Posts Tagged ‘জীবন সংগ্রাম’


লিখেছেন: মুনীর সিরাজ

matin-bairagi-8১৯৭৭ সালে প্রকাশিত মতিন বৈরাগীর প্রথম কাব্য বিষণ্ন প্রহরে দ্বিধাহীন থেকে সহজেই শনাক্ত করা গেছে যে মতিন বৈরাগী জীবন চেতনার কবি। তার কবিতার মর্মবাণী মানবিক মুক্তির এবং কোন রাখঢাক নয়, মতিন বৈরাগী সুস্পষ্ট ভাষায় তার কবিতার উচ্চারণে দ্বিধাহীন ও জীবনবাস্তবতার নান্দনিক কবিতা রচনার প্রতি তার প্রবল ভাবে লগ্ন।

মোহময় জীবনের সমস্ত কালভার্ট ভেঙে দিয়ে

হে জীবন হে কবিতা আলোর দিকে ফিরে যাব আমরা

(বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: গোলাম কিবরিয়া পিনু

matin-bairagi-7কবি মতিন বৈরাগীর জন্ম ১৬ নভেম্বর ১৯৪৬। এবছরের ১৬ নভেম্বর তাঁর ৭০তম জন্মদিন। তাঁর জন্মদিনের সময় পড়ছিলাম তাঁরই কবিতা সমগ্র গ্রন্থটি। এই গ্রন্থে ১০টি কাব্যগ্রন্থের কবিতা আছে, অনেক কবিতা একসঙ্গে পড়ে একজন কবির পরিচয় ভালোভাবে পাওয়া যায় একজন পাঠক হিসেবে। এই গ্রন্থটি বের হয় ২০০৮ সালে, তারপর আরও দুটি কাব্যগ্রন্থ বের হয়েছে তাঁর। তাঁর কবিতা সম্পর্কে এক ধরনের বিবেচনা আমার আগে থেকেই ছিল, তাঁর কবিতা পড়ছি বহুদিন হলো ধারাবাহিকভাবে। কিন্তু একসঙ্গে অনেক কবিতা পড়তে পড়তে মনে হয়েছে, আমার যে বিবেচনা স্থির হয়েছিল তাঁর কবিতা সম্পর্কে, সেই বিবেচনায় আরও কিছু বোধ পাঠক হিসেবে সম্পকির্ত হলো নতুনভাবে।

তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সাথে যুক্ত থেকেছেন, কিন্তু তিনি শেষ পর্যন্ত মূলভাবে সক্রিয় থেকেছেন এই ৭০ বছর অবধি একমাত্র কবিতায়। তাঁর কবিতাগ্রন্থগুলো হলো : বিষণ্ন প্রহরে দ্বিধাহীন (১৯৭৭), কাছের মানুষ পাশের বাড়ি (১৯৮০), খরায় পীড়িত স্বদেশ (১৯৮৬), আশা অনন্ত হে (১৯৯২), বেদনার বনভূমি (১৯৯৪), অন্তিমের আনন্দ ধ্বনি (১৯৯৮), অন্ধকারে চন্দ্রালোকে (২০০০), দূর অরণ্যের ডাক শুনেছি (২০০৫), স্বপ্ন এবং স্বাধীনতার গল্প (২০০৭) এবং অন্য রকম অনেক কিছু (২০০৮)। এই ৮টি কাব্যগ্রন্থ নিয়ে তাঁর ‘কবিতা সমগ্র’ গ্রন্থটি। এর পরবর্তী সময়ে আরও দু’টি কাব্যগ্রন্থ বের হয়েছে, খণ্ডে খণ্ডে ভেঙে গেছি (২০১২) এবং দুঃখ জোয়ারের স্রোতে (২০১৪) (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: স্বপন মাঝি

world-to-winছাত্রছাত্রীরা চলে যাবার পর ছাপড়ার ঘরটার মধ্যে সে একা হয়ে যায়। ভাঙ্গা বেড়া, ভাঙ্গা জানালা। এ ঘরের মালিক একজন কোটিপতি। কোটিপতিদের কেউ এখানে থাকেন না। লজিং মাস্টারদের জন্য নির্মিত এ ঘরটা তার কাছে বেশ লাগে। জানালার কাছে বসলে পশ্চিমের আকাশ দেখা যায়। বুড়িগঙ্গার ওপর দিয়ে যখন বড় কোন জাহাজ যায়, তার মাস্তুল পর্যন্ত দেখা যায়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: দীপন জুবায়ের

art works-18বাড়ির চারপাশ এখন ফাঁকা। কদিন আগেও চারদিকে গাছগাছালিতে ভরা ছিল। রাজ্জাকের চিকিৎসার ব্যায়ভার বহন করতেই গাছগাছালি সব বিক্রি করা হয়েছে। মৃত্যুশয্যায় শুয়েও রাজ্জাক ভীষন প্রতিবাদ করেছিলো, গাছগুলো যেন বিক্রি করা না হয়। কিন্তু তার প্রতিবাদ শোনবার মত অবস্থা ছিল না তখন তার হতদরিদ্র পরিবারের। তার চিকিৎসার টাকা জোগাতে শেষমেশ ওই গাছগুলোই বিক্রি করতে হলো। রাজ্জাকের ছোট টিনশেডের বাড়িটা এখন কেমন যেন শ্বশানের মত লাগছে। গাছ বিক্রির টাকায় ডাক্তারের কথামত তার সিটিস্কান করা হলো। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মতিন বৈরাগী

