Posts Tagged ‘ক্ষুধা’


লিখেছেন: দোলা আহমেদ

pain-art-2প্রাচীন এক মফস্বল শহর। শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে উত্তাল পদ্মা। শহরের বুক চিরে চলে গেছে ইছামতি নদী। আজ অবশ্য কোন নদীই আর তেমন উত্তাল নয়। ইছামতিকে তো এখন আর খালও বলা যাবে না। বদ্ধ জলাশয় ছাড়া আর কিছু না। পোড়া বাড়ি যেমন শ্রীহীন হয়ে পড়ে ঠিক তেমনই। পদ্মা সারা বছর থাকে এক রাশ বালু বুকে নিয়ে শুধু আষাঢ়শ্রাবণ মাসে ফিরে পায় তার ফেলে আসা হারানো যৌবনের কিছুটা ছোঁয়া। প্রাচীন শহরের আর সেই প্রাচীন রূপ নাই। নাই কোন খেলার মাঠ। নাই কোন ফলের বাগান। কৃষি জমিও এখন আর তেমন নাই। এখন শুধু চারিদিকে বড় বড় বিল্ডিং আর শপিং মল, বড় বড় দোকানপাট। সব কিছু যেন অনেক দ্রুত পাল্টে গেছে। মানুষরাও তার সাথে পাল্লা দিয়ে পাল্টাচ্ছে। (বিস্তারিত…)

Advertisements

লিখেছেন: খোন্দকার সোহেল

সোনাবরুদের হত্যার দায় কী করে এড়াবে এই রাষ্ট্র!!যে সোনাবরু এক মুঠো ভাতের জন্য প্রশ্ন ছুড়ে যায় ‘মা আমরা এত গরীব কেন?’ তার ক্ষুধার্ততায়ই আমি অনশনের সত্যতা খুঁজে পাই। পাই সামগ্রিক স্বত্ত্বার বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ প্রতিবাদী দৃশ্যপট। আমি অনশনের সত্যতা খুঁজে পাই ছিন্নমূল বিলকিসের মাঝে। এরাই বাস্তবিক অর্থে অনশন করছে। সোনাবরুর অনশন ছিল “আমরণ অনশন”, সর্বনাশা এই অনশনের কারণে ফুটফুটে সোনাবরু নিজ গলায়ই ঝুলিয়ে দিয়েছিল ফাঁসির রশি। একমুঠো ভাতের জন্য সোনাবরু মিথ্যে আশ্বাসের শিকার হয়েছিল গর্ভধারিণীর কাছেও। “মা ভাত খাব”, “স্কুলে যা সোনা, এখনও চাল জোগাড় হয়নি। দুপুরে আমরা পেটপুরে ভাত খাব”। ক্ষুধায় কাতর সোনাবরু দু’মুঠো ভাতকে স্বপ্ন বানিয়ে গ্রামের মাঠ ধরেই ছুটে যায় পাঠশালায়। (বিস্তারিত…)


লিখেছেন: প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর

না এখনো

ক্ষিপ্ত হইনি!

ক্ষিপ্ত হতে পারিনি!

হাত পা অদৃশ্য শিকলে বাঁধা

আর ক্ষিপ্ত হলে মাস শেষে

হাত পেতে টাকাটা নিব কোত্থেকে

আর যদি টাকাই না থাকে

তবে ক্ষুধা নিবার হবে কি করে? (বিস্তারিত…)