Posts Tagged ‘খুন’


লিখেছেন: সুস্মিতা চক্রবর্তী

bondukকতটা পীড়ন রক্তের মত ঝরে!

ওরা গুম হয় ওরা খুন হয়,

দেশে দেশে ঘরে ঘরে!

বঞ্চনাভরা ওদের বসতি,

কেড়ে নেয়া মাঠে ওদেরই অস্থি; (বিস্তারিত…)


abstract_art_4খুন

খুব জমেছে আড্ডা :

ও দিকে স্যাঁকা হচ্ছে কাবাব,

এদিকে গেলাশে লালচে সুরা।

বয়ান করছে সবাই, উস্‌কো দাড়িটেকো মাথাখুস্‌কো চুলবিপ্লবী গোঁফ : (বিস্তারিত…)


peppar-sprayমারাত্মক রাসায়নিক দ্রব্যাদি মিশ্রিত পেপার স্প্রে (যাতে মরিচের গুড়া রয়েছে বলে বলা হয়) বিপজ্জনক কুকুরকে ঘায়েল করার বড় অস্ত্র। http://www.liquidfence.com-এ বলা হয়েছে, কুকুরের ক্ষেত্রে এটা একশত ভাগ কার্যকরি। শুধু কুকুর বা এ জাতীয় হিংস্র জন্তু জানোয়ার ঘায়েল করার জন্যই যে শুধু পেপার স্প্রে ব্যবহৃত হয় তাই নয়, প্রতিবাদী জনগণের প্রতিরোধ সংগ্রাম প্রতিহত করতে এই বিপজ্জনক দ্রব্যটি স্বৈরতান্ত্রিক শাসন রয়েছে এমন কোনো কোনো দেশে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পেপার স্প্রের মতো ভয়ানক ক্ষতিকর দ্রব্যটি ব্যবহৃত হচ্ছে ১৯৭৩ সাল থেকে খোদ মার্কিন মুলুকে। এফবিআই এবং মার্কিন ডাক বিভাগ প্রথম দিকে ভয়ঙ্কর ব্যক্তি এবং জন্তু জানোয়ার ঘায়েল করতে এটি ব্যবহার করে। আর তখন থেকে কমবেশি অনেক দিন পর্যন্তই তারা এটি ব্যবহার করছে। মার্কিন বিচার বিভাগের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জাস্টিসএর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, পেপার স্প্রে সহিংস ও বিপজ্জনক জনগোষ্ঠীর প্রতিবাদ দমনে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আর স্প্রে আক্রান্ত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের আইনি হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে মার্কিন সংবাদ মাধ্যমগুলোর বিভিন্ন সময় খবর দিয়েছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: আলবিরুনী প্রমিথ

garments-10সম্রাট অশোকের সময়কার একটি প্রচলিত মিথ ছিলো এমনসম্রাট একদিন বিশাল আকৃতির একটা ষণ্ডকে চিকন দড়ির চিকন ছোটখাটো একটা খুঁটির সাথে বাঁধা দেখে জিজ্ঞেস করলেন ‘তুমি এই সামান্য দড়ি ছিড়ে সামান্য খুঁটি উপড়ে মুক্ত হতে পারোনা?’ ষন্ডের উত্তরবিলক্ষণ পারি। এরচে ১০ গুণ শক্ত হলেও পারি, কিন্তু পারবোনা, কারণ এটাই নিয়ম।’ এই নিয়মকে একবিংশ শতাব্দীতে টেকনোলজিকাল এডভান্সমেন্টের যুগে, আরবানাইজড প্রগরেসমেন্টের জমানায় ‘সিস্টেম’ বলে। এই সিস্টেমে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার থেকে শুরু করে পাড়ার মুচি পর্যন্ত পাঁড় ধান্দাবাজ। অনেক ছয় কে নয় করে দেওয়া যায়। চিটেগুড়ের দোকানদার হয় এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড গার্মেন্ট ফ্যাক্টরীর মালিক, ভূষিমালের আড়ৎদার হয় আইটি এক্সপার্ট। এই সিস্টেমে ইয়া বিশাল সব অট্টালিকা হয়, আলিশান দালান হয় সাথে সাথে মেট্রোপলিটন সিটির বীভৎসতাও চোখের সামনে চলে আসে। এই বৈপরীত্য দেখে কুখ্যাত দেং জিয়াও পিং এর ‘কালো বিড়াল’ তত্ত্বের কথা মনে পড়ে। তিনি বলতেন, ‘বিড়াল সাদা না কালো তা দেখার দরকার নেই, শিকার করতে পারলেই হলো।’ তারই ছোঁয়া আজ বাংলাদেশে দেখি। নানাবিধ বৈদেশিক বাপেদের বদান্যতায়, টাকার গন্ধে নিমেষের মাঝে বাংলাদেশ বিশেষত ঢাকা বনে গেছে সম্পদ বানাবার ওয়ান্ডারল্যান্ড। কুৎসিত, কদাকার সব চিত্র সামনে প্রায়শই চলে আসলেও কোন অসুবিধা হচ্ছেনা। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: বন্ধু বাংলা

