Posts Tagged ‘ছাত্র আন্দোলন’


লিখেছেন: অভয়ারণ্য কবীর

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আন্দোলনগুলোর চরিত্রকে পাল্টে দিচ্ছে যে আন্দোলন, তা হলো চলমান ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনএই আন্দোলন যারা করছে, তারা হলেন ‘সকাল আটটানটার সূর্য’তাদের আটকানোর মতো কোনো শক্তি নেইতাদের থামিয়ে দেয়ার মতো কোনো ট্যাঙ্ক নেই, নেই কোনো জলকামানশিক্ষার্থীদের একটি স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ যে রাজনৈতিক ভারিক্কি ধার করে, তার অনেকটা এই কিশোরের দল ছাড়িয়ে গেছেতাদের থেকে বাংলাদেশের সকল বিপ্লবীদের শিখতে হবেএখানেই ‘জনগণের কাছ থেকে শেখো’ তত্ত্বের বাস্তব প্রয়োগের প্রশ্ন চলে আসেএটা না করে প্রথমেই তাদের শেখাতে যাওয়া হবে বিরাট মাপের ভুল (বিস্তারিত…)

Advertisements

                                                                                                   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪

hok-kolorob-653423প্রথমেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত সকল আন্দোলনকারী সহযোদ্ধাদের জানাই লাল সালাম!

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনে আমরা একই সাথে উজ্জীবিত এবং মর্মাহত। পুলিশি ও সন্ত্রাসী হামলায় আহতদের কষ্টে আমরা মর্মাহত। আবার স্বৈরতান্ত্রিক, ফ্যাসিবাদী, নিপীড়ক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলনে আমরা উজ্জীবিত। (বিস্তারিত…)


রাজনৈতিক বন্দী মুক্তকরণ কমিটি (পশ্চিমবঙ্গ শাখা)

১৮ সূর্য্যসেন স্ট্রিট

কোলকাতা ৭০০০০৯

.

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

hok-kolorobগতরাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচী পালনরত ছাত্রছাত্রীদের উপর পুলিশি হামলার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। ২৮ অক্টোবর, উৎসব চলাকালে ক্যাম্পাসের ভেতরে একজন ছাত্রীর যৌন নিগ্রহের অভিযোগের বিষয়টিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেভাবে সামাল দিচ্ছে তার বিরুদ্ধে ছাত্রছাত্রীরা প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে গত কয়েকদিন ধরে। ঘটনার তদন্তে নিয়োজিত “অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি”র একজন নারী সদস্যের বিরুদ্ধে ঘটনার শিকার ছাত্রীকে আপত্তিকর প্রশ্ন করার অভিযোগ ওঠলে, আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীরা তার নিন্দা জানায়। তারা তদন্তকারী দল থেকে দুইজন নারী সদস্যেকে অপসারণের এবং সেইসাথে একজন আইনজীবী ও একজন মনোবিদকে বহিরাগত জুরি হিসেবে তদন্তদলে অন্তর্ভূক্ত করার দাবী জানায়। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য জনাব অভিজিৎ চক্রবর্তী তাদের দাবী প্রত্যাখ্যান করে। কিন্তু এর পরিবর্তে কতৃপক্ষ একটি আচরণবিধি প্রকাশ করে এবং ক্যাম্পাসের ভেতরে নজরদারীর জন্য একটি নতুন দল গঠনের ঘোষণা দেয়। এই পদক্ষেপটি ছাত্রছাত্রীদের আরও ক্ষুব্ধ করে তোলে এবং অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচীটি ঘেরাও কর্মসূচীতে রূপ নেয় এবং মিটিং চলাকালে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের তারা ঘেরাও করে। (বিস্তারিত…)


hok-kolorob-321

মাননীয় সম্পাদক

এই সময়

.

