Posts Tagged ‘কয়লা’


টুকরো ছবির মধ্যে ভারতকে যতটুকু চিনতে পারলাম

লিখেছেন: রক্তিম ঘোষ

তোমরা রয়েছ এদেশের নিঃশ্বাসে

india_movement-1খিদে পেলে আর কি করা যাবে?৩ দিন কিছুই জোটে নি যে। বরং দেবুটা ঠিকই বলেছিল, বাড়িতে হানা দিতে হত। তাহলে এক ধাক্কায় মধুরেণ সমাপয়েৎ হত আর কি। তা আর হল কই?উৎসবের দিন বাড়িতে হানা দেবো না, এমন বিবেক বোধ জাগল আমার!! ! দূর দূর। মাঝখান থেকে তিন দিন না খেয়ে, না ঘুমিয়ে, তাড়া খেয়ে ফিরতে হচ্ছে। উৎসব বলে ছাড় দিলে না উজবুকগুলো!!

যাক গে হাত কামড়ে আর কি হবে?এদিকে সারারাত মশার কামড়ে যান কয়লা হয়ে গেল এক্কেরে। নেহাত উনি বাইরে এসেছিলেন তাই ……। মাস্টারদা বলেন ধর্ম তো বুকের ভিতর সবার এক, বাইরের সাজপোশাক আলাদা। একটু সঙ্কোচ হচ্ছিল বটে, তারপর আর সইল না। এগিয়ে গেলাম। একদম আমার মায়ের মতো মুখটা। সত্যি বলছি বিশ্বাস করুন! (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: জাহেদ সরওয়ার

sundarbansবাংলাদেশে সম্প্রতি দুইটা কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প হওয়ার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড’ ও ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ‘ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার করপোরেশন’ (এনটিপিসি), ও জাপানি বহুজাতিক জাইকা যৌথভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একটা বাঘেরহাট জেলা তথা সুন্দরবনের রামপাল এলাকায়। এটা করছে ভারতের এনটিপিসি কোম্পানি। অন্যটা করা হচ্ছে কক্সবাজার জেলার মহেশখালির মাতারবাড়ি ইউনিয়নে। এটা করছে জাপানি বহুজাতিক কোম্পানি জাইকা। আপাতচোখে দেশে কোনো একটা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মনে হয় দেশের উন্নতি হচ্ছে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: ব্লগার “দিনমজুর” (সামহোয়্যার ইন ব্লগ)

ভারতের একটি খবর

গত ৮ অক্টোবর ২০১০ তারিখে ভারতের দ্যা হিন্দু পত্রিকায় একটি খবর প্রকাশিত হয়, শিরোনাম: “মধ্যপ্রদেশে এনটিপিসি’র কয়লা ভিত্তিক প্রকল্প বাতিল”। খবরে বলা হয়: জনবসতি সম্পন্ন এলাকায় কৃষিজমির উপর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গ্রহন যোগ্য হতে পারে না বলে ভারতের কেন্দ্রিয় গ্রীন প্যানেল মধ্যপ্রদেশে ন্যাশনাল থারমার পাওয়ার করপোরেশন (এনটিপিসি) এর ১৩২০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের অনুমোদন দেয়নি। ভারতের সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি নরসিঙ্গপুর জেলার ঝিকলি ও তুমরা গ্রামের ১০০০ একর জমির উপর একটি ২X৬৬০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছিল।

সম্প্রতি পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের এক্সপার্ট এপ্রাইজাল কমিটি (ইএসি)’র এক সভায় বলা হয়, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির জন্য নির্ধারিত স্থানটি মূলত কৃষিজমি প্রধান এবং এ বিষয়ে প্রকল্পের স্বপক্ষের লোকদের দেয়া তথ্য যথেষ্ট নয়। বলা হয়, “এই স্থানটির বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে দো’ফসলি কৃষি জমি, যা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

কমিটি আরো মনে করে, গাদারওয়ারা শহরের এত কাছে এরকম একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কাঙ্খিত নয়। তাছাড়া, নরমদা নদী থেকে প্রকল্পের জন্য ৩২ কিউসেক পানি টেনে নেওয়াটাও বাস্তবসম্মত নয় যেহেতু রাজ্য সরকার ইতোমধ্যেই আরো অনেক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য এই নদীর পানি বরাদ্দ দিয়ে বসে আছে।

সূত্র: NTPC’s coal-based project in MP turned down

বাংলাদেশের খবর

বাংলাদেশ ভারত জয়েন্ট ভেঞ্চারে বাগেরহাটের রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াটের (X৬৬০) একটি বিদ্যূৎ কেন্দ্র স্থাপিত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ণ বোর্ড (পিডিবি) ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মান পাওয়ার কোম্পানি (এনটিপিসি) যৌথ অর্থায়নে প্রায় এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হচ্ছে আজ ২৯ জানুয়ারি ২০১২। বিদ্যুতের দাম, কয়লার উৎস নির্ধারণ না করেই এবং কৃষি জমি নষ্ট ও পরিবেশগত প্রভাব বিষয়ক আপত্তি উপেক্ষা করেই এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। রামপাল উপজেলার সাপমারি, কাটাখালি ও কৈগরদাসকাঠি মৌজায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ১,৮৩৪ একর ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু করেছে।

