Posts Tagged ‘গুম’


লিখেছেন: সারোয়ার তুষার

বহুদিন পর উঁহু, সম্ভবত এই প্রথম বস কোনো কাজের কাজ দিয়েছে বলে মনে হলো তার। চাকরিতে জয়েন করার পর এ পর্যন্ত যেসব অ্যাসাইনমেন্ট তূর্য পেয়েছে, সেসব শুধুমাত্র জঘন্যই না, অনেকটা ‘ডোন্ট ডিস্টার্ব দ্য বিগ ব্রাদার’ টাইপ। তারপরেও করতে হতো। করতে হয়। অন্নসংস্থান বলে কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করার পর কি করবো, কি করবো এই যখন অবস্থা তূর্যের, তখন বন্ধুস্বজন অনেকেই সাংবাদিকতায় ঢোকার পরামর্শ দিয়েছিল। সেই অর্থে আটটাপাঁচটা ডিউটি নাই, ফ্রিডম আছে। আর তার যেহেতু লেখালেখির বাতিক আছে, সেই সুযোগও নাকি পাওয়া যাবে। শিক্ষকতায় ঢুকতে পারলে নাকি সবচেয়ে ভালো হতো অবারিত স্বাধীনতা, আবার জাতির বিবেকও নাকি হওয়া যায়! শুনেই তূর্যের ভিড়মি খাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল, আরঙ্গে সঙ্গেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলো যাক, তাহলে সাংবাদিকতাই ভালো। শিক্ষক হয়ে জাতির বিবেক মারার মত রুঢ় পরিহাস তো অন্তত করতে হবে না। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: সুস্মিতা চক্রবর্তী

bondukকতটা পীড়ন রক্তের মত ঝরে!

ওরা গুম হয় ওরা খুন হয়,

দেশে দেশে ঘরে ঘরে!

বঞ্চনাভরা ওদের বসতি,

কেড়ে নেয়া মাঠে ওদেরই অস্থি; (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

felani-1ফেলানি হত্যা দুনিয়াজুড়ে সাড়া জাগানো সীমান্ত হত্যাকাণ্ড। তারও কারণ আছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্তে আড়ালে আবড়ালে নিয়ত হত্যা, গুম, ধর্ষণ এখন মামুলি বিষয়। বিশেষ করে এর শিকার হচ্ছে বাংলাদেশি গরীব জনগণ। ফেলানির বিষয়টা এতটা চাউর হবার কারণ হচ্ছে সে গুলি খেয়ে বিশ্বমিডিয়ার নজরে পড়ার মতো ভয়াবহভাবে ঝুলে ছিল কাঁটাতারে। এরকম আরেকটা দৃশ্য আমাদের মনে পড়ে যাবে, সার্বিয়রা যখন বসনিয়দের পাইকারিহারে হত্যা ধর্ষণ গুম করছিল। (বিস্তারিত…)


peppar-sprayমারাত্মক রাসায়নিক দ্রব্যাদি মিশ্রিত পেপার স্প্রে (যাতে মরিচের গুড়া রয়েছে বলে বলা হয়) বিপজ্জনক কুকুরকে ঘায়েল করার বড় অস্ত্র। http://www.liquidfence.com-এ বলা হয়েছে, কুকুরের ক্ষেত্রে এটা একশত ভাগ কার্যকরি। শুধু কুকুর বা এ জাতীয় হিংস্র জন্তু জানোয়ার ঘায়েল করার জন্যই যে শুধু পেপার স্প্রে ব্যবহৃত হয় তাই নয়, প্রতিবাদী জনগণের প্রতিরোধ সংগ্রাম প্রতিহত করতে এই বিপজ্জনক দ্রব্যটি স্বৈরতান্ত্রিক শাসন রয়েছে এমন কোনো কোনো দেশে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পেপার স্প্রের মতো ভয়ানক ক্ষতিকর দ্রব্যটি ব্যবহৃত হচ্ছে ১৯৭৩ সাল থেকে খোদ মার্কিন মুলুকে। এফবিআই এবং মার্কিন ডাক বিভাগ প্রথম দিকে ভয়ঙ্কর ব্যক্তি এবং জন্তু জানোয়ার ঘায়েল করতে এটি ব্যবহার করে। আর তখন থেকে কমবেশি অনেক দিন পর্যন্তই তারা এটি ব্যবহার করছে। মার্কিন বিচার বিভাগের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জাস্টিসএর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, পেপার স্প্রে সহিংস ও বিপজ্জনক জনগোষ্ঠীর প্রতিবাদ দমনে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আর স্প্রে আক্রান্ত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের আইনি হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে মার্কিন সংবাদ মাধ্যমগুলোর বিভিন্ন সময় খবর দিয়েছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: দেবাশীষ ধর