art works-6প্রতিদিন কি যেনো খুঁজে বেড়ায় সেই ছেলেটা

ঘাসফড়িং টিয়া পাখি হরিণীর ডাগর খোলা চোখ

আকাশে উড়াল দেয়া হরিয়াল

বনবনানীর মেঠোপথ হলদিয়ার বড় বট কিংবা সোনাতলার

ছোট্ট নদীর জল হাটু সমান (বিস্তারিত…)


art works-10-বেঁচে থাকার জন্য তারা এসেছিল

মূলতঃ বেঁচে থাকার জন্য তারা এসেছিল, মিলিত হয়েছিল ফুল ফুটাবে বলে

মূলতঃ মৃত্যু দেখার জন্য তারা জমায়েত হয়েছিল

মিনার ময়দানে মানুষের ছুটাছুটি তৃষ্ণা, পান, বিতৃষ্ণা, বিরক্তি, অসহ্য যাতনা

ভোগ করতে তারা এসেছিল। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: দীপন জুবায়ের

art works-11-সকাল থেকে ঝিরঝির বৃষ্টি হচ্ছে। কয়েকদিনের গুমোট গরমের মধ্যে এই বৃষ্টিটুকু যেন খোদার আশির্বাদ। সারাদিন ঘরের মধ্যে বসে থেকে হামজা মোল্লার মন উসখুস শুরু হয়েছে। হামজা মোল্লার গ্রামের একমাত্র নামকরা কবিরাজ। সংসার খুবই ছোট। কিন্তু মনে সুখ নেই , সংসারে নেই শান্তি। হামজা সহজে হাল ছাড়ার লোক না। তবুও মাঝে মাঝে মনের মধ্যে হতাশার মেঘ গুড়গুড় করে ওঠে। আজ যেমন সকাল থেকে মনের মধ্যে বড় অশান্তি। সারাদিন অস্থির অস্থির লেগেছে। সকাল থেকে মনে হচ্ছে বৃষ্টিটা একটু ধরলেই বাজারে যেতে হবে।কিন্তু সারাটা দিন ঝিরঝির বৃষ্টির একটুও বিরাম নেই। (বিস্তারিত…)


art-45. আমার মুখ দেখিবার আয়না নাই

আমার মুখ দেখিবার আয়না নাই

আমি মিহিরোদে আমার ছায়া ফেলে

দশ আঙুলের চিরুনিতে চুল আঁচড়াই

আমি জলের আয়নায় মুখখানি রেখে

আমার এই মুখের ছায়াখানি দেখি

কিন্তু হায়, মুখের দাগগুলো যে দেখতে পারি না

আমার এই মুখের দাগ আমি দেখি কী দিয়া? (বিস্তারিত…)


cold-efected-rescue-1গত ৫ ই জানুয়ারী প্রজেক্ট রেসকিউ বাংলাদেশ (পি আর বি)-এর উদ্যোগে আইলা দুর্গত বেশ কয়েকটি এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরন করা হয়। দুর্গতদের মধ্যে ১০০ জন নারী, ১০০ জন পুরুষ, ২০০ শিশু এবং ৩০ জন প্রতিবন্ধীদের ১৫০ পিছ কম্বল, ২০০ জ্যাকেট, ২০০ পিছ শার্টপ্যান্ট, ২০ পিছ চাদর এবং ৫০ পিছ সোয়েটার বিতরন করা হয়। পাশাপাশি ২০ জন গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে খাতা ও কলম বিতরন করা হয়। (বিস্তারিত…)


 প্রেস বিজ্ঞপ্তি

prb-1-কোনো মৃত্যু সংবাদও যেন এখন আর আমাদের কাঁদায়না। আমার অনেক বেশি আত্মকেন্দ্রিক হয়ে গেছি। কেবল নাগরিক জীবনের আত্মকেন্দ্রিক সুখই খুঁজি আমরা। চা খাই আর আড্ডা মারি, গল্প করি। খাই ফাস্টফুড। সারাদিন মত্য হয়ে থাকি বেনিয়া সংস্কৃতিতে। আমাদের সংগ্রাম শুধু অর্থবিত্তের জন্য। আমরা ভুলে যাই সেই আইলা দুর্গত মানুষের কথা। ভুলে যাই রাস্তার পাশের মানুষটিকে কিংবা আমাদের বাড়ীর পাশের হতদরিদ্র মানুষটির কথা। কোনো দিনই খবর রাখি না এমন সব খেটে খাওয়া মানুষের জীবন সংগ্রামের, দুমুঠো খাবার জোগাড় করাই জীবনের প্রধানতম ব্রত যাদের। অথচ এই মেহনতি মানুষগুলোর অক্লান্ত পরিশ্রমেই কিন্তু গড়ে উঠেছে আমাদের সুন্দর (!) সমাজটির প্রতিটা কণা। কিন্তু তাতে তাদেরই কোনো অধিকার নাই! (বিস্তারিত…)