সূত্র: Indo-Bangla power deal today

কোথা থেকে কয়লা আসবে বিদ্যুৎ এর দাম কত হবে অনিশ্চিত

সুন্দরবনের পাশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র না করার দাবি

  (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: যীশু মহমমদ

আন্দোলনরত ফুলবাড়িবাসী

বিদ্রোহের আগুন জ্বালাতে সিধুকানুরা বারবারই ফিরে আসে। এ সত্য বৃটিশ বেনিয়ারা আঁচ করতে পারলেও ঔপনিবেশিক ভক্তিরসে নিমজ্জিত, ক্ষমতার সাপলুডুর গুটি, চোরাই বিত্তবানদের ছায়ায় উৎপন্ন আমাদের মধ্যবিত্ত— শাসকশ্রেণীর সাথে অনবরত গাল মিলিয়েই যাচ্ছেন। পুলসেরাতের আশে চড়থাপ্পড় মানঅপমানসব তুচ্ছ ভেবে বিজ্ঞাপনী দুনিয়ার মনোজগতে ভরসার সেজদাদিচ্ছেন আর অন্যদিকে হাটুরে ভদ্রলোকের মতো পার্টিজান বুদ্ধিজীবিকুল বৈতনিক বা অবৈতনিক দুপদ্ধতিতেই তাদের কেবলা ঠিক রাখেন নানা জাতের পেজগী মারা প্রবন্ধ পয়দা করে। হালে টিভিরেডিওতে বাতচিৎ প্রদর্শনী তাদের একটা বিশেষ মাধ্যম। মহাভারতের কথা অমৃত সমান‘—এসব মিডিয়ার কল্যাণে সকল পেজগী অমৃতসমানে পরিণত হয়েছে। অর্থ, পদবি, পুরস্কার এবং অন্যান্য সুযোগসুবিধার বিনিময়ে বিদেশি শক্তির পদলেহনকারী দালালদের অভাব বাঙালির মধ্যে কখনই হয়নি। একবিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশেইবা তার ব্যতিক্রম ঘটবে কেন? মার্কিনবৃটিশ কর্পোরেট শক্তির জন্য তৈলভাণ্ড হাতে অপেক্ষমাণ বিশেষ শ্রেণীর ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, সুশীল প্রজাতি এবং করিত্কর্মা সম্পাদককুলের সারি তাই আজ জনগণের মনোরঞ্জনে যথেষ্ট সহায়তা করে। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: তারিক মাহমুদ

তেলগ্যাসকয়লাসহ ‘জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনে’র এক যুগের পরিক্রমায় উত্থাপিত হয়েছে ‘জাতীয় সার্বভৌমত্ব’, ‘জাতীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যাবহার’ ও ‘জাতীয় সক্ষমতা প্রতিষ্ঠা’র মত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এর পাশাপাশি পরিবেশপ্রতিবেশ রক্ষার প্রশ্নটিও এর বাইরে থাকেনি। ফুলবাড়ীতে ‘উন্মুক্ত পদ্ধতি’তে কয়লা উত্তোলনের আত্নঘাতি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বৃহত্তর দিনাজপুরবাসীর সচেতন অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছেপরিবেশপ্রকৃতির ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে সামষ্টিক সচেতনতা। পরিসংখ্যানগত দিকে নজর দিলেও এটি স্পস্ট, উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনে কয়লার বিনিময় মূল্য থেকে পরিবেশপ্রতিবেশ গত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বহুগুণ বেশি। যে পরিবেশপ্রতিবেশ এর মাঝে আমরা বসবাস করি, তার মধ্য থেকেই জীবনজীবিকার জন্য সম্পদ আহরণ করে থাকি। পরিবেশের এই বাস্তবতার উপরেই নিরর্ভর করে আমাদের জীবনযাপন। ফলে পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতি যে প্রকৃতপক্ষে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর অস্তিত্বের সাথে সম্পর্কিত, তা অনুধাবনে দিনাজপুরবাসীর ভুল হয়নি। বহুজাতিক কোম্পানী ‘এশিয়া এনার্জি’(বর্তমান নাম গ্লোবাল কোল ম্যানেজমেন্ট বা জিসিএম) বিরুদ্ধে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার এই ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ভেতর দিয়েই তাই স্পষ্ট হয়েছে ‘জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা’র প্রশ্ন। সর্বোপরি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী লড়াইসংগ্রামের ইতিহাসে যুক্ত হয়েছে আরেকটি নতুন অধ্যায়। (বিস্তারিত…)