Posts Tagged ‘দ্বান্দ্বিকতা’


লিখেছেন: সুদীপ্ত অর্ক দাস

world-to-win২০ শতকের দুই দুইটি সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বযুদ্ধ, ফ্যাসিবাদের উত্থান, মহামন্দা, স্নায়ুযুদ্ধ আমাদের চোখে আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দিয়েছে পুঁজিবাদ আর তার প্রগতিশীলতার ধারায় নেই। আর এই ২১ শতকে এসে আমরা দেখি তা বিশ্বজুড়ে সমাজের অগ্রযাত্রার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২য় সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রবৃদ্ধির দিন শেষ হয়েছে বহু আগেই, সিলিকন ভ্যালি আর ওয়ালস্ট্রিট এর উন্মাদনার হালেও আর পানি নেই। (বিস্তারিত…)

Advertisements

mongoldhoni-cover-1আপনাদের ছোটকাগজ ‘মঙ্গলধ্বনি’ পড়ছি। একবার পড়েছি। আরো পড়তে হবে, মানে সংগ্রহে রাখতে হবে। অনেক দরকারি কাজ হয়েছে। এ্ইভাবে কাজ তো তেমন হয় না। তাই প্রথমেই যারপরনাই প্রীতি জানায়। প্রাণপ্রকৃতিপ্রতিবেশের বিষয়সমূহ ভালোই আছে। এতে একধরনের মিশ্রণ হয়েছে। একেবারে রাজনীতির কাগজও নয়, কেবল নৈতিকতা আছে তাও নয়। আবার দেখা গেল, দুইতিনটা কবিতা বিনে সাহিত্যের আর কিছু নাই। ফলে এর শিল্পসংস্কৃতির চরিত্রটা নির্ণয় করা গেল না। (বিস্তারিত…)

প্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনির ৩য় সংখ্যা…

Posted: নভেম্বর 3, 2013 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 Mongoldhoni-logo-1

মেষ শাবককে খাবার জন্যে নেকড়ের কোনো যুক্তির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু চিঁ চিঁ ধ্বনির প্রতিবাদ নেকড়েকে প্রতিহত করতে পারে না। নেকড়েকে রুখতে হলে আকাশ বির্দীণ করা চিৎকার করতে হবে। তেমন চিৎকার একক কন্ঠে সম্ভব নয় সম্মিলিত কন্ঠে প্রবল শক্তির নির্ঘোষে হতে হবে। সেই শক্তির আবাহনের কর্তব্যবোধে ‘মঙ্গলধ্বনি’র সকল আয়োজন। জগতে একা একা কিছুই হয় না একটা কুটোও নড়ানো যায় না। তবু একা চলার সাহস দেখাতেই হবে। যে প্রথম সামনে এগোয় সে অন্যকে উৎসাহিত করে, অনুপ্রাণিত করে। একা ব্যক্তির এই ভূমিকা প্রশংসার, শ্রদ্ধার। ‘মঙ্গলধ্বনি’ প্রশংসা ও শ্রদ্ধার চেয়ে অধিক প্রত্যাশা করে সহযোগিতা ও সহমর্মিতা। আর একত্রিত হয়ে আকাশ বিদীর্ণ করা চিৎকার দেবার শক্তি হয়ে ওঠার। সে শক্তি নেকড়েদের কেবল রুখবেই না চিরতরে মানব সমাজ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে। নেকড়ে ও মানুষ এক সমাজে বাস করতে পারে না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

শোষণে খয়েরী রঙা শরীরগুলো আর

পেছনে ফিরে তাকায় না, দীর্ঘশ্বাসগুলো

তাদের ভারী হতে থাকে, বিনা অশ্রুপাতে।

মানুষগুলোর অশ্রু শুকিয়ে গেছে, যেমন শুকিয়েছে

মায়ের স্তন, বঞ্চিত শিশুগুলো তাদের মায়ের

স্তনের উষ্ণতায় বড় হতে পারেনা, পেলে নিশ্চয়ই

আমাদের মুখে পেচ্ছাব করে দিতে পারতো, দ্ব্যর্থহীনভাবে,

সেই স্বাধীনতাটুকুও শিশুগুলো পায়নি, পাবে কিনা জানেনা।

যাদের ঘরের টিনের চালের ফাঁকে আজও বৃষ্টির পানি ঝরে

চাঁদের আলো তাদের কাছে আজও সৌন্দর্য্য বহন করেনা,

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চেপে থাকা মানুষগুলোর ঘৃণা

উদগীরণ হবার অপেক্ষায়, কেবল একজন পথ দেখাক। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

