অসীম আত্মার পরিতৃপ্তি। বর্তমান যুগে শিক্ষা মানুষকে সভ্যতার চরম শিখরে পৌঁছে দিয়েছে, যেখানে শুধু মানবতারই ঝাণ্ডা উড়ে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: দেবাশীষ ধর

আমার প্রার্থনার স্থান পুড়লো

পবিত্র দেয়াল হতে ঝলসানো

ঘাম কান্না গড়গড়িয়ে ঝরছে

দাহের ভস্ম বিধ্বস্থ চেহারায়

বহুদিনকার সাংসারিক অর্জনগুলো

.

আমি যে জন্মেই হয়েছি জাতপাপী। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রীতম অংকুশ

আমি নাকি অবিশ্বাসী!

বিশ্বাসীরা হরহামেশাই বলে আমি অবিশ্বাসী।

আমি ক্ষিপ্ত হই না।

কেনো হবো? আমি তো জানি আমি বিশ্বাসী।

তোমরা বলো আমি ঈশ্বরকে মানি না।

তোমরা বলো আমি ধর্মকে পূজি না।

তোমরা বলো আমি অবিশ্বাসী।

আমি বলি, তোমরা মিথ্যা বলো না।

বরং তোমাদের ছোঁড়া প্রতিটি তূণই সূক্ষ্ম সত্য!

আমি বলি, আমি স্বৈরাচারী ঈশ্বর পূজি না।

আমি সেই ঈশ্বর কে নম: জানাই না

যিনি সমস্ত ভালো কিছুর দাবিদার ……..

যদিও তিনি স্রষ্টা সমস্ত অমানবিকতার। (বিস্তারিত…)


নব্বইয়ের কবিতার চিত্রকল্প

মাতিয়ার রাফায়েলের ‘অমর, মর…’ এবং আমার নিজস্ব বিশ্লেষণ

লিখেছেন: আহমদ জসিম

জেনগল্প হৈতে প্রবাহিত

বহুদিন আগে একবার তাহার ছেলেসন্তান কী মরুভূতে নরবাণিজ্য

উদ্দেশে গিয়ো ফিরিয়া আসে নাই আর। তাহার কথাই মনে টানিয়া

বারঙবার গ্রামবৃদ্ধাটি কী গানসহিত মিতদীর্ঘশ্বাস প্রবাহে যায়

সেদিনও লামা পাহাড়ের পাদদেশের বাঁশঝাড়মধ্য হৈয়া রামদা হাতে আঁকিয়া বাঁকিয়া সরিতেছিলেন টীলাবাসিনী পোঁদশ্রেণীস্থা সেই গ্রাম বৃদ্ধাটি।

ছেলেটির জন্ম প্রাক্কালে যেতুরীয়সঙ্গম জঙ্গমতায় ধ্বনিত হৈত কণ্ঠ হৈতে তাহার, ওঁ, এই ওঙ্কার বিশেষ, তামাদি হৈয়া যাওয়া কোন অন্দর যেভগ স্ফূর্তিতে ছিল বান্, সেই পুরুষ শায়ক,

তাহার ভগবানপুরুষ, মরিয়া হাজিয়া পগার পার সেই কবে, সেই বাঙলা তেরশ’ কত যেন বন্যার পূর্বে

গ্রামবৃদ্ধার স্মৃতি প্রবাহে তাহেই কী দীর্ঘশ্বাসে মৃদু মৃদু ধাক্কা খাইতে খাইতে আবার সরিয়া সরিয়া পড়িয়া যায়।

তখনই মাত্র লুটিয়া প’ড়ে স্মৃতিতে আবার কী যে মিহি টানে সেই ওঁ, ওঙ্কার ধ্বনিপর : ‘ওঁমর, মর’

তাহারই ধারাবাহিকতায় এক বর্ষাদিবস চোখে চষিয়া গেল চকিতে আমার, এক পঞ্চাশীতিপরায়ণা প্রায় ধনুকায় ধনুকায় গ্রামবৃদ্ধাবাছিয়া বাছিয়া কচু কাটিতেছে।

আর ধ্বনিত হৈতেছে কণ্ঠ হৈতে, তাহারই যেন কোন অর্ধস্বর ভাঙিয়া, ‘ওঁকচু। অঁমর, ওঁমর’

আচম্বিতে কী জাদুগ্রস্তের মতো তদীয় পার্শ্বস্থিত হৈয়া কৈলাম : কী হে গ’ পোঁদে, কী শোধে কাহাকে তুমি ওমন অভিসম্পাৎ করিতেছ, ওঁকচু, অঁমর, ওঁমর

পোঁদবৃদ্ধাটি যারপরনাই লজ্জাপর কৈল, বিদেশী বাবু, মুই ত কেউরে কোন শোধে এইসা অভিসম্পাৎ করিচ্চি না!

ছেলে আমার অমর, বহুদিন আগে নরবাণিজ্যে গিয়া ধর্মান্তরিত হৈয়া গিয়া ফিরিয়া আসে নাই আর এ মাতৃকোলে কোনদিন!

কী নতুন নাম না কি হৈয়াছিল তাহার, অমর হৈতে ওমর, বাবুজি গা’, মুই ত তাহাই ধৈরা ডাকিচ্চি,

অঁমর, ওঁমর’

  (বিস্তারিত…)