Posts Tagged ‘চীন’


রাশিয়া ও চীনের ঐতিহাসিক শিক্ষা

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

জনগণের সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংস্কৃতি, সামন্তবাদবিরোধী সংস্কৃতি হলো – নয়াগণতান্ত্রিক সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতি পরিচালিত হতে পারে একমাত্র সর্বহারাশ্রেণীর সংস্কৃতি ও মতাদর্শ; অর্থাৎ কমিউনিজমের মতাদর্শের দ্বারা। অন্য কোনো শ্রেণীর সংস্কৃতি ও মতাদর্শের দ্বারা এই সংস্কৃতি পরিচালিত হতে পারে না। এক কথায়, নয়াগণতান্ত্রিক সংস্কৃতি হলো সর্বহারাশ্রেণীর নেতৃত্বাধীন জনগণের সাম্রাজ্যবাদবিরোধী এবং সামন্তবাদবিরোধী সংস্কৃতি।”

মাও সেতুঙ, নয়াগণতন্ত্র সম্পর্কে (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: শাহেরীন আরাফাত

মার্ক্সবাদ হাজার হাজার সত্যের সমষ্টি, কিন্তু এগুলো সবই কেন্দ্রীভূত হয় একটিমাত্র বাক্যে – ‘বিদ্রোহ ন্যায়সঙ্গত’। হাজার হাজার বছর ধরে এটা বলে আসা হচ্ছিলো যে, দাবিয়ে রাখাটা ন্যায়সঙ্গত, শোষণ করাটা ন্যায়সঙ্গত এবং বিদ্রোহ করা অন্যায়। এই পুরনো সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র মার্ক্সবাদের উদ্ভবের পরই উল্টে গেলো। এটা একটা মহান অবদান। সংগ্রামের মধ্য দিয়েই সর্বহারাশ্রেণী এই সত্যকে শিখেছে এবং মার্ক্স এই উপসংহার টেনেছেন। আর তারপর এই সত্য থেকেই আসে প্রতিরোধ, সংগ্রাম, সমাজতন্ত্রের জন্য লড়াই।”

মাও সেতুঙ, স্তালিনএর ষাটতম জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে ইয়োনানে সর্বস্তরের জনগণের সমাবেশে প্রদত্ত ভাষণ থেকে (বিস্তারিত…)


gpcr-1966-2

লিখেছেন: অজয় রায়

গত ১৬ই মে মহান সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ৫০ বর্ষপূর্তী হয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়নে ১৯৫৬ সালে পুঁজিবাদের পুন:প্রতিষ্ঠার অভিজ্ঞতা ও চীনের প্রারম্ভিক নেতিবাচক অভিজ্ঞতার নিরিখে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের (১৯৬৬১৯৭৬) সূচনা করা হয়েছিল মাও সেতুঙএর নেতৃত্বে।[] চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যেকার যে শক্তিগুলি পুঁজিবাদ পুন:প্রতিষ্ঠা করার পক্ষপাতি ছিল, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে লক্ষ লক্ষ জনসাধারণকে সংগঠিত করা হয়েছিল। পার্টি ও রাষ্ট্রের মধ্যেকার বিশেষ সুবিধাভোগী আমলাতন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে বিদ্রোহ করার অধিকার দেওয়া হয়। যখন স্লোগান ওঠে, সদর দপ্তরে কামান দাগো। স্পষ্টতই সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের অর্থ হচ্ছে কমিউনিস্ট পার্টিকে জনগণের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে যুক্ত হতে হবে। এটাই মাও সেতুঙএর সূত্রায়িত গণলাইন। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আনোয়ার হোসাইন ফার্মার

tachai-12নেকড়ের ডেরা” চীনের একটি গিরিখাতের নাম। বন্যার সময় যার দেড় কিলোমিটার অঞ্চল দিয়ে পাগলা ঘোড়ার বেগে পাহাড়ি ঢল বয়ে যেতো। চীনের লোকসঙ্গীতে আছে এরকম – “নেকড়ের ডেরা গিরিখাতে আছে তিন তিন শয়তান : ঢল, পর্বত আর নেকড়ের ক্ষুধা, শুকনো মৌসুমে গজায়না একটাও ঘাস বর্ষায় নামে শুধু মহা সর্বনাশ।” সংক্ষেপে এ হচ্ছে গিরিখাতের যথার্থ বর্ণনা। (বিস্তারিত…)