১৪০ টি বসন্ত চলে গেছে, চলে গেছে

হাড়কাঁপানো ১৪০টি শীত, ১৪০টি গ্রীষ্ম

এসেছে তার সর্বোচ্চ উত্তপ্ততা নিয়ে, সাড়ম্বরে,

কিন্তু আজও সেই আঠারোটি দিন স্মৃতিতে উজ্জ্বল,

সেই আঠারোটি দিন মুক্তির গান শোনায়, আজও।

প্যারি কমিউন...তারা জেনেছিলো অস্ত্রই তাদের দেবে মুক্তির পথ

তাদের আরাধ্য স্বপ্নগুলো এবার বুঝি ডানা মেলবে,

তারা বিশ্বাস করেনি ওঝার ছদ্মবেশে থাকা শ্বাপদদের

আঠারোটি দিন তারা মুক্ত ছিলো, ছিলো অপ্রতিরোধ্য।

বন্দুকগুলো প্রতিরোধের পালাবদল মূর্ত করেছিলো,

কামানগুলো তাদের স্বাধীনতাকে আলিঙ্গন করেছিলো,

সেই আঠারোটি দিন মুক্তির ছিলো, ছিলো আলোর। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মাহবুব হাসান

কমিউনিস্ট ফ্যানিফেস্টু লেখার সময়কালে কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিক এঙ্গেলস

কমিউনিস্ট ফ্যানিফেস্টু লেখার সময়কালে কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিক এঙ্গেলস

আজ ১৬৪ বছর একদিন পর আবারো কার্ল মার্কস ও ফেড্রিক এঙ্গেলস’র লেখা মানবমুক্তির শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য `কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’কে নিয়ে দু’একটা কথাই পাঠক আপনার সাথে ভাগ করে নিব। জগৎএর সকল মেহনতি, শ্রমজীবি, মজদুরের লাঞ্ছনারবঞ্চনার, আধিপত্যের কড়ালগ্রাসে দাসত্বের অমানবিক শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকার এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সভ্যতা গড়ে উঠার সাথে সাথে সুবিধাভোগীরা শ্রেণী হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জমিফসলের মালিকানা থেকে শুরু করে সকল গোষ্ঠীয় আইনকানুন, অর্থনৈতিক কাঠামো, এমন কি নিজেদের ইচ্ছে মতন তারা একটি জীবনমানও তৈরী করেছে। যার প্রতিটি ক্রিয়াই নিম্নশ্রেণীর ওপর এক কসাঘাত। যারাই যখন সমস্ত ক্ষমতা কাঠামোটি নিয়ন্ত্রণ করেছে, তারাই কৃত্রিমভাবে এক ধরণের সামাজিক শিক্ষাব্যবস্থাকে সুকঠিনভাবে নিয়ন্ত্রণ করার মধ্য দিয়ে সমাজের মধ্যে শ্রেণী বৈষম্যকে একটি স্থায়ীরূপ দিয়ে কতগুলো সুবিধা অনুযায়ী মূল্যবোধ তৈরী করে সামগ্রিক জনগণকে নিষ্পেষিত করেছে। আর এই মানব সভ্যতায় এক আশ্চার্যজনক ঘটনা হলোযারাই সমাজ বা গোটা পৃথিবী ব্যবস্থা নিয়ে ভেবেছেন বা চিন্তার ইতিহাসকে বিভিন্নভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তাদের কারোর ভাবনা জগতেই এ ব্যপারটা কাজ করেনি যে আসলে এ মহাবিশ্বের মূল কার্যকারণটি কি? কিসের ভিত্তিতে তা অগ্রসরমান বা স্থির?

