Posts Tagged ‘দ্বন্দ্ব’


লিখেছেন: সৌম্য মণ্ডল

mittha-1জাস্ট একটা ন্যানো মিথ্যা, “অশ্বত্থামা হত, ইতি গজ”, তাতেই নাকি যুধিষ্ঠিরকে একবার নরকে ঢুঁ মেরে যেতে হয়েছিল। তাহলে হে পাঠক, আপনি তো অবধারিতভাবেই ভাজা ভাজা হতে চলেছেন!

নরকের ফুটন্ত কড়াই আর এক বিরাট কাঁটা চামচ হাতে সিং এবং লেজওয়ালা লোকটি আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। শুধু কি আপনি? দুনিয়া শুদ্ধু লোক নরকে ঢুকতে চলেছে। বিছানায় হিসু করে বাবা বা দাদার ঘাড়ে দোষ চাপানো লজ্জিত শিশু হোক; হল কালেকশান করে নিতান্ত পাস; বা হাতেগোনা কযেকটি প্রশ্ন মুখস্ত করে ফাস্ট ক্লাস বাগানো স্বঘোষিত সবজান্তা হোক; তেলচিটে প্রেমিক বা ঘ্যানঘ্যানে প্রেমিকাকে এড়াতে অহেতুক busy busy হাব ভাব করনেওয়ালারা হোক; ব্রিগেড বা মহামিছিলে লোক সংখ্যা বাড়িয়ে বলা নেতা হোক; বন্যারেল দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা কমিয়ে বলা সরকারি আমলা হোক; যাবতীয় ধরনের মিথ্যাবাদীগণ; বলা ভালো সমস্ত জনগণ নরকে ভাজা ভাজা হবে অবধারিত। যদি না নরক ব্যাপারটা বাস্তবিকই মিথ্যা না হয়ে থাকে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: সুদীপ্ত অর্ক দাস

world-to-win২০ শতকের দুই দুইটি সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বযুদ্ধ, ফ্যাসিবাদের উত্থান, মহামন্দা, স্নায়ুযুদ্ধ আমাদের চোখে আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দিয়েছে পুঁজিবাদ আর তার প্রগতিশীলতার ধারায় নেই। আর এই ২১ শতকে এসে আমরা দেখি তা বিশ্বজুড়ে সমাজের অগ্রযাত্রার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২য় সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রবৃদ্ধির দিন শেষ হয়েছে বহু আগেই, সিলিকন ভ্যালি আর ওয়ালস্ট্রিট এর উন্মাদনার হালেও আর পানি নেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহ্জাহান সরকার

window-6নদী নয়

নীলাকাশ নেমেছে সমূদ্রে

চাঁদ নয়

সূর্যের আগুন জেগেছে

দুর সৈকতে (বিস্তারিত…)


mongoldhoni-cover-1আপনাদের ছোটকাগজ ‘মঙ্গলধ্বনি’ পড়ছি। একবার পড়েছি। আরো পড়তে হবে, মানে সংগ্রহে রাখতে হবে। অনেক দরকারি কাজ হয়েছে। এ্ইভাবে কাজ তো তেমন হয় না। তাই প্রথমেই যারপরনাই প্রীতি জানায়। প্রাণপ্রকৃতিপ্রতিবেশের বিষয়সমূহ ভালোই আছে। এতে একধরনের মিশ্রণ হয়েছে। একেবারে রাজনীতির কাগজও নয়, কেবল নৈতিকতা আছে তাও নয়। আবার দেখা গেল, দুইতিনটা কবিতা বিনে সাহিত্যের আর কিছু নাই। ফলে এর শিল্পসংস্কৃতির চরিত্রটা নির্ণয় করা গেল না। (বিস্তারিত…)

প্রকাশিত হলো মঙ্গলধ্বনির ৩য় সংখ্যা…

Posted: নভেম্বর 3, 2013 in অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক, দেশ, প্রকৃতি-পরিবেশ, মতাদর্শ, মন্তব্য প্রতিবেদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

 Mongoldhoni-logo-1

মেষ শাবককে খাবার জন্যে নেকড়ের কোনো যুক্তির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু চিঁ চিঁ ধ্বনির প্রতিবাদ নেকড়েকে প্রতিহত করতে পারে না। নেকড়েকে রুখতে হলে আকাশ বির্দীণ করা চিৎকার করতে হবে। তেমন চিৎকার একক কন্ঠে সম্ভব নয় সম্মিলিত কন্ঠে প্রবল শক্তির নির্ঘোষে হতে হবে। সেই শক্তির আবাহনের কর্তব্যবোধে ‘মঙ্গলধ্বনি’র সকল আয়োজন। জগতে একা একা কিছুই হয় না একটা কুটোও নড়ানো যায় না। তবু একা চলার সাহস দেখাতেই হবে। যে প্রথম সামনে এগোয় সে অন্যকে উৎসাহিত করে, অনুপ্রাণিত করে। একা ব্যক্তির এই ভূমিকা প্রশংসার, শ্রদ্ধার। ‘মঙ্গলধ্বনি’ প্রশংসা ও শ্রদ্ধার চেয়ে অধিক প্রত্যাশা করে সহযোগিতা ও সহমর্মিতা। আর একত্রিত হয়ে আকাশ বিদীর্ণ করা চিৎকার দেবার শক্তি হয়ে ওঠার। সে শক্তি নেকড়েদের কেবল রুখবেই না চিরতরে মানব সমাজ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে। নেকড়ে ও মানুষ এক সমাজে বাস করতে পারে না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: রাশেদুল হক

বিদ্রোহনুন নেই তেল নেই তাতে কি

মালিকের গুলা ভরা পাতে ঘি

সব কিছু সয়ে যাও নীরবে

মালিক করলে দয়া, বাঁচা মরা

তবু মালিকের সাথে মিছে লড়া ?