গত ১৯ এবং ২০ তারিখ যথাক্রমে ‘এই সময়’ ও Times of India পত্রিকায় দেখলাম যে আমার এবং আরো কয়েকজন বন্ধুর ছবি যাদবপুর কান্ডে ‘সশস্ত্র বহিরাগত’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ‘চক্রান্তকারী মাওবাদী’ হিসেবে প্রত্যাশা মতোই সন্দেহ করা হয়েছে, যা যেকোনো গণআন্দোলনের ক্ষেত্রে করা হয়ে থাকে। নির্দিষ্ট করে বলা না হলেও বলা হয়েছে যে, আমাদের মধ্যে নাকি অনেকে প্রেসিডেন্সি কলেজে বেকার ল্যাব ভাঙচুরে অভিযুক্ত। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: মিঠুন চাকমা

education-business-1১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষাদিবস। দিনটি পালন করে বাংলাদেশের অনেক প্রগতিশীল সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগঠন। ১৯৬২ সালের এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ শরিফ শিক্ষাকমিশনের বাণিজ্যমুখীন শিক্ষাব্যবস্থা চালুর সুপারিশের বিরুদ্ধে হরতাল ডেকেছিল।

পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক প্রশাসক প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ১৯৫৯ সালের ৫ জানুয়ারি শিক্ষা কমিশনের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষনা করেন। এই কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি তার একসময়কার শিক্ষক আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পশ্চিম পাকিস্তানের শিক্ষাবিভাগের সচিব এস এম শরিফকে নিয়োগ করেছিলেন। উক্ত কমিশনে পূর্ব পাকিস্তান থেকে ৪ জন ও পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ৬ জন সদস্য নিযুক্ত করা হয়। শিক্ষাকমিশনে পূর্ব পাকিস্তান থেকে ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মোনাজাতউদ্দিন, ঢাকা মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের প্রেসিডেন্ট আব্দুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আতোয়ার হোসেন ও ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ ড. এ রশীদ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বাধন অধিকারী

21-august-2007-procession২০০৭ এর আগস্টে সেনাকর্পোরেট জরুরিক্ষমতার সরকারের কালে সংঘটিত ছাত্র বিক্ষোভের পর এইবার দিয়ে চতুর্থবারের মতো ২০২১২২ তারিখ উদযাপিত হচ্ছে। কিন্তু যে প্রশ্নকে সামনে রেখে আমরা কিছু শিক্ষকশিক্ষার্থী সেনাকর্পোরেট কর্তৃত্বের মহাজরুরি ক্ষমতার সেই সরকারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলাম; বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতার সেই প্রশ্নটিকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেনাসদস্য কর্তৃক শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনাকে আমরা নিছক একটি নির্যাতনের ঘটনা হিসেবে দেখিনি। একে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতায় রাষ্ট্রীয় জরুরি ক্ষমতার অন্যায্য হস্তক্ষেপ বিবেচনা করেছি। সুমহান জনযুদ্ধের ৭১’এর প্রেরণায় স্বাধীন বাংলাদেশে যে জনমত ছিল;সেই জনমত বঙ্গবন্ধুর সরকারের কাছে থেকে আদায় করে নেয় ৭৩’এর অধ্যাদেশ; বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের দলিল। সেই অধ্যাদেশের প্রেরণাটুকুকে উপজীব্য করে আমরা ক’জন মাত্র শিক্ষকশিক্ষার্থী (পরে আরও ক’জন যুক্ত হয়েছিল। সবমিলে মোটামোটি ৮০ জন ছিলাম) মৌন মিছিলে দাঁড়িয়েছিলাম। (বিস্তারিত…)


বিশেষ প্রতিবেদক

IMG_1549গত ১০ এপ্রিল ২০১৪ তারিখ, বৃহস্পতিবার, গণঅধিকার সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে “বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও আমাদের করণীয়” শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিকরাজনৈতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন ম. নুরুন্নবী, সঞ্চালনায় ছিলেন গণঅধিকার সংগ্রাম কমিটির সমন্বয়ক এহতেশাম উদ্দিন। (বিস্তারিত…)


