Posts Tagged ‘জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়’


লিখেছেন: সৌম্য মন্ডল

mohan-bhagwat-owaisiগত ৩ মার্চ আরএসএস (রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ) প্রধান মোহন ভাগবত বলেন যে, এবার এই দেশের যুবকদের ভারত মাতা কি জয় এই স্লোগান তোলার জন্য শিক্ষা দিতে হবে। এর আগেও জেএনইউ (জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়) বিতর্কের সময় বহুবার আমরা দেখেছি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, এমনকি সাংবাদিকদেরও দেশপ্রেমের প্রমাণ স্বরুপ ভারত মাতা কি জয় বলার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে আরএসএসএর পক্ষ থেকে। তার প্রেক্ষিতে মজলিসইত্তেহাদুল মুসলিমেন বা এমআইএম বিধায়ক আসাদুদ্দিন ওয়েসি গত ১৩ তারিখ লাতুরে একটি মিছিল সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় মোহন ভগবৎকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন যে, তার গলায় ছুরি ধরা হলেও তিনি ভারত মাতা কি জয় বলেবেন না, কারণ ভারতের সংবিধান সেটা করতে বলে না। জাভেদ আখতার রাজ্যসভায় শেষ ভাষণে আসাদুদ্দিন ওয়েসিকে তুলোধোনা করে বলেন যে, সংবিধান তো শেরওয়ানি বা টুপি পরতেও বলেনি। ভারত মাতা কি জয় বলাটা হলো অধিকার। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: সব্যসাচী গোস্বামী

আজাদি বনাম দেশপ্রেম

umar khalid-1দেশপ্রেমীদের হাতে পড়ে আজাদি শব্দটাকে লাঞ্ছিত হতে দেখা যাচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরে। দিল্লির (জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়) জেএনইউ থেকে কলকাতার যাদবপুর, সর্বত্র এই লাঞ্ছনা লক্ষ্যনীয়। সাধারণভাবে ইতিহাস বইয়ে স্বাধীনতাগণতন্ত্র শব্দ দুটোকে আমরা পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে দেখতে অভ্যস্ত ছিলাম। কিন্তু এদেশের প্রধান শাসকদলের লম্ফঝম্ফ দেখে মনে হচ্ছে কেউ যদি স্বাধীনতা চায় তাহলে তার গণতন্ত্র হরণ করাটাই যেন আজ এদেশে নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে! সম্প্রতি জেএনইউএর ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সভাপতি কানহাইয়া কুমারের গ্রেপ্তার; অপর তিন ছাত্র উমর খালিদ, অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও অশ্বত্থীকে জঙ্গী বলে দেগে দিয়ে গ্রেপ্তারের ষড়যন্ত্র; একাধিক ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে সিডিশান আইনে মামলা দায়ের করা, অধ্যাপক এস আর গিলানিকে গ্রেপ্তার, এসব তো আছেই। এমনকি ন্যায়ালয়ে আইনের রক্ষকদের সামনে অভিযুক্তকে মারধর করা এবং এ হেন বেআইনী কাজ করার পরেও প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেরানো, এক চরম ত্রাসের রাজত্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ঘটনার ঘনঘটায় বেশ কিছু প্রশ্ন সামনে চলে আসছে। (বিস্তারিত…)