Posts Tagged ‘ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ’


লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a6%bfমোদিজী নিজেকে দলিতদের সবচেয়ে বড় বন্ধু বলে দাবী করছেন। শুধু তাই নয় মোদিজী ও তার দল বিজেপি থেকে সংঘ পরিবার দিকে দিকে আম্বেদকারের স্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। যদিও ভারতীয় সংবিধান তৈরির শুরুর সময় থেকে সংঘ পরিবার এই সংবিধানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল। তাদের অভিমত ছিল যে, এই সংবিধান মনুস্মৃতিকে মর্যাদা দেয়নি। যা হোক, ন ক্ষমতায় আসার পর তাদের সেই সংবিধান মেনেই দেশ চালাতে হবে। অগত্যা আম্বেদকার নিয়ে আজ তারা মুখে অন্তত তাদের অবস্থানে ইউটার্ন করেছে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: হারুন উর রশীদ

%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%a6গতকাল (বৃহস্পতিবার) আমি আমার ফেসবুকএ একটি পোস্ট দেই। ছবিসহ সেই পোস্টটি হলো আমার মা রাজেশ্বরী….. আজ তার স্কুলে পার্টি!

এই পোস্টটিতে তৃতীয় যে কমেন্টটি আসে তা হলো আপনার মেয়ের নাম হিন্দু কেন?

আমি জবাবে বলি, রাজেশ্বরী তো বাংলা নাম। নামের আবার হিন্দু কী?

জবাবে তিনি বলেন, আমি এই প্রথম শুনলাম কোন মুসলামান শিশুর এই ধরণের নাম থাকে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: নীলিম বোস

gajendra-chauhan-1শুরুটা আজ হয় নি, খুব ধীরে ধীরেই শুরু হয়েছিল এবং এগিয়েছে খুব পরিকল্পনামাফিক। পুনেতে ফিল্ম আন্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউট অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান পদে গজেন্দ্র চৌহানের মতো এক চতুর্থ শ্রেণীর অভিনেতা তথা সংঘ পরিবারের অনুগত একজনকে বসানো আসলে বৃত্ত সম্পূর্ণ করার চেষ্টা মাত্র। রূপোলী পর্দার হিন্দুত্বকরণের চেষ্টা। এটি আসলে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ কায়েম করার চেষ্টা, যার উদ্দ্যোগ শুরু হয়েছিল গত শতকের নয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকেই। যদিও তার আগেও হিন্দি সিনেমায় হিন্দুত্ববাদের সুড়সুড়ি ছিলই। ছিল দেশাত্মবোধক ফিল্মগুলির মধ্যে দিয়ে। কিন্তু বাবরি মসজিদ ধ্বংস ও সংঘ পরিবারের রাজনৈতিক ফ্রন্ট বিজেপি সর্বভারতীয় রাজনীতিতে প্রভাব বাড়াতে শুরু করার পর থেকেই সর্বগ্রাসী চরিত্র নিয়ে হিন্দি সিনেমায় হিন্দুত্ববাদের পরিকল্পনামাফিক যাত্রা শুরু মোটামুটি ১৯৯৪৯৫ সাল থেকে। তখনো তা ছিল বিষবৃক্ষের চারা, আজ যা বোটানিক্যাল গার্ডেনের বিখ্যাত বটগাছের মতোই বৃহৎ হয়ে উঠেছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অশোক চট্টোপাধ্যায়

Modi_Hitlerএকবিংশ শতাব্দীর একটা দশক অতিক্রান্তির উত্তরপর্বে দাঁড়িয়েও বিগত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকটিকে বিস্মৃত হওয়া সম্ভব নয়। নব্বইয়ের দশকটি আমাদের দেশে উগ্র ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের নগ্ন প্রকাশের দশক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে পাঞ্জাবের নবগঠিত হিন্দুসভা পরবর্তী আট বছরের মাথায় ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে সারা ভারত হিন্দুমহাসভা নামে আত্মপ্রকাশ করেছিল। এই ঘটনার ঠিক দশ বছরের মাথায় ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় জঙ্গি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ বা আরএসএস। ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্বহিন্দু পরিষদ। এখন আর জনসঙ্ঘ নেই, সেখানে হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি। সঙ্ঘপরিবারের মূল নিয়ন্তা শক্তি হলো আরএসএস। এর সহযোগী হিসেবে শিবসেনা সহ অন্যেরা তো আছেই। (বিস্তারিত…)


gonomancha-logo-1

০৬ মে ২০১৩

মার্কিনভারতের মদদে ‘ক্ষমতা’ নিয়ে শাসক শ্রেণীর রক্তাক্ত সংঘর্ষ থেকে দেশজাতিজনগণকে রক্ষায় রাষ্ট্রীয় এবং ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জাতি ও জনগণ এক হোন, রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন!

হেফাজতে ইসলামের ঢাকা অবরোধকে কেন্দ্র করে ঢাকাসহ সারাদেশে সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জনগণ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। একদিকে হেফাজতে ইসলাম ও বিএনপিজামাত অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় পুলিশ বাহিনী এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের দলীয় নেতাকর্মীদের মুখোমুখি সংঘাতসংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। এ সংঘাতে প্রায় ২০ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন সহস্রাধিক। নিঃস্ব হয়েছেন হাজারো ক্ষুদে ব্যবসায়ী। ঢাকা শহরে সব ধরনের সভাসমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দল ও দোকানপাটে হামলা হয়েছে। অবরুদ্ধ ঢাকায় জনসাধারণের জীবন ও জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন:আবিদুল ইসলাম

ধর্মভিত্তিক রাজনীতির স্বরূপ

বাংলাদেশের ইসলাম ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো থেকে দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ডাক দেয়া হয় মাঝে মধ্যেই। হেফাজতে ইসলাম নিজেদের অরাজনৈতিক দল হিসেবে দাবি করলেও তাদের কর্মসূচির রাজনৈতিক চরিত্রও চোখে পড়ার মতো। শতকরা ৯৫ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে আজ “ইসলাম বিপন্ন” এমন শ্লোগান হেফাজতে ইসলামের লোকজনের পক্ষ থেকে উত্থিত হচ্ছে, যদিও এই ভূখণ্ডে এ আওয়াজ নতুন কিছু নয়। পাকিস্তান আমল থেকেই জনগণের যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনসংগ্রামের সময় শাসক গোষ্ঠীর পক্ষ হতে এ আওয়াজ তোলা হতো। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন সহ অধিকাংশ সময়েই গণতান্ত্রিক দাবিদাওয়া আদায়ের সংগ্রামে জনগণ সংগঠিত হলেই পাকিস্তানি শাসকদের পক্ষ হতে ‘ইসলাম গেল’ চিৎকার ওঠানো হতো। (বিস্তারিত…)