Posts Tagged ‘ছাত্রলীগ’


লিখেছেন: অনুপ কুণ্ডু

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমএর লেখার প্রতিক্রিয়া

mujahidul-islam-selim-cpbআগষ্ট২০১৪ এর শুরু দিকে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় “জনতার মৃত্যু নেই, তাই মৃত্যু নেই বঙ্গবন্ধুরও” এবং “দেশকালজনতা ও বঙ্গবন্ধু” দুটি লেখা প্রকাশিত হয়। লেখক বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি ও স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের প্রখ্যাত ছাত্রনেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। লেখা দুটি পড়ে আমার মনে কিছু প্রশ্ন জেগেছে। কমিউনিস্ট আন্দোলনের একজন নগন্য কর্মী হিসেবে প্রশ্নসমূহ উত্থাপন ও তার ব্যাখ্যা জানা জরুরী হয়ে দেখা দিয়েছে। প্রথমেই আমার জিজ্ঞাসা একজন কমিউনিস্ট পার্টির নেতা কিভাবে ‘জাতির জনক’ অভিধার প্রতি আকৃষ্ট হতে পারেন? তাও আবার “বঙ্গবন্ধু” আর এই বঙ্গবন্ধু” উপাধি ঘোষণা করেছিলেন কারা? নিশ্চয়ই সেলিম ভাই তা জানেন। ছাত্রলীগের একটি সমাবেশ থেকে তারা তাদের নেতাকে যে কোন ভূষণে ভূষিত করতে পারে। কোন মাপকাঠিতে এই অভীধা সমগ্র জনগোষ্ঠীর অলঙ্কার হিসেবে সম্পৃক্ত হয়? (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: বখতিয়ার আহমেদ

ru-movement-21ক্যাম্পাস পরিস্থিতি গত দুইদিন স্নায়ুতন্ত্রে এমন চাপ সৃষ্টি করে রেখেছিল যে কাজকর্ম লাটে উঠেছিল। নিজের অফিসে ঢুকতে পারছিলাম না বিকেলের আগে, ধর্মঘটের জন্য ছাত্ররা ভবন তালা মেরে রাখছে সকালবেলা। কাজ সামলাতে পরশু রাত জেগেছি, সকালে উঠেছি দেরিতে।

সাড়ে এগারোটার দিকে ফোকলোর বিভাগের সুস্মিতা চক্রবর্তীর ফোনে জানলাম আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর হামলা হয়েছে। আশংকা আগেই ছিল, তারপরেও সাথে কোথাও বোধহয় আশাও ছিল, হাজার হাজার ছাত্র তো গত কয়দিনের আন্দোলনে ক্যাম্পাসের একটা পাতাও ছেড়েনি। মারবে কোন অজুহাতে? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বাধন অধিকারী

ru-movement-17রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালিন বাণিজ্যিক মাস্টার্স কোর্স এবং বর্ধিত বেতনভাতা প্রত্যাহারের দাবিতে চলা আন্দোলনকে বরাবরের মতোই দমননীতির মধ্য দিয়ে মীমাংসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মিনি রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শনিবার রাতের আঁধারে অপারেশন সার্চ লাইটের কায়দার হানাদার রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী বাহিনী পুলিশ আর আজকের রাজাকার বাহিনী (শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বেঈমানীর কারণে বলছি) ছাত্রলীগের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের হলে রেইড, আন্দোলনকারীদের মানসিক নির্যাতন, হুমকি, সবই সম্পন্ন হয়েছে রাতের আঁধারে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তৃষা বড়ুয়া

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন ভর্তি হলাম তখন মা টেনশান করতো। শিবিরের আখড়াগোলাগুলিতে না মেয়ে মরে টরে যায়!! আমারও একটু কেমন কেমন করতো। ইশবাবামা কেনো পাঁচ বছর আগে বিয়ে করলেন না! তাহলে কত ভালো হতোবিপদে পড়লে লীগের ভাইরা আমাদের দেখতো!

