Posts Tagged ‘জামায়াতে ইসলামী’


লিখেছেন: ফারহান হাবীব

jamaat-e-islami-logo-1-আর কিছুদিন পর জামাতশিবির একটা বামপন্থি চরিত্র নিয়ে এদেশের রাজনীতিতে সক্রিয় হবে। এটা আমার ব্যক্তিগত উপলব্ধি। প্রথম অবস্থাতে মানুষের সাড়া পাবে। কারণ আসল বামপন্থি দাবিদাররা জনবিচ্ছিন্ন। তবে ভ পাই না এই ভেবে, জামাত তার নানা ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যেমন ইসলামি ব্যাংক, বিভিন্ন এনজিও, রিয়েল এস্টট ব্যবসা সবই বজায় রেখে এখনকার মতই লুটপাট চালিয়ে যাবে। বাম চেহারা নিয়ে কৃষক শ্রমিকের জন্য আন্দোলন করবে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন:আবিদুল ইসলাম

ধর্মভিত্তিক রাজনীতির স্বরূপ

বাংলাদেশের ইসলাম ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো থেকে দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ডাক দেয়া হয় মাঝে মধ্যেই। হেফাজতে ইসলাম নিজেদের অরাজনৈতিক দল হিসেবে দাবি করলেও তাদের কর্মসূচির রাজনৈতিক চরিত্রও চোখে পড়ার মতো। শতকরা ৯৫ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে আজ “ইসলাম বিপন্ন” এমন শ্লোগান হেফাজতে ইসলামের লোকজনের পক্ষ থেকে উত্থিত হচ্ছে, যদিও এই ভূখণ্ডে এ আওয়াজ নতুন কিছু নয়। পাকিস্তান আমল থেকেই জনগণের যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনসংগ্রামের সময় শাসক গোষ্ঠীর পক্ষ হতে এ আওয়াজ তোলা হতো। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন সহ অধিকাংশ সময়েই গণতান্ত্রিক দাবিদাওয়া আদায়ের সংগ্রামে জনগণ সংগঠিত হলেই পাকিস্তানি শাসকদের পক্ষ হতে ‘ইসলাম গেল’ চিৎকার ওঠানো হতো। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন:আবিদুল ইসলাম

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গ ও শাহবাগের আন্দোলন

বর্তমানে যে ইস্যুটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে তাহলো ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনীর সহযোগী তথা রাজাকার, আলবদর, আলশামসের সদস্য হিসেবে যারা বিভিন্ন প্রকার অপরাধে লিপ্ত ছিল তাদের বিচার প্রসঙ্গ। বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটসরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে কতিপয় যুদ্ধাপরাধীর বিচারের জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের বিষয়ক এক ট্রাইবুনাল গঠন করে। এই ট্রাইবুনাল থেকে প্রথম রায় দেয়া হয় গত ২১ জানুয়ারি বাচ্চু রাজাকার ওরফে আবুল কালাম আজাদের। পলাতক এই যুদ্ধাপরাধীকে প্রদান করা হয় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শওকত রিপন

জাতি হিসেবে আমরা বরাবরই ছিদ্রান্বেষী। অন্যের দোষত্রুটিখুঁত খুঁজে বেড়াতে সময়ের অন্ত নাই। নিজের দোষ তো খুঁজিই না তাই খুঁজে পাবার আশা বাতুলতা। কার্যকারণে যদি কখনো কোন দোষ ধরা পড়ে যায় তবে ব্যাস্ত হয়ে পড়ি সেটা অন্য কারো ঘাড়ে চাপানোর জন্য। বাংলাদেশে এই মূহুর্তে যে অশনি সঙ্কেত বেজে চলেছে,ঘরে ঘরে আহাজারী আর দুর্দশা বেড়েই চলেছেতার জন্য কাকে দোষ দিতে গিয়ে কার কোপানলে পড়ি তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

shahbagh-3আবারও তারুণ্য জেগেছে, বহুকাল পরে হলেও জেগেছে। ৯০এর পর এমন জাগরণ আর আমাদের চোখে পড়েনি। ৯০এ স্বৈরাশাসককে উৎখাত করতে, এবার জাগলো ইতিহাসের একটা অমিমাংশিত হিসেবের নিষ্পত্তি করতে একটা জাতির অস্তিত্বকালীন সময়ে পুরো জাতির সাথে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, যারা করেছে মানবতার চরম লঙ্ঘন তাদের যথাযথ পাওনা মিটিয়ে দিতে। একটা জাতির বিকাশের স্বার্থের সাথে তার ইতিহাসের দায় মিটানোর স্বার্থ এক ও অভিন্ন। ঠিক এই প্রতিশ্রুতি দিয়েইতো বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তরুণ সমাজ এই আশাতেই বুক বেঁধে বর্তমান সরকারকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছে। (বিস্তারিত…)