জোনাহ রাস্কিন

অনুবাদ: মেহেদী হাসান

প্রথম পর্বের পর

death-of-a-red-heroineরেড হিরোইন” প্রসঙ্গে বলতে গেলে, যে ডেথ অফ এ রেড হিরোইন উপন্যাসের শিরোনামে যে নির্দেশিত হয়েছে, প্রথম হতেই সে রহস্যময়, যতক্ষণ পর্যন্ত না একেবারে শেষের দিকে পাঠক তার সমন্ধে সত্যটি জানতে পারে। কোন সময়ই সে উপন্যাসে জীবন্ত অবস্থায় আবির্ভূত হয় নাযদিও তাকে ফ্লাশব্যাকে দেখানো হয়এমনকি তার মৃত্যুর পর পুলিশ তার নামের সাহায্যেও তাকে শনাক্ত করতে পারে নি। তার ময়না তদন্তে বের হয়ে আসে যে, নিহত হওয়ার অল্পকিছুক্ষণ পূর্বে সে যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হয়েছিল। উপন্যাসটির প্রথম উত্তেজনাকর লাইনটিতে, জিয়ালং বলে, লাশটি পাওয়া যায় ১৯৯০ সালের ১১ মে বিকেল ৪৪০ মিনিটে, পশ্চিম সাংহাই থেকে প্রায় বিশ মাইল দূরবর্তী বেইলী ক্যানেলের বহির্মুখে। পরবর্তী বাক্যে সে পুলিশ বাহিনীর সদস্য গাও জিলিং নামের চেনের একজন সহকর্মী এবং পুরাতন বন্ধুর সাথে পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দেয়। তৎপরবর্তীতে একটা লম্বা অনুচ্ছেদে, জিয়ালং একের পর এক উল্লেখ করতে থাকে, “একটি পারমানবিক পরীক্ষা কেন্দ্র”, “সাংস্কৃতিক বিপ্লব” এবং “সাংহাইতে একটি আমেরিকান কোম্পানী” এর কথা। (বিস্তারিত…)


জোনাহ রাস্কিন

অনুবাদ: মেহেদী হাসান

qiu_xiaolongকিউ জিয়ালং অতিপ্রজ এই চীনা উপন্যাসিক ১৯৫৩ সালে সাংহাইতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮৮ সাল হতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে আসছেন তিনি লাল শব্দটির এবং লাল রঙটির প্রতি বিশেষ রকম মোহ সৃষ্টি করেছেন, তবে তা হঠাৎ করে নয়, যখন থেকে তিনি লাল চীন সমন্ধে লেখা শুরু করেছেন। শিরোনামে লাল অন্তর্ভূক্ত তার নব্য ধারার তিনটি উপন্যাসঃ ডেথ অফ এ রেড হিরোইন (২০০০), হোয়েন রেড ইজ ব্ল্যাক (২০০৪), এবং রেড মান্দারীন ড্রেস (২০০৭)। এই তিনটি বইয়ের সবকটাতেই, মূল চরিত্রটি হচ্ছে একজন সংবেদনশীল, কবিতা প্রেমিক, তৎসত্ত্বেও কঠিন মানসিকতার পুলিশ ইনস্পেক্টর যে সাংহাই পুলিশ ব্যুরোতে কাজ করে; মাসিক বেতনভোগী হিসেবে এবং ফ্রীল্যান্স ব্যক্তিগত গোয়েন্দা হিসেবে ভাড়ায় নয়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

ukraine_map_crimea_sevastopol_simferopolগত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইউক্রেনে উডার, হোমল্যান্ড এবং সভোবোদার মতো চরম দক্ষিণপন্থী বিরোধী দলগুলি সহিংস বিক্ষোভের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ভিক্টর ইয়ানুকোভিচকে। যিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিবর্তে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছিলেন। সেজন্যই ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাকে অপসারণে মদত জুগিয়েছে। আর ভূরাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে কর্তৃত্ব কায়েম করে রাশিয়াকে চাপে ফেলতে কিয়েভে গড়েছে এমন এক পুতুল সরকার, যা তাদের নির্দেশিত জনবিরোধী নয়াউদারবাদী সংস্কার কর্মসূচী সম্পূর্ণ ভাবে কার্যকর করতে প্রস্তুত। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অজয় রায়

china-congress-1বর্তমানে চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। তবে দেশটি ক্রমশ বিশ্ব পুঁজিবাদী ব্যবস্থার সঙ্গে আরও সমন্বিত হচ্ছে। আর চীন যদিও উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, সেদেশের নিম্ন মজুরির দরুন বিশ্বের বহুজাতিক সংস্থাগুলি দেশটির থেকে বিপুল মুনাফা লুটছে।

স্পষ্টতই ব্যাপক মাত্রায় বিনিয়োগের ও রপ্তানির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে চীন। আর সেদেশের রপ্তানির দুইতৃতীয়াংশই বিক্রি করা ও জাহাজে তেলা হচ্ছে অচীনা কোম্পানিগুলির সম্পূর্ণ বা আংশিক মালিকানাধীন কারখানার থেকে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম

us-aggressionএকটি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রাম কিংবা আগ্রাসনবিরোধী লড়াইয়ে আরেকটি রাষ্ট্রের সহযোগিতা গ্রহণ বিরল কোনো দৃষ্টান্ত নয়, বরং ইতিহাসে এর উদাহরণ ভুরি ভুরি। চিয়াং কাইশেকের সরকারের বিরুদ্ধে চীনা বিপ্লবে যেমন সোভিয়েত ইউনিয়নের সাহায্য নেয়া হয়েছিল তেমনি ভিয়েতনামে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ভিয়েতকংয়ের নেতৃত্বে গেরিলা লড়াইয়ে পাওয়া গিয়েছিল গণচীনের সহযোগিতা। এছাড়া সারা বিশ্বেই বিপ্লব ও রাজনৈতিক সংগ্রাম পরিচালিত হয়ে থাকে সে দেশের আপন ভূমিতে বসেই। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: শাহ্জাহান সরকার

shahbagh-1জাগো প্রজন্ম চত্বর জাগো

দূর্বার সংগ্রামে জাগো

মুক্তির সংগ্রামে জাগো

আলোর পথে জাগো

বিপ্লবের পথে জাগো

জাগো জনতা জাগো

শ্রমিক, কৃষক জাগো (বিস্তারিত…)