ঘুমন্ত কঙ্কাল...ম্যানহোলের বিছানায়

শরীর ঘুমিয়ে

যেখানে বয়ে নর্দমার রং লাল

তরতাজা রক্ত।

জেগে থাকা প্রখর চোখসব

বহু তর্কের মুখেরা

বিবেকীটিবেকী মানবিক্লায়ুদল

আবেগী স্বপ্নরা

মধ্য সকালের জাগৃতির ছন্দরা

ডুবেছে বোবার পেয়ালায়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

এ লেখার শুরুতে আমাকে যে বিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে তা হল কি লেখা উচিৎ আর কি লেখা উচিৎ নয়! কি বলা উচিৎ আর কি বলা উচিৎ নয়। কবিতার সেই পঙক্তির মতধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না, বলা যায় না কথা, রক্ত দিয়ে পেলাম শালার এ কোন স্বাধীনতা”। কলাপ্সিবল দরজায় তালা ঝুলিয়ে বন্ধ ঘরে আকাশ সংস্কৃতিতে ভাসছি আর ভাবছি বড্ড স্বাধীন। খাচ্ছি, ধাচ্ছি, ঘুমোচ্ছি, রমণী রমণে রাত পার করে এই যে মূক ও বধীর জীবনযাপন করছি, হয়তো এটাই সুস্থতা কিংবা হয়তো চরম অসুস্থতা।

ক্রসফায়ার...তবুও কোথায় কিসের যেন এক তাড়না অনুভবে এ লেখা লিখছি। এবার যে কথার অবতারণায় এত কথা বললাম সে প্রসঙ্গে আসি। ক্রসফায়ার, হত্যা, খুন, গুম, লুটপাট, চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণ, দুর্ঘটনা, প্রতারণা প্রভৃতি আইনশৃঙ্খলার স্বাভাবিক উন্নতিঅবনতির সূচক। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্রসফায়ার, হত্যা, খুন, গুম এখন যেন আমাদের সংস্কৃতির অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। আমরা এমন এক অভাগা জাতি যে, এই জাতীয় ক্রসফায়ার, হত্যা, খুন, গুমের ঘটনাকে আমরা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা রূপে দেখার অভ্যস্ততায় একসময় নিজেই হয়ত এর শিকারে পরিণত হচ্ছি। কেউ খুন, গুম করে খুন বা গুম হয়, আবার কেউ কিছু না করেও খুন, গুম হয়। অনেক সময় খুনি/গুমকারী লাভ করে সামাজিকরাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা। হত্যা মামলা না থাকলে জননেতা হওয়া যায় না। রাজনৈতিক কারণে হত্যা ও ক্ষমতায় থাকলে হত্যা মামলা প্রত্যাহার, ফাঁসির দণ্ড মওকুফ কিসের নির্দেশক? আমাদের বসবাস কি খুনে সংস্কৃতির মাঝে? এটা কি একটা জাতির জাতীয় মনোবৈকল্য?

রাজনৈতিক কারণে ক্রসফায়ার, হত্যা, গুমের ইতিহাস কি? শুরু,সমাপ্তি, কারণ ও এর সমাধান কি? যে কোন সচেতন মানুষকেই তা ভাবিয়ে তুলতে বাধ্য। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: অরবিন্দ অনন্য

ভারি ভারি দামি দামি অস্ত্রে ভরে গেছে অস্ত্রাগারগুলো

সজ্জিত হচ্ছে নানা রঙে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বাহিনীর সব সদস্য

নানা নামের ইউনিট গুলোতে পৌঁছে যাবে অস্ত্রগুলো

খেয়ালখুশি মতো ঝাঁপিয়ে পড়বে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বাহিনী

আলপনা এঁকে দিবে লাল রক্তে; দুমড়ে মুচড়ে যাবে

আলোর মিছিলের সব গুলো হাত পা এমনকি মুখও

বিচার হবে না, থামবে না সন্ত্রাসের মহড়া

নানা ঢঙের নানা রঙের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের !

মাঝে মাঝে রাষ্ট্রের হুকুমে ইনডিমিনিটি জারি হবে ; (বিস্তারিত…)