অনুবাদ: জোবাইদা ও আহসান

বল প্রয়োগ ও বিশ্ববিদ্যালয়

ডেভিড গ্রেবার

ডেভিড গ্রেবার

কাউকে লাঠি পেটার হুমকি চরম বুদ্ধিবৃত্তিবিরোধী আচরণ। এ ব্যাপারে কোনো দ্বিধা রাখবেন না। আর গত কয়েক মাসে একটা ব্যাপার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, যখনই বর্তমান সরকারের উচ্চশিক্ষা বিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে তখন তাদের প্রথম ও একমাত্র ঝোঁক হলো বলপ্রয়োগ। পুলিশি অনুপ্রবেশ, নজরদারি, নির্বাচিত ছাত্রনেতৃত্বের ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা, ফুটপাতে শ্লোগান লিখে মতপ্রকাশের মতো সাধারণ কাজের দায়ে ছাত্র গ্রেফতারের মতো ঘটনা একটি স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা দেয়। (বিস্তারিত…)


এ লিখাটি প্রকাশিত হয় প্রগতিশীল ছাত্রছাত্রী ফেডারেশনের মুখপত্র ‘একটি বিকল্প প্রকাশন’র ‘নয়াউদারনৈতিক শিক্ষাব্যবস্থা বিরোধী ছাত্রছাত্রী আন্দোলনের নতুন সংজ্ঞা: চিলি’ শিরোনামে। সংক্ষিপ্ত আকারে এখানে তুলে ধরা হলো। আন্দোলন এবং সমসাময়িক চিলির রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হলো কোন প্রেক্ষাপটে আন্দোলন গড়ে উঠেছে তা বুঝবার জন্য। চিলিতে শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের আন্দোলনটি আমাদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। কারণ একই সময়ে আমরাও সরকারী ভর্তুকী হ্রাসের সিদ্ধান্ত, শিক্ষাক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন নীতি আর ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী দখল আর নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করছি। সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ যেই দিকটা তা হলো চিলিতে আন্দোলন এগিয়ে নেবার জন্য দাবি দাওয়া ভিত্তিক ব্যপক ছাত্রছাত্রীর সমন্বয়ে আন্দোলনের সংগঠন গড়ে উঠেছে। নেতৃত্ববিহীন ভাবে সংগঠন বিহীন ভাবে এগুনো যায় না। সাধারণ একটি লক্ষ্য আদায়ের জন্য গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীকতার ভিত্তিতে চলমান সংগঠন চাই। এই শিক্ষা আমাদের দেশের ছাত্র আন্দোলনে প্রয়োগের সময় এসেছে।

চিলিতে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সূচনা হয় ১৮১৩ সাল থেকেই অর্থাৎ চিলি স্বাধীন হবার পর থেকেই। সারা দেশব্যাপী এ শিক্ষাব্যবস্থাকে ছড়িয়ে দেওয়ার সর্বাঙ্গীন কাজ শুরু হয় ১৯২৭ সালে। বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা, ডে মিল চালু, বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ব্যাপক সরকারী অনুদানে গড়ে তোলা হয় উচ্চ শিক্ষার প্রকল্প, বিশ্ববিদ্যালয়। প্রেসিডেন্ট সালভাদর আলেন্দের সময়ে (১৯৭০-’৭৩) এ ব্যবস্থা সর্বোচ্চ উন্নতি লাভ করে। এর পরবর্তীতে সামরিক অভিযানে আলেন্দে সরকারকে হঠিয়ে ক্ষমতায় আসে আগস্ত পিনোচে। ১৯২৫ এর কল্যাণমূলক সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান করা হয়। ১৯৭৮ সালে আমেরিকার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় ও চিলির ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে নতুন সামরিক চিলিকে সংস্কার করা হয় নয়া উদারনৈতিক অর্থনীতির পরীক্ষাগার হিসেবে। শুরু হয় শিক্ষাসংস্কার। ১৯৮১’র জানুয়ারিতে সামরিক সরকার ডিক্রী জারি করে উচ্চ শিক্ষায় আমুল সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। সরকারী অনুদানউদ্যোগ সম্পূর্ণ কমিয়ে বেসরকারী অনুদানকে স্বাগত জানানো হয়। বাজার অর্থনীতির চাহিদা অনুযায়ী সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে খরচ বাড়ানো হয়। ফি এর নিয়ন্ত্রণ তুলে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় বাজারের হাতে। শিক্ষার্থীদের উপর চেপে বসা খরচের এই বিপুল বোঝা লোনের মাধ্যমে সমাধার ‘দায়িত্ব’ নিয়ে হাজির হয় আন্তর্জাতিক লগ্নিকারী সংস্থা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সত্যজিত দত্ত পুরকায়স্থ

উৎসর্গঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের লড়াকু সহযোদ্ধা বন্ধুদের।

.