ইসলাম ধর্ম ও ধর্ম ব্যবসায়ীর দল এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবীতে আন্দোলন প্রসঙ্গে

Posted: ফেব্রুয়ারি 23, 2013 in দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

war-crime-5-৬২২ খ্রিস্টাব্দের ২৪ সেপ্টেম্বর ইসলাম ধর্মের নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) হিজরত করে মদিনা পৌঁছে সর্বপ্রথম মদিনা ও তৎপার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসকারী বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও ইহুদিদের মধ্যে সামাজিক ঐক্য ও রাজনৈতিক সমীকরণ, জাতীয় নিরাপত্তা, ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতার মাধ্যমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এক চুক্তি সম্পাদন করেন, যা ইতিহাসে “মদিনা সনদ” নামে পরিচিতি লাভ করে। এটাই ইতিহাসে প্রথম ইসলামী রাষ্ট্রের সংবিধান। ৪৭টি ধারাসম্পন্ন এ সনদের প্রধান দিকগুলো হলো

) মদিনা সনদে স্বাক্ষরকারী ইহুদি, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক ও মুসলমান সম্প্রদায় সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে এবং তারা একটি সাধারণ জাতি গঠন করবে। (বিস্তারিত…)


সংকলন: শিল্পভবন

war-crime-3দৈনিক বাংলা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক বিচিত্রাতে ‘গোলাম আযম ও জামায়াতের রাজনীতি’, ৯ বর্ষ ৪৪ সংখ্যা, ১৭ এপ্রিল ৮১

এই সংখ্যাতে ‘গোলাম আযম ও জামায়াতের রাজনীতি’ শিরোনামে ১৭ পৃষ্ঠাব্যাপী জামায়াতের অতীত ও বর্তমান এবং ’৭১ সালে কতজন জামায়াতী মারা গিয়েছিল ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তর প্রতিবেদন ছাপা হয়। এই প্রতিবেদনের ভূমিকাতে যা ছিল তা এখানে তুলে ধরা হলো। (বিস্তারিত…)


গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হোন

Mongoldhoni - logo১৯৭১এর মুক্তিযুদ্ধ এই ভূখণ্ডের জনগণের আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ঐতিহাসিকভাবেই এই ভূখণ্ডের মানুষ সংগ্রামী। তারা বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে। যার মূল লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। আর এই সংগ্রামের চাপে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে ১৯৪৭ সালে হিন্দুস্তান ও পাকিস্তান নামের দুইটি রাষ্ট্র সৃষ্টি ও তার শাসকদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বৃটিশরা। পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠন প্রক্রিয়ার সময়ে মানুষ যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আশা করেছিল, তা থেকে যায় অধরা। উল্টো তারা সামরিক আমলাতান্ত্রিক এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসনে জর্জরিত হতে থাকে। আর এই প্রক্রিয়ার সহযোগী শক্তি হিসেবে বরাবরই সক্রিয় সমর্থন যোগায় ইসলামী ধারার কয়েকটি রাজনৈতিক দল। বিপরীতে জনগণের গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত সমাজের আকাঙ্খা থেকে অসংখ্য রাজনৈতিক সংগ্রাম সংগঠিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আসে ’৭১, যা মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে জামায়াতে ইসলামী এবং তৎকালীন ইসলামী ছাত্র সংঘ (বর্তমানে ইসলামী ছাত্র শিবির) তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিকআমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্রকে রক্ষার জন্য পাকিস্তানী সেনা কমান্ডের অধীনে রাজাকার, আলবদর, আলশামস নামে ফ্যাসিস্ট বাহিনী গঠন করে। এই বিশেষ বাহিনী জনগণের মুক্তি সংগ্রামের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, কর্মীসহ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে সাধারণ নিরীহ জনগণকে হত্যা, নারী নির্যাতন ও লুণ্ঠনে মেতে উঠে এবং তারা বর্ণবাদী ও সাম্প্রদায়িক মনোভঙ্গী থেকে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দু জনগোষ্ঠীকে নির্মূলের চেষ্টা করে। (বিস্তারিত…)