এক দ্বান্ধিক অবস্থার মধ্য দিয়ে সকল কিছুই নতুন এক উৎপাদনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়। এ ছিলো নব এক আবিষ্কার। যা মানব জাতির চিন্তার ইতিহাসকে এক অনন্য ‘কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’ মহাকাব্যের উপহার দিয়েছিলো। মার্কসএঙ্গেলস’র আবিষ্কারটি কি? পুঁজিবাদী উৎপাদনপদ্ধতির এবং এই পদ্ধতি যে বুর্জোয়া সমাজ সৃষ্টি করেছে, তার গতি প্রকৃতির বিশেষ নিয়মগুলো তারা অর্ন্তদৃষ্টি সম্পন্ন এক যৌক্তিক পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে সকলের সামনে উপস্থিত করেছেন। পুরোনো যুক্তি কাঠামোর প্রক্রিয়া ও প্রবনতাগুলোকে সুনিপুন ও ঐতিহাসিকভাবে লব্ধ জ্ঞানকে খারিজ না করে তার থেকে বিভিন্ন প্রযোজনীয় উপাত্ত নিয়ে এক নতুন শক্তিশালী ও প্রখর যুক্তি কাঠামো উপস্থাপন করেছেন। যা বৈজ্ঞাণিকভাবেও সিদ্ধ। কমিউনিস্ট ইশতেহার পাঠ করার সময় আমাদের একটা কথা খুব ভালভাবে মনে রাখতে হবে যে মার্কস নিজেই একজন বিপ্লবী ছিলেন। তিনি তাঁর সমস্ত চিন্তা কাঠামোটিকে কাজে লাগিয়ে ছিলেন পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থাটির চূড়ান্ত উচ্ছেদ করা। এবং সে সংগ্রামে সমস্ত জীবন তিনি ব্যয় করেছেন তাঁর সকল কাজে ও রচনাবলীতে। ইশতেহারের শিক্ষার আরো একটি প্রধান দিক হলোসমগ্র প্রলেতারিয়েতের স্বার্থ থেকে বিচ্ছিন্ন স্বতন্ত্র কোন স্বার্থ নেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

মনে রেখো সেই বন্ধুরা আমার

যারা বিদ্রোহকে আজও ভালোবাসো,

আশাহীনতার মাঝে আশার অন্বেষন করো

তোমাদের আশা যাদের ভীতি, তোমাদের স্বপ্ন

যাদের কাছে জুজুর ভয়, সীমাহীন আতংক

তারা বিনা রক্তপাতে তোমার মৃত্যু দেখতে চায়।

তারা’ আমাদের নিকটেই বাস করে,

তারা’ আমাদের পাশেই নিশ্বাস নেয়,

তারা’ আমাদের বন্ধু নয়, হতে পারেনা।

আমাদের তারা থাকতে দেবেনা, নিশ্চিত থাকো

আমাদের হাসিকে তারা ভয় পাবে, উজ্জ্বল চোখ দুটি

তারা ঘোলাটে করে দিতে চাইবে, চাইবে যেন এক সময়

চোখ দুটি দিয়ে তুমি জগৎকে না দেখো, নিজেদের না জানো। (বিস্তারিত…)


(সভাপতি মাও সেতুঙ, অনুশীলন সম্পর্কে, দ্বন্দ্ব সম্পর্কে, অনুবাদ:সেরাজুল আনোয়ার)

সভাপতি মাওয়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে তার প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা

বিপরীতগুলোর সংগ্রামের প্রশ্নের অন্তর্ভূক্ত রয়েছে বৈরিতা কী সেই প্রশ্নটিও। আমদের উত্তর হল এই যে, বৈরিতা হল বিপরীতগুলোর সংগ্রামের অন্যতম এক রূপ, কিন্তু একমাত্র রূপ নয়।

মানবজাতির ইতিহাসে, শ্রেণীসমূহের মধ্যেকার বৈরিতা বিপরীতের সংগ্রামের এক সুনির্দিষ্ট অভিব্যক্তি হিসেবে বিদ্যমান থাকে। শোষিত ও শোষক শ্রেণীর মধ্যেকার দ্বন্দ্বের কথাই বিবেচনা করুন। এরূপ দ্বন্দ্বরত শ্রেণীগুলো দীর্ঘসময় একই সমাজে সহাবস্থান করে, তা সে সমাজ দাসতান্ত্রিক সমাজ, সামন্ততান্ত্রিক সমাজ বা ধনতান্ত্রিক সমাজ যাই হোকনাকেন, এবং এরা পরস্পরের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে; কিন্তু শ্রেণী দু’টির মধ্যেকার দ্বন্দ্ব একটি নির্দিষ্ট স্তরে বিকাশ লাভ করার পরই কেবল প্রকাশ্য বৈরিতার রূপ পরিগ্রহ করে এবং বিপ্লবে পরিণতি লাভ করে। শ্রেণীবিভক্ত সমাজে শান্তি থেকে যুদ্ধে রূপান্তরের ক্ষেত্রেও একই কথা সত্য। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