এ লেখার শুরুতে আমাকে যে বিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে তা হল কি লেখা উচিৎ আর কি লেখা উচিৎ নয়! কি বলা উচিৎ আর কি বলা উচিৎ নয়। কবিতার সেই পঙক্তির মতধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না, বলা যায় না কথা, রক্ত দিয়ে পেলাম শালার এ কোন স্বাধীনতা”। কলাপ্সিবল দরজায় তালা ঝুলিয়ে বন্ধ ঘরে আকাশ সংস্কৃতিতে ভাসছি আর ভাবছি বড্ড স্বাধীন। খাচ্ছি, ধাচ্ছি, ঘুমোচ্ছি, রমণী রমণে রাত পার করে এই যে মূক ও বধীর জীবনযাপন করছি, হয়তো এটাই সুস্থতা কিংবা হয়তো চরম অসুস্থতা।

ক্রসফায়ার...তবুও কোথায় কিসের যেন এক তাড়না অনুভবে এ লেখা লিখছি। এবার যে কথার অবতারণায় এত কথা বললাম সে প্রসঙ্গে আসি। ক্রসফায়ার, হত্যা, খুন, গুম, লুটপাট, চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণ, দুর্ঘটনা, প্রতারণা প্রভৃতি আইনশৃঙ্খলার স্বাভাবিক উন্নতিঅবনতির সূচক। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্রসফায়ার, হত্যা, খুন, গুম এখন যেন আমাদের সংস্কৃতির অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। আমরা এমন এক অভাগা জাতি যে, এই জাতীয় ক্রসফায়ার, হত্যা, খুন, গুমের ঘটনাকে আমরা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা রূপে দেখার অভ্যস্ততায় একসময় নিজেই হয়ত এর শিকারে পরিণত হচ্ছি। কেউ খুন, গুম করে খুন বা গুম হয়, আবার কেউ কিছু না করেও খুন, গুম হয়। অনেক সময় খুনি/গুমকারী লাভ করে সামাজিকরাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা। হত্যা মামলা না থাকলে জননেতা হওয়া যায় না। রাজনৈতিক কারণে হত্যা ও ক্ষমতায় থাকলে হত্যা মামলা প্রত্যাহার, ফাঁসির দণ্ড মওকুফ কিসের নির্দেশক? আমাদের বসবাস কি খুনে সংস্কৃতির মাঝে? এটা কি একটা জাতির জাতীয় মনোবৈকল্য?

রাজনৈতিক কারণে ক্রসফায়ার, হত্যা, গুমের ইতিহাস কি? শুরু,সমাপ্তি, কারণ ও এর সমাধান কি? যে কোন সচেতন মানুষকেই তা ভাবিয়ে তুলতে বাধ্য। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: রাশেদুল হক

গতকাল গভীর রাতে

একটি খুনের ঘটনা ঘটেছে

খুনীকে সনাক্ত করতে পারেনি কেউ

মৃতের দেহে পাওয়া গেছে সতেরোটি বুলেট

খবরের কাগজগুলো ঘটা করে ছাপিয়েছে তা

প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জনমনে

একটি মৃতদেহে এতো বুলেট কেন!