মাসকয়েক পর চাকসু ক্যাফেটেরিয়ায় এক বড় আপু বললেন, ‘তোমরা অনেক ভাগ্যবান! লীগের পিরিয়ড তোমরা দেখোনি!’

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে কেন কি হয়েছিল সে সময়? জবাবে যা শোনালেন তাতে আমি থ! এ কি করে সম্ভব? শুধু একটা উদাহরণই যথেষ্ট সে সময়কার পরিস্থিতি বোঝার জন্য। (বিস্তারিত…)

বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সঙ্কট :: শাসক শ্রেণীর রাজনৈতিক দৈন্যের অনিবার্য প্রতিফলন

Posted: ডিসেম্বর 15, 2012 in দেশ, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

office of prime ministerপ্রথমে প্রেক্ষাপট ১৯৯৬ সালের দিকে তাকানো যাক। ১৯৯১ সালে সামরিক এরশাদ সরকারের পতনের পর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী দলগুলো নিজস্ব প্রতিনিধির সমন্বয়ে একটি সর্বদলীয় সরকার গঠন করার বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে একটি অন্তবর্তী সরকারের অধীনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ঐ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে ও আওয়ামী লীগ তাদের চরিত্র অনুযায়ী ফলাফল মেনে নেয়ার ব্যাপারে সামান্য গড়িমসি করার পর শেষাবধি নির্বাচনী রায় মেনে নেয়। মূলত ঐ অন্তবর্তীকালীন সরকারের গর্ভেই জন্ম লাভ করেছিল পরবর্তীকালের বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার ভ্রুণ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ইরফানুর রহমান রাফিন

Bishwajeet-murder-1আমরা ইতিমধ্যেই জেনে গেছি, গত রবিবার, বিএনপির ডাকা অবরোধের দিন, পুরান ঢাকায় বিশ্বজিৎ দাস নামক একজন দর্জিকে খুন করা হয়েছে। গোপনে নয়, প্রকাশ্যে দিবালোকে রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে উল্লাস করতে করতে খুন করা হয়েছে। প্রায় পত্রপত্রিকার ছবি ও টেলিভিশন ফুটেজে দেখা যাচ্ছে খুনের কাজটি অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় করেছে দশ বারো জন যুবক। তারা কারা? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আহমদ জসিম

২০১০এর আগস্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেতনফি বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে লাঞ্চিত হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আর পুলিশের হাতে। ঠিক তার এক বছর পর, অর্থাৎ, গত বছরের আগস্টের তিন তারিখ দেশের প্রধান জাতীয় দৈনিকের শিরোনাম, ছাত্রলীগের দুর্ব্যবহার, প্রক্টরসহ চার শিক্ষকের পদত্যাগপত্র জমা।’ এই যেন কিউবান বিপ্লবের জীবন্ত কিংবদন্তি ফিদেল কাস্ত্রো’র সেই উক্তিটাই আমাদের স্মরণ করিয়ে দিল, ইতিহাস আমাদের কাউকে ক্ষমা করবে না।’ ব্যাপারটা এমন নয় যে শিক্ষার্থীরা এই চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিল। আন্দোলন ছিল মূলত শিক্ষার বাণিজ্যিকায়ন, বেতনফি’র নামে শিক্ষার্থীর উপর নানাভাবে করের বোঝা আরোপ সর্বোপরি সাম্রাজ্যবাদী মহাজনি সংস্থা বিশ্বব্যাংকএর শিক্ষাকর্মসূচি বাস্তবায়নএর বিরুদ্ধে।