আগের নোটটিতে (দ্বান্দ্বিক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদ প্রসঙ্গে মার্কসীয় ব্যাখ্যা এবং বাংলাদেশের বাম রাজনীতি)হেগেল এবং ফয়েরবাখের ভাববাদী দর্শন এবং দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। সেই দর্শন থেকে কিভাবে মার্কসের বস্তুবাদ এবং দ্বন্দ্বাত্মক বস্তুবাদের বিকাশ সেটাও আলোচিত হয়েছিল। বিশ্ব পরিস্থিতি বদলে যাবার পর বিশেষ করে রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লবের পর মার্কসের দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদেরও গুণগত পরিবর্তন এসেছে। নতুন বিশ্ব পরিস্থিতিতে দ্বন্দ্বের বিকাশ এবং দ্বন্দ্বের বিভিন্ন দিক উন্মোচিত হয়েছে। আরো পরে চীনের বিপ্লব সম্পন্ন হলে বিশ্ব পুঁজিবাদ, সর্বহারা শ্রেণী, সর্বহারা শ্রেণীর শত্রুমিত্র, কৃষি সমস্যা, সাম্রাজ্যবাদের হুমকি ইত্যাদি বিষয়গুলি সামনে চলে আসায় দ্বন্দ্বের বিভিন্ন দিক নতুন করে ভাবতে হয়েছে। নতুন সারসংকলন করতে হয়েছে এবং সেটি করেছেন মাও সেতুং। চীন বিপ্লবের সময়ই মাও দ্বন্দ্বের নিয়মকে দ্বন্দ্ববাদের মূল নিয়ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। ইতিপূর্বে তিনটি, চারটি বা পাঁচটি নিয়মকে দ্বন্দ্বের মূল নিয়ম বলে চিহ্নিত করা হতো। তিনিই প্রথম উল্লেখ করেন দুয়ে মিলে একএকটি সমন্বয়বাদী ধারা। এই দার্শনিক ব্যাখ্যাকে তিনি খণ্ডন করেন এক দুয়ে বিভক্ত হয়এই তত্ত্ব দিয়ে। এর সাথে যুক্তভাবে সংশ্লেষণসম্পর্কিত ধারণাকেও তিনি বিকশিত করেন। তিনি দ্বন্দ্বে নতুন ব্যাখ্যা দেন– ‘দ্বন্দ্বে সার্বজনীনতা ও বিশিষ্টতা, প্রধান দ্বন্দ্ব, দ্বন্দ্বে বৈরিতা ও অভেদ। মার্কসীয় জ্ঞানতত্ত্বকে তিনি সমৃদ্ধ করেনসকল জ্ঞানের মূল উৎস হিসেবে অনুশীলনকে প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে; একই সাথে বস্তু ও চেতনার দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা করেন জ্ঞানের দ্বন্দ্ববাদ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এর কোনোটিই একাডেমিক বা পণ্ডিতি আলোচনা ছিল না। বরং বাস্তব বিপ্লবী সংগ্রাম ও শ্রেণী সংগ্রামের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ও তাকে সেবা করার জন্যই তিনি এগুলো আবিষ্কার করেন, যা বিপ্লবী অনুশীলনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মনজুরুল হক

মৃত্যুপ্রান্তরে জীবনের নিস্ফল দাপাদাপি এবং জীবিতদের বেঁচে থাকার উদগ্র বাসনা!” (লিঙ্ক: মৃত্যুপ্রান্তরে জীবনের নিস্ফল দাপাদাপি এবং জীবিতদের বেঁচে থাকার উদগ্রবাসনা!) নামে আমার একটি পোস্টে দেশের চলমান রাজনীতি, এলিট ফোর্স র‍্যাবকে দিয়ে প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মীদের বেছে বেছে হত্যা করা, তথাকথিত বাম নামধারী দলগুলোর নিষ্ক্রিয়তা তুলে ধরা হয়েছিল। ফেসবুকে ওই পোস্টে অনেকেই মন্তব্য আকারে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরেছিলেন। তার ভেতর থেকে দুটি মন্তব্য নিয়ে বিশদে আলোচনা করাই এই পোস্টের উদ্দেশ্য(বিস্তারিত…)