আমি জানি

এ প্রশ্নের জবাব আমি ছাড়া আর কারো জানা নেই (বিস্তারিত…)


লঞ্চ দুর্ঘটনা না খুন :: একটি অবাস্তবায়িত তদন্ত রিপোর্টের আলোকে মেঘনার লঞ্চ ডুবি নিয়ে কিছু প্রশ্ন

লিখেছেন: ব্লগার “দিনমজুর” (সামহোয়্যারইনব্লগ)

প্রায় বছর খানেক আগে ২০১১ সালের ২১ এপ্রিল ভৈরবসাচনাসুনামগঞ্জ রুটে চলাচলরত এমভি বিপাশা নামক একটি লঞ্চ ভৈরব হতে যাত্রী ও মালামাল নিয়ে সাচনা যাবার পথে মেঘনা নদীতে অন্য একটি নিমজ্জিত কার্গো জাহাজের সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে যায়, প্রাণ যায় ৩৩ জন যাত্রীর। এই ঘটনার পর যথারীতি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং তদন্ত রিপোর্টে দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ ও তার প্রতিকারের জন্য অনেকগুলো সুপারিশও করা হয়। গত তিরিশ বছরে এরকম ৬শ’রও বেশি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে যেগুলো আলোর মুখ দেখেনি বা দেখলেও সুপারিশগুলো বাস্তবায়িত হয়নি।

গত সোমবার রাতে মেঘনা নদীতে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় শরীয়তপুর থেকে ঢাকাগামী এমভি শরীয়তপুর১ নামক লঞ্চটি যদিও নিমজ্জিত কার্গো জাহাজের সাথে ধাক্কার বদলে চলমান একটি কার্গোর জাহাজের ধাক্কায় ৭০ফুট পানির নীচে ডুবে যায়, আমরা মনে করি, এমভি বিপাশা’র তদন্ত রিপোর্টটিতে ধাক্কা লেগে লঞ্চ ডুবে যাওয়া বিষয়ে যে কারিগরী ও ব্যাবস্থাপনাগত ত্রুটির কথা এসেছে, তার বেশির ভাগই এবারের ’দুর্ঘটনা’র ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক। সমস্যা চিহ্নিত করার পরও যদি সেই সমস্যার সমাধান না করা হয় এবং তার ফলে যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটে, মানুষের মৃত্যু হয় তখন সেটাকে আর দুর্ঘটনা বলা যায়না, তখন সে ঘটনা হয়ে যায় হত্যাকান্ড। এই আলোচনার মাধ্যমে প্রশ্ন তুলতে চাই, আর কিছু না হোক, অন্তত: এক বছর আগের এমভি বিপাশার ডুবে যাওয়া বিষয়ক তদন্ত রিপোর্ট যদি বাস্তবায়িত হতো তাহলে কি এমভি শরীয়তপুর১ লঞ্চটির সাথে রাত্রীকালে কোন কার্গো জাহাজের সাথে সংঘর্ষ হতো? সংঘর্ষ হলেও কি লঞ্চটি ডুবতো? কোন কারণে লঞ্চটি ডুবলেও কি এত যাত্রী খুন হতো? (বিস্তারিত…)


লিখেছেন:খোন্দকার সোহেল

নরক যন্ত্রণায় ধুকছি অবিরাম

প্রকৃতির খেয়ালেই চলছে জীবন।

যৌবনের জয়গান মানেই মুষ্ঠিবদ্ধ হাত

আর বাক্যের তীব্র কষাঘাত।

রক্তের স্ফুলিঙ্গ দেহকে আজও প্রতিবাদী হতে বলে,

হাত বলে-“মশাল ধর, পুড়িয়ে দাও বজ্জাতের সিংহাসন”।

চোখ দু’টোও রক্তিম আভায় বিপ্লবের কথা বলে,

বিবেক বলে-“পোষ্য হয়ে নয়,

বেছে নাও অবাধ্যের জীবন। (বিস্তারিত…)