১৮৩০ সালে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রকে উচ্ছেদ করে জুলাই বিপ্লবের সম্পাদন কালে কলকাতার কয়েকজন ছাত্র এক গভীর রাতে নবনির্মিত অক্টরলনি মুনমেন্টের চুড়া থেকে ইংরেজদের পতাকা নামিয়ে উড়িয়ে দেয় ফরাসী বিপ্লবের সাম্য, মৈত্রী, স্বাধীনতার তেরংগা ঝান্ডা। এই ঘটনা পরবর্তীকালে এই উপমহাদেশের ছাত্রসমাজ কিংবা সার্বিক স্বাধীনতা আন্দোলনে কতটুকু ভুমিকা পালন করেছিল তা বলা একটু কঠিন। তবে এই ঘটনাকেই এই উপমহাদেশে ছাত্র আন্দোলনের আতুড় ঘর বলা চলে। পরবর্তীকালে কলকাতার হিন্দু কলেজের শিক্ষক হেনরী লুই ডিভিয়ান ডিরোজিও’এর হাত ধরে উনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে যাত্রা শুরু করে উপমহাদেশের প্রথম ছাত্র সংগঠন “একাডেমিক এসোসিয়েশন”। এরপর ইয়াংবেংগল এবং তাদের পত্রিকা পার্থেনন এই উপমহাদেশের ছাত্র সমাজের রাজনৈতিক মনন বিকাশে অবদান রাখে।

.

সাম্প্রতিক সময়ে ক্ষমতাসীন দলের অংগীভুত ছাত্র সংগঠনের ক্রিয়া কলাপের নিমিত্তে আমাদের কিছু নাগরিক ক্রিয়া কলাপের প্রতিক্রিয়া হিসাবে এই লেখা। সাম্প্রতিক কর্মকান্ডের ফলে ছাত্র রাজনীতির গৌরবময় ঐতিহ্য নিয়ে আর লিখলাম না, অনেকে নাখোশ হতে পারেন। একের পর এক ক্যাম্পাস অস্থির। যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা ছিল উচ্চ মনন এবং আগামীর নেতা তৈরীর, সেই বিশ্ববিদ্যালয় আজ ক্ষমতার পালা বদলে জন্ম দিচ্ছে লক্ষন সেন আর বখতিয়ার খলজীর। এক পক্ষ সামনের দরজা দিয়ে ঢুকে আর অন্যরা পিছনের দরজা দিয়ে পালায়। সন্ত্রাসের অর্থনীতি, মনস্তত্ব, জনসংযোগ সবকিছুর কেন্দ্র এখন বিশ্ববিদ্যালয়। এক সময় ইউরোপের শক্তিমান দেশগুলো নিজেদের শক্তি পরীক্ষার জন্য তুর্কি খলিফার শাসনাধীন বলকান অঞ্চল কে বেছে নিত। এতে লাভ হতো এই যে, যুদ্ধে যে পক্ষই জয় লাভ করুক, নিজেদের দেশের লোকজন, শিল্পবাণিজ্য যুদ্ধের মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি থেকে বেঁচে যেত। আজ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কোন না কোন ভাবে আমাদের রাজনৈতিক দল সমূহের বহুপাক্ষিক শক্তি পরীক্ষার “বলকান অঞ্চল”। জাবিতে জুবায়ের হত্যাকান্ডসহ সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানেই তা আরো স্পষ্ট হয়ে উঠে, ২০০৮১০ এই সময়ে ক্যাম্পাসগুলোতে মোট সংঘাত ২৪২ টি, নিহত ১৬, আহত ৪ হাজারেরও বেশী, মোট ৮০ টি শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ। এখন আমরা যদি এর পিছনের কারণগুলো খুজে বের করবার চেষ্টা করি তাহলেই এর স্বরুপ আমাদের কাছে দিনের আলোর মত স্পষ্ট হয়ে উঠে। (বিস্তারিত…)