পরিণামে ভেবেছ তা কি হবে !

শ্রমিকের বেশি বাড় ভালো নয়

মালিক সে মহাজন কর ভয়

দুবেলা দুমুঠু যদি পেতে চাও

মালিকের আছে টাকা জানো বেশ

তোমার পকেট ফাঁকা সবই শেষ

মন দিয়ে কাজ শুধু করে যাও

মালিকের মন যদি কর জয়

খেয়ে পরে বাচবে তা নিশ্চয়

বিদ্রোহী হইয়োনাক ভুলে (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মাহবুব হাসান

কমিউনিস্ট ফ্যানিফেস্টু লেখার সময়কালে কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিক এঙ্গেলস

কমিউনিস্ট ফ্যানিফেস্টু লেখার সময়কালে কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিক এঙ্গেলস

আজ ১৬৪ বছর একদিন পর আবারো কার্ল মার্কস ও ফেড্রিক এঙ্গেলস’র লেখা মানবমুক্তির শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য `কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’কে নিয়ে দু’একটা কথাই পাঠক আপনার সাথে ভাগ করে নিব। জগৎএর সকল মেহনতি, শ্রমজীবি, মজদুরের লাঞ্ছনারবঞ্চনার, আধিপত্যের কড়ালগ্রাসে দাসত্বের অমানবিক শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকার এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সভ্যতা গড়ে উঠার সাথে সাথে সুবিধাভোগীরা শ্রেণী হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জমিফসলের মালিকানা থেকে শুরু করে সকল গোষ্ঠীয় আইনকানুন, অর্থনৈতিক কাঠামো, এমন কি নিজেদের ইচ্ছে মতন তারা একটি জীবনমানও তৈরী করেছে। যার প্রতিটি ক্রিয়াই নিম্নশ্রেণীর ওপর এক কসাঘাত। যারাই যখন সমস্ত ক্ষমতা কাঠামোটি নিয়ন্ত্রণ করেছে, তারাই কৃত্রিমভাবে এক ধরণের সামাজিক শিক্ষাব্যবস্থাকে সুকঠিনভাবে নিয়ন্ত্রণ করার মধ্য দিয়ে সমাজের মধ্যে শ্রেণী বৈষম্যকে একটি স্থায়ীরূপ দিয়ে কতগুলো সুবিধা অনুযায়ী মূল্যবোধ তৈরী করে সামগ্রিক জনগণকে নিষ্পেষিত করেছে। আর এই মানব সভ্যতায় এক আশ্চার্যজনক ঘটনা হলোযারাই সমাজ বা গোটা পৃথিবী ব্যবস্থা নিয়ে ভেবেছেন বা চিন্তার ইতিহাসকে বিভিন্নভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তাদের কারোর ভাবনা জগতেই এ ব্যপারটা কাজ করেনি যে আসলে এ মহাবিশ্বের মূল কার্যকারণটি কি? কিসের ভিত্তিতে তা অগ্রসরমান বা স্থির?

এক দ্বান্ধিক অবস্থার মধ্য দিয়ে সকল কিছুই নতুন এক উৎপাদনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়। এ ছিলো নব এক আবিষ্কার। যা মানব জাতির চিন্তার ইতিহাসকে এক অনন্য ‘কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’ মহাকাব্যের উপহার দিয়েছিলো। মার্কসএঙ্গেলস’র আবিষ্কারটি কি? পুঁজিবাদী উৎপাদনপদ্ধতির এবং এই পদ্ধতি যে বুর্জোয়া সমাজ সৃষ্টি করেছে, তার গতি প্রকৃতির বিশেষ নিয়মগুলো তারা অর্ন্তদৃষ্টি সম্পন্ন এক যৌক্তিক পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে সকলের সামনে উপস্থিত করেছেন। পুরোনো যুক্তি কাঠামোর প্রক্রিয়া ও প্রবনতাগুলোকে সুনিপুন ও ঐতিহাসিকভাবে লব্ধ জ্ঞানকে খারিজ না করে তার থেকে বিভিন্ন প্রযোজনীয় উপাত্ত নিয়ে এক নতুন শক্তিশালী ও প্রখর যুক্তি কাঠামো উপস্থাপন করেছেন। যা বৈজ্ঞাণিকভাবেও সিদ্ধ। কমিউনিস্ট ইশতেহার পাঠ করার সময় আমাদের একটা কথা খুব ভালভাবে মনে রাখতে হবে যে মার্কস নিজেই একজন বিপ্লবী ছিলেন। তিনি তাঁর সমস্ত চিন্তা কাঠামোটিকে কাজে লাগিয়ে ছিলেন পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থাটির চূড়ান্ত উচ্ছেদ করা। এবং সে সংগ্রামে সমস্ত জীবন তিনি ব্যয় করেছেন তাঁর সকল কাজে ও রচনাবলীতে। ইশতেহারের শিক্ষার আরো একটি প্রধান দিক হলোসমগ্র প্রলেতারিয়েতের স্বার্থ থেকে বিচ্ছিন্ন স্বতন্ত্র কোন স্বার্থ নেই। (বিস্তারিত…)