Posts Tagged ‘গণনিপীড়ন’


সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

দমনমূলক আইনী সংস্কার :: গণ অধিকারের প্রশ্ন

shova-1আজ ০৫ অক্টোবর ২০১৩, গণঅধিকার সংগ্রাম কমিটি’র উদ্যোগে পরীবাগে সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে “দমনমূলক আইনী সংস্কার : গণ অধিকারের প্রশ্ন” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অরিন্দম হিজল (সদস্য, দাবানল), উপস্থাপনা করেন রিয়াদ (সদস্য, শ্রমজীবি সংঘ)। সভায় বক্তব্য রাখেন হাসনাত কাইয়ুম (হাইকোর্টের আইনজীবি; আহবায়ক, গণতান্ত্রিক আইন ও সংবিধান আন্দোলন), . নুরুন্নবী (সভাপতি, গণসংস্কৃতি পরিষদ), এহতেশাম উদ্দিন (যুগ্ম আহবায়ক, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চ) প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা আইনী সংস্কারের মাধ্যমে ক্রমাগত গণনিপীড়ন বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেন। সভায় বক্তারা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী, সন্ত্রাস বিরোধী আইন, শিক্ষা আইন, শ্রম আইন, তথ্য প্রযুক্তি আইন নিয়ে আলোচনা করেন। (বিস্তারিত…)

ভারতে বহুজাতিক কোম্পানির আগ্রাসন এবং কিষেনজির মৃত্যু

Posted: এপ্রিল 22, 2012 in আন্তর্জাতিক, মন্তব্য প্রতিবেদন
ট্যাগসমূহ:, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

লিখেছেন: নেসার আহমেদ

কমরেড কিষেনজি

২৪শে নভেম্বর ২০১১, পশ্চিমবঙ্গের শালবিহারের বুড়িশোলের সোরাকোটা গ্রামে জঙ্গলে পুলিশ মাল্লাজুল্লা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেনজিকে গ্রেফতার ও পরে গুলি করে হত্যা করে। কিষেনজি ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মাওবাদী)’র পলিটব্যুরোর সদস্য এবং একজন শীর্ষ নেতা। তাঁর মৃত্যুর সূত্র ধরে ভারতের রাজনীতিতে নানান মাত্রার বিতর্ক শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যৌথ বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষেই কিষেনজির মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু ঘটনার পরদিন গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা সমিতি (এপিডিআর) সহ ২৪টি মানবাধিকার সংগঠন, অন্ধ্রপ্রদেশের বিশিষ্ট কবি ও চিন্তাবিদ ভারভারা রাও দাবি করেছেনকিষেনজিকে বন্দি অবস্থায় খুন করা হয়েছে। সিপিআই সাংসদ গুরুদাস দাশগুপ্ত ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পালানিয়প্পন চিদম্বরমকে চিঠি লিখে ঘটনার তদন্ত চেয়েছেন। তাঁরও দাবি কিষেনজিকে গ্রেফতারের পর হত্যা করা হয়েছে। প্রখ্যাত লেখিকা ও মানবাধিকার নেত্রী মহাশ্বেতা দেবী কিষাণজিকে হত্যা করার প্রতিক্রিয়া হিসেবে মমতাকে ফ্যাসিস্ট হিসেবে সমালোচনা করেছেন এবং বিধানসভা সদস্য ও গায়ক কবির সুমনের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতার দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। অবশ্য এর বিপরীত মতামতও রয়েছে। যেমন ভারতের শাসক শ্রেণী, কর্পোরেট মালিক এবং গণমাধ্যমগুলো দাবি করছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার গঠন করার ৬ মাসের মধ্যে কিষেনজিকে হত্যা করতে পারা মমতা ব্যানার্জির জন্য বড় মাপের সাফল্য! কিন্তু ঘটনা কি আসলেই তাই? কারণ কিষেনজিকে হত্যা করা হয়েছে এমন একটি সময়ে, যখন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের সাথে মাওবাদীদের আলোচনা চলছিল। এবং কিষেনজিকে হত্যার পরপরই মাওবাদীরা আলোচনা প্রক্রিয়া ভেঙ্গে দিয়েছেন। পাশাপাশি মধ্যস্থতাকারীরা তাঁদের নাম প্রত্যাহার করেছেন। ফলে সব মিলিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা নাজুক। সেটা যেমন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য, তেমনি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের জন্যও। কারণ কিষেনজির হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে মাওবাদীদের মুখ থুবড়ে পড়ার সম্ভাবনা আদৌ কতটুকু? এ প্রশ্নের সদুত্তর পাওয়া যাবে মূলত ভারতের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে। (বিস্তারিত…)