আন্দোলরত শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে আচরণ করেছে এই আচরণকে শাসকদল আওয়ামলীগের নেতা মাহামুদু রহমান মান্না তুলনা করেছিলেন উগাণ্ডার স্বৈরাশাসক ইদ আমিনের আচরণের সাথে। সেই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আচরণ আর ছাত্রছাত্রীর উপর পুলিশি নির্যাতন মিলিয়ে ন্যুনতম বিবেকসম্পন্ন কোন মানুষের পক্ষেই নিরপেক্ষ থাকা ছিল অসম্ভব। কিন্তু জাতির বিবেক বলে পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিংহভাগ শিক্ষকই ছিলেন নিরপেক্ষ। না, সকলে নয়! সেই আন্দোলনে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দু’টা ভাগে ভাগ করতে পারি, যাদের বৃহৎ অংশ ছিল তথাকথিত নিরপেক্ষ গ্রু, আর দ্বিতীয় গ্রুপটা ছিল কতিপয় আন্দোলনবিরোধী গ্রুপ। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: সত্যজিত দত্ত পুরকায়স্থ

উৎসর্গঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের লড়াকু সহযোদ্ধা বন্ধুদের।

.

১৮৩০ সালে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রকে উচ্ছেদ করে জুলাই বিপ্লবের সম্পাদন কালে কলকাতার কয়েকজন ছাত্র এক গভীর রাতে নবনির্মিত অক্টরলনি মুনমেন্টের চুড়া থেকে ইংরেজদের পতাকা নামিয়ে উড়িয়ে দেয় ফরাসী বিপ্লবের সাম্য, মৈত্রী, স্বাধীনতার তেরংগা ঝান্ডা। এই ঘটনা পরবর্তীকালে এই উপমহাদেশের ছাত্রসমাজ কিংবা সার্বিক স্বাধীনতা আন্দোলনে কতটুকু ভুমিকা পালন করেছিল তা বলা একটু কঠিন। তবে এই ঘটনাকেই এই উপমহাদেশে ছাত্র আন্দোলনের আতুড় ঘর বলা চলে। পরবর্তীকালে কলকাতার হিন্দু কলেজের শিক্ষক হেনরী লুই ডিভিয়ান ডিরোজিও’এর হাত ধরে উনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে যাত্রা শুরু করে উপমহাদেশের প্রথম ছাত্র সংগঠন “একাডেমিক এসোসিয়েশন”। এরপর ইয়াংবেংগল এবং তাদের পত্রিকা পার্থেনন এই উপমহাদেশের ছাত্র সমাজের রাজনৈতিক মনন বিকাশে অবদান রাখে।

.

সাম্প্রতিক সময়ে ক্ষমতাসীন দলের অংগীভুত ছাত্র সংগঠনের ক্রিয়া কলাপের নিমিত্তে আমাদের কিছু নাগরিক ক্রিয়া কলাপের প্রতিক্রিয়া হিসাবে এই লেখা। সাম্প্রতিক কর্মকান্ডের ফলে ছাত্র রাজনীতির গৌরবময় ঐতিহ্য নিয়ে আর লিখলাম না, অনেকে নাখোশ হতে পারেন। একের পর এক ক্যাম্পাস অস্থির। যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা ছিল উচ্চ মনন এবং আগামীর নেতা তৈরীর, সেই বিশ্ববিদ্যালয় আজ ক্ষমতার পালা বদলে জন্ম দিচ্ছে লক্ষন সেন আর বখতিয়ার খলজীর। এক পক্ষ সামনের দরজা দিয়ে ঢুকে আর অন্যরা পিছনের দরজা দিয়ে পালায়। সন্ত্রাসের অর্থনীতি, মনস্তত্ব, জনসংযোগ সবকিছুর কেন্দ্র এখন বিশ্ববিদ্যালয়। এক সময় ইউরোপের শক্তিমান দেশগুলো নিজেদের শক্তি পরীক্ষার জন্য তুর্কি খলিফার শাসনাধীন বলকান অঞ্চল কে বেছে নিত। এতে লাভ হতো এই যে, যুদ্ধে যে পক্ষই জয় লাভ করুক, নিজেদের দেশের লোকজন, শিল্পবাণিজ্য যুদ্ধের মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি থেকে বেঁচে যেত। আজ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কোন না কোন ভাবে আমাদের রাজনৈতিক দল সমূহের বহুপাক্ষিক শক্তি পরীক্ষার “বলকান অঞ্চল”। জাবিতে জুবায়ের হত্যাকান্ডসহ সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানেই তা আরো স্পষ্ট হয়ে উঠে, ২০০৮১০ এই সময়ে ক্যাম্পাসগুলোতে মোট সংঘাত ২৪২ টি, নিহত ১৬, আহত ৪ হাজারেরও বেশী, মোট ৮০ টি শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ। এখন আমরা যদি এর পিছনের কারণগুলো খুজে বের করবার চেষ্টা করি তাহলেই এর স্বরুপ আমাদের কাছে দিনের আলোর মত স্পষ্ট হয়ে উঠে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

