Posts Tagged ‘তৃষা বড়ুয়া’


লিখেছেন: তৃষা বড়ুয়া

gonojagoron-program-12গণজাগরণ মঞ্চ থেকে প্রচার করা হয়েছে,

বছর ঘুরে আবারও আমাদের সামনে এসে হাজির হচ্ছে সেই ৫ ফেব্রুয়ারি। গত একবছরের এই দীর্ঘ যাত্রায় আমাদের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার হিসাব নিকাশ করা আবারও জরুরি। বর্ষপূর্তির ক্ষণে নিজেদেরকে আবারও উদ্দীপ্ত করার প্রত্যয় আর এযাবৎকালের অর্জনগুলোকে মূল্যায়ণ করাও খুব প্রয়োজন। সুতরাং, গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে বিশ্ব ইতিহাসের এই অভূতপূর্ব গণজাগরণের দিনটিকে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সকল মানুষের এই বিষ্ময়কর ঐক্যবদ্ধ জাগরণকে স্মরণীয় করে রাখতে আমরা ৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘গণজাগরণ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করছি। আমরা এই বর্ষপূর্তিকে শুধু পালন করব না, আমাদের ক্লান্তিহীন সংগ্রাম যাতে আগামী প্রজন্মের কাছে হস্তান্তর করা যায়, এজন্য এবারের বর্ষপূর্তির আয়োজনে আমরা বিশেষ করে শিশুকিশোরদের অংশগ্রহনের জন্যও বেশ কিছু আয়োজন রেখেছি।” (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: তৃষা বড়ুয়া

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন ভর্তি হলাম তখন মা টেনশান করতো। শিবিরের আখড়াগোলাগুলিতে না মেয়ে মরে টরে যায়!! আমারও একটু কেমন কেমন করতো। ইশবাবামা কেনো পাঁচ বছর আগে বিয়ে করলেন না! তাহলে কত ভালো হতোবিপদে পড়লে লীগের ভাইরা আমাদের দেখতো!

মাসকয়েক পর চাকসু ক্যাফেটেরিয়ায় এক বড় আপু বললেন, ‘তোমরা অনেক ভাগ্যবান! লীগের পিরিয়ড তোমরা দেখোনি!’

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে কেন কি হয়েছিল সে সময়? জবাবে যা শোনালেন তাতে আমি থ! এ কি করে সম্ভব? শুধু একটা উদাহরণই যথেষ্ট সে সময়কার পরিস্থিতি বোঝার জন্য। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তৃষা বড়ুয়া

rape protest-india-5--কেউ কি দুনিয়ার এমন কো্নো জায়গা/জনপদ/রাষ্ট্রের নাম বলতে পারবেন যেখানে নারী নিরাপদ সে শিশু, কিশোরী, তরুণী, মধ্যবয়স্কা, বৃদ্ধা যাই হোন না কেন? যেখানে নারীকে মানুষের মর্যাদা দেয়া হয়? যেখানে জীবনের প্রথম ভাগে পিতার, দ্বিতীয় ভাগে পতির এবং শেষ ভাগে পুত্রের নাম অভিভাবক হিসেবে চর্চা কিংবা ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না? যেখানে প্রতিটি নারী নিজেই নিজের অভিভাবক?

জন্মগ্রহণের পর থেকে একটি শিশুকে প্রতি পদে পদে directly/indirectly শেখানো হয় টিভিফ্রিজওয়াশিং মেশিনের মতো তুমিও একটা প্রফিটেবল প্রোডাক্ট! (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তৃষা বড়ুয়া

porani-1-আমার মা’র নাম লিলি। ডাকতাম মাম্মা বলে আর আমাকে ও অফিসিয়ালি ডাকতো তিষু কিন্তু আনঅফিসিয়ালি পরানি, যাদুসোনা, সোনামণি থেকে শুরু করে অনেক নামে ডাকতো। ছোটবেলায় প্রতিদিন দুপুরবেলা আমাকে জড়িয়ে ধরে জিজ্ঞেস করত, ‘আমার তিষুর কয়টা নাম?’ আমি গলা জড়িয়ে ধরে আহ্লাদি কন্ঠে বলতাম, ‘আটটা!’ জিজ্ঞেস করতো, ‘কী কী?’ আমি গুণে গুণে মনে করে করে নামগুলো বলতাম। ২/১ টা নাম মনে না পড়লে মনে করিয়ে দিত। এরপর আরেকটা নাম যোগ করত। ‘এখন তাইলে ক’টা হল?’ আমি বলে উঠতাম, ‘নয়টা!‘ এভাবে বাড়তে বাড়তে শেষমেশ পনেরোতে গিয়ে ঠ্যাকে। দেখতে ভয়ংকর সুন্দরী ছিল সে। এজন্য অল্প অল্প ঈর্ষা যে করতাম না তা না। মাম্মা বুঝত। পিঞ্চ করে বলত, ‘তুই আমার মত হোস নি।’ মুখ বেঁকিয়ে বলতাম, ‘আইছে আমার বিশ্বসুন্দরী! হুহ!’ আমার গজরানি দেখে দাঁত বত্রিশটা বের করে হাসত! বদের হাড্ডি একটা! (বিস্তারিত…)