গত ১৬ ডিসেম্বর বিকালে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ শিক্ষার্থী সুরমার শাখানদী চেঙ্গেরখালে নৌকাভ্রমনে যাওয়ার পর সন্ধ্যায় ফেরার পথে ডাকাতের কবলে পড়লে সেখানে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স (সিইপি) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্রদ্বয় দীপঙ্কর ঘোষ অনিক ও খায়রুল কবীর নিহত হন, যাদের লাশ পরবর্তী দিনে অর্থাৎ শনিবার সকালে চেঙ্গেরখাল থেকে উদ্ধার করা হয়। লাশ গ্রহণ করার সময়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিমাদ্রি শেখর রায়ের অবিস্মরনীয় বানী ‘ডুবুরীর কোন দরকার নেই, মরা বাহাত্তর ঘন্টার পর এমনিতেই ভেসে উঠবে!!!’ এবং সহকারী প্রক্টর ফারুক উদ্দীনের লাশের সামনে সিগারেট ধরানো এবং পরবর্তীতে সাধারণ ছাত্রদের ‘রাজনীতি বিমুখতা’কে কাজে লাগিয়ে শাসকসশ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতায় থাকা ছাত্র সংগঠনটির বিষয়টিকে ঘিরে আন্দোলনকে ‘অরাজনৈতিক’ মোড়কে দেখিয়ে স্তিমিত করার দূরভিসন্ধীর বিষয়টি নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা জরুরী ঠেকেছে,বিধায় তা নিয়ে লিখতে বসলাম।

অনিক ও খায়রুল'এর নিথর দেহ

এ কথা অনস্বীকার্য যে যেকোন ইস্যুতেই গনআন্দোলন কখনোই ‘অরাজনৈতিক’ হতে পারেনা, তা সম্ভবও নয়, কেননা আন্দোলনের প্রতিটা ইস্যুই স্পষ্টত বিদ্যমান ক্ষমতা কাঠামোর আওতায় এবং যেই ক্ষমতা বিদ্যমান শাসকশ্রেণীর কুক্ষীগত। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবলীলায় হত্যার বিষয়টি নিয়ে আন্দোলন করলে তা অবশ্যই ‘অরাজনৈতিক’ হওয়া আরো সম্ভব নয়। দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হত্যার বিষয়টিকে ‘অরাজনৈতিক’ হিসাবে দেখতে শিখলে কিংবা সেভাবে ধরে নিলে প্রকৃতপক্ষে অবলীলায় শিক্ষার্থীদের হত্যার বিষয়টিকেই অনুমোদন করা হয়। এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের যেই তিন দফা দাবী ছিলো সেগুলা হলো:

১। দায়িত্বে অবহেলার জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রক্টরকে পদত্যাগ করতে হবে।

২। লাশের প্রতি অবমাননার দরুন ফারুক স্যারকে ছাত্রছাত্রীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

৩। অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। (বিস্তারিত…)